Wednesday, May 25, 2016

শাহরুখ খান আর জুহি চাওলার 'রাজু বনগেয়া জেন্টেলম্যান' ছবিটি আমি আবার দেখেছি কিছুদিন আগে


শাহরুখ খান আর জুহি চাওলার 'রাজু বনগেয়া জেন্টেলম্যান' ছবিটি আমি আবার দেখেছি কিছুদিন আগে। সিনেমাটা যারা একেবারে রিলিজ পাওয়ার পরপর দেখেছেন তাদের মনে থাকতে পারে যে জুহি চাওলা তখন খ্যাতির শীর্ষে , আর শাহরুখ তখন মাত্র নুতন বোম্বের ফিল্ম জগতে। এই আনকোরা যুবকের দ্বিতীয় (সম্ভবত) ছবিতে সুপার হিট নায়িকা জুহি জুটি বেঁধেছিলেন। সেই ছবির শাহরুখের চরিত্রটিও ছিল দক্ষিণ এশিয়ার তথা ভারতের উঠতি পরিবারের যুবকের জীবন যুদ্ধের প্রতিকৃতি।নায়ক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পড়েই চাকরীর বাজারে ছুটতে ছুটতে জুতার তলা খুইয়ে ফেলে। এবং এই ছবিটি ছিল সুপার ডুপার হিট।

আমি আইপিএল ক্রিকেট দেখিনা, কিন্তু কলকাতা নাইট রাইডার্সের খেলা দেখি। কেকেআরের খেলায় এই দলের অন্যতম মালিক উচ্ছসিত জুহিকে দেখে একটি কথা এখন অন্যভাবে বলা যায়, শাহরুখ খান এখন খ্যাতির শীর্ষে যেখানেই হাত দেন সেখানেই সোনা ফলে; অনেকেই তার সাথে জুটি বাঁধতে চায়, এখন সেটা ফিল্ম জগত হোক বা ক্রিড়া জগত হোক। কিন্ত প্রথম থেকেই শাহরুখের ক্রিকেট দলের সাথে জুহিকে দেখে বলাই যায়, শাহরুখ তার প্রথম হিট ছবির নায়িকা সেই জুহিকে ভুলে যান নি। 

শুধুমাত্র এই জুহির কারনেই কেকেআর- এর খেলা দেখি।

আতিক পোষ্ট দেই জুহি চাওলার


আতিক পোষ্ট দেই জুহি চাওলার। আজকে আমি দিলাম মাধুরীর।মাধুরীকে নিয়ে একটা ঘটনা আজও আমার মনে পড়ে।

সুমনরা যখন ই টাইপে ছিলো তখন থেকে ওদের বাসায় যেতাম। কেরাম খেলতাম, ভিসিপি দেখতাম। একবার কেরাম খেলা সময় ভিসিপিতে মাধুরী তেজাব ছবিটা চালিয়ে দিলো। ইয়াং বয়স, খেলায় তখন মন বসানো দায়। আমি বললাম আর খেলবো না। তখন খালাম্মা (সুমনের আম্মা) বললো গেইমটা শেষ করে যা। তখন বাধ্য হয়ে খেলতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর শুরু হলো এক দো তিন। তখন আমার মারের পালা, ব্যাচের গুটি ফেলতে হবে। কিন্তু পারলাম না। খালাম্মা বললো তোর মন কোথায়? তখন লজ্জায় বলতে পারিনি মন কোথায় ছিল।

(বিঃদ্রঃ মাধুরী এই ছবিটা গতকাল ওর ওয়ালে পোষ্ট করা। একেবারে লেটেষ্ট ছবি)

আজ ট্রেনের টিকেট নিতে গেলাম


আজ ট্রেনের টিকেট নিতে গেলাম,রিপন ভাইয়ের কাছ থেকে,ভাই গতকালই শনিবারের টিকেট কেটে রেখেছিল চিটাগাং যাওয়ার।ধন্যবাদ জানাই ভাইকে।

সকলে যখন ফোন করলাম বলল তুই কখন আসবি, আমি বললাম গুলিস্তান নেমে ফোন দিব,তার আগেই ভাই ফোন দিয়ে বলল আমি ও রেজা (ভাই) ঢাকা মেডিকেল এ ইউনিট ২ তে আসছি তারিকের কেবিনের ব্যাবস্হা করা যায় কিনা তার জন্য।

আমি ও আমার সমন্দী গুলিস্তান নেমে ফোন দিলাম রিপন ভাইকে, বলল ইউনিট ২ তে চলে আয়।গিয়ে কিছুক্ষন পর রিপন ভাই ও রেজা ভাইকে পেলাম।রেজা ভাই একটা বকা দিল একা কেন আসছি,বললাম সমন্দী ও এসেছে তারপর রিপন ভাই টিকেট দিয়ে বলল বাড়ী চলে যা,আমাদের অনেক কাজ বাকী।আসলেই দেখলাম দুই বড় ভাই খুব দৌড়াদৌড়ি করছে তারেকের কেবিনের ব্যাবস্হা করার জন্য।ধন্যবাদ দিয়ে নয় আমি সেলুট জানাই ভাইদের।

তারপর যাদের সমালোচনা করার তারা ঠিকই করবে।কিন্তু আমার বক্তব্য ভাই, সমালোচকরা তাদের সমালোচনা করে যাবে,আমরা আমাদের কাজ করে যাব।

কারন এখানে যে সব আমরা আমরাইতো।

Tuesday, May 24, 2016

কিছু দিন আগে বাড়ি থেকে ঘুরে আসলাম মোটামুটি চিন্তা করছিলাম ঈদের আগে আর বাড়ি যামু না


কিছু দিন আগে বাড়ি থেকে ঘুরে আসলাম মোটামুটি চিন্তা করছিলাম ঈদের আগে আর বাড়ি যামু না যদি পারি রমজানে মাঝে ১/২দিনের জন্য ঘুরে আসবো, উপর ওয়ালা তখন গত শবেবরাতে আমার ভাগ্যে কি লিখে রাখছে আমি কি জানি নাকি?এবারে ভাগ্য লিখার ৬ ঘনটা আগে হঠাৎ বাড়ি থেকে ফোন বাড়ি থেকে সহজে আমাকে ফোন দেয় না কারণ দিনে কয়েকবার মা বোন বউ এর সাথে আলাপ হয়, বেশি দরকার হলে তারা ফোন দেয় এশার নামাজের ঠিক আগ মুহুতে সরাসরি ফোন ফোন রিসিভ করার পর ঐ প্রান্তথেকে কযেক লাইন এর কয়েক টি কথা শুনে বুকটা হাহাকার করে উঠলো কি জানি বুক থেকে খালি হয়ে গেলো,বাবা মারা যাওয়ার পর ঐ রকম হয়েছিল, বাবা পর মা তারপর শশুড় এই তিন জন মুরব্বীই আমার অতি প্রিয় মুখগুলি ছিল, বাবা মার পর এই শশুড়ই আমার খবরাখবর নিতো সব সময়, বাবা মারা গেলো একসময় এখন মারা গেলো শশুড়,ঠিক মতো নামাজ না পড়ে রাতে ই রওয়ানা দিয়েদিলাম ভোরে পৌছে সোজা শশুড় বাড়ী ফেনি, সকাল ১১টায় জানাজা সকাল থেকে লোকজন আসা শুরু এতো লোকজন জানাজায় অংশ গ্রহন করলো আমি তো অবাক সবার মুখে মুখে তখন এক কথা খুবই ভালো মানুষ ছিল তিনি মন টা ভরে গেলো ভালোলাগায়,আল্লাহ তাকে যেন জান্নাত বাসী করে সবাই ঔনার জন্য দোয়া করিয়েন আমিন

Monday, May 23, 2016

Atiq Csm আতিক ভাইয়ের চট্টগ্রাম আগমনের উপলক্ষে আমরা কিছু সংখ্যক স্টিলাররা


Atiq Csm আতিক ভাইয়ের চট্টগ্রাম আগমনের উপলক্ষে আমরা কিছু সংখ্যক স্টিলাররা সেন্টমার্টিন হোটেল আগ্রাবাদে সন্ধ্যার পর মিলিত হয় । আতিক ভাই, ওনার প্রমোশনের উপলক্ষে রাতের খাবারের আয়োজনও করেন ।

এক সাথে মিলিত হওয়ায় আমরা স্টিলাররা মজার আলাপে মেতে উঠি । Reajul Islam Shahin শাহিন ভাই , ওনার ছোটবেলার সব সৃতি চরন শুরু করেন , Nazmul Huda আমাদের নাজমুল ভাইও থেমে থাকেননি , উনিও ওনার ছোটবেলার মজার মজার সব অভিজ্ঞার কথা শুরু করেন ।কিন্তু আমাদের আতিক ভাই সারাক্ষনই ঝিমাইতেছেন, শাহিন ভাইয়ের কথার মাঝখানে Jashim Uddin জসিম ভাই বলে উঠলো - ঐ আতিক কিরে ঘুমাইতেছস ? আতিক ভাই আচমকা ভাবে উঠে বলে না , শাহিন ভাইয়ের সব কথাই শুনতেছি - উনি নানীকে নিয়ে কি সব গল্প করতেছেন ।। আর Suzan Hasnat সুজন মুখে হাত রেখে হাঁসতে লাগলো । 

পরে শুনলাম সুজন আর আমাদের Babu Csm Club বাবু ভাই মিলে আতিক ভাইকে জোর করে বিকাল বেলায় বিচে নিয়ে যায় , বিচ থেকে আসার পর থেকেই আতিক ভাইয়ের এই অবস্তা ।। 

তারা দুইজনে মিলে কি আমাদের আতিক ভাইকে ইমোশনাল বানিয়ে দিল ??

