Wednesday, October 21, 2015

“সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান” (তারেক)



আমাদের স্টীলার- আমাদের সবার স্বপ্নের নায়ক- “সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান” (তারেক) এর উদ্দেশ্যে-
কিশোর বয়সে আমার স্বপ্নের নায়ক ছিলো-“সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান”। তার স্লো মশান পদ্ধতিতে সে অনেক অসম্ভব কে সম্ভব করে ফেলতো। আমার বিভিন্ন চুরির ঘটনায় আমি (স্লো মশান পদ্ধতির বিশ্বাস) ব্যবহার করে কামিয়াব হইয়াছি।

আমার বিশ্বাস প্রায় 517 জন স্টীলার এর দোয়া ও সহযোগীতায়-আমাদের ছোট ভাই তারেক সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান কে ও ছাড়িয়ে যাবে।

মানুষ সামাজিক জীব, সমাজ ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। পারে না বলেই বন কেটে হয় বসত। ধীরে ধীরে গড়ে উঠে সমাজ। সুখে দুঃখে, বিপদ আপদে এক অন্যের সাথী হয়। সুখের অনুভূতি অন্যের কাছে প্রকাশ করার মধ্যেই আনন্দ। তা না হলে হাজার সুখেও সুখ হয় না। দামী দামী শাড়ী, গহনায় নারীদেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি যত না হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি হয় বিত্তের বিজ্ঞপ্তি। ঐশ্বর্য শুধু থাকলেই হয় না- তা যদি অপরে না দেখলো, তাহলে সুখ কোথায়...?

Tuesday, October 20, 2015

আমি গাট্টি বোচকা বাইন্তেয়াছি


রাসেইল্যার সাথে (পোলাপাইন রে নাম ভেংগাইয়া না ডাকলে ভালো লাগেনা) কিছুক্ষণ আগে টেলি সংলাপ হলো। মাশাল্লাহ! গলার ভয়েস যেন ভয়েস অব আমেরিকা, হারামজাদার কথা বাতা' পুরা টক শো ষ্টাইলের। ফেব্রুয়ারি মাসের আমাদের চট্টগ্রামের সম্ভ্যাব্য আড্ডা নিয়ে বেচারার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।
রাসেল আমাকে ডিসেম্বর /জানুয়ারি মাসের দিকে আবুধাবি দাওয়াত দিছে (কৌশলে আমিই দাওয়াত আদায় করছি)।
ভালোই লাগছে Masudul Hasan আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সুইডেন যাওয়ার জন্য আর রাসেল আবুধাবির জন্য। নিজেরে তো পুরা পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মত লাগছে।

তবে রাসিল্যা সুইডেনের ভিসা হয়ত পামুনা, তোর দুবাইর ভিসা যেন মিস ন হয়। আমি গাট্টি বোচকা বাইন্তেয়াছি।

পুনঃমিলনি বিষয়ক


গতকাল রেজা ভাইয়ের একটি পোস্ট দেখলাম পুনঃমিলনি বিষয়ক।।দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হলাম।।রেজা ভাই,আতিক ভাই,পুলক ভাই,চাদ বুবু,কমু ভাই,টিনকু ভাই,জসিম ভাই,শাহিন ভাই,রাসেল ভাই সহ যারা এই পেজটিকে টিকেয়ে রাখতে প্রানান্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত তাদের অভিনন্দন।।তারিক ভাই ইস্যুতে সকলের আন্তরিকতা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।।আল্লাহ আমাদের সহায় হোক,আমিন।।আজ শাহিন ভাইয়ের সাথে আমার অনেকহ্মন আলাপ হল পুনর্মিলনি বিষয়ে।।আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি অনুষ্ঠান হতে হবে আমাদের প্রানপ্রিয় বিদ্যালয় প্রাংগনে।।সিএসএম এর একমাত্র জিবন্ত কিংবদন্তি এই বিদ্যালয়।।এটি ব্যাতিত আমাদের আর কোন স্থান আমাদের আবেগের সাথে সংগতি পুরন নয়।।আশা করি সবাই অতিত স্মৃতি এবং আমাদের আবেগকে মুল্যায়ন করবেন।।ভুল হলে হ্মমা সুন্দর ভাবে দেখবেন।।সবাইকে আমার পহ্ম থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম জানাচ্ছি।।

