Friday, March 25, 2016

ঢাকার আবিয়াইত্তা (অবিবাহিত) সিএসএম এর পোলাপাইন


ঢাকার আবিয়াইত্তা (অবিবাহিত) সিএসএম এর পোলাপাইন - মাইয়াডি বিয়া করেনা ক্যারে? গার্ডিয়ানরা একটু সদয় অইলেই কিন্তু সব অইয়া যায়। তাইলেতো বিয়ার দাওয়াতের উসিলায় সবাই মিইল্লা একটা আড্ডাবাজী অইয়া যাইতো যেমনডা অইছে নাজিম কিংবা রিয়াদের (রনির ভাই) বিয়াতে।

আসলেই আর ভাল্লাগছে না। সবাই মিলে যে কোন উসিলায় একসাথে হতে মন চাইছে। চিটাগাংয়ে নাজিমের বিয়েতে যাবো বলে মনে মনে স্থির করেছিলাম। নাজিম ওর বিয়ের কার্ডটাই আমাকে ইনবক্স করে অনেক রিকোয়েস্ট করেছিল। কিন্তু যাওয়াও হলোনা আর CTG CSM বাসীদের সাথে ফেল্ফিও তোলা হলোনা।

রেজা ভাই আমাদেরকে নিয়ে পিকনিক করবে বলে জানিয়ে শ্বশুর বাড়ী যেয়ে দিব্যি মোজ মাস্তি করছেন (আজ বোধ হয় চলে এসছেন)। এর মধ্যে তারিকের বাড়ীতেও একফাঁকে ঢুঁ মেরেছেন যদিও কমিটমেন্ট করেছিলেন আমাকে নিয়েই ওদিকটায় যাবেন। যাই হোক কি আর করার। এদিকে বড়াপা সবাইকে নিয়ে বাবার হাজারো স্মৃতি বুকে ধারন করে বাবার স্মৃতিময় পিত্রালয়ে গিয়েছেন। রিপন ভাই বোধহয় ওনার তারের ব্যবসা নিয়েই ব্যাস্ত মানে তারের জালে একে অপরের সাথে কমিনিউকেট করানোয় ব্যাস্ত। আর আতিক ভাই ছুটির পুরো সময়টাই ফ্যামিলিকে দেন বলেই জানি। খুব্বি ভাল। হাজারো ব্যাস্ততার মাঝে সপ্তাহের একটা দিন ফ্যামিলির জন্যই রাখা দরকার। আমার মতো ছা-পোষা মানুষরা যেটা করে আর কি।

আমরা ঢাকার বাকীরা কি তাইলে গার্ডিয়ানলেস হয়ে গেলাম????????????

দারুন দহন দিনে


খুব গরম পড়ছে।কলোনি তেও গরম পড়ত।কিন্তু গাছপালা বেশি থাকাতে সেটা কখনোই বুঝতে পারতাম না।প্রতিটা বিল্ডিং এর সামনে ছিল নানারকম গাছ,সেটা ফুলের হোক, বা ফলের কিংবা নারকেল গাছ। কয়েক বিল্ডিং পরপর টিউবওয়েল বা ওয়াসার ট্যাংকি। গলা ভেজানোরর জন্য,খেলতে খেলতে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ছেলে মেয়েদের জন্য।সহজে কারো কোন বড় অসুখ হত না।

রাতের বেলা হলে অন্যরকম এক আবহ,নারিকেল গাছের ঝিরিঝিরি বাতাসে গরম যেন নিজের অস্তিত্ব এর জানান দিতে সাহস পেত না।নিচতলার মানিক ভাইকে দেখতাম রাতের বেলা হাটতে হাটতে পুকুরপাড় এ নারিকেল গাছের দিকে চলে যেতেন।ওখানে কাউকে পেলে গল্প করতেন।বাতাসে পুকুরের পানিতে ঢেউ খেলে যেত। বাসার দরজা জানালা খুলে ঘুমাতে কারো মানা ছিল না, চারিদিকে এক অদ্ভুত নিশ্চিন্ত নিরাপত্তায় ঘেরা।

এখন গরম কাল আসে,কিন্তু ছায়াঘেরা পরিবেশ নেই,নেই নারকেল পাতার ঝিরিঝিরি হাওয়া

সপ্তাহে বা ১৫ দিনে ১টি বাংলা সিনেমা দেখাতো বিটিভি তে


সপ্তাহে বা ১৫ দিনে ১টি বাংলা সিনেমা দেখাতো বিটিভি তে (তখন আমরা খালি টিভি ই বলতাম), রাত সাড়ে আট টা থেকে শুরু হতো মাঝখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন টিজ্ঞাপন দেখিয়ে রাত বারোটা পর্য্যন্ত চলত, রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের সময় যখন সিনেমার বিরতি তখন দলবেঁধে সবাই বের হয়ে সিনেমা টির চুলচেরা বিশ্লেষণ সহ বাদবাকি কাহিনী নিয়ে ভবিষ্যৎ বানী শুরু করতাম। আর প্রতিটি সিনেমায় নির্দিষ্ট একটি সংলাপ থাকতো, যেটি পরবর্তী কয়েকটি দিন ছেলে বুড়ো সবার মুখে মুখে ফিরত।

এখন প্রযুক্তির কল্যানে সব বিনোদনই হাতের মুঠোয়, আংগুলের এক চাপে পুরো দুনিয়াটা চোখের সামনে হাজির হয়ে যায় এক নিমিষেই, তারপরও আজো খুজে ফিরি সাদাকালো যুগের সেই ভাবনাহীন, জটিলতা মুক্ত সেই স্বর্ণালী দিনগুলো, বোধ করি আজীবন খুজে ফিরতে থাকবোই।

সেইদিন


মেল্টিং সপের চিমনী আর কলোনীর পানির ট্যাংক-এদু"টো জিনিস ছিল আমাদের পরিচয়েরর প্রতীক। একেবারে রেজিটারড ট্রেড মারক করা । স্টীলারদের কেউ কি কখনো কলোনীর পানির ট্যাংক্টির উপরে উঠেছ?

মনে মনে কোন এক গোধুলি বেলায় পানির ট্যাংকের উপরে উঠে পশ্চিম দিকে তাকালে কেমন লাগতো ভাবোত দেখি। মুঠোফোনে স্ন্যাপ নিলে হয়তোবা এমন হোত :

সমুদ্রের কোলে সূর্যটা নুয়ে পড়েছে- নীল আর গোধুলীর আবীরে মাখামাখি,সামনে হয়তো সবুজ 
তরমুজের খেত, তারও সামনে নতুন কলোনির দালান, হোসেন আহম্মদ পাড়ার রাস্তা,আর একেবারে সামনে আমাদের চির চেনা কলোনি গেটের রাস্তা,তার ডানে বি-টাইপ কোয়াটার,জ্যাক্স,বামে আগ্রনী আর সোনালী ব্যাংক। ( জনতা ব্যংকটা হয়তো ফ্রেমে আসতো না)

এইদিন :
আজ বিকেলে ছুটির দিনে গিন্নীকে নিয়ে ছাদে উঠেছিলাম হাটা-হাটি করতে। হাটা শেষ করে নামার আগে গোধুলী বেলার কিছু ছবি তুলেছিলাম।
স্টীল মিল কলোনীর পানির ট্যাংক থেকে তোলা সেই কল্পিত ছবির সাথে তুলনা করে দেখতো।
স্টিল মিলের ছবিটা নিশ্চয় অনেক অনেক সুন্দর।
তাই না ???

সতত শ্রদ্ধাভাজন


ক্লাস থ্রি তে কি ফোরে।ক্লাসে এলেন শ্রদ্ধেয় মহসিন স্যার।জানতে চাইলেন,
তোদের এখন কার ক্লাস?
শিউলি আপার।
ও, খোদেজা আপার,
না,স্যার, শিউলি আপার।
ওই একই।
সেই প্রথম আমি জানলাম খোদেজা আপা আর শিউলি আপা একই ব্যক্তির দুই নাম।আপা যখন সি টাইপ ছেড়ে ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আমাদের বিল্ডিং এর নিচতলায় এলেন,তখন একটু ভয় পেয়েছিলাম।কারন এর আগে স্কুলের শিক্ষক আমাদের বিল্ডিং এ ছিলেন না।আপাই প্রথমে আসেন।সবসময় তটস্থ থাকতাম কোন ভুল হয়ে গেল কিনা,বেয়াদবি হয়ে গেল কিনা।কিন্তু না দেখলাম, মানুষ টা যত রাশভারী ভেবেছিলাম,তত টা না।পুরো টাই উল্টো। খুব সহজে কিছু মনে করেন না।দুশ্চিন্তা গেল কিন্তু শ্রদ্ধা বেড়ে গেল বহুগুণ। তার কয়েক বছর পর আপা হয়ে গেলেন পাশের বাসার প্রতিবেশী। মন খুলে কথা বলেন,পড়তে ভালবাসেন।আপার হাতে দেখতাম পড়ার কিছু না কিছু থাকত।সেটা পেপার হোক বা বই।ক্লাসেও ছেলেদের মারতেন না,কিন্তু বুঝিয়ে বলতেন।মাঝে মাঝে অভিমানের ছলে অনেক কথা বলতেন।বুঝতাম সেগুলো আপার মনের কথা নয়।

প্রতিদিন একটি গোলাপ


একটা সময় এসেছিল,মনে হয়েছিল সবকিছু ছেড়ে ছুড়ে দূরে চলে যাই।কিন্তু না সেটা হত চরম ভুল।ইদানীং মনে হয় প্রতিদিন একটা করে লিখা দেই এই পেজে।অনেক কিছুই ত আছে।কে লাইক দিল,কে কমেন্ট করল মাথা ব্যথার বিষয় না।কিন্তু কেউ যখন অনেক স্নেহ করে কিছু বলে বা লিখে তখন কৃতজ্ঞতা জানাতে কিছু লিখি।কিন্তু ব্যস্ত সময়ের নিষ্ঠুর আঘাতে সেটা আর সম্ভব হয় না।তবুও মনেতে তার স্থায়ী আবাদ, হৃদয়ে তার নিত্য আসা যাওয়া।

সুজনের লিখার রেফারেন্স ধরে বলতে চাই,গত সপ্তাহে 
নাকি লিখার পরিমান অনেক কমে গেছে।বিষয় টা শুনতে বা পড়তে ভাল লাগেনি।তাই আবার লিখা দিয়েছিলাম।এখন ত থেকে ভাবছি প্রতিদিন চেষ্টা করব