( ৩০ ভাগ ফান )

আমাদের জীবন থেকে আরেক পবিএ রজনী চলে গেল


আমাদের জীবন থেকে আরেক পবিএ রজনী চলে গেল।এ রাত আমাদের সকলের গুনাহ মাফের রাত,আর অনেক কিছু চাওয়ার রাত আললাহর কাছে।সকলে আমরা সকলের জন্য দোয়া চেয়েছি।সবাই যেন ভাল আর সুসথ থাকে।

আমার ছেলেও রাত দুইটা পযন্ত জেগে ছিল,সে নামাজ আর কোরাআন তেলোয়াত করেন।পরে আমি ওকে বললাম এরাতে তুমি জা চাইবে তা আললাহ তোমাকে দিবে।ও মুনাজাতে বলচে আললাহ আমাদের আরেকটা নতুন আরেকটা কাটুন চ্যানেল আর বেশি বেশি করে জেন বাহিরে সাইকেল চালাতে পারি।আমি চিন্তা করলাম ওরা কত না অবুঝ আললাহ ওদের মাফ করে দিবে।আমি আমার সব ষটীলার ভাই বোন আর চাচাচাচীদের জন্য দোয়া করেছি।এখন কবুল করার মালিক যিনি তিনি জেন করেন আমাদের সকলের দোয়া। আললাহ সবাইকে ভাল রাখুক।।।।

একবার এক শবে বরাতের রাতে কলনিতে হাঁটছিলাম


একবার এক শবে বরাতের রাতে কলনিতে হাঁটছিলাম। রাত সাড়ে এগারোটার মত বাজে। হাঁটতে হাঁটতে ডি/১ এর সামনে আসার পরে দেখলাম বদরুলদের গাছে অনেক পেয়েরা ধরেছে। এবং পেয়েরাগুলোর সাইজও বড় ছিলো। আমাদের মধ্যে একজন বললো দেখ পেয়েরাগুলো অনেক বড় হইছে। এমন সময় স্নিগ্ধা আপা বলে উঠলো" মাথায় টুপিও আছে, নামাজ না পড়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতেছো কেন?" উপরে তাকাতে দেখি স্নিগ্ধা আপার বারান্দার লাইট অফ করে এক কোনায় বসে গাছ পাহারা দিচ্ছে। পরে সে রাতে আর ওদিকে যায়নি। কারন অন্য কেউ যদি সেদিন চুরিও করতো তাহলে উনি আমাদের নাম দিতো।

Sunday, May 22, 2016

আমি একজীবনে কিছু মানুষের তীব্র ঘৃণা যেমন পেয়েছি ভালবাসা পেয়েছি তারও বেশি


আমি একজীবনে কিছু মানুষের তীব্র ঘৃণা যেমন পেয়েছি ভালবাসা পেয়েছি তারও বেশি। হয়ত সেই ভালবাসার বহিঃপ্রকাশই ছিল টিপুর আমাকে আবার এই পেজে ডেকে আনা। বলতে দ্বিধা নেই এটি আমার খুব প্রিয় একটা পেজ। আমি আমার সবচেয়ে সেরা লেখাগুলো এখানে লিখেছি। আজো লিখবনা লিখবনা ভেবেও লোভ সামলাতে পারলাম না।

১৯৯৮ সালে আমরা বন্ধুরা মিলে রাঙ্গামাটি গিয়েছিলাম ঘুরতে। আশিক কোত্থেকে একটা গাড়ি যোগাড় করলো সেটা নিয়েই হইহই করতে করতে চলে গেলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের পিছু নিয়েছিল। আমাদের যাত্রা নিয়ে সবচেয়ে বেশি দৌড়ঝাঁপ করেছিল আবু। যাত্রার আগের দিন আবুর বাবা স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হল, আবু আর যেতে পারল না আমাদের সাথে। সারাদিন রাঙ্গামাটিতে ঘুরে বিকেলের দিকে আমরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। রাঙ্গামাটি শহর থেকে বের হবার আগেই আমাদের গাড়ির গিয়ারবক্স ভেঙ্গে বিকল হয়ে গেল। মেকানিক জানালো চট্টগ্রাম থেকে পার্টস আনার আগে ঠিক হবেনা। আমরা আটজন ঝামেলার মধ্যে পরে গেলাম একদম। 

তখন আমরা অনেক ছোট

Saturday, May 21, 2016

রাত সাড়ে আটটার পরে কয়েকবার উঁকি ঝুঁকি মাইরা সে ফিক্সড হইছে


রাত সাড়ে আটটার পরে কয়েকবার উঁকি ঝুঁকি মাইরা সে ফিক্সড হইছে। কিন্তু সে একা আসছে। আরেক জনকে আনে নাই। মানে ডিশ আসে নাই। তাই খবর, খেলা, মিরাক্কেল কিছুই দেখতে পারি নাই। এফএম রেডিও শুনতে চাইলাম কিন্তু হেডফোন খুঁজে পাচ্ছি না। চারটার পর থেকে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঘুমিয়েছি। তাই এখন ঘুম আসছেনা। সিএসএম পেইজেরেও রোয়ানু পাইছে। ডিশ না থাকাতে সবাই ঘুমানোর প্রিপারেশন নিচ্ছে। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। শুভ রাত্রি।

একটু হালকা কথা বার্তা বলি এবার, বাসে এবার সিংগেল সিটই পাইছি


একটু হালকা কথা বার্তা বলি এবার, বাসে এবার সিংগেল সিটই পাইছি। তবে বৃষ্টি র পানি বাসের ছাদ দিয়া দু এক ফোটা আমার গায়েও পড়ছে। গাইড ইতং বিতং করে কিন্ত সমস্যার সমাধান হয়না। ফোন দিলাম আরামবাগ কাউন্টারের কর্মকর্তা কে, এই বেটার সাথে আবার ভাল খাতির, ওই কর্মকর্তা গাইডেরে এমন ধমক দিলো মুহূর্তেই সমস্যার সমাধান, বরং একটু পরপর গাইড খবর নিয়া গেছে আমার আর কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা।।

আমার সামনের সিটে এক বয়স্কা কালচারাল লাইনের আন্টি বসছে ( এই মহিলার মোবাইলে বিভিন্ন জায়গায় আলাপে বুঝলাম উনি কালচারাল লাইনের)। এই বুড়ি বেটি আমারে কয় ভাই এইটা কোন জায়গা ( তখন আমরা চৌদ্দগ্রাম)। এই বেটি ডাকে আমারে ভাই, মন ডায় চাইছিল! ভাইগ্য ভালা বেডি আর কোন কথা কয় নাই।

পিছনের সিটে বইছে এক মাইয়া, এইডা বলে আবার মডেলিং করে ( তারও মোবাইলের বকবক শুইন্যা বুজ্জি উনি মডেল), মাইয়ার যে চেহারা এই চেহারা লই যদি মডেল হওয়া যায়, তাইলে আমার নানি ছানি রানি যা আছে সবাই সুপার ডুপার বাম্পার মডেল।

পাশের পিছনে সিটে এক শালা সমানে নাক ডাইকা ঘুমাইছে এই দিনের বেলায়। 
শালার এই দুইন্যায় কত কিসিমের পাবলিক যে আছে।
যাক আমি ঢাকা পৌছাইছি। এখন আরামবাগ।

গতকাল সকাল থেকে অনেক রাত পর্য্যন্ত খুব চমৎকার একটা সময় পার করেছি


গতকাল সকাল থেকে অনেক রাত পর্য্যন্ত খুব চমৎকার একটা সময় পার করেছি। পুরোটা দিনই স্টিলার দের কেউ না কেউ আমার সাথে ছিল। সকালেই Jahed Tipu হোটেলে হাজির, তাকে সাথে নিয়ে Nazmul Huda ভাইয়ের ছেলে নেহাল কে দেখার জন্য চিটাগাং মেডিকেল কলেজে গেলাম, একে একে সেখানে এলেন Reajul Islam Shahin ভাই, Jashim Uddinভাই। তারপর ডাব কিনে খাওয়ার মত ট্রাজেডি কাজ করলাম। জুমার নামাজের সময় কালে মেডিকেলে নার্সিং ইনিস্টিউটের পাশে জসিম ভাইয়ের ইমামতি আর আমার মুয়াজ্জিন গিরি (!)।। ঢাকায় ফেরার জন্য টিকেট করতে হবে তাই ইচ্ছা করেই আমি জসিম ভাই শাহিন ভাই আর টিপু হেটেই দামপাড়া রও না দিলাম, ঐতিহাসিক ও আর নিজাম রোড, গোল পাহাড় এলাকার দিকে হাটছি, এবার বাদশা মিয়া রোড (ওয়ার সেমিট্রির) দিকে একটু ঘুরা ফিরার ইচ্ছা ছিল। শত হলেও স্মৃতিময় জায়গা। 

দুর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়া তাই আমাদের অফিস ছুটি হয়েছে


দুর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়া তাই আমাদের অফিস ছুটি হয়েছে। প্রচন্ড বাতাস বইছে। কোন রকমে সিটি গেইটে আসলাম। সিটি গেইটে আসার পর দেখি রাস্তায় খুব একটা গাড়ি নাই। যাত্রী ছাউনির নিচে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই একটা সিএনজি আসলো। তাকে বললাম দেওয়ান হাট মিস্ত্রীপাড়ায় যাবো। কত? ভাড়া বললো আকাশ ছোঁয়া। কোন রকমে রাজি করিয়ে সিএনজিতে উঠলাম। রাস্তাঘাট ফাঁকা। একে খান মোড়ে আসার পর ড্রাইভার বললো কোন দিক দিয়ে যাবো। আমি বললাম অলংকার হয়ে পাহাড়তলি বাজার দিয়ে যান। সে আমার কথা না শুনে সোজা পোর্ট কানেক্টিং রোড দিয়ে চালাতে লাগলো। বড়পোল হয়ে এক্সেস রোড দিয়ে আসতে লাগলো। শান্তিবাগের মোড় পার হয়ে আসার পরে দেখলো রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে। পানি এত বেশী যে সেখান দিয়ে সিএনজি চালানো সম্বব নয়। কি আর করা? আবার সিএনজি ঘুরালো। এবার বললাম শান্তিবাগ দিয়ে ঢুকে যান। না সে ঢুকবে না। তার কথা সে সরু গলিতে ঢুকবে না। তারপর আবার বড়পোল- নয়াবাজার- দেওয়ান হাট হয়ে মিস্ত্রীপাড়ায় ঢুকলো। শেষ পর্যন্ত আমার দেখানো রাস্তা দিয়েই আসলো। দশ মিনিটের রাস্তা বেশী বুঝার কারনে চল্লিশ মিনিট লাগালো