একটা সুষ্ট বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি

- Tinku


আমি বিব্রত এবং নিরাপত্তা হীনতায় আছি। জাবেদের বিবাহ্ নিয়ে আমার আগ্রহটা একটু বেশী কারণ সে আমার খুব ভাল বন্দু। ঐ অতি আগ্রহের কারণে আমাকে দুই বড় ভাই রিতিমত হুমকী দিয়েছে। সেই দুই সন্মানিত বড় ভাইরা হলেন - জসিম ভাই ও নাজমুল ভাই। আমি বুঝে উঠতে পারছি না জাবেদকে আয়বুড়ো বানিয়ে জসিম ভাইয়ের লাভ কি? নাজমুল ভাই তার শালিকাকেও দিবে না। জাবেদের বিয়ে নিয়েও কথা বলতে দিবে না।
আমি প্রধানমন্ত্রী এবং শিশু ও নারী মন্ত্রীদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং এর সুষ্ট বিচারের দাবি করছি।

( বি: দ্র: কুমু ভাইয়ের সাথে এক মত প্রকাশ করে, যে কোন দিন অনশনের ডাক দেওয়া হতে পারে)

এক আকাশের নিচে ছিলাম

- Javed

কলোনি নিয়ে দুটা লাইন লেখলাম কয়েকদিন আগে। গীটারটা হাতে ছিলো। এমনিতেই গুনগুন করছিলাম। শেষে একটু সুরের মতো হলো। কিন্তু আমার গলা অতি নিকৃষ্ট ধরনের। গানের কোরাসটা আমার গলায় আসছিলোই না। বিরক্ত হয়ে ফেলে রাখলাম। আজ ভাবলাম দিয়েই দেই। কি আর হবে। আমরা আমরাই তো। কোরাসের অংশটা বাগে আনতে না পেরে গোজামিল দিয়ে শেষ করেছি। আশা করি আবেগের ঢাকনি দিয়ে গানের মান কে চাপা দেয়া যাবে।
লিরিকটাও দিয়ে দিলাম। গানে লিরিক ভালো বুঝা যায় না।

বুঝলাম না সবার কি কষা নাকি!!!!



বুঝলাম না সবার কি কষা নাকি!!!!
সবাই ইসুপ গুল আর পেঁপে খাওয়াতে বিজি নাকি!!!!:)
পেজ এ সদস্য সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৫৩৮
প্রতি পোস্ট এ পছন্দ পড়ে গড়ে ৩০ থেকে ৪০।
কেন ভাইয়ারা?!?!? আপারা আপনাদের বিয়োগ দিয়ে বলছিনা

আচ্ছা বাদ দেন।

অন্যান্য সি. এস. এম. পেজ এর বড় ভাই আপাদের পাশাপাশি
পপুলার হসপিটালের ৬৬০ নং কেবিন এ আমার উপস্থিতি ও জানি্যে আসলাম।

কিছু পাওয়া আর কিছু চাওয়া



প্রচন্ড অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমার প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে অজানা এক দেশ ইউরোপ এর শান্তপ্রিয় নোবেল এর দেশ সুইডেনে পাড়ি জমিয়েছিলাম উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের জন্য কিছু করব এই আশায়। তার আগে আমার ক্যারিয়ার এর সবচেয়ে ভাল চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে আসা লেগেছিল। এখনো মিস করি আমার ক্যারিয়ার সেরা সেই টেলিকমিনিকেশন এর জবটি কে। কত জেলায় না গিয়েছিলাম এই জব এর কারনে, কত মজাই না ছিল সেই সময়।

কেমন যেন সব গা সওয়া হয়ে গিয়েছে


কেমন যেন সব গা সওয়া হয়ে গিয়েছে, মনে হচ্ছে যেন এটাই হওয়ার কথা,এটাই স্বাভাবিক। অপু ভাইয়ের সাথে ১৭ বছর পর আজ দেখা হলো অথচ কোন বাড়তি উচ্ছাস নেই জাস্ট কোলাকুলি, রাজনের (মরহুম সাহ আলম কাকার ছেলে) সাথে কত বছর পর দেখা তার কোন হিসেব নেই, তার সাথেও সেই কোলাকুলি। কিছুক্ষন হাল্কা কথা বারতা, খুন্সুটি। সিএসএম এর আরো কয়েকজন ছিলো আজ সন্ধায় আমার সাথে, আমাদের ভাবসাব এমন, যেন মনে হচ্ছে আড্ডা মেরে একটু পর কলোনির যার যার বাসায় ফিরে যাবো।
Mahabub Rashel আজ একটি কমেন্টসে আমাকে সফল উদ্যেক্তা বলেছে। আমি সফল উদ্যেক্তা কিনা জানিনা তবে এই গ্রুপ চালু হওয়ার আগে কলোনি নিয়ে স্মৃতিচারনা মুলক এলোমেলো লিখা গুলো সফল, অই লিখা গুলো থেকেই আমি সবাইকে আবার কাছে পেয়েছি।