একটা করে লিখা দিব। কত কিছুই ত আছে এই মানুষগুলোর সাথে বলার, ভাগাভাগি করার।১৪ বছর সময় টাত কম নয়।একটু পিছন ফিরে তাকালেই সোনালি দিন। তাকে ভুলি কি করে।মায়ের,ভাইয়ের,বোনের এত স্নেহ,কোথায় গেলে পাবে কেহ।হুম, আমার কাছে প্রতিদিন এই পেজে লিখা মানে শুধু লিখা নয়,প্রতিদিন একটি গোলাপ এর শুভেচ্ছা জানানো।ভাল থাকুক এই ভাল মানুষগুলো, এই কাছের মানুষগুলো, এই বড় মনের মানুষগুলো।

হাভ ভাব ভালো মনে হচ্ছে না


হাভ ভাব ভালো মনে হচ্ছে না। ভ্যানিটিব্যাগ থেকে সানগ্লাসটা বের করে, চোখে দিলেন। ঘাড় টা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালেন। কাজরা পার হচ্ছি, সামনেই রাজশাহী বাস স্ট্যান্ড। সারাফের বাবা, তোমার তো, ঢাকায় থাকার কোনো ইচ্ছা নেই, তাছাড়া অনেক টাকার ব্যাপার, সেটাও তোমার নেই। আল্লাহ রে, আমারে এইডি কি জিগায়!! কিছু না বলে, মতলবটা বুঝার চেস্টা করছি। তুমি তো গ্রামে থাকবে, তাই না? কেন, তুমিও থাকবে! একটাই মেয়ে আমাদের, লেখাপড়া শিখিয়ে, বিয়ে সাদি দিয়ে, আমি আর তুমি গ্রামে চলে যাবো। উনি, আমার এই কথার ধার/কাছ দিয়েও গেলেন না! আচ্ছা, রাজশাহী তে যায়গা কিনলে কেমন হয়?? বুঝলাম, বাপের বাড়ীর কাছা/কাছি চলে এসেছে। এখন ভদ্র মহিলা তার performance গুলি show করবে!!! ভালোই তো হয়। 

১৪/১৫বছর আগের ঘটনা


১৪/১৫বছর আগের ঘটনা,ঢাকা কল্যাণপুরের হালচাল পুরোপুরি আয়ত্তে মধ্যে কোনখানের পানি কোথায় ডালতে হয় মোটামুটি জানি,কল্যাণপুর একসময় বিএনপি ঘাঁটি ছিল,ব্যবসার সুবাধে সবার সাথে পরিচয় হয়েছে,কিছু সমবয়সী ছেলে পেলে সাথে ভালো সম্পক হয়ে গেলো,তার মধ্যে আবার কমিশনারের ছোট ভাইও ছিল, তার সাথে আবার আমার খাতির ভালো ছিল,তাদের বাসায় নীচতলা একরুম ভাড়া নিলাম,আমার এপ্রিল ২৯এর বেশির ভাগ দোস্তরা এই বাসায় ঘুরে গিয়াছে,তো একদিন দুপুরে দোকানে কমচারী বসিয়ে আমি বাসায় আসলাম, তখন ঢাকা শহরে পানির সমস্যা বেশি ছিল,কলে পানি নেই বাসার বাহিরে এসে দাড়ালাম,দেখি তিতাস রাসেল, মানিক দাড়িয়ে দাড়িয়ে গল্প করছ,আমি ও তাদের সাথে যোগদিলাম, হঠাৎ দেখি একটি ছাগল রাস্তারর পাশে দাড়িয়ে আছে, ছাগল টা কার জানতে চাইলাম তিতাস বললো কল্যাণপুরে আওয়ামী এর একবড় ভাই মাতবর তার ছাগল,আমি তখন বললাম ছাগলটা খেয়ে পেললে কোন সমস্যা হবে নাকি তারা সবাই বি এন পি করতো বললো না কোন সমস্যা না তখন মানিক করলো কি ছাগলটা কোলে করে সোজা আমাদের রুমের বাথরুমে তিতাস বাসা গিয়ে ধারালো একটা ছুরি নিয়ে এসে বাথরুমের ভিতর জবেহ করে দিল কোন মতে বটি দা দিয়ে ছাগল এর চামড়া ছিলে বড় একটা পলিথিনে সব নাড়ি ভুরি ময়লা সুন্দর করে রেখে দিলাম,গোশত সব আমার রুমে রুমের অবস্তা দেখে আমি তো থ,পুরা ঘর পিছলা,এখন চাল মসল্লাল দরকার সামনের রুম থেকে টাকা উঠালাম,ফ্রি বাবুচী দিয়ে রান্না শুরু করে দিলাম, মানিক রাসেল ময়লার পলিথিন রিকসা করে সোজা কল্যাণপুর খালে রাতে খেতে বসে খালি গোশত পরের দিনও ছাগলের গোশত খা খা কতো খেতে পারবি খাইলেও শেষ হয়না

আমাদের যৌবন কালে (মানে কলোনি তে) প্রেম ভালবাসা একটি নিয়মিত ব্যাপার হলেও


আমাদের যৌবন কালে (মানে কলোনি তে) প্রেম ভালবাসা একটি নিয়মিত ব্যাপার হলেও, বিষয়টি ছিলো টপ সিক্রেট, এগুলো এমন ভাবে গোপন রাখার চেষ্টা করা হতো যেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর অতিগোপনীয় পরমানু কর্মসূচি, অবশ্য গোপন না রেখে উপায়ও ছিলনা, অনেকেই এই সব প্রেম কাহিনী রসিয়ে রসিয়ে অপরের সাথে গল্প করে চরম মজা পেত আর এসব শুনে রোমিও জুলিয়েটের বাপ মার চান্দি গরম হোত।আহ, তখন যদি হিন্দি সিরিয়ালের যুগ থাকতো তাহলে অই গল্পকার রা হিন্দি সিরিয়াল নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো, পোলাপাইনের প্রেম কাহিনী নিয়া আজাইরা খাজুরা প্যাচালের সময় পাইতোনা। আফসোস!!

যাক খুশির ব্যাপার হচ্ছে csm colony তে আমরা এখন প্রেম ভালবাসা নিয়ে খোলাখুলি মতবিনিময় আলোচনা ভালোচনা ( ভালো ভালো কথাকে ভালোচনা বলে) করছি। এটা জেনে প্রেম সম্রাট আমাদের হাজি এরশাদ কাক্কু অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

তাকে এই পেজের অনাহারী থুক্কু অনারারী মেম্বার করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

Thursday, March 24, 2016

কেরামত এর মন গত এক সপ্তাহ যাবত খুবই খারাপ


কেরামত এর মন গত এক সপ্তাহ যাবত খুবই খারাপ। কেরামত নিজেকে ফেসবুকের একজন কবি ও লেখক মনে করে (গায়ে মানেনা আপনিই মোড়ল পদ্ধতিতে)। গত এক সপ্তাহ আগে-তার সহধর্মিনী তাকে বলেছে-আজ একটা হেস্ত-নেস্ত হবে-হয় ফেসবুক রাখবা না হয় আমাকে! অনেক দিন মানা করেছি শুনোনি-তোমারমত বেহায়া, নিলজ্জ ও অসভ্য আমি জীবনে দুইটা দেখিনি (শব্দ তিনটি সামাজিক জীবনে পজেটিভ অর্থেও ব্যবহার হয়-সেটা এখানে প্রযোজ্য হবে না)।
কেরামত প্রথমে ফেসবুকের কথা চিন্তা করে-ডিভোর্সের কথা ভেবে ছিল। ডিভোর্সের মধ্যে বেশ একটা মর্ডান গন্ধ আছে। কিন্ত পরে ভেবে দেখল তাতে অনেক হাঙ্গামা। আগেরমত তো সুধু তিন তালাক বললেই হবে না, রিতিমত কোর্ট কাচারী করতে হবে, উকিল মোক্তার ধরতে হবে। কিন্ত কোর্ট কাচারী, উকিল মোক্তার করতে গেলে তার অদ্ভত এক সমস্যা হয়। এই গরমে উকিল সাহেবদের কালো কোট পড়ে থাকতে দেখলেই তার শ্বাসকষ্ট হতে থাকে। কিভাবে যে, উকিল সাহেবরা সহ্য করে তা উপর ওয়ালাই বলতে পারবে। সুতারং বহু চিন্তা ভাবনা করে দেখেছেন সে ঝামেলায় গিয়ে কাজ নেই। তাছাড়া বউ গেলে বউ পাওয়া যাবে। 

CSM COLONY মানে


CSM COLONY মানে
পুকুরপাড় এ দখিনা হাওয়া,
CSM COLONY মানে
দলবেঁধে স্কুলে যাওয়া।
CSM COLONY মানে
বৃষ্টির দিনে চতুর্থ ঘন্টার পর ছুটি,
CSM COLONY মানে
পাইন্না খেলায় লুটো পুটি।
CSM COLONY মানে
বি এইচ ওয়ানের মত মিলেমিশে থাকা,
CSM COLONY মানে
সিনিয়র ভাইদের আতিক চাচার বকা।

বানী চিরন্তন (এরশাদীয়)


প্রথম প্রেম দ্বিতীয় প্রেম বলে কিছু নেই, প্রেম একটি চলমান প্রক্রিয়া।
-----------হাজী এরশাদ কাক্কু

মন দিয়েছি আমি, প্রেম করেছো তুমি" এই লাইন টি নিয়ে ব্যাপক গবেষনা হতে পারে। মনে রাখবেন ক্রিকেটই জীবনের সব কিছু নয়।
..........হাজি এরশাদ কাককু।

নীরবতা মানে সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়, অনেক নীরবতা মানে বুক ভরা প্রেমের আবেগ।
---------- কবি হাজী এরশাদ কাক্কু।

বিচ্ছেদ মানেই প্রেমের সমাপ্তি নয়, বিচ্ছেদ মানে প্রেমের আরেক জ্বালাময়ী রুপ।
..............কবি আলহাজ্ব লে জে হু মু এরশাদ কাক্কু

শুধু জন্মদিনে রোমান্সের অপেক্ষা করা বোকামী,রোমান্স করতে হবে ৩৬৫ দিন।
...................হাজী এরশাদ কাক্কু।

রোমান্সের কোন নির্দিষ্ট বয়স বা স্থান নেই, খেলার মাঠ থেকে সমুদ্র সৈকত সব জায়গায় রোমান্স করা যায়।
-------------কবি এরশাদ কাক্কু।।

বর্ষাকাল কে যতই রোমান্টিক মনে হোক না কেন, এই বৃষ্টির কারনে তোমার ডেটিং মিস হওয়ার সম্ভাবনা ৮০%।
-------- কবি এরশাদ কাক্কু

প্রেম মানেই পাগলামি, যে প্রেমে পাগলামি নেই সে প্রেম গুলি বিহীন বন্দুকের মত।
---- হু মু এরশাদ কাক্কু।
প্রেমের আকাশী, লাল,নীল, সাদা কালো কোন রঙ নেই, প্রেম সবসময় কালার ব্লাইন্ড, একেবারে পানির মত স্বচ্ছ।
-------- হু মু এরশাদ কাক্কু।