পুরোটা রাস্তায়ই বৃষ্টি ঝড়ছে


পুরোটা রাস্তায়ই বৃষ্টি ঝড়ছে। জানালার পাশে বসে মান্না দের গান শুনতে শুনতে পথ চলতে খারাপ লাগেনা। বৃষ্টি র দিনে মন এমনিতেই আদ্র থাকে, আর যদি মান্নার "কফি হাউজ" গান শুনি তাহলে তো কোন কথাই নেই তার উপর আমি চিটাগাং শহর ছেড়ে চলে আসছি। মন টা আসলেই খুব আদ্র হয়ে আছে।

এই চিটাগাং শহরেই আমার ও আমার ভাই বোনের জন্ম। এ শহরেই আমাদের নাড়ি পোতা। এখানেই জীবনের প্রথম ভালোবাসা, এখানেই কাটিয়েছি জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বর্নালি দিন।

এ শহরে এখনো বাস করে আমার অশীতিপর বৃদ্ধা নানী, সদ্য চাকুরী থেকে অবসরে যাওয়া অসুস্থ বড় মামা। আমার এ টুকু উঠে আসার পিছনে আমার মামাদের ভূমিকা বলে বুঝানো যাবেনা।

এ শহরের সাথে আমার আত্মা ও আবেগের সম্পর্ক। জীবন ও জীবিকার তাগিদে এ শহর ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। প্রতিবারই যখন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় চলে আসি মন টা কষ্টে ভেংগে যায়। চট্টগ্রামে বসবাসরত রা এদিক দিয়ে সৌভাগ্যবান। অন্ততপক্ষে তাদের এ ব্যাথা উপলব্ধি করা লাগেনা।

সবশেষে দুটি কথা।
I love CSM Colony.
I love Chittagong.

Friday, May 20, 2016

গতকাল রাত (১৯/৫/১৬) সাড়ে নয়টার দিকে হোটেলে রুমে ব্যাগ টা রেখেই আবার বাইরে চলে যাই


গতকাল রাত (১৯/৫/১৬) সাড়ে নয়টার দিকে হোটেলে রুমে ব্যাগ টা রেখেই আবার বাইরে চলে যাই, রাত ১১ টায় রুমে এসে ব্যাগ থেকে কাপড় বের করতে গিয়ে দেখি ব্যাগে আমার ছেলের একটি খেলনা। এটা দেখে বুকের মাঝে কেমন জানি হু হু করে উঠল। বাসায় ফোন করে জানলাম ছেলে ব্যাগের মধ্যে আমার অজান্তেই তার এই খেলনা ( একটি প্লাস্টিক এর ব্যাঙ) দিয়ে দিয়েছে। ব্যাগ খুলেই যাতে খেলনা টি দেখে আমি ভয় পাই সে জন্য সে এটি করেছে, এ ধরনের খেলা সে বাসায় সবার সাথেই খেলে। মনটা ভরে গেল চিটাগাং এসেও তার খেলা থেকে আমি বঞ্চিত হইনি এটা ভেবে।

ফ্যামিলি রেখে এক দিনের জন্যও ঢাকার বাইরে কোথাও গেলে নিজেকে মজা করে স্বাধীন বলি, কিন্তু এ স্বাধীনতার ভিতরেই বুকের মাঝে কোথায় যেন একটা খচখচানি রয়ে যায়। আর এ খচখচানি টা হচ্ছে নিজের সন্তানের জন্য।

আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের টিফিন ছিল ইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে


আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের টিফিন ছিল ইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে ১ টাকা দিয়ে নিমকি বিসকুট চারটা,ঝাল আচার,মটর ভাজী আরও কত কি।তা খুব টাকার আট পরিমানেও কম।আবার সকুলে তাহের ভাইকে দিয়ে সিঙগারা আনানো।তাও আবার বাসা তেকে দুই টাকা সবসময় পাওয়া যেতো না। কিনতু এখন আমার ছেলেকে একেক দিন নতুন নতুন সব আইটেমের টিফিন বানাই দিতে হবে।একটা আইটেম দুইবার নিবে না।সকুলে জাওয়ার আগে আজকে কি দিস। এটা হলে নিব ও টা নিব না।মানে এ টিফিন নিয়ে মহা চিন্তাই। একদিন ডিম পরোটা,চপ,কাবাব,পিজজা,বারগার,স্যানডুইস,চমুচা আরও কত কি।সব ঘরে বানাইতে হয় আমাদের ঘরে বাহিরের কোনো খাবার চলে না।তাই সকালে ঘুম ভাঙগলে আমার ওর টিফিন কি দিব এ চিনতা।আমি জানি সব মায়েদের একই অবস্তা।আর আমরা আমমারা দুইটা রুটি যুদি আলু ভাজী দিয়ে দিত কত খুশি হইতাম,কত মজা কটে খেতাম।আর এখনকার বাচচাদের একদম খুশি করা যায় না।একদম বদের হাডিড।তবে আমিও বলেছি আমি তোমাকে নিত্যনতুন মজার মজার টিফিন দিব কিনতু তোমাকে পড়ালেখা আর আমার কথা শুনতে হবে।অবশ্যই সেটাই করে তবে দুষটামিটা সে অনেক বেশি করে।

Thursday, May 19, 2016

অসুখের রাজ্য জ্বর হলো


অসুখের রাজ্য জ্বর হলো, একটি অসভ্য রোগ এবং যথেস্ট পরিমানে বেয়াদপ। এই বয়সে জ্বর ভাল লাগে? সারা রাত ক্যা\কু করেছি। অল্পতেই রাগ উঠে যাচ্ছে! আজকেও কাজটি হলোনা। গতকাল ডাঃ বাবু ভাই এর চেম্বারে গিয়েছিলাম। চা/নাস্তা খাইয়ে, হাতে নাপা ধরিয়ে দিলো। জ্বর ভালো না হলে, দুই দিন পর যেতে বললো। কেন রে হারামি, আজকে দিতে তোরে কামড়ায়? কিছু বললাম না, ডাঃএর সাথে তর্ক করতে নাই, সোজা উপরে চলে যেতে হবে এবং আমার বউ/বেটি বড় সমস্যায় পরে যাবে। আজকেও রাগটা রিপনের উপর ঝেড়ে দিছি! শালা সব কিছুতেই জ্ঞ্যান দিতে আসে। এটা করতে পারবিনা, সেটা ধরতে পারবিনা, এখানে বস, ওখানে গিয়ে দাড়া! আবার হুমকিও দিছে, "এখন থেকে আমার অনুমতি ছাড়া,একটা কথাও বলবি না"! বড় সহজ সরল বন্ধু আমার। কিছুক্ষন পরেই বললো, দোস্ত, wash রুমে যাওয়ার পথে দেখলাম, আলু ভর্তা/কলা ভর্তা/বেগুন ভর্তা আর সাথে ডাল, চল হাস্পাতাল কেন্টিনে বসেই "মেরে দেই"! অনেক দিন পর আজ হাসপাতাল কেন্টিনে বসে ভাত খেলাম। ছামি আবার সেলফিও তুললো। ছামির সেলফি তুলা দেখে আমি হাসি! কেন হাসি নিজেও জানিনা! বড় বিচিত্র এই দুনিয়া আর এই দুনিয়ার মানুষ গুলি! নাট্যমঞ্চ প্রস্তুত হচ্ছে! নট/নটিদের পদচারনায় আবার "হয়তো" মুখরিত হবে, এই নাট্যমঞ্চ! আর আমার কপালে জুটবে হয়তো, "কলঙ্কের রাজ তিলক"! নাহ, জ্বরটা বড় বেশী আবোল\তাবোল করে দিয়েছে আমাকে!

সিএসএম এর অনেক ভাইয়েরা আছেন যারা এখনোও বিয়ের পিড়িঁতে বসেন নি


সিএসএম এর অনেক ভাইয়েরা আছেন যারা এখনোও বিয়ের পিড়িঁতে বসেন নি।তাই আর দেরি নয়। তাড়াতাড়ি বিয়ে করে নেন।আগামীকাল আমাদের সুমনের বিয়ে (ব্যাচ ২০০০) সিএসএম এর এমন অনেক ভাই আছেন যারা এখন বিয়ে করেননি, আমি অনেক জনকে চিনিও না তাই বলচি সময়ের কাজ সময়ে করেন।না হলে পরে পসতাবেন,এমন অনেকজনের মধ্যে একজন জনি ভাই,কি ব্যাপার কবে হবে বিয়া।আর কে কে আছে নাম বলেন,ব্যবস্থা নিতে হবে।শুনচি বিয়া করাইলে হজ্জকরার মত সওয়াব।তাই আর দেরি নয়।।।

অফিস থেকে বাসায় ফিরলাম..


অফিস থেকে বাসায় ফিরলাম..
দৌড়ে এসে মেয়ে আমাকে অনেকগুলো স্টিকার দেখালো,এক পাশ করলে টম আর আরেক পাশ করলে জেরী।মেয়ে আমার চরম খুশী স্টিকার জমিয়ে।
জিজ্ঞাসা করলাম, মা'মনি কোথায় পেলে এতগুলো স্টিকার।
মেয়ের : চিপসের সাথে দিয়েছে, চিপস গুলো একদম মজা নাই।
আমি: মজা নাই তাও ওই পচা চিপস কেনো কিনেছো মা!!
মেয়ে : প্রতিদিন স্কুল থেকে আসতে চিপস কিনে স্টিকার টা নিয়ে চিপস আর খাইনা আম্মু'কে দিয়ে দেই।
মেয়ের মা : হুম, ওই পচা চিপস আমাকেই হজম করতে হচ্ছে এতদিন....