Monday, October 19, 2015

গন্তব্য "পপুলার হাসপাতাল"



শাদা বুনো হাসের পাখনায় ভড় করে গাংচিল আর উড়ন্ত চিলের পথনির্দেশনায় সাগর নদী খাল বিল পাহার পর্বত ঘাস ফুল পার হয়ে যখন পেলাম গন্তব্য এর দেখা তথখনে দুপুর যায় যায়, এ কি দেখি চারিদিক থেকে পিপিলিকার মতন মানুষ আর মানুষ এর আনাগুনা।
একজন কে ঘিরে দাড়িয়ে থাকা বসে থাকা বুড়া মিয়া জুয়ান মিয়া মুঠা বাবু পাতলা দিদিজান বুবুজান চাদসুলনা আর নাম না যানা কত সুন্দরী আর সুন্দর মানুষ গুলু যাদের বুকে গভির ভালবাসা আর মনে মনবল সুন্দর কিছু একটা করার।
কথা হল দেখা হল কিন্ত কেউ চিনলা।

কিছু একটা টের পেলাম,,
তুমরাও কি পেলে????

"কল্পনা"

- Jahed Tipu


তারাতারি ঘুমাতে হবে,কারন সকালে জি,ই,সি কনবেন্সনে যেতে হবে,সব csm বড় ভাই, ছোটভাই,বুবু,আপা,বন্ধু সবাই আসছে,,,খুব মজা হভে,আডডা হবে খুব,,,,হঠাত কানে এল 'বাংলা হাওয়ার তরে,মাটির পৃথীবি নিবু নিবু করে,অরে অরে হাওয়া থাম নারে,বন্ধু আসছে বহুদিন পরে,,,কেমন জানি করে উঠল মন টা। গান চলছে,,,অদিক দিয়ে বাচ্চারা সবাই এক সাথে খেলছে,,,,এখানে আইস্ক্রিম এর জোন আছে,ফুস্কাও আছে,দুপুরে খাবার মেনু ctg অতিজ্জ মেজবান,,,,বিকেলে বড় ভাইদের মুখের বানি,,বুবু,আপাদের পারপরমেন্স,,etc. স ন্ধাই লাকি কুপন,মানে ভাগ্য পরিক্ষা,,,,রাতে মুরগি পলাও,,,যাক বাবা ১ম প্রাইজ টা নিয়ে বাসাই নিয়ে আসলাম, কি খুশিখুশি।।।।।।। তারেখ ভাই সবাইরে যা নাচাইছে না,,,,,(মাজে মাজে লেখ তে মন চাই,তাই!!!!!!!!!

অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে


আমাদের বন্ধু সুমন আগামীকাল সৌদি আরব চলে যাবে তাই আজ সন্ধ্যায় অফিস শেষ করে সুমনের বাসায় গেলাম দেখা করতে। সেখানে গিয়ে চাচা খালাম্মা অর্থাৎ আতিকের আব্বা আম্মার সাথে দেখা হলো। অনেক বছর পর উনাদের দেখলাম। খুব ভাল লাগলো। কত আন্তরিক। সবার কথা মনে আছে। খালাম্মার সাথে ফেইসবুক নিয়ে কথা হলো। বুঝা গেল উনি সব খবর রাখেন। শায়লা উনাকে সব আপটেড দেন। আমরা কি কমেন্টস করি, কে কোন ভাষায় লিখি উনি সব জানেন। উনি বলেছেন চান্দ বুবু নাকি নোয়াখাইল্যা ভাষায় লেখেন। আমি বললাম চান্দ বুবু হচ্ছে জগতের বুবু। উনি এক পিস। শুনে আরো ভালো লাগলো তারিকের কি অবস্থা, তারিকের সাথে কে কখন দেখা করতে গেলো সব খবর উনি রাখেন। জাবেদের বিয়ে কথা হলো। জাবেদ নাকি বিয়ে করতে চাচ্ছে না। খালাম্মা বললো আমরা সবাই মিলে কি জাবেদকে জোর করে বিয়া করাতে পারবো না?