যে প্রেমে কোন বাধা বিঘ্ন আসেনি সে প্রেম তো পাঁচ দিনের নিস্ফলা ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ। 
---------- কাকু এরশাদ।

যে প্রেমিক প্রেমে ধরা খেয়ে বাসায় ঝাড়ুর বারি খেয়েছে, সে প্রেমিকই প্রেমের সত্যিকারের স্বাদ পেয়েছে।
------------- এরশাদ কাকু।

প্রেম থাকবে বিরতিহীন, প্রেমে বিরতি মানেই পৃথিবীর লোডশেডিং।
------ আলহাজ্ব হু মু এরশাদ কাকু।

প্রেম মানেনা কোন সামরিক শাষন।
------ লে: জেনারেল আলহাজ্ব হু, মু,, এরশাদ কাকু।

ট্যাংকীর তলায় শহীদ হওয়ার চেয়ে, সিঁড়ির তলায় গাজী হয়ে বেঁচে থাকায় অনেক রোমান্স।
_---------------- আলহাজ্ব এরশাদ কাকু।

যে প্রেমিক দুপুরের ব্যাস্ত রাজপথ প্রেমিকার হাত ধরে পার হতে পেরেছে, সে প্রেমিকই প্রেমের মহত্ব জানে।
-------- এরশাদ কাকু।

যারা প্রেম করতে গিয়ে সিঁড়ির নীচে ধরা পড়ে নাই, তারা কোন দিন সত্যিকার প্রেমের মর্ম বুঝবেনা। 
---------- আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ কাকু।

প্রেমের কোন সময় নেই, স্থান নেই, প্রেম সবসময় বহমান।
--------- আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

দুটো দু:স্বপ্ন আমাকে সবসময় তাড়িয়ে বেড়ায় : 
প্রেমবিহীন জীবন আর
ফেসবুকহীন স্মার্ট ফোন।
----------- পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ কাকু।

নিচের কথাটা ঠিক আছে


নিচের কথাটা ঠিক আছে।কিনতু উপরের কথাটা আমি মানতে পারছি না।কারন আমি নিজের সংসার জীবনে দেখছি আমার Husband তার বাবা আর মায়ের কি পরিমান কেয়ার নেন যা আমি লিখে বুঝাতে পারবো না। সবসময় আগে আববা আমমা সকল চাহিদার পর আমি আর আমার ছেলে।এতে আমার কোন কিছু বলার নেই।কারন আমিও জানি বাবা মা হল সবার আগে।তবও শশুরবাড়ির লোকদের বলতে শুনি ছেলেকে বিয়ে করালে সে পালটে জায়।এটা ভুল কথা। হা অনেক ছেলে কিনতু পালটায়য়।হয়তো একশ ভাগের ২০% ভাগ পাওয়া জাবে। তাই ভাই বোনদের বলছি তোমরা শশুরবাড়ির একথাটি কখনও যেন সত্য না হয় সেভাবে নিজেদের উপসথাপন করতে হবে।সব মেয়েদের এটা ভাবতে হবে জে বিয়ের শশুরবাড়ি হল আমাদের নিজের বাড়ি,শশুরবাড়ির লোকজন হল আমাদের আপনজন।একটু বেশি ফাজলামি করলাম কি।

অনেক দিন সমুদ্রের পাড়ে যাওয়া হয় নাই


অনেক দিন সমুদ্রের পাড়ে যাওয়া হয় নাই,এপ্রিল 29 এর সকলে মিলে ঠিক করলাম আগামীকাল হাউজিং কলোনীর রোড দিয়ে সমুদ্রে যাবো মোটামুটি ৮/১০জন সকালে রেডি সাথে কলসি,গ্লাস,পেপার,ঘুনা তার,পলিথিন, বল,হালকা ইমোসনাল পানীয়,যাওয়ার পথে হোটেল থেকে সিঙার চমুচা নিলাম বেশি করে,পথে তরমুজের বাগান পড়ছে মালিক আমাদের সবাইকে একসাথে দেখে একটি তরমুজ খেতে দিল,(না দিলে চুরি করে খাবো এই ভয়ে মনে হয় দিয়ে দিয়াছে)সমুদ্রে গিয়ে অনেক দাপাদাপি করলাম বল খেললাম, ইমোশনাল পানি খেয়ে কেউ কেউ বালির মধ্যে ডুব দিয়া আছে, এই করতে করতে ১টা বেজে গেলো,এখন কাকড়া ধরবো কাকড়া ধরতে যে জান বাহির হয়ে যায় ঐদিন ই বুঝলাম,মোটামুটি ১০/১২টা ধরলাম বালুর মধ্যে গত করে কাকড়া গুলি তারের মাঝে ডুকালাম তারপর পেপারে আগুন দিয়ে কোনমতে পুড়লাম কিছু হইছে কিছু হয় নাই এগুলি ইমোশনালের প্রভাবে মজা করে খেলাম সবাই মিলে,পেপার ও শেষ তখন ঠিক করলাম কলোনীতে নিয়ে যাবো রাতে পুড়ে খাবো, যেই বলা সবাই মিলে কাকড়া ধরা শুরু করে দিলাম৩০/৪০ ধরে বিকাল ৩ টার দিকে কলোনীতে ধুকলাম সবার শরীর সাদা ছোপ ছোপ হয়ে গিয়াছে, কাকড়া গুলি পলিথিন এর ভিতরে রেখে জিমি রাশেদ দের সিড়ির নিচে রেখে দিলাম,সবাই বাসায় গিয়ে বিকালে পর বাহির হলাম,রাতে পুকুর পাড়ে কাকড়া পোড়া খাওয়া হবে এটা আমাদের গ্রুপে যারা যায় নি তাদের কে জানানো হলো,মাগরিবের আযানের পর জিমি আর মরা রাশেদ গেলো কাকড়া আনতে আমরা সবাই পুকুর পাড়ে বসে আছি,দুজনে গালাগালি করতে করতে আসতাসে এসে আমাদের হাতে ৮/১০টা কাকড়া দিলো আর জিমি রাশেদ তো গালির দেওয়ার জন্য গ্রুপের সেরা সবাইকে শুরু করে দিলো,কি হয়েছে কিভাবে জানি পলিথিন ছিদ্র করে বেশির ভাগ কাকড়া এদিক ঔদিক মনের সুখে ঘুরতাসে সবাই মিলে আবার রাশেদদের সিড়ির তলায় এই রাতে কাকড়া খুজতাছি, দিনের বেলায় কাকড়া খুজতে খবর হয়ে গিয়াছে এবার রাতে কাকড়া খুজতে কেমন লাগছে বুঝেন ঠেলা

সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি খেলাধূলা নিয়ে আগামী এক মাস কোন আলোচনায় যাবোনা


প্রতিদিন খবরের কাগজ উল্টালেই সব নেগেটিভ খবর, উল্লাস করার মত খবর আসে কালে ভদ্রে। উল্লাস যা করার নিজেরা নিজেরা করি, জাতীয় ভাবে উল্লাস করার সুযোগ আসে কম। কলোনী থাকাকালীন সময়ে প্রতিটি ছোট ছোট আনন্দদায়ক ঘটনাই আমাদের জন্য উল্লাসের ব্যাপার ছিলো, কলোনী থেকে বের হওয়ার পর সহজেই আর কিছুতে উল্লসিত হই না।জীবন টা পুরোপুরি যান্ত্রিক হয়ে আছে। বহু আশা নিয়ে টিভির সামনে বসি একটু উল্লাসের আশায়। এমনই ফাটা কপাল আমাদের , জনাব উল্লাস সাহেব আমাদের কাছে আসতেই চায়না।

সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি খেলাধূলা নিয়ে আগামী এক মাস কোন আলোচনায় যাবোনা।

পুনশ্চ : আমি আইপিএল দেখিনা, কারন আইপিএল আর জুয়ার টেবিল আমার কাছে একই রকম লাগে।

Wednesday, March 23, 2016

আমাদের প্রচার মন্ত্রী Aslamuddin Mamun খুব ভালো একটা কাজ করছে


আমাদের প্রচার মন্ত্রী Aslamuddin Mamun খুব ভালো একটা কাজ করছে, প্রতিদিনই সিএসএম কলোনি মেম্বার দের মধ্যে যাদের জন্মদিন থাকে তা রিমাইন্ডার দিচ্ছে। এই কাজ টা আগে আমাদের টিংকা করত। যেই করুক না কেন কাজ টা যে ভালো কাজ এতে কোন সন্দেহ নাই। অন্তত আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ে ( আচ্ছা ভ্রাতৃত্ববোধ এর স্ত্রী লিঙ্গ কি হবে?)।

জন্মদিন পালন কালচার টা এখন কার মত কলোনী তে তেমন একটা ছিলোনা, কেউ তাদের বাচ্চা কাচ্চা দের জন্মদিন পালন করলে তা একান্ত ঘরোয়া ভাবে পালন করত। কার জন্মদিন কিভাবে পার হয়ে যেত তা টেরও পেতাম না। এসব নিয়ে কেউ মাথাও ঘামাতাম না। তবে প্রেমিক প্রেমিকা দের বিষয় ছিলো আলাদা। নীরবে নিভৃতে চোখের ভাষায় তারা জন্মদিন পালন করত, এই চোখের ভাষা ছাড়া অবশ্য অন্য কোন গতিও ছিলোনা, কারন তখন তো আর আমরা ডিজিটাল পোলাপান ছিলাম না। উপহারের ক্ষেত্রে ছিল " জন্মদিনে তোমায় দিব কি উপহার, বাংলায় নাও ভালোবাসা হিন্দি তে নাও পেয়ার "টাইপ উপহার। আর হয়ত সর্বোচচ উপহার হিসেবে বই বা কোন বাগান থেকে চুরি করে আনা ফুল। তবে এ উপহারে ছিলো আবেগ আর ভালোবাসাযুক্ত অকৃত্রিম উপহার এখন কার মত কৃত্রিম নয়। 

Tuesday, March 22, 2016

আমরা স্বাধীন চেতনায় বিশ্বাসী


আমরা স্বাধীন চেতনায় বিশ্বাসী। কারোর উপর বল প্রয়োগ করে কিছুই করি না। যার যার ফেইসবুক আইডি নিয়ে সে সে থাকবে। আমার মনে হয় যারা সন্দেহ প্রবন তারাই এক সাথে থাকতে চায়। অর্থাৎ এক জন ফেইসবুকে কি করে আরেক জন উকি মারে দেখে। এটা খুবই খারাপ কাজ। বর্তমান যুগে যা কোন ভাবে সমর্থন যোগ্য নয়। আমি যেমন স্কুলে কলেজে পড়ছি ও তেমন স্কুল কলেজে পড়ছে। আমার পেইজে যেমন আমার মেয়ে বন্ধু আছে তেমনি আমার বউয়ের পেইজে তার ছেলে বন্ধু থাকতে পারে। এটা দোষের কিছু নয়। এটা হলো বিশ্বাসের ব্যাপার। অতএব সিএসএম ভাই বোনদের বলছিঃ