বহু বহু বছর আগে জনৈকার জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্ট বের হলো


বহু বহু বছর আগে জনৈকার জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্ট বের হলো, কিন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার অপ্রতুলতা র জন্য জনৈকা কে জনৈক আধ পাগলা বালকের পক্ষে তাৎক্ষণিক ভাবে অভিনন্দন জানানো সম্ভব হয়নি। তখন তো এত এতো টেকনোলোজি ছিলনা, সংগত কারনে অভিনন্দন বার্তা প্রেরণ করাও দু :সাধ্য ছিল। কিন্ত অবুঝ বালিকা এই যুক্তি আমলে না নিয়া জনৈক পাগল বালকের সাথে পুরো সাত দিন বাক্যালাপ স্থগিত রেখেছিল। পরবর্তী কালে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে উক্ত পাগল বালক কে বহু তেল ও ঘি যুক্ত বাক্য ব্যয় করতে হয়।

আর এখন প্রযুক্তি র উৎকর্ষতায় পৃথিবী র এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে নিমিষেই অভিনন্দন বার্তা সহ যে কোন বার্তা আদান প্রদান করা যায়।

Wednesday, May 18, 2016

কলোনিতে থাকতে একটা বয়স্ক লোক প্রায়ই


কলোনিতে থাকতে একটা বয়স্ক লোক প্রায়ই সকলের বাসায় দশ-পনের টাকার বিনিময়ে এক বস্তা চাল পিঠে চড়িয়ে কলোনির এ মাথা থেকে ও মাথায় পৌছে দিত।।উনার ডান চোখে একটূ সমস্যাও ছিল।।ওনাকে দেখলে আমার খূব কষ্ট লাগতো।।প্রশ্ন জাগতো এই বয়সে ওনি এতোটা পরিশ্রম কিভাবে করেন!!!!!ওনার কি আপন বলতে কেউ নেই!!!!!
আজ ওনার কথা কেন যেন মনে হলো জানি না!!!!!আপনাদের কারো কি মনে আছে???

আজ দুপুরে বাসায় খাওয়ার তালিকা দেখে রিতীমত চমকে গেলাম


আজ দুপুরে বাসায় খাওয়ার তালিকা দেখে রিতীমত চমকে গেলাম, প্রত্যেকটা খাবারই আমার অনেক পছন্দের । যেমন ছিল- 
ভর্তা ( কাঁঠালের বিচির সাথে ছোট চিংড়ি মাছ), ইলিশ মাছ ভাজা, গরুর মাংস ( আলু সাথে একটু ঝোল ) , আর সাথে ছিল খিচুরী । 
আমি আমার বৌকে বললাম,আজ তো দেখি সব মজার খাবার রান্না করেছ ! 
বৌটা বলল- আজ দুপুরে তুমি বাসায় আছো আর বৃষ্টি পড়তেছে তাই এগুলো রান্না করছি । 
গুন গুন করে আরো বলে - মজা করে খেয়ে আবার ফেইসবুকে বসিও । ফেইসবুকে তোমার জন্যে কতজন অপেক্ষা করতেছে । সেইদিন পুলক ভাইয়ের বৌ বাসায় এসেছিল কিছু বলতে পারি নাই ঘর গোছানোর কারনে । আরেক বার দেখা হোক তারপরে আমরা দুইজন মিলে তোমাদের দুইজনের ফেইসবুক বন্দ করমু । 
মজার মজার খাবার হজম করার আগে এই ঝাড়ি গুলোও হজম করতে হলো , কেন যে বৌয়েরা ফেইসবুকের উপর এতো রাগে বা তারা কেন ফেইসবুককে সতীন মনে করে আজো বুঝতে পারলাম না ??
আমাদের সিএসএম পেজের বন্দ্বু অনেকেরই একই সমস্যা , গতকাল বন্দ্বু টিপুর সাথে দেখা হলো সেও একই সমস্যার কথা বললো । তার বৌ বাপের বাড়ীতে বেড়াতে গেছে , আসার জন্যে ফোন করলে বলে , কেন- তোমার ফেইসবুক আছে না ? তুমি একলা রইলা কই ? 
বৌয়েরা কি বুঝবে সিএসএম কলোনীর ভালবাসা ও এতো আন্তরিকতা ??
Mahmudur Rashid Pulak Tipu Chy

Tuesday, May 17, 2016

পরশু দিন সকালে ইমার্জেন্সিতে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম


পরশু দিন সকালে ইমার্জেন্সিতে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। কম বয়স্ক ডাক্তার আমাকে দেখে টেখে বললেন "আংকেল" ভয়ের কিছু নাই।

বউ যখন শুনল ডাক্তার আমাকে আংকেল বলছে,তখন বউ বলল তোমার এই টাক মাথা আর সাদা চুলের জন্য তোমারে আংকেল বলছে। আমি আর তোমার সাথে বের হচ্ছিনা। আমি মনে মনে বললাম আলহামদুলিল্লাহ। এই সাদা চুল আর টাক মাথার জন্য ডিউটি থেকে বাঁচলাম।

না! সুখ কপালে সহ্য হইলনা। কালকা রাতে কইতাছে, টাক মাথা না হয় কিছু করা যায়না, চুল তো কালো করা যায়।তুমি ২৪ ঘন্টার মধ্যে চুলে কলপ করবা। নাই লে.....। 

২৪ ঘন্টা শেষ হইতে আর ১ ঘন্টা বাকী।

আতিক আংকেল - টাক,পাকাচুল,পুরচুলা ইত্যাদি প্রসংগ


আতিক আংকেল - টাক,পাকাচুল,পুরচুলা ইত্যাদি প্রসংগ :
হালকা কথা :
দারুন মজা পাইলাম আতিকের পোস্টিং ও এসংক্রান্ত কমেন্টস গুলোতে। শান্তির জন্য গৃহমন্ত্রীর আজ্ঞা শিরোধার্য। তাই "আতিক আংকেলকে" বলবো আপনি সঠিক পথেই আছেন। 
অন্যান্য স্টিলারদের জন্য উপদেশ :
" শান্তির জন্য ছাতা ধরা ওবামা আংকেলকে ফলো কর "
ভারী কথা :
A man or woman who holds stong personality doesn't care about Tak or Paka Chul.
"It is I, what I am" - is the policy of that kind of personality.
Remarks: 
Fortunately majority of us are not in that group. That's why our beutiful Earth is so peacful till now.
" জগতের সকল দম্পতি সুখী হোক "

শরীরটা ভালো লাগছে না


শরীরটা ভালো লাগছে না। বাসায় চলে যাব। বেটি ফোন করেছিলো।বাবা, দই আইসক্রিম নিয়ে এসো। কয়টা নিয়ে যাবো? একটা নিয়ে গেলে,বেটি আহ্লাদ করে বলবে, আম্মু তুমিও একটু খাও। আমার লাগবেনা তুমি-ই খাও, দুইটা কিনে নিয়ে আসলে, তোমার বাপ ফকির হয়ে যাবে! আর যদি দুইটা কিনে নিয়ে যাই তখন বলবে, তোমার ফুটানী গেলোনা! ৯০টাকা দিয়ে দুই কাপ আইসক্রিম কেনার কোনও মানে আছে!? একবারেই না নিয়ে গেলে, তখন বেটি বলবে, দেখলা আম্মু, শুধু একটু আইসক্রিম চেয়েছি, তাও বাবা নিয়ে আসেনি! এবার বের হয়ে আসবে সবচেয়ে ভয়াবহ ডায়ালগ। দেখ গিয়ে তোর বাপ কোথায় কি করে রেখেছে!? মনে নেয়, তোর বাপ যে আমার জন্য চুড়ি কিনেছিলো, চুড়ি গুলি আমার হাত দিয়েই ঢুকেনি! কি যেন বলেছিলো? হ্যা মনে পড়েছে, সারাফের মা তোমার জন্য গুলশান থেকে কিনে এনেছি! আজ পর্যন্ত চুড়ি গুলি বদলিয়ে নিয়ে আসতে পারলো না?! পারবে কিভাবে? কিনেছে তো ফুটপাত থেকে! মিথ্যাবাদী! আজও চুড়ি গুলি বদলিয়ে নিয়ে আসতে পারলাম না! প্রায় দুই মাস হয়ে গেলো! কালও পারবো না। দেখি শুক্রবার ট্রাই করবো। আমি সিওর, আমার জ্বর এসেছে। এই পর্যন্ত শতেক খানি হ্যাচ্চো দিয়ে ফেলেছি! একটু পড়েই সারাফের মাকে ফোন দিবো। আজ একটু কালো জিরা ভর্তা করবে? নিঃশ্চয় জ্বর বাধিয়ে বসেছো? তোমাকে সব সময় বলি, সারাফের বাবা একটু দেখে সুনে চলো! তুমি সুনো আমার কথা? তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসো। আজ আমার বেটির খুশি কে দেখে!? আমি হ্যাচ্চো দিবো আর আমার বেটি,১/২/৩/৪ করে গুনতে থাকবে! তবে, আজ আমার কপালে সারাফের মা হাত রাখবেই! কারো/কারো জন্য জ্বর বড় মধুর হয়ে আসে!