আসুন আমাদের যদি মুরব্বিদের কথা মেনে চলি তাহলে জাবেদ, নমিকে বিয়েতে রাজি করাই। ওরা যদি রাজি না হয় তাহলে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। কি বলেন সবাই??

শিরোনামহীন



জাহাঙ্গির দেশে এসে প্রতিবার কিছু রুটিন ওয়ার্ক করে। আজো তাই করলো। ফোন করে কিরে...... কেমন আছোস ? মামা দেশে আসলাম ,অনেক টায়ার্ড, পরে কথা বলি । লাইন কেটে যাবে । তারপর দুই দিন কোন টু শব্দ থাকবে না। ফোন করলেও রিসিভ করবে না । তারপর দুই তিন দিন পর ফোন করে সব ফ্রেন্ডের ছয় মাসের আমলনামা করায় গন্ডায় নিবে । তিন দিন পর ফোন করে বলল আমি ঢাকা আসছি তুই ১১ টার সময় কলেজ গেট থাকবি, আমি তোকে ব্যাগ দিয়ে বনানি যাবো। আমি সময় মতো রাস্তায় হাজির হই।
জাহাঙ্গির সময় মতো কলেজ গেট চলে আসে, বাস থেকে নেমে কিরে মামা কেমন আছোস বলে জড়ায় ধরলো। আর তো ছাড়ে না। অনেক টা আমাদের রেজা ভাই আর জাবেদ ভাইয়ার মতো। ক্যামেরা কাট না বলা পর্যন্ত ছাড়বে না ।

সাবধান হতে হবে নয়ত ভাইদের সংসারে আগুন লাগার সমুহ সম্ভাবনা



গতকাল জসিম ভাইয়ের সাথে মেসেঞ্জার এ কথা হচ্ছিল,শাহিন ভাইয়ের নাম্বার চাইলাম। আজ সকালে দেখি উনি ইনবক্সে দিয়েছেন।ভেবেছিলাম সন্ধ্যায় ফোন করব,কিন্তু পারলাম না,স্কুলে একটা অফ টাইমে শাহিন ভাইকে ফোন দিলাম। উনি ধরার পর বল্লাম আসসালামু আলাইকুম, আমি চাদ সুলতানা ওরফে বুবু। দরাজ গলার হাসি। খুব ভাল লাগলো। মেলা কথাই হল। শেষে বিদায় নেবার পালা। আমি বল্লাম পরে কথা হবে আর সময় করে ভাবিদের সাথে কথা বলব।বলেই নিজে হেসে ফেল্লাম,তা সংক্রামিত হল শাহিন ভাইয়ের মাঝেও। আসলে আমরা দুস্টামি করতে করতে এখন এসব মুখের বুলি হয়ে যাচ্ছে। সাবধান হতে হবে নয়ত ভাইদের সংসারে আগুন লাগার সমুহ সম্ভাবনা।

ছোট হলেও আমার কাজলা বুবু



CSM পেজ এর প্রথম দিকে আতিকের একটা কমেন্টস এ বুবু আর রফিকের একটা ঝগড়ার বিসদ বিবরন পড়ে বন্যা সম্পর্কে একটু অন্য রকম ধারনা ছিল, যার প্রতিফলন হিসাবে আগে বিভিন্ন কমেন্টস করার সময় আমি বুবুকে এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতাম,তারপর একটু স্বাভাবিক হয়েছিলাম কিন্তু পুরাপুরি না,জসিম নাজমুল ঢাকা যাওয়ার পর দৃষ্টি ভংগি পুরাপুরি চেন্জ, আজকের ফনোলাপ তা তো লা জবাব , মনে হয় নাই কোন দিন কথা বলি নাই বা দেখি নাই, আরে বোন হতে কি এক মা এক বাবা লাগে ? বোন সেই হয় যার মন বিশাল, আমার মেঝ বোন দুই বছর আগে মারা গিয়ে পাঁচ বোন থেকে একটা জীবিত বোনের সংখ্যা কমে গিয়েছিল, আজ হতে আমার পাঁচ জীবিত বোন রইল
( আমার মেঝ বোনটাও ৮৮ ব্যাচ)
যুগ যুগ জিও বুবু