আমরা সবাই সিএসএম সেনা,
ভয় করিনা বুলেট বোমা।। 


বউ হইতেছে পরাধীনতার প্রতীক


বউ হইতেছে পরাধীনতার প্রতীক,এই বউ নামক যন্ত্রনা থেকে একটু রিলাক্সের জন্য দুইটা মিনিট ফেসবুকে বসি, সেখানেও এই যন্ত্রনা আমদানির ষড়যন্ত্র চলতেছে। সুতরাং আমরা শান্তিকামী সিএসএম বাসী দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই এই শান্তির নীড়ে বউ নামক যন্ত্রনা আমদানি প্রতিরোধে প্রয়োজনে রাতের আরামের ঘুম হারাম করি ফালামু।।

আসুন বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলি,
"আমরা হলাম যোগ্য স্বামী
সবসময় শান্তি কামী"।

CSM কলোনিতে লটারির বেশ প্রচলন ছিল


csm কলোনিতে লটারির বেশ
প্রচলন ছিল... wink emoticon
লটারি বললেই ভেসে উঠে 
ডায়নোসোরের স্টিকার,মিকি
মাউসের পেড অার ব্যাট বল তো অাছেই..... smile emoticon
এক বড় ভাই লটারির দোকান
দিলেন। লটারির দোকানে রাখলেন চকচকে নতুন ব্যাট আর এ্যারোপ্লেন বল অারো অনেক কিছু ছিল তবে ঐ দুটো জিনিষ খুব নজরে লাগছিলো..... smile emoticon
লটারি টানার মূল্য মাত্র এক টাকা (তখন এক টাকার খুব দাম)।যথারীতি 
একটাকা নিয়ে গেলাম লটারি টানতে..... 
চোখে মুখে এমন ভাব যেন 
লটারিতে ব্যাট বল উঠবে!
উঠলো তবে ব্যাট বল না....
"একটি চকলেট " gasp emoticon
দুধভাত ছিলাম তাই ঐ এক টাকার বেশি ছিল না তাই ২য় বার লটারি টানার সাধ থাকলেও সাধ্য কই? 
হতাশ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা.... হায়রে ব্যাট বল!!! 
ঐ লটারির দোকানের পাশ দিয়ে এক বড় ভাই যাচ্ছিলেন যিনি ঐ লটারি দেয়া বড় ভাইয়ের ও বড়....
তিনি যথারীতি লটারি টানলেন উনার ভাগ্যেও "একটি চকলেট " তাই উনি রাগ করে বললেন অামি সব টানব.......(উনার সাধ্য ছিল tongue emoticon ) 
আর এক এক করে সব লটারি টানলেন অার সব গুলোতেই লিখা "একটি চকলেট " তাহলে ব্যাট বল!
ঐ গুলা show grin emoticon
শাস্তিসরূপ বড় ভাই লটারি ওয়ালাকে কানে ধরে উঠবস করালেন....... grin emoticon
বিঃদ্রঃ বড় ভাইয়ের ও বড় ভাই অাছে। তাই বড় ভাইদের সম্মান করুন কখন যে কোনদিকে লাগে..... tongue emoticon

বৈশাখ মাস ফল পাকার মাস গরম তো আছেই


রাত ৭,৩০কি ৮টা বাজে কলোনীতে কারেনট চলে গেলো,বৈশাখ মাস ফল পাকার মাস গরম তো আছেই,আমাদের বাসা C/4/A, সব বাসা থেকে সবাই মোটামুটি বাহির হয়ে রাস্তা বা বাসার সামনে ঘুরাঘুরি করতাসে,আমাদের এপ্রিল 29গ্রপের মোটামুটি সবাই একসাথে ঘুরাফিরা করতেছি,সুযোগ পেলে ডাব খাবো কোথাও ডাব খাওয়ার সুযোগ নেই কারণ সবাই বাহিরে ঘুরাঘুরি করতেছে,কিন্তুু সবার ই এক কথা ডাব তো খেতে হবে,অনেক চিন্তা ভাবনা পর ডিসিশান হলো আমাদের গাছের ডাব খাওয়া হবে আমি প্রথমে একটু গো গো করলাম এটা কি ভাবে হয়, সবার পিড়াপিড়ীতে পরে রাজি হলাম,আমাদের ভাগে নারিকেল গাছ ছিল ৩টা সোনালী ব্যাংকের পিছনে ওয়াসার সাথে টিন দিয়ে গেরাও করা, সবাই আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দিলো বাসায় গিয়ে সময় দে যেন বাসা থেকে বাহির হতে না পারে আর এদিকে ডাব পাড়া শুরু করে দিলো মরা রাশেদ কিভাবে জানি একটা ডাব টিনের উপর পড়লো, বিরাট আওয়াজ হলো উপরে থেকে মুহাম্নাদ আলী চাচার বাসা থেকে চিৎকার চেচামেচি শুরু করে দিলো আমাদের বাসা থেকেও আম্মা বলতেছে দেখতো কি হয়েছে,পিছনের দরজা দিয়ে বাহির হ,আমি গড়িমসি করে সামনের দরজা দিয়ে বাহির হলাম সাথে আমার ছোট ভাই রকিবুল পিছনে যেয়ে দেখি আমাদের গেরাও টিন মোচরানো কেউ নেই,বাসা এসে বললাম মনে হয় নারিকেল পড়ছে সকালে খুজবো এই বলে আমি ওয়াসার পিছনে গিয়ে হাজির তখন মরা রাশেদ বলে সরি দোস্ত একটা ডাব পড়ে গেছে, শেষে আমাকে একটা ডাব দিয়ে বলে নে তোর জন্য হায় কপাল শেষে আমার ভাগে একটা,,

Monday, March 21, 2016

আজ এই ভাল মনের মানুষ গুলোর সাথে খানিকটা সময় পাড় করার সুযোগ হয়েছিল আমার


আজ এই ভাল মনের মানুষ গুলোর সাথে খানিকটা সময় পাড় করার সুযোগ হয়েছিল আমার।।আমি ফোন করার সাথে সাথে সবাই আমাকে দেখতে নিরু ভাইয়ের অফিসে ছূটে আসে।।কেউ তার অসুস্থ সন্তান কে ফেলে,কেউ কেউ বাসা থেকে নিজের পরিজন ছেড়ে,,কেউ কেউ সারাদিনের কর্ম ব্যস্ততার পর সরাসরি বাসায় না গিয়ে আমার সাথে এক পলক দেখা করতে বুকের সাথে বুকটা মেলাতে ছুটে আসে নিরু ভাইয়ের অফিসে।।নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হয়েছে।।এই ভেবে যে,এমন একটা পরিবারে আমার জন্ম হয়েছে।।আমার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই প্রিয় মানুষ গুলোর সাথে।।

নতুন এবং পুরাত‌নের ‌যোগসুত্র


গত ক‌য়েক‌দিন অা‌গে অা‌মি "এক‌টি দুপুর‌বেলা ও অামার স্বাধীনতা" শি‌রোনা‌মে এক‌টি পোস্ট ক‌রে‌ছিলাম। অ‌নে‌কেই পোস্ট‌টির ইতিবাচক দিকগু‌লো উপল‌ব্দি না ক‌রে নে‌তিবাচক দিকগু‌লো নি‌য়েই নাচানা‌চি ক‌রে‌ছে। অাজ পুরো এক‌টি সপ্তাহ যে‌তে না যে‌তেই অাবার সেই "মু‌খে বন্ধু ভাবাপন্ন অথচ অন্ত‌রে বিষময় ইন্ডিয়া" এবার বাংলা‌দে‌শের ‌ক্রিড়াঙ্গন নি‌য়ে icc কে ব্যবহার ক‌রে হিংসার বু‌নোজাল বিস্তার কর‌লো। "হিংসা" শব্দ‌টি ব্যবহার করলাম, কারণ ইন্ডিয়া চায় না তার প্র‌তি‌বেশী বাংলা‌দেশ ক্রীড়া‌ক্ষে‌ত্রে তা‌দের সমর্পযা‌য়ের হোক বা এগি‌য়ে যাক। তাই icc কে ব্যবহার ক‌রে অামা‌দের দেশ‌কে নি‌য়ে এই নীল নকশা। এটা হিংসার ব‌র্হিঃ প্রকাশ নয় কি?

অারাফাত সা‌নির ব্যপারটা না হয় কিছুটা ভিন্ন। তার বল করার ধরণ কিছুটা "সে‌মি চাকার" এর র্পযা‌য়ে প‌ড়ে। কিন্তু তাস‌কিন? ওর বল করার ম‌ধ্যে কোন প্রকার "চাকার"এর লক্ষণ পাওয়া যায় নি। শুধু বাউন্স ডে‌লিভারী‌তে গি‌য়ে তার হাত ৩০ ডিগ্রী এঙ্গেল হয়। তাও অাবার সং‌শোধন‌যোগ্য। এছাড়া বাকী সব‌দিক থে‌কে তার বল করার ধর‌নের কোন ক্রু‌টি খো‌জেঁ পাওয়া যায়‌নি। তারপরও কেন তাস‌কিন নি‌ষিদ্ধ?