ফিরে চল মাটির টানে


ফিরে চল মাটির টানে। এখানে আমরা আমরাইতো।আজ আমি সবার যে ভালবাসা ও সহযোগীতা পেয়েছি তা যেন সবার জন্য অটুট থাকে।আমার বস জিয়া ভাইয়ের ব্যাপারে আমি আর কি বলবো,যা বলার রিপন ভাই পোস্টে বলেছে,এবং সব ভাই বোনেরা সেখানে বসকে তার প্র্যাপ্য সন্মর্ন দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

গতকাল রিনি ছোট বোন রাতে ফোন করে খবর নিল ও বলল ভাইয়া বেশী ব্যাস্ত ছিলাম তাই খবরটা সময় মত দেখতে পারি নাই।তারপরও আমার বোনটিকে অভিনন্দন।

আমরা যদি সকলে এই বন্ধন ধরে রাখি তাহলে সেটা আমাদের একটা বিশাল শক্তি।

আমি চাইবো আমরা আমাদের মান অভিমান ভূলে সবাই সবাই কে কাছে টেনে নি।

ডাক্তার রেস্টে থাকতে বলেছে তাই বসে বসে এই পোস্টি দিলাম।

সবাই সবার জন্য দোয়া করি যেন আল্লাহ আমাদের সুস্থ রাখেন আমিন।

এই প্বথিবি টা বড় অদ্ভুত


এই প্বথিবি টা বড় অদ্ভুত,সবাই নিজে কে খুব চালাক ভাবে এবং আমার মনে হয় আসলে চালাক শুধু আমি ই বোকা,এই দুনিয়ার সবাই সবাই কে খুশি রাখতে চাই, সেই টা ও সবভব সব সময় সবার দারা,আমি ভাবি এক আর লিখি আর এক।না আমাকে দিয়ে এই ঘটনা লিখা মনে হয় হবে না, তবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই সবাই কে আমি বড় বোকা,বেকুব,খারাফ এক জন মানুষ, তাই সবার খাছে অনুরোধ আমাকে ঠগানোর চিন্তা কইরেন না,কারন মাথা খারাফ হলে মানে পাগলামি উঠলে কি করতে পারি মনে হয় আমার নেগটা কালের বন্ধুরা খুব খুব ভাল জানে।

এই লিখা টা কোন কারন ছাড়া ই লিখলাম ইচ্ছে হল তাই,তবে একটা কারন আছে আর তা হলে সুজন যখন রেসাল্ট দিবে তখন কাজে আশবে,ওই ঘুরে ফিরে এক ই কথা স্বার্থ ছাড়া মানুষ কিছু ই করে না,কারো ভাল কাজের প্রসংশা করে না।

আজ সকাল থেকেই কলোনির এক ভিক্ষুকের কথা খুবই মনে পড়ছে


আজ সকাল থেকেই কলোনির এক ভিক্ষুকের কথা খুবই মনে পড়ছে।।জানিনা উনি বেঁচে আছেন কিনা!!তবে বেঁচে থাকার কথা না,,কারন দেশের গড় আয়ু তাই বলে।।

লোকটি ছিলেন বোবা।।শব্দ করে ভিক্ষা চাইতেন।।ছোট বেলায় উনাকে আমি প্রচন্ড ভয় পেতাম।।উনি সচরাচর দুপুর একটা থেকে তিনটার মধ্যে আসতেন।।পড়নে থাকতো লুংগি,,কাটা পাঞ্জাবি,,টুপি এবং একটি লাঠি।।সাথে একটি কাপড়ের ব্যাগ ও থাকতো যেটা কাঁধে বয়ে বেড়াতেন।।থুতনিতে কটা দাঁড়িও ছিল।। উনাকে ভয় পাওয়ার কারন ছিল উনি দেখলেই আমাকে কান মলে দিতেন।।হাতে খাবার থাকলে চেয়ে নিতেন।।গাল টেনে দিতেন।।যা আমার কাছে খুবই বিরক্তিকর এবং ভয়ানক ছিল।।ভয়ানক ছিল তার কারন মা বলতেন উনি নাকি দুষ্ট ছেলেদের ধরে নিয়ে যান।।সাথে যেই থলিটা আছে উটাতে করে।।যা আমি বরাবরই ছিলাম।।আর তাই উনার আওয়াজটা যখনই পেতাম তখনই দৌড়ে বাসায় চলে যেতাম।।

উনার আওয়াজটা ছিল অনেকটা এরকম,,আআআআআওওওওওওওও
আআআআআওওওওওওও
আআআআআআআআআ
আপনাদের কারো কি স্মরণে আছে ব্যাক্তিটির কথা??

Monday, May 16, 2016

দাঁতের ডাক্তারের কাছে আগের চিকিৎসার ফলোআপ এ আসছি


দাঁতের ডাক্তারের কাছে আগের চিকিৎসার ফলোআপ এ আসছি, আসার কথা ছিল আরো ১৫ দিন আগে, তাইরে নাইরে করতে করতে আজ আসলাম। আধা ঘন্টার উপর বইসা আছি ডাক্তার সাব কইল আরো পনেরো মিনিট বসতে হইব। মাবুদে খোদা জানে এই পনেরো মিনিট যে কত মিনিটে শেষ হইব।

বসে বসে ডাক্তারের চেম্বারের রিসিপশনের টিভি তে সুপারম্যান দেখতাছি। ছোট বেলায় খুব মনোযোগ আগ্রহ নিয়া এই সুপারম্যান দেখতাম। আর এখন প্রতিটি দৃশ্যই হাস্যকর লাগছে।

তবে কোটি দর্শকের মত আমার মনের মধ্যে সুপারম্যান ছবিটির ব্যাপারে একটাই প্রশ্ন বা কৌতূহল ঘুরপাক খায় আর তা হচ্ছে, সুপারম্যান প্যান্টের উপর কেন আন্ডারওয়ার পরে তাও আবার লাল রঙ এর।?

দু' বছর আগের কথা


দু' বছর আগের কথা । আরিন সবে নার্সারীতে ভর্তি হয়েছে ।বেশ অনেক দিন ক্লাস করার পর একদিন আরিন আমাকে আক্রমন করে বলল ,আম্মু তুমি আমার নাম পাটায়ছ (নাম change)? টিচার আমাকে আরিন না ডাকি আররাফ ডাকছে (ওর নাম মোঃ আররাফ আরিন) ।আমাকে ঝুনুর আপার ছেলে বলছে ?আমি তো পুত্রের কথা শুনে অনেক্ষণ হাসলাম ।এখন পুত্রধন আমার একটু বড় হয়েছে । এখন সে Wi fi ,games ,share it ,friend নিয়ে busy থাকে ।কয়েক মিনিট পরপর আমার কাছে আসে আদর নিতে । আর আমার মুখের সাথে মুখ ঘষা দিয়ে বলবে ফর্সা নিচ্ছি ।আগে গোসল করানো সময় একটি কথা প্রায়ই বলত আম্মু তুমি আমাকে ডুলি ডুলি ঘুশি ঘুশি ফর্সা করে দাও । পাগল একটা আমার ।আচ্ছা ও যখন বড় হবে তখন এমন থাকবে তো ?আমাকে সব সময় ভাল বাসবে তো ?এখন তো যুগ ডিজিটাল । তাই ভয় লাগে । পুত্রধন আমার না ডিজিটাল হয়ে যায় । খাল পাড়টা যদি এখানে থাকতো তবে আরিনকে খাল পাড় চিনাতাম । বুঝাতে চেষ্টা করতাম ,খাল পাড়টা কি জিনিস ? আমাদের যুগে ডিজিটাল কিছু না থাকলে ও আমরা মানুষ কিন্তু নির্ভেজাল ।

আজ সকালে Farhana Sammi Farhana Sammi একটি পোস্টের মাধ্যমে কার কোন জায়গা প্রিয়


আজ সকালে Farhana Sammi Farhana Sammi একটি পোস্টের মাধ্যমে কার কোন জায়গা প্রিয়, অর্থাৎ সাগর না বন নাকি পাহাড় প্রিয় জানতে চেয়েছে। আমার বরাবরই সাগর খুব প্রিয়। আমার কিছু পোস্টে বিষয়টি উল্লেখও করেছি। তারপরও আজ শাম্মির পোস্ট টি পড়ে সাগরের প্রতি আরো তীব্র আকর্ষণ হচ্ছে। 

আমার ব্যক্তিগত কাজে কিছুদিন ধরেই চিটাগাং যাবো যাবো করছি। সময় করে উঠতে পারছিনা। হয়ত যে কোন সময় যেতে পারি। তখন আশা করি চিটাগাং বাসি ভাইদের সাথে একটি ন্যানো ( মিনিরও ছোট সংস্করণ) আড্ডা হতে পারে। আচ্ছা সেই আড্ডা টি কি পতেঙ্গা বীচে দেওয়া সম্ভব?