কিছু টাইটেল। ভুল হলে মার্জনা করবেন।

- Ishrat Jahan Shaila


কিছু টাইটেল। ভুল হলে মার্জনা করবেন।

রেজাভাই -বটবৃক্ষ
জসিমভাই -আপোষহীন প্রেমিক
নাজমুলভাই -ঈঝগ এর আবিষ্কারক
শাহিনভাই-ভালোবাসার কাঙ্গাল
নিরুভাই -নিংরেজি শিক্ষক
চাঁদ সুলতানা বুবু-অলরাওন্ডার
আহসানুল তারিক ভাই-ফাইটার
পুলক ভাই-মোবাইল কারিগর
নমি ভাই-ছুপারুস্তম
তাস্কিন-কলোনির একমাত্র মডেল
মাহবুব রাসেলভাই- কলোনির ফল সংগ্রহকারী।
নিয়াজ মোর্শেদ-সক্রেটিস
সামি ভাই-হা হা হা
নজরুল টিংকু ভাই-খাদ্য প্রেমিক।
কমর উদ্দিন কমু ভাই-নীরব ঘাতক।

অনেকতো এন্টারটেইন করলাম CSM কে


অনেকতো এন্টারটেইন করলাম CSM কে, কিন্তু কয়েকদিন ধরে নিজেকে খুজেই পাচ্ছিলাম না

অনেক ঝুকি থাকা স্বত্বেও First Gulf Bank থেকে রিজাইন দেওয়ার পর হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি, টেনশন কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি? পেজে কি লিখবো, মাথা'ইতো কাজ করছিলো না !!!!
কারন U.A.E তে Bangladeshi Nationality Visa বন্ধ ।

আমার কালকের ঘোর কাটছেনা


এই লেখাটা আমার গতকাল দেয়া উচিত ছিল,কিন্তু আজ অব্দি আমার কালকের ঘোর কাটছেনা। সেকি উত্তেজনা সকাল থেকে, তারেক আসবে,ওকে দেখব,সাথে নতুনমুখ গুলার সাথে পরিচয় হবে। পরিচয় ত হয়েই আছে,সামনাসামনি দেখব। পুলকরা আসলো কিনা জানার জন্য ওকে ফোন দিলাম,ও জানালো ওরা রেজা ভাইয়ের অফিসে।কথা বল্লাম নাজমুল ভাই,জসিম ভাইয়ের সাথে।
রেজা ভাই বল্লেন এক ঘন্টার মাঝে রনির বাসায় যেতে। সৌভাগ্যক্রমে কাল আমার হেল্পার আসেন নি,তাই এক ঘন্টার জায়গায় দুই ঘন্টা লাগলো যেতে,কিন্তু আমি যাবার আগেই তারেক চলে আসায় তখন আর কারো সাথে দেখা হয়নি। খেয়েই বাসায় ছুটলাম,পপুলার এ যাব। দিন কয়েক আগে তারেকের সাথে কথা হয়েছিল,বলেছিলাম কাবাব রুটি খাওয়াবো। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ভিন্ন,কিছুতেই ওর অব্দি নেয়া গেল না কাবাব। আমি সবার জন্যই নিয়েছিলাম, সবাই যেভাবে কাড়াকাড়ি করে খেল তাতে যে আনন্দ পেলাম তার মুল্য অসিম। 

রিপন ভাই কি দরকার ছিলো


নিউমার্কেট মোড়ে আমি আর রানা বাসায় ফিরার জন্য বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, বাস আসলো উঠলাম দেখি আমাদের Ripon Akhtaruzzaman ভাই ও ওই বাসে উঠেছেন, আমি তো হেভি খুশি কারন আমাদের বাস ভাড়া দেওয়া লাগবেনা, (আমাদের কলোনির অলিখিত নিয়ম ছিলো পবলিক ট্রান্সপোর্ট এ সিনিয়ররা জুনিয়ার দের ভাড়া পরিশোধ করবে) যাক আজকের এক বেলার সিগারেটের পয়সা ম্যানেজ হইছে। 

Abbu


2011 ta j reunion ta hoachilo tokhon Ami thakta pari ni...khub miss korachilam .shobar pic r post gulo dakha Mon ta khub khrp lagachilo....abar reunion hola In sha Allah thakbo.Anisur Rahman vaiyar post a dakha khub khushu lagcha.Koto din CSM mukh gulo dakhi na.Amar abbu mara jawar 1 shoptha aga shopno dakhachilo,abbur naki abr steel mills a chakri hoica....abbu naki shopna colony thaka ghura ashcilo.Abbu jokhon kotha ta amader bolchilo tokhon buk vangga kostar jonno golar awaj ta vari hoa dui chokha pani chola ashchilo.Kotota vlo basha thakla muttur aga manushar atta ghuar asha tar prio jaigai.majha majha amio shopno dakhi colonyta hata barachii...koto porichito mukh.Tokhon shudhu abbur kothai mona pora ....