উফ আর পারিনা


উফ আর পারিনা
কি যে এক যন্ত্রণা
কোন সুখে যে তোকে
ধরে ছিলাম
এখন ছাড়তেও পারিনা
দুই কান ধরে বলি ভাই
তোর সাথে আমি আর নাই
ঈমানে বললাম
কাল থেকে, আমি
একা চললাম
দেখবো শালা, তোর ঘাড়ে
কয়টা মাথা
আমিও বাপের বেটা
দিলাম তোকে তালাক
এখনি তুই ভাগ
সারাফের মা শুনছো নাকি
আর দিবোনা কথার ফাকি
এই বার বলছি তোমার হাতে ধরে
সিগারেটের সাথে আড়ি দিলাম"জনম ভরে"।

ইংলিশ মিডিয়াম টিউশনি


সময়টা সম্ভবত ২০০০/২০০১।আমি ৩য়/৪র্থ সেমিস্টারে অধ্যায়ণরত।ইউনিভার্সিটির এক বন্ধু একটি টিউশনির খবর দিলো তবে লিটল জুয়েলস ইংলিশ মিডিয়ামের ক্লাস সিক্স এর ছাত্রী যাহা আমার জন্য প্রথম।যাইহোক টাকা দরকার তাই রাজী হয়ে গেলাম।আমাকে নিয়ে গেলো বহদ্দারহাটের পাশে বাদুরতলা ছাত্রীর বাসায়।কথা হলো ছাত্রীর মা’র সাথে,ছাত্রী খুব ফাঁকিবাজ,প্রয়োজন হলে মারবেন এইসব কথা বলার সাথে ছাত্রীর লাজুক হাসি।পরিচয় পর্ব শেষে পরেরদিন আসবো বলে বিদায় নিলাম।পরেরদিন গেলাম পড়াতে,প্রথম দিনেই আমাকে জিজ্ঞাসা “স্যার আপনি নাকি কম্পিউটারের উপর পড়াশোনা করেন”।প্রতিউত্তরে আমি মৃদু হেসে জবাব দিলাম “হ্যাঁ আমি কম্পিউটার মানে সিপিইউ এর উপর বসে পড়ালিখা করি”।ছাত্রীর কি হাসি...।এর পর দেখি কিছু লিখতে দিলে লিখার সময় গান গেয়ে গেয়ে লিখে,মানা করেও লাভ হলোনা।আমাকে বলে গান গেয়ে লিখলে সব পড়া মনে পড়ে...।

আরেকদিন গেলাম ছাত্রী আমাকে বলে স্যার হৃতিক রোশানের মত চুল কাটতে পারেন না!!(তখন “কাহো না পেয়ার হো” সিনেমা হিট করেছিলো)। আমিতো তাজ্জব মেয়ে কয় কি!!!আমি নিশ্চুপ চেপে গেলাম...।

আমার কখনওই কোন প্রাইভেটটিউটর ছিল না


আমার কখনওই কোন প্রাইভেটটিউটর ছিল না।আব্বা পড়াতেন। শুক্রবার আসা মানেই ছিল আব্বার কাছে পড়তে বসা,তাও আবার অংক আর ইংরেজি। ইংরেজিভীতি ছিল বেশি। সকালে বাজার থেকে ফিরে আমাকে নিয়ে বসতেন।জুম্মার সময় হলে ছুটি পেতাম। ক্লাস এইটে পুরা পড়া তিনি পড়িয়েছেন। অংক পরিক্ষার আগের রাতে মুখে মুখে পুরা বই রিভিশন করিয়েছেন। ফজরের আজানের সময় ডেকে তুলে বললেন নামাজ পড়ে জ্যামিতিটা রিভাইস করতে। করলাম। আবা এসে বসলেন, আবার রাতের মত পুরা বই রিভিশন করিয়ে পরিক্ষার হলে নিয়ে গেলেন। আমি ৯৫ পেয়েছিলাম। বৃত্তিও পেলাম ট্যালেন্টপুলে ফার্স্ট গ্রেডে। ssc এর সময় ত আরো বেশি। আমার সব বিষয়ের আলাদা খাতা ছিল।আলাদা মানে ভাবাই যায় না এমন। 

যেমন ইংরেজি গ্রামারের প্রতিটা টপিকের জন্য আলাদা খাতা। মানে voice,narration, transformation, tense,preposition, article,translation, composition,letter,application,question answer. এটা একটা উদাহরন দিলাম। 

Saturday, March 19, 2016

মাকড়সার একটা গল্প


মাকড়সার একটা গল্প --- এক মাকড়সার সখ খালি দাওয়াত খাওয়া এবং খেতে যায় দাওয়াত না পেলেও যায়। একদিন অনুষ্ঠান হচ্ছে but কোথায় হচ্ছে বুঝতে পারছে না। তাই সে মাঝায় রশি বেধে চার ছেলেকে চার দিকে পাঠিয়েছে যেদিকে অনুষ্ঠান সেদিকে যেন রশি টান দেয়। প্রথমে একজন রশি টান দিল ।এভাবে চার দিক থেকে চারজনই টান দিল। মাকড়সার পেট হয়ে গেল চিকন চারদিকের রশি টানাটানিতে।

এবার আমার কথা বলি --সামনে তিন দিনের বন্ধে চেয়েছিলাম রাজধানীতে যেতে। but ctg থেকে বিয়ের মৌ মৌ গন্ধ পেলাম। তাই ডিসিসন চেন্জ করে ফেল্লাম। ঠিক করলাম দাওয়াত পাই আর না পাই ctg তেই যাব।বিয়ে খেয়ে আছি।এটাই মনে হয় csm কলোনির আন্তরিকতা কি বলেন জসিম ভাই আর কমু ভাই? আমরা আমরাই তো।

বিঃদ্রঃ-- কমু ভাই অবশ্য একটু আগে ফোন করে দাওয়াত দিয়েছে আমাকে।যদিও আমি দাওয়াত না পেলেও যেতাম।

গল্পটা আমাদের


  • গল্পের নায়কঃ ৯৯ ব্যাচের দামাল ছেলেরা
  • গল্পের নায়িকাঃ ৯৯ ব্যাচের দুরন্তপনা মেয়েরা
  • গল্পের সময়কালঃ ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬
  • গল্পের স্থানঃ CSM School এবং সমগ্র CSM Colony
  • গল্পের প্রেক্ষাপটঃ গ্রুপ প্রেম ( দশে মিলে করি প্রেম, হারি জিতি নাহি সেম [shame - লজ্জা] ) 

পর্বঃ ০১

সত্য ঘটনা অবলম্বনে। গল্পটা আমাদের ১৯৯৯ ব্যাচের কিছু দামাল ছেলে এবং কিছু দুরন্তপনা মেয়েদের নিয়ে রচিত। সবে মাত্র আমরা সবাই ক্লাস ফাইভ থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠছি। তখনও ঠিকমত জানতাম না অথবা বুজতাম না আসলে প্রেম কি, ভাললাগা কি এবং ভালবাসা কি? 


আমরা সবাই ছিলাম খুব দুরন্তপনা। সারাক্ষণ আমরা ছেলেরা মেয়েরা মারামারি করতাম টিফিন নিয়ে, বাড়ির কাজের খাতা নিয়ে আরো অনেক কিছু নিয়ে আর এই জন্য আমরা অনেকবার মার খেয়েছি স্যার আপাদের কাছ থেকে। এভাবেই কেটে যায় আমাদের বেবি ক্লাস থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। যাইহোক ক্লাস সিক্স এ উঠার পর আমরা নিজেদের একটু বড় ভাবা শুরু করলাম। আমাদের স্কুল এ ক্লাস ফাইভ এর পর ছেলেরা মেয়েরা আলাদা ক্লাস রুমে ক্লাস করত এটাই নিয়ম ছিল। আলাদা হয়ে আমরা ছেলেরা প্রথম প্রথম অনেক খুশি হলাম কারণ এখন আর ওদের সাথে মারামারি হবে না আর আমরা স্যার আপাদের কাছ থেকে বকাও শুনবো না আবার মারও খাবো না, সুতরাং এখন আমরা অনেক শান্তিতে থাকব। 


বেশ কিছুদিন শান্তিতে কাটল আমাদের কিন্তু কিছুদিন যাবার পর আর ভালো লাগে না আমাদের। আমরা সবাই ওদের সবাইকে খুব মিস করতে থাকি, ওরাও আমাদের ......। এভাবে তো চলতে পারে না, একটা কিছু তো করতেই হবে। তাই সবাই মিলে প্লান করলাম প্রেম করতে হবে। সবাই প্রেম করবো একসাথে, শুধুমাত্র নিজ ব্যাচ এর মেয়েদের সাথে। যেই কথা সেই কাজ। শুরু করলাম কল্লোলকে দিয়ে। কল্লোলও রাজি হয়ে গেল। আমরা কল্লোলের প্রেমিকা ঠিক করে আমাদের ব্যাচ এর মেয়েদের জানিয়ে দিলাম কল্লোলের প্রেমিকার নাম (কম)।

বই পড়া তখন আর এখন


আতিক ভাই সেদিন সবাইকে বই পড়ার জন্য আহবান জানিয়েছিলেন। বেশ ভাল কথা।ছোটবেলায় আমরা সবাই আমরা পাঠ্যবই এর বাইরে রুপকথার গল্প পড়তাম।বড় হয়ে উপন্যাস কিংবা গল্পের বই।সেগুলোর কোনটার কাহিনি বা চরিত্র আমাদের মনে ডাক কেটেছিল।নিজের সাথে কোন চরিত্রের মিল খুজে পেত কেউ। বিষয় টা নিয়ে আড্ডা হতে পারে।

থাক সে কথা।ছোটবেলায় আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়া হত।সেটা পরীক্ষা শেষ হবার পর ডিসেম্বর মাসে। বছরের অন্য সময় দেয়া হত না কারন পড়ালেখার ক্ষতি হতে পারে।কিন্তু আমি নানাভাবে বই ম্যানেজ করতাম।একবার স্নিগ্ধা আপার কাছ থেকে রাক্ষসের মায়াপুরী নামে একটা বই এনে আর ফেরত দেয়া হয়নি।বাবার কিনে দেয়া বইয়ের মধ্যে ছিল,"ঠাকুর মার ঝুলি, ছোটদের আরব্য রজনী " ইত্যাদি।কখনো বেবি আপাদের বাসা থেকে গিয়ে উনাদের দ্রুত পঠন কিংবা

গতকাল প্রায় ১৫/১৬ বছর পর ফুটবল খেলতে নেমেছিলাম বীচে


গতকাল প্রায় ১৫/১৬ বছর পর ফুটবল খেলতে নেমেছিলাম বীচে, দৌড়াদৌড়ি কম করা লাগে তাই গোল কিপার পজিশনে খেলেছি, সেই আগের কার দিনের মত ডাইভ দিয়ে দুয়েক টি গোলও সেভ করেছি, আশপাশ থেকে হাততালিও বোধ হয় এসেছে।

সি টাইপ মাঠ, বিকেলে ফুটবল খেলছি, আমি গোল কিপার, খেলার শুরুতেই দুটো গোল খেয়ে গেলাম বাজে ভাবে, হঠাৎ মাঠের পাশে রাস্তা থেকে এলোকেশী খিলখিল হাসি, আর আমার পারফরমেন্স ও বেড়ে দর্শনীয় ভংগীমায় ডাইভ দিয়া কয়েকটি গোল সেভ করলাম আর কোন গোল খেলাম না।

মোরাল অফ দি স্টোরি ; কাল বীচে অনেক সুন্দরী ললনা ছিলো।

ডাব ও বাপের বাড়ী


Anisur Rahman Reza ভাইএর বাপের বাড়ী লেখা পরে, আমার বাপের বাড়ী যাওয়ার একটা চিরস্বরনীয় ঘটনা শেয়ার করতে ইচ্ছা হল।