প্রশংসা বা তোষামোদ নয়, নিতান্ত কৃতজ্ঞতা বোধ থেকেই এই লিখা


প্রশংসা বা তোষামোদ নয়, নিতান্ত কৃতজ্ঞতা বোধ থেকেই এই লিখা। এর আগেও অনেক বার ঢাকা গিয়েছি অফিস এর কাজে।এতটাই বিরক্তিকর একটা শহর যে কাজ ছাড়া এক মুহূর্ত কাটাতে পারি না। সকালে এম্বেসি থেকে বের হয়ে বরাবরের মতো প্রথমে airport আসি, Anisur Rahman Rezaরেজা ভাইরে কল দেই, ভাই মামুনকে দেখতে যাব, উনি বললেন, তুই আগে আমার কাছে আয়, আমি তোরে মামুনের কাছে নিয়ে যাব। আমরা সবাই জানি মামুন আজ রিলিজ নিবে কিন্তু শুধু ওনার আন্তরিকতার জন্যই বোধয় অলি গলি ঘুরে মামুনের রিলিজ এর আগে ওর সাথে দেখা করতে পারলাম।

উড়া ধুড়া Atiq Csm ভাই, ১২টা থেকে কল দেয়া শুরু করছে, যেখানে থাকি, যত কাজ থাকুক না কেন, দুপুরে ওনার সাথে খেতে হবে। অনেক বুঝাই ভাইরে মানাইছি, ভাই রাস্তার যে অবস্থা অনেক দেরী হবে আপনার ওখানে যেতে আর গরমে খাওয়া দাওয়া ভালোও লাগছে না। মনে করলাম ভাই বোধয় বুঝতে পারছে কিন্তু এক্তু পরে দেখি ওনি নিজেই হাজির গাড়ি নিয়ে, খাওয়া তোরে খাইতেই হবে!!!!!! বিভিন্ন উপাদেয় আইটেম দিয়ে সবাই মিলে খুব মজা করে খেলাম।

আজ অফিসের জোন মিটিং ছিল


আজ অফিসের জোন মিটিং ছিল। আর আমি দেরিতে যাওয়ায় পিচের সিটে বসতে হল। পিছে বসে মিটিং এ যদি মন বসতো।স্কুল জিবনের বাদরামি শুরু করে দিলাম।চেয়ারের নিচে বসে খুজ করে এক জন সহকর্মী র জুতা পাইলাম ফিতা পরা,বাস খুলে গিট বেদে দিলাম। রাবারের মধ্যে কাগজ লাগিয়ে পিঠে মারা,মাথায় টুসি মারা সহ নানা বাদরামি তে মিটিং শেষ হল। শেষে যা করলাম তা হল কবিতা লেখা।একটা মজার কবিতা লেখে ফেললাম।

সবার জন্য সেয়ার করলাম।কমেন্ট চাই

শান্তি নাই, শান্তি নাই,
শান্তির মা খড়ে। 
ও শান্তির মা তো মাইয়ারে,
ফাড়াচুনা আর ঘরে।
রাতের বেলাত ঘুম নো আইয়ে,
দিনে মাথা গরম।
তোর মাইয়ারে খুইজতে খুইজতে,
গিইয়েগুই আর সরম।
সরম ফেলাই খোরচুর খুলি,
রাস্তাত রাস্তাত ঘুরি।
ও শান্তির মা,তোর মাইয়া চা,
গেইয়েগুই আরে ভুলি।

আমি গতকাল পেজে রাসেলকে নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম


আমি গতকাল পেজে রাসেলকে নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম , আজ সকালে পোষ্টটা খুঁজতে গিয়ে দেখি পোষ্টটা নাই অর্থাৎ ডিলেট করে ফেলছে । কোন পোষ্ট বা কমেন্ট একমাত্র এডমিনই ডিলেট করতে পারে । অতচ গত দুইমাস আগে এই পেজের এক বড় ভাই রাসেল, নমি, ও জাবেদকে নিয়ে পোষ্ট দিয়েছিল , সেই পোষ্ট তো ডিলেট হয় নাই । তবে আমার পোষ্টটা কেন ডিলেট করা হলো ?
*আমি তাই এই পেজের এডমিনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই !!
*এই পেজের সকল সদস্য কি সমান অধিকার রাখে না ?
*এই পেজে কি অল্প কিছু সংখ্যক সব কিছু লিখতে পারবে , আর অন্যরা তা পারবে না ?
*এই পেজটাকে কি আগের মতো পোষ্ট ও মজার মজার কমেন্টের মাধ্যমে ঝমানো যাবে না ?
আমি এই পেজে সকল সদস্যদের সমান অধিকারের আশা করছি !!!!!!

দু দিন পরপর নন ইস্যু কে ইস্যু করে আজাইরা চিল্লাফাল্লা না করলে বোধ হয় আমাদের ভালো লাগেনা


দু দিন পরপর নন ইস্যু কে ইস্যু করে আজাইরা চিল্লাফাল্লা না করলে বোধ হয় আমাদের ভালো লাগেনা।এই সব ননইস্যুর জন্য সব কিছু কি থেমে গেছে, মাস শেষে কি কারো বেতন বকেয়া পড়েছে নাকি ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ যাচ্ছে? এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি হইছে মনে হচ্ছে যেন এই ভার্চুয়াল জগত টাই যেন সব। এ জায়গা টায় থাকি কিছু নির্মল আনন্দ লাভের জন্য, কিছু সুখ দু:খ আনন্দ বেদনা আর মজার বা কষ্টের স্মৃতি শেয়ার করার জন্য। এখানে এইসব কেওয়াজ আর ভালো লাগেনা।

ধুর....।

আর সবার প্রতি বিনীত ভাবে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি দয়া করে এইসব নন ইস্যু টাইপ পোস্টে আমাকে ট্যাগ করবেননা, প্লিজ।

বুড়ো বোধ হয় হয়েই গেছি


বুড়ো বোধ হয় হয়েই গেছি, প্রায় সময়ই চশমা চোখে রেখেই এদিক সেদিক খুঁজে বেড়াই চশমা কোথায় রেখেছি।

আচ্ছা, আজ থেকে ২৩/২৪ বছর আগে একেকটি বেনসন সিগারেটের দাম কত ছিল? হুম! সম্ভবত পাঁচ টাকা।পাঁচ টাকার মূল্যমান কেমন ছিল? উম! তখন নিউমার্কেট থেকে স্টিল মিল কলোনির বেবি টেক্সি ভাড়া ছিল ৩৫/৪০ টাকা। এখন যা ২০০/২২০ টাকা। এখন যে চালের কেজি ৫০/৫৫ টাকা তখন ছিল তা ১৮/২০ টাকা। হুম! এতেই বুঝা যায় তখন ৫ টাকার ভালো মূল্যমান ছিল।

সেই ২৩/২৪ বছর আগের প্রতিটি পাঁচ টাকা করে মোট দশ টাকা মূল্যের দুটো বেনসন সিগারেট পকেট থেকে নিয়ে কেউ একজন যখন সামনে রাখা গ্লাসের পানিতে চুবিয়ে নষ্ট করে ফেলে তখন সেই দশ টাকার নষ্টের কষ্টের চেয়ে কিসের যেন সুখ আর আনন্দ বেশি পাওয়া গেছিলো ।

তাইতো কাকু বলেছেন " সিগারেট জ্বালাইয়া নষ্ট করার চেয়ে ললনা কর্তৃক পানিরে চুবাইয়া নষ্ট করায় সুখ ও আনন্দ বেশী "।

ধুর! আসলেই বুড়া হই গেছি, লিখতে চাইলাম কি, আর লিখলাম কি?

Sunday, May 15, 2016

আমি এই পেইজ এর সব ভাই ও বোন দের বলছি


আমি এই পেইজ এর সব ভাই ও বোন দের বলছি এইটা কোন ঝগড়া বা রাগ না তোমরা যারা পেইজ এ আছো তারা তোমাদের মত লিখ,কমেন্টস কর,মজা কর কোন সমস্যা নাই,আমি টিঙ্কুর এই পোস্ট দেখে আমি সরাসরি রাসেল এর কাছ থেকে জানতে চাই, কেন বা কি কারনে রাসেল পেইজ এ নাই তাকে কি কেউ এই পেইজ থেকে বের করে দিয়েছে ,যদি এই প্রশ্নের উত্তর হা হয় তা হলে সে কে এবং কেন ব্যাখ্যা লিখ বা বল, আর যদি তা না হয় তা হলে তুমি কেন এই পেইজ থেকে বের হয়ে গেলে কি এমন কারন তা ব্যাখ্যা কর।আমি বেক্তিগত ভাবে তোমার সাথে অনেক কথা বলেছি বা বলি তুমি কোন সময় আমাকে কিছু বলনি আমি তোমাকে প্রথম প্রথম বলেছি কিরে তুই পেইজ এ লিখিস না কেন? তুমি বলেছিলে ভাই নতুন ব্যাংক নিজেকে একটু এডজাস্ট করাইনি তারপর কিন্তু এখন তুমি পেইজ এ নাই কেন এই কারন টা তুমি সরা সরি ব্যাখ্যা কর আমি অন্য কারো কাছ থেকে শুনে কিছু বিশাস করবো না।

বন্ধু জিয়াকে স্যালুট


আমার ধারনা মতে-পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থেই-‘‘মানবতাকে” উচ্চ স্থানে রাখা হয়েছে। মনুষ্যত্বের হুস যার ভিতরে আছে সেই মানুষ। ছোট বেলায় পড়েছিলাম-‘‘মানুষকে সেবিছে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর”। সিএসএম পেইজের সবাই এত বেশী আন্তরিক যে, মামুনের দুর্ঘটনার কথা নতুন করে কিছু বলার নেই। 

আমার মতে কোন কাজের ভাল-মন্দ সমালোচনা থাকবে, দোষ-গুন বিচার করা হবে তেমনি পশা-পাশি মূল্যায়নও থাকবে। নইলে ব্যক্তি ও সমাজ থেকে ভাল কাজের কোন ফল পাওয়া যাবে না-সমাজে ভাল মানুষ সৃষ্টি হবে না। তাই আমাদের গুণদর্শী হওয়া উচিৎ, দোষদর্শী নয়। ব্যক্তির কর্মগুন ও সৃষ্টিই ব্যক্তিকে বড় করে, মহৎ করে। দোষদর্শী হয়ে কখনও বড় হওয়া যায় না, মহৎ হওয়া যায় না।

ডাক্তার, হসপিটাল এসব ব্যাপারে আমি খুবই নার্ভাস প্রকৃতির মানুষ


ডাক্তার, হসপিটাল এসব ব্যাপারে আমি খুবই নার্ভাস প্রকৃতির মানুষ। এমন অবস্থা যে ফার্মেসী থেকে দু পাতা প্যারাসিটামল আনতে গেলেও আমার কাঁপুনি আসে। বিশেষ করে মামুনের ব্যাপার টির পর থেকে আমার এই নার্ভাসনেস আরো বেড়ে গেছে।