Sunday, October 18, 2015

ঢাকায় গিয়েছিলাম তারিককে ভালবাসা জানাতে


ঢাকায় গিয়েছিলাম তারিককে ভালবাসা জানাতে। আমি, জসিম ভাই, পুলক এবং টিপু। রাতের ট্রেন। এমনিতেই আমার জার্নিতে ঘুম হয়না। তার উপর রাতভর জসিম ভাইয়ের মজার মজার কথা। কমলাপুর পৌঁছানোর আগে বন্ধু রিপনকে ফোন দেওয়ার কথা ছিল। অথচ উল্টো ৫.৩০ থেকে সেই আমাদের ফোন দিয়ে জেনে নিচ্ছিল আমরা কতদূর। যাই হোক সকালে কমলাপুর পৌঁছে বন্ধু রিপন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। 

রিপনকে বললাম, বাইরে নাস্তা করে তোর বাসায় যাই। ও ভীষন রেগে বলল, তোর ভাবী চিতল পিঠা বানিয়ে রেখেছে। গেলাম রিপনের বাসায়। গরুর মাংস দিয়ে চিতল পিঠা খেলাম আমরা। তারপর সবাই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। ভাবী খুব চাপাচাপি করল খিঁচুড়ী খেয়ে যাওয়ার জন। সময় কম, রেজা ভাই অপেক্ষা করছে বলে সবাই রেজা ভাইয়ের অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। রেজা ভাইতো, ভালবাসার ঢালি নিয়ে বসে থাকেন। 

এতো ভালোবাসা,এতো আবেগ শুধু সিএসএম এ সম্ভব


এতো ভালোবাসা,এতো আবেগ শুধু সিএসএম এ সম্ভব। কলোনিতে একসাথে থাকা স্বত্তেও বন্যা আপা, রনি আপার সাথে কাল প্রথম সরাসরি কথা হলো। বাবু ভাইয়ের সাথে ১৭ বছর পর দেখা, আবেগে আমাকে জড়িয়ে ধরা। বিকেলে হাসপাতালে তারিক কে দেখা, তাকে দেখলাম ১৮ বছর পর, আর সাথে বুড়া মিয়া কে ও দেখলাম। আসলে গতকালের এই আবেগ ভালোবাসা আমার পক্ষে কখনই লিখে বর্ণনা করা সম্ভব নয়।

Batch : 1982

- Moin Khan

১৯৮২ ব্যাচের আর্ট/কলা বিভাগের (Banana section!!) আমরা ১১জনের গুনবতী-গুনধরদের গ্রুপ।বসা ডানদিক থেকে তহমিনা,তারপরের জনের নাম মনে নেই,বীনা,সাহেদা(আনোয়ার স্যারের মেয়ে),ফিরোজা এবং ওর নামও ভুলে গেছি। দাঁড়ানো--ডান দিক থেকে বাপ্পি,বাবুল(এক সময়ের টিভি নাটকের নায়ক),হারুন,বখতিয়ার এবং আমি। এর মধ্যে হারুন এবং বখতিয়ার আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। (আল্লাহ্ তাদের উত্তম পুরস্কারে ভূষিত করুন)

My dear brothers and sisters


Pulok, and others...
My dear brothers and sisters
Regarding Ahsanul Tarique, I need some direct contact no from you guys who are there beside tariq all the time. I need to know the details of hospital address n Kebin no, tariq is admitted there. When the treatment will start. Please send me the details.

টুকরো কথা



পুলক জানালো তারা রওনা দিয়েছে। আমি এর পনের মিনিট পর অফিস থেকে বের হলাম। পপুলার হসপিটাল আমার অফিস থেকে বিশ মিনিটের পথ। রিকশা নিয়ে গ্রীনরোডে ঢুকে দেখি বিশাল জ্যাম। ল্যাব এইডের সামনে যখন পৌঁছলাম তখন সাড়ে তিনটা বাজে। এরপর হেঁটে গিয়ে সায়েন্সল্যাবের ফুট ওভারব্রিজ পার হয়ে আড়ঙের সামনে দাঁড়িয়ে আবার পুলককে ফোনে ধরলাম। সে জানালো তারা পপুলারে বসে আছে। গিয়ে দেখি পুলক গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে আর ভিতরে চেয়ারে বসে আছে নাজমুল ভাই আর রেজা ভাই। রেজা ভাই আমাকে জড়িয়ে ধরলো।