বিয়ের ৩য় দিন সংসার শুরু করতে ঢাকা এলাম। এক সপ্তাহ না যেতেই খুলনা যাওয়ার জন্য মন এত অস্থির হয়ে গেল যে আজকে রওনা না দিলে মরেই যাব। তো স্বামী বেচারা খবর নিয়ে জানল যে আমাদের এক আত্বীয় শামীম ভাই ও যাচ্ছে। তার কাছে টিকেট কাটার দায়ীত্ব দিল।

বিধিবাম, ভাই টিকেট কিনল নন এসি বাসের একদম লাস্ট সিট। সারা পথ উত্থান পতন অনুভব করলাম। কত প্রবাদ মনে পড়ল- জীবন কুসুম আস্তিরন নয়। কখনো কবি নজরুলের " দুর্গম গিরি কান্তার মরু...."
অবশেষ, ঘাটে নাম্লাম। 

Friday, March 18, 2016

আমাদের নাজমুল ভাই


আমি ছোট থাকতে মনে করতাম হাউজিং কলোনীর লিডারশীপ মনে হয় ওনার কাছে,কারণ বড় মাঠে যখন এই কলোনীর সাথে ফুটবল খেলতে আসত,তখন ওনারা আমাদের ১২ নাম্বার বিল্ডিং এর মাঠের কোনায় সব একএিত হত।সেখানে দেখতাম ওনার সরব উপস্হিতি,সবাই কে পরামর্শ দিচ্ছে, উপদেশ দিচ্ছে।

তখন ওনাকে ওভাবেই চিনতাম। পরে এ কলোনীতে আসার পর সবসময় জসিম ভাই,নিরু ভাইদের সাথে দেখেছি।তখন আস্তে আস্তে দেখলাম আসলেই সবাই কে আপন করে নেওয়ার মত একজন মানুষ।

আমাদের আড্ডাতে তার সাথে মিশেছি, এবং দেখিছি আসলেই বড় ভাই,ছোট- ভাই সকলকে নিয়ে তার আড্ডা সফল করার জন্য, পরিশ্রম।আড্ডাতে সবাই কম বেশী পরিশ্রম করেছে,এখানে কেউ নিজেকে ছোট করে ভাববেন না।

তাজদার


আমার মেয়েটা আজ বললো, আব্বু তোমার ছেলেটা বেশী দুষ্ট হইছে, আমাকে শুধু মারে। আমার মা ও তার কথায় সাই দিলো। কি আর করি সিদ্ধান্ত নিলাম বিচার করতে হবে, আব্বাও সেই দিন বললো ও নাকি আব্বা ঘুমালে ওনার শরীরের উপর লাফিয়ে পড়ে। কোন বারন সে তোয়াক্কায় করে না। আম্মা বলে ছেলে নাম রেখেছিস তাজদার মানে তাজ ধারী অর্থাৎ রাজা। তাই সে কারো কথা শুনে না, তার যা ইচ্ছা হয় তাই করে। 

কিন্তু আজকে আর ছাড়বো না বিচার হবে তার। ডাক দিলাম, তাজদার এই তাজদার, তাড়াতাড়ী আস। 
তাজদার- জ্বি আব্বা কি ইইছেএ.. কেন ডাকছো বলো.. 
আমি- তুমি আব্বু সরাক্ষন কেন মারামরি করো
তাজদার- আমার ভালো লাগে
আমি- এটা কেমন কথা, তোমার ভালো লাগে
তাজদার- হু আমার ভালো লাগে। হুওওওম আমার মনে হয় আমার এখানে (বুকটা দেখিয়ে) জ্বীন ডুকছে, ঐ ভূত আছেনা ভূত ওটাও ডুকছে, এইজন্য আমি এরুম করি। 

বাবার জন্য শ্রধাঞ্জলি


প্রথমেই টলির প্রতি কৃতজ্ঞতা;আমার বাবাকে নিয়ে চমৎকার একটা স্মৃতি চারনের জন্য।

সেই সাথে প্রয়াত পিতার প্রতি শ্রধ্যা জানিয়ে তাকে নিয়ে নিজের কিছু স্মৃতিগাথা :

১. তখন আমি থ্রিতে পড়ি । বাবা-ই আমার পড়াশুনার তদারকি করেন। একদিন " আমার পোষা পাখী " বিষয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে একটা রচনা লিখতে বললেন। আমি খুশি মনে যথাসময়ে তা লিখে জমা দিলাম। বাবা পুরাটা পড়ে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
কিছুখখন এভাবে থেকে যখন মুখোমুখি হলাম তখন দেখি বাবার চোখ ছলছল। শুধু বললেন " খুব সুন্দর হয়েছে তবে 'পাখী' বানানটা একজায়গায় ভুল হয়েছে। ওটা ভুল করা ঠিক হয়নি "

২. ১৯৭৭ সালে স্টীল মিলে HSC / BSc পাশ কিছু জুনিয়র / সিনিয়র অপারেটর নিয়োগ হবে। বন্ধু বান্ধব সবাই দরখাস্ত করলো। আমিও করতে চাইলাম কিন্ত বাবা বাধ সাধলেন।
সাত ভাই-বোনের টানাটানির সংসার, আমি চাকরি করলে সংসারে কিছুটা হলেও সাছছন্দ আসবে -যুক্তি দেখালাম।মাকে দিয়ে সুপারিশ করালাম। তিনি কিছুতেই রাজী হলেন না। শুধু মাকে বললেন -
" আল্লাহ চায়তো ও অপারেটর না, ইঞ্জিনিয়ার হবে। "

ছোট বেলায় সকালে হোটেল থেকে মাঝে মাঝে রুটি বা পরোটা আনতে যেতাম


ছোট বেলায় সকালে হোটেল থেকে মাঝে মাঝে রুটি বা পরোটা আনতে যেতাম।।অবশ্যই ষ্টীল মিল বাজারে।।তো সব সময়ই একটা বেশি নিতাম।।কাউন্টারে পাঁচটার টাকা দিলে ছয়টা নিতাম।।কোন সময়ই ধরা পরতাম না।।

কিন্তু আজ ঘটলো ভিন্ন ঘটনা।।কর্মস্থলের এড়িয়ার একটি হোটেলে নাস্তা করতে ঢুকলাম হঠাৎ সোরগোল শুনতে পেলাম।।এখন দোকানের মালিক আমাকে চিনে বলে একটি আট-দশ বছরের ছেলেকে আমার সামনে হাজির করালো এবং বললো এর বিচার করুন।।প্রশ্ন করলাম কি হয়েছে??বললো হারামি দুই পরোটার টাকা দিয়ে তিন পরোটা নিছে।।সাথে সাথে খাবার আমার বন্ধ হয়ে গেল।।ফিরে গেলাম অতীতে।।হায়রে কপাল,,শেষ পর্যন্ত এখানে ধরা পরলি।।তাও আবার আমার কাছে!!চিন্তায় পড়ে গেলাম।।কি করা যায়।।হাজার হোক আমার অনুসারী।।উপকারতো করতেই হয়।।

বললাম থাক বাদ দেন।ছোট মানুষ।।বলে বিদায় করে দিলাম আর মনে মনে ভাবলাম আল্লাহ্ কি বাঁচান বাঁচাইলা।।
এ জন্যই বোধ আমার বাহিনীর একটা প্রবাদ প্রায়ই বলতে শুনি যে,,একশ একটা পাপ করলে নাকি এই চাকরি মানুষের কপালে থাকে।।

গতবার যখন কক্সবাজার গেলাম


গতবার যখন কক্সবাজার গেলাম আব্বা ফোন দিলেন একেবারে ওখান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেবার আগে। লাক্ষা মাছের শুটকি নিতে বলেছিলেন। আমি শুটকির দোকানে ফোন দিলাম। জানতে চাইলাম কত করে কেজি। ওরা বললো 2000 থেকে শুরু। সবচেয়ে ভালটা ৫০০০/৬০০০ টাকা। যেহেতু ফেরার সময়, এত টাকা ছিলনা। তাই সেবার কিনি নাই। এবার গিয়ে প্রথমেই ওটা কিনে এনে পাঠালাম। আব্বা খেয়েছেন। যদিও খুব অল্প খেয়েছেন। তবুও শান্তি আব্বার ইচ্ছাটা পুরন করতে পেরেছি। আব্বা নিজের সামর্থের মাঝে আমাদের সব ইচ্ছা পুরন করেছেন। আম্মা সেকি রাগ আব্বার ওপর কেন এত দামি শুঁটকি আনতে বলেছেন। আম্মাকে বললাম থাকনা আম্মা,কত টাকা খরচ করি,এটা এমন কি। নিজে মুখ ফুটে কিছু বলতেন না। একবার ভুটান গেলাম,আব্বা সেই আরেকবার বললেন ওখান থেকে জেলি আনিনি কেন। বললাম আব্বা ব্যাগ ভারি হয়ে যায় আর এটা ঢাকাতেই পাওয়া যায়। DRUK এর জেলি।

পরোটা ( স্টার এর নয়)


একদিন খুব সকালবেলা চিনি শেষ বাসায়।সবাই ঘুম।আমি আর আম্মা উঠছি।আম্মা আমাকে বাজারে পাঠাতে চাইলেন না।বললেন পাশের বাসার রুবি আপাদের বাসা থেকে এক কাপ চিনি নিয়ে আসতে।আমি গেলাম।দেখি উনারা পরোটা বানাচ্ছেন।আমরা যেরকম করে বানাই, সেভাবে না,একটু অন্যরকম ভাবে।আমি বিস্ময় প্রকাশ করলাম।কারন পরোটা গুলো খুব সুন্দর হচ্ছিল দেখতে।খালাম্মা আমাকে জোর করলেন একটা পরোটা নিতে।অনেক বড় পরোটা। আমি আম্মা বকা দিবেন বলে নিলাম না।চলে আসলাম।

আমাদের বাসায় পরোটা বানাত কিন্তু চারকোণা। মাঝে মাঝে মুন বেকারস এর থেকে পরোটা আনা হত।সেদিন রাতে বেবি আপা আমাকে সকালে উনাদের বাসায় দাওয়াত দিলেন।আমি সকালে নাস্তা খেতে উনাদের বাসায় গেলাম।কেউ জানেনা।চুপি চুপি।

নীল আকাশের নিচে


নীল আকাশের নিচে
এই পৃথিবী
পৃথিবীর উপরে 
ঐ নীল আকাশ
তুমি দেখেছো কি
শোনো, মনে হচ্ছে তুমি বাবা হবে, আর আমি মা। ডাক্তার এসে ছিলো, তাই বলে গেলো। মনটা খুশীতে ভরে গেলো। ছুটলাম, বাড়ীর দিকে। বাবা/মা খুব খুশী। দুই দিন বাড়ীতে থেকে, ঢাকায় চলে আসলাম।