তারপরও অনেকে বলতে পারেন তারিক, মামুন এদের সময় হাসপাতালে আমি কিভাবে গিয়েছি এতো, তখন কি নার্ভাসনেস কাজ করে নাই? আসলে সেখানে গেলে আমার স্টিলার ভাই বোন দের পাওয়া যেত, একটা কলোনির আমেজ পেতাম, ছিল কলোনির ফ্লেভার। সেই আমেজ আর ফ্লেভারের কাছে নার্ভাসননেস আর আসতে পারতোনা।

আজ সকালে শরীর টা খারাপ ছিল, এতোটাই খারাপ যে অফিস যাওয়া বাদ দিয়ে বাসার কাছের এক ক্লিনিকের ইমার্জেন্সি তে চলে যাই। তবে ডাক্তার বলেছেন ভয়ের কিছ নেই। অফিসে আর যাইনি বাসায় বিশ্রামে আছি।

Saturday, May 14, 2016

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ এপ্রিল ২০১৬ (১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত)


অসুস্থতার (পরিবারের প্রায় সবাই অসুস্থ ছিল) কারণে এপ্রিল ২০১৬ এর পরিসংখ্যান রিপোর্টটা প্রকাশ করতে কিছুটা দেরি হয়ে গেল তাই সবার নিকট ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

রেকর্ড রেকর্ড রেকর্ড আবারো রেকর্ড। মার্চ মাসের রেকর্ডটা আবারও ভেঙ্গে গেল। এপ্রিল মাসেও লিখালিখি আর লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি, ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে। তাই এই মাসেও অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।

যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

# Facebook CSM Colony পেজ এ এপ্রিল ২০১৬ (১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত) ছোট, বড়, মাঝারি, বাংলা, ইংলিশ, বাংলিশ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত সকল ছোট, বড়, মাঝারি ভাই বোনদের মোট লিখার সংখ্যা (অনুছড়া/পরমাণু ছড়া/হঠাৎ ছড়া/কচুর ছড়া/বাথরুম খেলা/অন্যান্য খেলা বাদে) ৩৫০ টি (এভারেজ ১১.৬৭), যা মার্চে ছিল ২৯৩ টি (এভারেজ ৯.৪৫) এবং আমি আবারও বলেছি যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বাধিক।

# এপ্রিল মাসে সবচেয়ে বেশি লিখা পোস্ট হয়েছে ২ এপ্রিল ২০১৬ (২৭ টি) আর সবচেয়ে কম লিখা পোস্ট হয়েছে ১১ এপ্রিল ২০১৬ (মাত্র ৪ টি)।

# এপ্রিলে মোট লেখকের সংখ্যা ছিল ৬৫ জন, যা মার্চে ছিল ৫৩ জন, সুতরাং লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ জন (২২.৬৪%) আবার মার্চের তুলনায় এপ্রিলে লিখার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৭ টি (১৯.৪৫%) ।

# যদি কারো লিখা ভুলবশত বাদ যায় তাহলে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন। উল্লেখ্য যে এপ্রিলে লিখার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবার জন্য এই মাসের পরিসংখ্যান করতে গিয়ে আমাকে কিছুটা হিমসিম খেতে হইছে।

• এপ্রিল ২০১৬ তে আতিক ভাইয়ের এর লিখা সবচেয়ে বেশি, উনার সর্বমোট লিখার সংখ্যা ৬৩,
• দ্বিতীয় অবস্থান আছে নিয়াজ মোরশেদ জনি, স্কোরঃ ৩৯, 
• তৃতীয় অবস্থান আছে আসলাম উদ্দিন মামুন ভাই, স্কোরঃ ২৫।

বাহ বেশ বেশঃ এখন এই সি এস এম পেইজ এ যখন ইন করি তখন মাঝে মাঝে মনে হয়


বাহ বেশ বেশঃ এখন এই সি এস এম পেইজ এ যখন ইন করি তখন মাঝে মাঝে মনে হয় এই তো আমাদের সি এস এম কলোনির গর্বিত ভাই ও বোনেরা। যেমন এখন ই দেখলাম সুজন এর এপ্রিল এর রেজাল্ট, মামুন এর ngo করাবে তার জন্য অনেক অনেক ভাই /বোন্দের পোস্ট,একটা মানুষের এর ছেয়ে বেশি কি কোন ভালবাসা দরকার হয়,আমার মনে হয় না,আমি যখন এমন ngo করাতে গেছিলাম তখন আমার ভিতরে যে কেমন লাগছিল বলে বুজাতে পারবো না ,কিন্তু খুব ই সাধারন একটি অপারেশন,তখন আমি ও বুজিনি যেমন এখন মামুন বুজতেছে না, শুধু ২ দিন পা টা কে সোজা করে একই অবস্থায় রাখতে হবে,দোয়া করি মামুন এর ব্লক থাকবে কিন্তু ৫০% বেশি না আল্লাহ যেন আমাদের এই দোয়া কবুল করেন,আমি যা জেনেছি ৩০ এর পর যে কোন মানুষের হার্ট এ ব্লক থাকে কিন্তু % এর উপর নির্ভরশীল ,আল্লাহ সবাই কে ভাল রাখুক।

সি এস এম এর ভাই ও বোনদের মধ্যে এখন অনেক প্রতিযোগিতা চলে যেমন কে কত বেশি পোস্ট করতে পারে


সি এস এম এর ভাই ও বোনদের মধ্যে এখন অনেক প্রতিযোগিতা চলে যেমন কে কত বেশি পোস্ট করতে পারে,কে প্রথম হবে,কে কাকে বেশিই তেল বা ঘী দিবে, যেমন আমাদের ছোট ভাই মামুন সবাই কে তেল দিতে দিতে নিজে হার্ট এর ধাকায় নিজেই এখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ চিত হয়ে গেছে,কিন্তু এতো কিছুর পর ও খুব মজা ও ভাল লাগে এ পেইজ এ ডুকলে।

এখন এমন দিন কাল চলছে কোন কাজ নাই, মন ভাল নেই, পকেটে টাকা নেই, কি করবো, কোথায় যাবো,এমন সময় মন বলে চিন্তা কিসের সি এস এম পেইজ আছে না আর এই পেইজ এ এসে মন ,দিল,পকেট বউ, বাচ্চা সব ভুলে যাই,মাঝে মাঝে বন্ধুদের ফোন করলে পাই না আর যখন পাই তখনই শুনি কোথায় ছিলি বলে সি এস এম(ভারচুয়াল), আর যখন এক সাথে কোথাও থাকি তখন ও বন্ধুরা সবাই সি এস এম কলোনি ফেইজ বুক(মোবাইল দিয়ে) ,খুব ভাল ,খুব মজা,খুব আনন্দ,চালিয়ে যাও।

আজ মামুনকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে


আজ মামুনকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে সেখানে রেজা ভাই রিপন ভাইয়ের পাশাপাশি মামুনের স্ত্রী সহ, মামুনের দু বোন এবং আরো দুয়েকজন নিকটাত্মীয় ছিল। মামুনের স্ত্রী আর নিকটাত্মীয় দের কথা বাদ দিলাম, মামুনের দু বোন স্টিলার হয়েও আমার মত এই স্টিলার রত্ন কে চিনতে পারেনি, আমার জন্য ব্যাপারখানি বড়ই আফসোসের বিষয় ছিল। একটা মানুষ কে সবাই চিনতে পারে যদি সে বিখ্যাত বা কুখ্যাত টাইপ কেউ হয়ে থাকে। বুঝা গেল আমি কলোনিতে বিখ্যাত বা কুখ্যাত কোনটাই ছিলাম না। ছিলাম পুরোপুরি ভেজিটেবল ।

একজন ডাক্তার বলতে পারবে, রুগিকে কি চিকিৎসা দিতে হবে


একজন ডাক্তার বলতে পারবে, রুগিকে কি চিকিৎসা দিতে হবে। আমরা অসহায়। আমাদের কে বিশ্বাস রাখতে হবে, ডাক্তার এর উপর। আর আল্লাহর কাছে হাত তুলে বলতে হবে, তুমি আমাদের রোগ থেকে মুক্তি দাও। মামুনের জন্য মনটা খারাপ। অল্প বয়সে একটি ধাক্কা খেলো। আজ দুপুরে, এনজিও গ্রাম করার পর, মামুনের ধমনী তে ব্লক ধরা পরে। ডাক্তারের ভাষ্যমতে, ২টি ব্লক, তাও ১০০%। বাইপাস সার্জারি অথবা স্ট্যান্টিং(রিং) যে কোনো একটি করতে হবে। আমাদের ডাঃ রিমুর কথাটি ছিলো, কাটা ছেড়া করার চেয়ে, স্ট্যান্টিং করা টাই উত্তম। মামুনের বড় ভাই মিতু সহ, আমরা রিমুর কথাকেই গুরুত্ব দিলাম। আল্লাহ চাহেতো ভালোভাবেই মামুনের হার্টে রিং পড়ানো হলো। আল্লাহর রহমতে মামুন এখন নিরাপদ। ১টা মাস বা তারও অধিক মামুন কে পুর্ন বিশ্রাম নিতে হবে। খাদ্য অভ্যাস- এর পরিবর্তন করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। ইনশাল্লাহ আমাদের মামুন ভালো থাকবে। কাল সম্ভবত মামুন কে, তার কেবিনে দিবে। সবার প্রতি অনুরোধ রইলো, মামুনের কেবিনে খুব একটা লোক জনের, হইচই যেন না হয়। মহান আল্লাহ পাক আমাদের মামুন কে দ্রুত সুস্থ করে তুলুক। আমিন।