বুড়া মিয়া


আমরা সবাই আজ তারিক কে নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম এবং এটাই ছিলো স্বাভাবিক। এরই ফাকে একজন রয়ে গেল সবার আড়ালে, সে হচ্ছে আমার বন্ধু, দশ টি বছরের স্কুল জীবনের খুবই কাছের সহপাঠী বাবু, যাকে সবাই বুড়া মিয়া নামেই অধিক চিনে, সে তারিকের বড় ভাই।তারিকের চিকিৎসা কালীন সময়ে সে তারিকের সাথেই থাকবে। বুড়া মিয়া জীবনে অনেক কিছুই করতে পারত, নিজের জীবনের প্রতি চরম উদাসীনতা আর খামখেয়ালিপনাতে কিছুই করল না।

ভালো থাকিস বন্ধু, সবসময় সবখানে।

Saturday, October 17, 2015

আল্লাহ যেন তারিককে সুস্থ করে দেন


আজ প্রায় ৩৫/৪০ জনের মতো আমরা একসাথে হয়েছিলাম পপুলার হাসপাতাল, ঢাকায়। উপলক্ষ একটাই আবার নতুন করে তারিকের ট্রিটমেন্ট শুরু করা ও ওর সাথে দেখা করা। একসাথে এতো attendance দেখে পপুলার হসপিটালের সবাই ভেবেছি "ওরে বাবা কোন VIP patient admit হয়েছে"? হাহাহা সে এক দেখার মতো ব্যাপার।

সাবু ভাই


আমাদের এবং সাবুদের (সাবু ১৯৯০ব্যাচ আমি কখনো ভাই বলি নাই বন্ধুর মত ছিলাম)বাসা ছিল পাশাপাশি e-12 এ,সব সময় কাকা বলত এই সাবু কিরে, মানি সাবুকে পরার মধ্যে রাখত,কাকা খুব ভাল মানুষ ছিল,আমরা দেখতাম কাকার কি পরিমান ধর্য্য।কাকা আমদের খুবই আদর করতেন।আমি আমদের বাসার বাজার করতাম বেশীর ভাগ সময়,সাবু ও মাঝে মাঝে ওদের বাজার করতে যেত।একদিন আমি ও সাবু বাজার করে দেখলাম ১.৫০ টাকা বেচেছে,তখন একটা হোটেল ছিল মাছের বাজারের আগে, ঐ হোটেলে গিয়ে ২ জনে ২ টা নান রুটি ও ২ জিলাপি খাইলাম,আহা কি মজা লাগছে তখন।সাবুই আমাদেরকে প্রথমে নেভীর জাহাজ দেখতে নিয়ে যায়।ঈদের নামাজ শেষ হলে বাসায় এসে ঈদের কাপড় পড়ে চলে যেতাম ঈসাখাঁন। জাহাজ দেখার জন্য,জাহাজ এর কিছু নাবিক সাবুদের পরিচিত ছিল,আআমাদের অনেক আদর করত,আর এখন সব স্মৃতি।সাবুকে দেখিনা আজ কত দিন।মাঝে মাঝে পান্না আপার(মিঠু ভাইয়ের গৃহিণী) সাথে দেখা হয় কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে।সাবু ভাই যেখানে থাকস ভাল থাকিস,আর সিএসএম এর সাথে থাকিস।

বইঙ্গা


আগে কলোনীতে এক বল্ডিং এ ২ টা সিড়িতে আটটা বাসা ছিল,একেক জনের বাড়ি একেক জেলায়,কিন্তু কখনো মনে হয় নাই আমরা আলাদা,এই সাবু আম্মা খালাম্মা আমাদের বাসায় এসে রান্না ঘরের ফ্লোরে বসে মায়ের সাথে গল্প করতো,মা সাবুদের বাসায় গিয়ে পানের ডিব্বা নিয়ে বসে পান খেত আর গল্প করত।আর এখন আমরা ভাড়া বাসায়, মাঝেমাঝে কিছু নিয়ে কথা উঠলে চিটাগাং এরা বলে বসে বইঙ্গা,আরে ভাই বইঙ্গা কি বাংলাদেশের বাইরে।