ঢাকায়, সাথে করে নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম, ডাক্তার নিষেধ করলো, অন্তত তিন মাসের আগে, জার্নি না করতে। মনটা খারাপ করেই চলে আসলাম। বাড়িতে আমরা সবাই আছি, ভয় পাওয়ার কিছু নাই, দাদা ভরসা দিলো। ভালোই যাচ্ছিলো দিন, প্রতি দিন, কতো কথা, দুই জনের মাঝে, কি করবো/না করবো!!! কি চাই, ছেলে না মেয়ে?? আল্লাহ পাক, একটা দিলেই হলো, তাতেই আমি খুশী।

আমাদের গল্প


আমি লিটন , তখন ক্লাস এইট শেষ করে নাইনে উঠলাম। নাইনের বাতাস লাগতেই কেমন জানি নিজেকে সুপারম্যান ভাবতে শুরু করি। পুরা জগতটাই যেন আমার হাতের মুঠোয়। আমি সব কিছু কন্ট্রোল করতে পারি ,সাজু আমাকে সিগারেট ধরাতে শেখালো। উফ কি টান রে মামা। ঐ টিংকা দিবি নাকি এক টান, ফুটবলে মেসি চলে না আসলে আমার নাম টা নিয়েই পুরা ষ্টীল মিলে সবার মুখে মুখে ঘুরে বেড়াতো। 

মেসি কি আমাদের ষ্টিলমিলে আসছিল নাকি রে লিটন বলে অট্টহাসি দিয়ে ফেটে পরলো আবু। 

যাই হোক সব কিছুই আমার দখলে ছিল শুধু কবীর স্যারের ইংলিশ ক্লাসের সময় মনে হলো আমার সুপার পাওয়ার টা কেউ হাইজ্যাক করে নিয়ে গিয়েছে, ট্রান্সলেশনের সময় কেন জানি মুখ টা খুলতেই চায়না। যথারীতি স্যার এর মাইর জুটলো। স্যার এর শরীরের পুরা শক্তি দিয়ে আমাদের উত্তম মধ্যম দেয়া হলো। উফ আজকে স্যার কি খেয়ে ক্লাস নিতে আসছে রে সাজু, মাইড় একটাও মাটিতে পরে নাই সব গুলি আমার উপর দিয়ে গেছে, বেঞ্চে বসতেও পারছিনা। 
বিকালে স্কুল ছুটি হলো। তার আগে পুরান অভ্যাস টিফিন পিরিয়ডের পর ক্লাস পালালাম। অনেক্ষন লেকের উপর বসে ছিলাম, মাইড়ের ব্যাথা তখনো ফিল করছি একটু বৃষ্টি হচ্ছে তবুও বাসায় যেতে ইচ্ছে করছে না। বৃষ্টির পরিমান বেড়ে যাওয়ায় তে বাসায় ফিরতে বাধ্য হলাম। 

Thursday, March 17, 2016

বাপের বাড়ী যাওয়াটা মেয়েদের জন্য খুব আবেগ আর আনন্দের ব্যাপার


বাপের বাড়ী যাওয়াটা মেয়েদের জন্য খুব আবেগ আর আনন্দের ব্যাপার। হোক না সেটা টিনের বা দালানের বাড়ী। বিশাল একটা অধিকার নিয়ে তারা বাপের বাড়ী যায়। আশে পাশে সবাই জানে, ভাবী আজ বাপের বাড়ি যাচ্ছে। জানেন ভাবী, আমি বাড়ীর কাছা/কাছি গিয়েই দেখবো, বাবা হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে!!! কিরে এত দেরী করলি কেন?? রাস্তায় সমস্যা হয়েছিলো?? বাবা আমার!!!! এমন ভাবে বলে, কান্না চলে আসে। রনি, বাড়ী আসবে সুনলেই বাবা অস্থির হয়ে পড়ে। বাবুর বউকে বলবে, সুনিল কে খবর দাও, সকালে যেন, ছোট মাছ দিয়ে যায়। রনি ছোট মাছ খুব ভালোবাসে। বাড়ী যাওয়ার ব্যাপারে, রনি "থোরাই কেয়ার" করে, জামাই কে। জামাই যদি বলে, আমি ব্যাস্ত, তোমাকে তো যেতে কে বলেছে?? তোমার ইচ্ছা হলে যাবা, ইচ্ছা না হলে যাবানা। এক গ্লাস পানি খাওয়ার মত, সমাধান দিয়ে দিলো!!! "বাপের বাড়ীর" মেয়ে বলে কথা!!! মেয়েরা এমনিই হয়। প্রচন্ড ভালোবাসে বাপের বাড়ী।

আর আমার বউতো, যমুনা ব্রিজ পার হলেই, আমাকে আর চিনেনা!!!! এমনেই হিসাব করে কথা বলি, শশুর বাড়ি কাছা/কাছি আসলেই, হুজুর/হুজুর সুরু করে দেই!!!! একি গল্প প্রতিবার সুনতে হয়!!! বাবা কি ভাবে আদর করতো!!! কলেজে কত মজা করেছে!!! চাঁদ রাতে, দল বেধে, কি ভাবে, হৈ চৈ করতো!!! চুরি করে, ছিনেমা দেখতে যাওয়া!!!! আমি প্রতিবারি আগ্রহ নিয়ে সুনি, যেন এই প্রথম সুনলাম!!!

গল্পটা মনে রাখার,ভুলে যাবার কিংবা নতুন করে শুরু করার


ধরা যাক,ছেলেটা র নাম তন্ময়।একটা কলোনি র কোন বিল্ডিং এ তারা থাকত।অনেকগুলো ভাইবোনদের মধ্যে সে একটু আলাদা।চোখে পড়ে।স্কুলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ সতস্ফুরত অংশগ্রহণ ছিল।তন্ময় দের কয়েক বিল্ডিং পরেই ঝিলমিলদের বাসা।তন্ময় এর ক্লাসে পড়ে।সুন্দরী। পড়াশোনায় ভাল।চোখে পড়ার মত।তন্ময় এর বাসার পাশের রাস্তায় দাঁড়ালে ঝিলমিলদের বারান্দা দেখা যায়।কিংবা পুকুরপাড় এ দাঁড়ালেও।বিকেল বেলা ঝিলমিল বারান্দায় আসলে তন্ময় এর দৃষ্টি আর কোনদিকে সরতে চায়না।আর সব সুন্দরী মেয়েরা বোধহয় চায় জগতের সব পুরুষ মানুষের দৃষ্টি তাদের দিকে ফেরাতে।

একদিন স্কুল থেকে পিকনিকে যাবে তন্ময় দের ক্লাসের সবাই।ঝিলমিল ও যাবে।বান্দরবন এ।পিকনিকের দিন সবাই আসে কিন্তু তন্ময় যেন কাকে খুজতে থাকে।অবশেষে ঝিলমিল আসে।গাড়ি ছাড়ে।বান্দরবন এর সুন্দর সবুজ পরিবেশে তন্ময় যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারেনা।ঝিলমিলকে মনের কথা জানিয়ে দেয়।মেয়েটি সরাসরি কিছু না বললেও মিষ্টি হেসে ইতিবাচক কিছুর ইংগিত দেয়।

Change to positive direction………..


This is the Chittagong Steel Mill High School from where I passed the SSC Exam. There are two other buildings remain unchanged: One is the Administrative building the other one is the colony Mosque since CSM is handed over to BEPZA to establish EPZ. It was my first visit to CEPZ & KEPZ as Member (Engineering) since I joined BEPZA.

It was very much nostalgic and austronishing experience for me to see the change of Steel Mill area where I passed my childhood and part of my young age. All the old buildings. Mills and work shop have been auctioned and the whole area converted to industrial plots. The plots have been leased to the investors. Foreign , JV and local investors made the whole area into an Industrial Park. About fifty thousand work force has been employed so far in Karnofully EPZ (about 2 lacs in CEPZ).

GOOD BYE I-Phone.......


হয়তো তোমার অনেক কিছুই আছে, তবু নেই দাম তার কোনই আমার কাছে,
আমার পথ তোমার পথের সাথে.........।। মিল্বেনা যেন কিছুতেই...।।
মিলবে না যেন, কিছুতেই.........
GOOD BYE I-Phone.......
অনেক চেষ্টা করছি, পারি না, হালার I-Phone বাংলা টাইপ allow ই করে না!!!!!
আমার CSM এর ভাইদের সাথে আড্ডা দিয়ে serious প্রব্লেম হইত, 
এখন আমি সেই প্রব্লেম থেকে মুক্ত, হাটে, মাঠে, ঘাটে জেখানেই মন চায়, কমেন্তস করতে পারি,থাকতে পারি অনেক কইজ্জা, jঝগড়ায়, যদি পোলার দখলে মোবাইল টা না যায়...
lap top বা desktop এর জন্য wait করতে হয়না। 
Tks and welcome OPPO-F1 to CSM family with me,

Wednesday, March 16, 2016

দুই রুমের বাসা


দুই রুমের বাসা। তিলপা পাড়ায়। একটা খাট, ছোট একসেট সোফা, আর একটি আলমারি। সংসার সুরু।

দারুন খুশী, আজকের সারাফের মা। রাত যেগে গল্প করতাম। সারাদিন কাজে থাকতাম। সন্ধার পর, বাসাবো ক্লাবে আড্ডা। আর রাতে, চুপচাপ বউ এর, নানারকম কথা সুনতাম। আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন বাবা মারা যায়। বাবার সাইকেলে চরে প্রতিদিন স্কুলে যেতাম। অনেক ভালোবাসতো বাবা আমাকে, সবার ছোট ছিলামতো, তাই। 
প্রেম/ট্রেম, আসেনাই জিবনে?? নাকি আমার আসায় বসেছিলে!! প্রেম ঠিক না, তবে---, নড়ে/চড়ে বসলাম, তবে কি?? তবে কিছু না। আরে বলে ফেলো, নো প্রবলেম। এই দেখো আমি, ভালোবাসতে/বাসতে, জিবনটা ফানা/ফানা করে ফেলছি!!!! 