মামুনকে দেখতে গিয়েছিলাম আজ


মামুনকে দেখতে গিয়েছিলাম আজ। ও আছে পোস্ট অপারেটিভ রুমে। ওখানে entry restricted. মিতুভাইয়ের বদৌলতে গেলাম মামুনের কাছে। চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। মাথায় হাত রাখার সাথে সাথেই চোখ মেলে তাকালো।আমাকে দেখেই স্বভাবসুলভ কথা শুরু করে দিল। "বুবু,কাউরে ডাকো তো, আমার পায়ে এখন যে ব্যান্ডেজটা আছে ওটা খুলে দিতে বল,আমার খুব অস্বস্তি হচ্ছে"। ডাকলাম কর্তব্যরত সিস্টারকে। সে ফাইল এনে দেখে বললো ডাক্তার এসে খুলবে,আরেকটু সহ্য করেন। ওর বেডের ওপর আরেকটু উচু টেবিল এটাচ করা এমনভাবে যেন সে পা নাড়াতে না পারে। কিন্তু কথা থামছে না। আমার হাত ধরে বললো "বুবু,তুমি আসছ,খুব খুশি হইসি"। এরপর রিমু আর মিতু ভাই আসলো। রিমুর কাছে জানতে চাইলাম কেবিনে কবে দিবে। সে বললো কাল। দেখি কাল আবার যেতে চেস্টা করবো। আমার বাসা থেকে অনেক দূর। খারাপ লাগছিল, এই বয়সেই এমন একটা বিষয়। ও বার বার বলছিল আমার এমন অসুখ কেন হলো।এই কেনর তো কোন জবাব নেই। চলে এলাম। কারন ও অনবরত কথা বলেই যাচ্ছে যা তার বারন।
কথা হল পেইজের সকল জিহবা ওয়ালা ভাই ও বোনেরা(আমি সহ), চা পরটা,নলা,মেজবানী,জন্মদিনের কেক কম খাইলে দুনিয়ার কারো ক্ষতি তো হবেই না,বরং তোমাদেরই লাভ বেশি। জিহবা সামাল দাও সবাই। যাহোক,সবাই মিলে মামুনের জন্য দোয়া করি চল।ও সুস্থ হয়ে উঠুক।

বিশ্বাস!!!!!--'অতঃপর ঠকা''


বিশ্বাস!!!!!--'অতঃপর ঠকা''

প্রতিবারই ভাবি এই শেষ,,আর জীবনে কোন দিন কাউকে বিশ্বাস করবো না বা বিশ্বাস করে উপকার করবো না।।আর দশজন যেভাবে চলে বা করে সে ভাবেই চলবো বা করবো।।কিন্তু পারিনা!!!!বরাবরই আমাকে বিশ্বাস করতে হয় এবং ঠকতে হয়।।

যে চাকরি টা করি সেটাকে সবাই খারাপ বা ঘৃণার চোখে দেখে আর তাই বরাবরই আমি নিজের ব্যবহার দিয়ে বা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে হলেও উপকার করার চেষ্টা করি।।এই ভেবে যে আমার দ্বারা হলেও যেন তার মনে আমার প্রতি বা আমার পেশার প্রতি একটু সম্মানের সৃষ্টি হয়।।কিন্তু না মানুষ আমাকে দূর্বল ভাবে।।আমার সম্মান টাকে তাঁরা দূর্বলতা ভাবে।।আমার সাথে প্রতারণা করে।।প্রতারণাটা যখন বুঝতে পারি তখন মনে হয় আসলে আমার পেশায় জড়িত অন্য সদস্যরা যা করে তা ঠিকই করে।।

Friday, May 13, 2016

ইস্পাত একাদশ ক্রিকেট ক্লাব


ইস্পাত একাদশ ক্রিকেট ক্লাব। এখানে শেলীর একটা বিশাল ভুমিকা আছে। সাথে যোগ হলো, মোরশেদ, টিটু, মিতু, অপু, মিঠু। এগিয়ে এলো বড় ভায়েরা। কচি ভাই, ইকবাল ভাই, আশীষ ভাই, বাবলা ভাই এবং সাজেদুল ভাই। কি ভাবে করা যায়, একটি ক্রিকেট ক্লাব? তখন আমরা টুকটাক অন্যান্য কলোনির সাথে ক্রিকেট ম্যাচ খেলি। সবাই একমত হলাম, চন্দন চাচাকে, ক্লাবের প্রধান করবো। চন্দন চাচার অত্যাচারে, আমরা মোটামুটি অতিস্ট। যেই ভাবা সেই কাজ। আমি, মোল্লা, শেলী, ইকবাল ভাই, কচিভাই, বাবলা ভাই ও আশীষ ভাই সহ, চাচাকে অনুরোধ করলাম। চাচা প্রথমে বুঝার চেস্টা করলো, আমাদের মতলবটা কি!? চাচা রাজি হয়ে গেলো। শুরু হলো ইস্পাত একাদশের যাত্রা, চন্দন চাচাকে ক্লাব প্রেসিডেন্ট করে। এখন কাজ চাদা তোলা। এগিয়ে এলো জাফর ভাই। বড় অংকের টাকা চাদা তুলে দিলেন। মনে আছে, তখন এরশাদ সাহেবের আমল।

এম পি, ইলেকশন ছিলো। লিয়াকত সাহেবের কাছে চাদার জন্য, উনার হালিশহর বাসায় গিয়েছিলাম। শর্ত একটায় উনার ইলেকশনের জন্য কাজ করতে হবে। জাফর ভাই কাজটি সহজ করে দিয়েছিলো। আমরা শধু উনার লেখালেখির কাজ গুলি করে দিয়েছিলাম, মোক্তার চাচার বাসায়। আমি, মোল্লা, শেলী, অপু,মিতু,মোরশেদ,টিটু, আশিস ভাই, ইকবাল ভাই, সাজেদুল ভাই। আশিস ভাই তখন সরাসরি আওয়ামি রাজনিতির সাথে জড়িত, এবং আমরা কেউ, লিয়াকত সাহেবের রাজনিতির সাথে জড়িত ছিলাম না। শুধু মাত্র ক্লাবের সার্থে, আমরা সবাই মিলে কাজটি করে দিয়েছিলাম। বিনিময়ে এক কাপ চাও আমরা খাইনি। 

আজ সকাল থেকে অনেক বৃষটি হচছিল


আজ সকাল থেকে অনেক বৃষটি হচছিল। বন্যা আপুর প্রোগাম দেখবো বলে ফজরের নামাজের পর আর ঘুমাই নাই বসে ছিলাম কখন সাড়ে আট টা বাজবে আমাদের বন্যা আপাকে দেখবো।এর মাঝে আমার ছেলে আর তার বাবাকেও তুলে দিলাম।আর টিভি দেখতে বসে যখনশুরু হচছেনা দিলাম আপারে ফোন। আপা বলল আমিও বসে আছি দেখার জন্য ঠিক পোনে নয়টায় শুরু হইলো।এতো ভাল লাগছিল আমার জা বলে বুঝানো জাবেনা।আমারছেলে বলে এ খালামনিকে আমি চিনি তো তোমাদের আডডাতে অনেক মজার মজার কথা বলেছে।আমার আপার সব কিছুখুব ভাল লেগেছিল। কথাবলা,ওদের পড়ানোর ষটাইল আর ছাএীদেরও খুব ভাল লেগেছিল।আমি আমার ভাইবোনদর ফোন করে ঘুম থেকে তুলে দেখতে বলেছিলাম।আরও ছুটির দিন আরও বৃষটি।কিনতু আমরা যারা ষটীলার আমরা ঘুমাইতে পারিনি কারন আমাদেরই এক ষটীলার আপুকে সারা দেশ দেখছে,শুনছে। আমার ফিলিংস টা অন্যরকম ছিল তা বলে বুঝানো যাবেনা।আপা আপনাকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা সকাল উপহার দেওয়ায়।ভাল থাকবেন সবাই।

আমার বড় ফুফু


আমার বড় ফুফু।আমার বাবার অনেক আদরের ছোট বোন।আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ।আমার তিন ফুফুই আমার অনেক প্রিয়।তবে এ দুনিয়াতে ভাল মানুষের সংখ্যা খুব কম।কিনতু আমার এ ফুফুএতো ভাল আর সহজ সরল তা বলে বুঝানো জাবেনা। কখনও কোনো মানুষকে খারাপ বলতে আমি শুনিনি।সবাই ওনার কাছে একিরকম,সব মানুষ ভাল।কোনো কুটিলতা ওনার কাছে নেই একদম আমার বাবার মত।দুইভাইবোন একিরকম,চেয়ারাও অনেক মিল।কালকে গিয়েছিলাম ফুফুকে দেখতে।খুব ভাল লাগছিল আমাকে অনেক আদর করেন।ওনার অনেক মায়া আমার জন্য।আমাকে খুব ভালবাসেন তা আমি খুব ভালভাবে বুঝি।ওনার সাথে একরাত থাকতে বলেছিল কিনতু আমি পারিনি সংসারের নানা কারনে।ফুফুর বাসা থেকে আসার সময় মনটা অনেক খারাপ লাগছিল কিনতু কিছুই করার নাই।বাস্তবতাটা তো মেনে নিতে হবে।সবাই আমার ফুফুর জন্য দোয়া করবেন।।।।।।

আমি যখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ মামুনের কাছে ছিলাম ঠিক তখনই ডিউটি ডাক্তার


আমি যখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ মামুনের কাছে ছিলাম ঠিক তখনই ডিউটি ডাক্তার মামুন কে দেখে তার ব্লাড প্রেশার, হার্টবিট সবই নরমাল পেয়েছে। তবে ডাক্তার মামুন কে কমপ্লিট রেস্টে থাকতে বলেছে। কথা বার্তা একেবারে কম বলতে বলেছে, বিশেষ করে মোবাইলে কথা বলতে নিষেধ করেছেন। ডাক্তার আরো বলেছেন, ফেসবুক থেকে দূরে থাকতে হবে, এবং অন্তত আগামী এক মাস এই নিয়ম মেনে চলতে বলেছেন। এ প্রেক্ষিতে আমার মনে হয় মামুইন্যারে আগামী এক মাস ফেসবুক থেকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া যাইতে পারে, ওরে ফেসবুকে দেখা গেলেই শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।