এই ভাবেই যেতো, নানারংগের দিনগুলি। 

স্নানঘর


আমাদের বাসা টা মানে স্টিল মিলস কলোনি টা যদিও ছিল অনেক দূরে শহর থেকে,তবুও মেহমানের কমতি ছিল না।আজ নানি,কাল ফুফাত বোন, পরশুদিন মামাত ভাই সবসময় মেহমান লেগেই থাকত।কিন্তু বাথরুম ছিল একটা। তাই মেহমানরা আসলে ঝামেলা হত।

তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি।বাসায় মেহমান এসেছে অনেক।স্কুলে যাব। গোসল করতে হবে কিন্তু বাথরুম খালি নাই।কি করি! আগেই বলেছি বিল্ডিং এ সবার ঘরে যেকোন প্রয়োজনে চলে যাওয়া যেত।আম্মা বললেন,রিপা আপাদের বাসায় যেতে।আমিও আম্মার কথামত ছুটলাম উনাদের বাসায়।কারন খালাম্মা মানে রিমন ভাইয়ের আম্মা সবসময় গুছানো থাকতেন,ঘরদোর পরিস্কার রাখতেন।তাই বাথরুম টা ছিল দারুন পরিচ্ছন্ন।

খালাম্মা কে বাথরুম এর কথা বলতেই উনি নিঃসংকোচ এ যেতে বললেন।গোসল শেষ হবার পরে পিছনে ফিরতেই দেখি বাথরুম এর দুই দরজায় দুইজন বিদেশিনী মডেলের ছবি লাগানো। মেয়েগুলো এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন এতক্ষণ ধরে আমাকেই দেখছিল।মনে কি আসল জানিনা,দৌড়ে তাড়াতাড়ি বাথরুম থেকে বেরিয়ে বাসায় চলে আসলাম

csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯


csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯
মানে এখানকার সিনিয়ার ভাই বেরাদারদের তুলনায় দুধভাত tongue emoticon
মূলকথায় অাসা যাক,স্কুলে নাজিমুদ্দিন স্যার ছিলেন ইংলিশ পড়াতেন। বেশ ভাল বেত চালাতেন!
হুম্মম ঠিক ধরছেন আমাদের গায়ের
উপর smile emoticon
যথারীতি বাসায় এসে অাব্বারে বিচার দিলাম "অাব্বা নাজিমুদ্দিন স্যার বেশি মারে "
আব্বা বলল পড়া না শিখলে তো মারবেই.....
পরের দিন অামার বড় ভাই ও আব্বাকে বলল নাজিমুদ্দিন স্যার ওরে ও কিলান দিছে। তাই অাব্বা অামাকে আর আমার ভাইকে একটা দোয়া শিখাই দিলেন(ফাবি আ...লা... ই রাব্বি কুমা তুকাজ্জিবান) অার বললেন স্যারের সামনে এটা মনে মনে পড়তে...

কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম


কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম, একসময় কলেজে ভত্তি হলাম,কলেজে ভত্তি হওয়াতে মনের মধ্যে অন্য রকম ভাব কাজ করতো, কলেজ বাসে যাওয়ার সময় একটা নিয়ম ছিল বড় ভাইরা সামনে বসতো আর মেয়েরা মাঝে বসতো আর যারা নতুন তারা একদম পিছনে,আসার সময় আবার এই নিয়ম ছিল না, আমরা এমনে পিছনে বসার মধ্যে মজা পেতাম কারণ পিছনে বসলে সামনে কি হচেছ না হচেছ সব জানতে পারতাম,কলেজ বাসের দরজা ছিল দুইটা,কলেজে যাওয়ার সময় সবাই মোটামটি মাঞ্জা মেরে যেত, শত হলে নিজেকে জাহির করে যেতে হতোনা,বাসের মধ্যে মরা রাশেদ উঠলে তো কথাই নেই গান চলতো আর পিছনে চিল্লাচিল্লি প্রতিদিন চলতো,আমি বেশির ভাগ সময় ভিতরে না বসে পিছনের দরজায় দাড়িয়ে থাকতাম,পিছনের দরজায় দাড়ানো জন্য আমার সাথে অনেক কে ফাইট করা লাগতো,হেলপার এর পাটও নিতাম,কলেজ বাস ছাড়তো মেডিকেলের পিছন থেকে মেডিকেলের পাশে মোটা মোটা লোহার থাম দিয়ে গেইট ছিল,বাস ঐ গেইট দিয়ে মোড় ঘুরে বের হতো,তো একদিন আমি ভালো মতো মাঞ্জা মারতে মারতে দেরি হয়ে গেলো দৌড়ে কোনমতে পিছনের দরজায় উঠলাম বাসও মোড় ঘুরতেছে আমার হাত যে বাহিরে সে দিকে খেয়াল নেই হঠাৎ চোখে সষে ফুল কি থেকে কি হয়ে গেলো আমি চিৎকার করে উঠলাম,আমার বাম হাত নাড়াইতে পারছিনা সাথে সাথে আমাকে ধরে পাশে হাসপাতালে নিয়ে গেলো পুরো বাম হাত অবশ এই হাত যে আমাকে বহুত দিন ভোগাইছে

Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন


Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন। আমি ধর্ম কর্ম তেমন পালন না করলেও এই কপালের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে সব সময় কৃতজ্ঞ থাকি।

১৯৯৯ সালে যখন স্টিল মিল বন্ধ হচ্ছে হচ্ছে অবস্থা ঠিক সেই সময় আমার ঢাকায় বসুন্ধরাগ্রুপ এ চাকুরী হয়। ওই মূহুর্তে এ চাকুরী সৃষ্টি কর্তার কত বড় দয়া তা ভাষায় প্রকাশের মমত নয়।এর পর ৭/৮ বছর মোটামুটি চলছিল, পুরো পরিবার চিটাগাং , আমি ঢাকায় থাকি, সবাইকে ঢাকা নিয়ে আসলাম, ফুটফুটে এক পুত্র সন্তানের বাবা হলাম তার কিছুদিন পরে বিনা মেঘে বজ্রপাত, অফিসের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে এক দিনের নোটিশে চাকুরী নেই, সর্ষে ফুলের চেয়ে হলুদ কোন ফুল থাকলে বোধ হয় সে ফুলই দেখছিলাম। ঢাকা শহরে চলার মত মাস দুয়েকের টাকা জমা আছে,এর পর কি হবে সে চিন্তায় অস্থির, কিন্তু সৃষ্টি কর্তা আবারো আমার প্রতি অসীম দয়া দেখালেন,দেড় মাসের মাথায় আবার চাকুরী তে পুনর্বহাল এবং আমাকে হয়রানির করার ক্ষতিপূরণবাবদ দুই লাখ টাকা প্রদান, সৃষ্টিকর্তা যা করেন বোধ হয় ভালোর জন্য করেন। 

অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে


অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে।রক্ত দরকার সেখানে আমাদের লিটন ৯৪ ব্যাচ, আমি ফোন করেছিলাম লিটনকে, সে বলল আসলাম রক্ত পাওয়া গেছে, আমি তাকে অপুর সাথে যোগাযোগ করতে বললাম।আমি অপুকে ফোন করে বুজতে পারলাম অপু খুব ব্যাস্ত রোগী নিয়ে,আমি লিটন এর কথা বলাতে অপু আমাকে লিটনের নাম্বার এসএমএস করে দিতে বলে।পরে পুলক বলল ৭ টার দিকে রক্ত দেওয়া হবে।

লিটন আমকে একদিন বলেছিল আসলাম রক্ত লাগলে আমাকে জানাইস,আমার মায়ের রক্তের দরকার হলে আমি লিটনকে বলেছিলাম,সে চেষ্টা করেছে লিটন বন্ধু তোকে অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্ট টা লেখার কারণ আমরা যদি সিএসএম বাসী সুখে- দুঃখে একসাথে থাকি,তাহলে আমরা যে কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবো।ইনশাআল্লাহ।

এক‌টি দুপুর‌বেলা ও অামার স্বাধীনতা :


দুপু‌রের খাওয়া শেষ ক‌রে অামার ছোট ভাই‌ অা‌নোয়া‌র এর প্রিয় "GREEN TEA" পরখ ক‌রে দেখব ভে‌বে এক কাপ হা‌তে নিলাম, ধীর গ‌তি‌তে টি‌ভি রু‌মে ঢুকলাম, চা‌য়ের কা‌পে চুমুক দি‌তেই FEEL করলাম কেন অামার ছোট ভাই এই GREEN TEA এত পছন্দ ক‌রে!!! 

নি‌জের অজা‌ন্তেই কখন যে টি‌ভি রি‌মোর্ট হা‌তে নিলাম টেরই পেলাম না, হই‌তো চা এর স্বাদই এর জন্য দায়ী,,,,,যাক সে কথা, POWER BUTTON চাপ দি‌তেই সেই অ‌তি প‌রি‌চিত ভারতীয় চ্যা‌নেল চো‌খের সাম‌নে ভে‌সে উঠ‌লো, কিন্তু অামার ম‌নের খোরাক ঐ ভারতীয় চ্যা‌নেলগু‌লো নয়,,,হয়‌তোবা অার কেউ দেখ‌ছি‌লো এবং সে অবস্থা‌তেই টি‌ভি বন্ধ ক‌রে‌ছে। যা হোক, কেবল অপা‌রেট‌রের সি‌লেক্ট করা ২০ নম্বর চ্যা‌নেলটা চাপ দিলাম, GTV (gazi tv). নাহ, কোন খেলার পুনঃপ্রচারও নেই। সোজা চ‌লে গেলাম খেলার চ্যা‌নেলগু‌লো‌তে। ৩৮ থে‌কে ৪৭ পর্যন্ত খেলার চ্যা‌নেল। শুরু‌তেই ৩৮ নম্বর চ্যা‌নেল। হ্যাঁ, এটাই‌তো খোজঁ কর‌ছিলাম। বাংলা‌দে‌শের খেলা পুনঃপ্রচার। বাংলা‌দেশ বনাম অায়ারল্যান্ড। শেষ চুমুকটুকু দি‌য়ে চা‌য়ের কাপটা টে‌বি‌লের উপর রে‌খে ঘাড়টা টি‌ভির দি‌কে ফিরা‌তেই সেই "যন্ত্রণাময়" বিজ্ঞাপন বির‌তি। ধুর শালা....‌রি‌মোর্ট হা‌তে নি‌য়ে যেই চ্যা‌নেল চ্যান্জ কর‌তে যাব ঠিক সে সময় টি‌ভি পর্দায় ভে‌সে উঠল নিম্মরুপ:

Tuesday, March 15, 2016

আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা


আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা। নাক দিয়ে, অনবরত পানি বেরুচ্ছে। এক সাথে, নন স্টপ, ৬/৭টা হ্যাচ্চো!!! গামছা, টাওয়েল, গেঞ্জি, লুংগি দিয়ে নাকের পানি মুছতে মুছতে, বাকি ছিলো, সারাফের মার, উড়না। উড়না দিয়ে নাক মুছে, এখন মহাবিপদে আছি। আমার বেটি মহা আনন্দে আছে। আমি হ্যা-চ- করতেই, আম্মু, উড়না সামলাও, বাবা তোমার, উড়না ঘীন্না করে দিবে!!! আল্লাহ, তুমি আমারেই দেখলা!!! আমার ঠাণ্ডা টা, সারাফের মারে দিলে, কি এমন ক্ষতি হইতো!!!!