বামন ও চাঁদ

- Javed


আমি মানুষটা বিরাট লম্বা কিন্তু স্বভাবে, যোগ্যতায় চির বামন। কতবার হাত বাড়িয়েছি একটা চাঁদ ধরার জন্য, পারিনি। HSC তে ফেল করে খালপাড়ের পাইপগুলোর উপর অনেক রাত পর্যন্ত বসে থেকে বাসায় গিয়েছি। সেই রাতে বড্ড দুঃখে নিজেকে নিয়ে একটা ছড়া লিখেছিলাম। সেই কাঁচা হাতে লেখা ছড়াটা সেই রাতে কিছুটা শান্তি দিয়েছিলো আমাকে। যার চাঁদ পাওয়ার যোগ্যতাই নাই তার আবার চাঁদ ধরতে না পারার দুঃখ কিসের? তারাশঙ্করের কবি উপন্যাসের নিতাই এর মতো সান্ত্বনা খুঁজেছিলাম ---
"চাঁদ তুমি আকাশেই থাকো
তোমায় আমি দেখব খালি
তোমায় ছুঁতে যাবো নাকো
তোমার গায়ে লাগবে কালি"
ছড়াটা দিলাম। ফেল করা ছাত্রের ছড়া আর কতোইবা ভালো হবে?

বামন ও চাঁদ
-------

সঙ্গতিপুর্ন ?


আজ সারাদিনে কোন পোষ্টটা এই পেজের সাথে ১০০% সঙ্গতিপুর্ন ?
আর কোন পোষ্টগুলো এই পেজের সাথে একদম'ই যায় না ?

আমি সারাদিনে Atiq Csm Mahmudur Rashid Pulak এর কয়েকটা ছবি, Monirul Islam Monir মুনির ভাইয়ের দেয়া আতিক ভাইকে নিয়ে পোষ্টটা, আর 
Al Amin Billah Shujon এর উপহার জেক্স এর ছবিটা ছাড়াতো কোন পোষ্ট দেখি না !!!!!
কয়েকদিন আগেও পেজটাতে ঢুকলে মনে হত কলোনিতে ঢুকেছি, খুটিয়ে খুটিয়ে কলোনির গল্প, ছবিগুলো বার বার পড়তাম, দেখতাম। আর এখন .................... !!!

Friday, October 16, 2015

বলবই একদিন

- Javed


বলবই একদিন
-----------------
আমি তোমাকে কখনোই বলবোনা যে
"আমি তোমাকে ভালবাসি"
আমি এভাবে ভালবাসার কথা জানাবোনা।
সেই অ্যাডামের জমানা থেকে
কতো প্রেমিক এই কথাটি বলেছে
তার কোন হিসেব কি কেঊ করেছে?
বাক্যটি এত বেশি ব্যবহৃত হয়েছে
আর এতই প্রাচীন যে
এর মেয়াদকাল বহু আগেই পেরিয়ে গেছে।
কথাটি এতই জীর্ণ যে উচ্চারিত হতেই
এর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়।

এখন নাকি রাগী মানুষদের সময়


আজকে পত্রিকায় পড়লাম এখন নাকি রাগী মানুষদের সময়।তারা যা খুশি তা করতে পারেন।অথচ ছোটবেলায় এই জিনিসটা আমি করতে পারতাম না। এখনো পারিনা। রাগ অনুরাগ বিষয়ে কিছু কথা প্রচলিত আছে।যেমন, মানুষ নাকি তার আপন মানুষের উপর রাগ করে কিংবা রাগের বিপরীতে অনুরাগ লুকিয়ে থাকে।জানিনা কথাগুলো কতটা সত্য।আমার উপর কেউ রাগ দেখালে ব্যাপারটা চুপচাপ সয়ে যাই।তবে একটা কথা না বলে পারছিনা যে কাছের মানুষের সাথে কেউ রাগ করেনা, যেটা করে সেটা অভিমান।রাগের ফল ভোগ করতে হয় অন্য কাউকে কিন্তু অভিমানের কষ্ট অভিমানীকে নিজে পেতে হয় যেটা হয়ত আশেপাশের অনেকে টের পায় না।

Thursday, October 15, 2015

CSM Super Shop


বড়াপা কইলো CSM Super Shop খুলবো। খুব্বি ভাল আইডিয়া। আসলে বড়াপা আমগো যে কত ভালবাসে এটাই বুঝলাম। আমগো লইয়া আপার কত চিন্তা।

ওকে ব্যাপারটা একটু খোলাশা করতাছি। আমাগো এই কলোনীতে চোর, ছেচোর কতই না ছিল তাইনা?? সেইটা সবাই পোষ্টের মাধ্যমে নিজেরাই জানান দিছে এবং দিতাছে। ডাব চোর, নারিকেল চোর, আম চোর, সাইকেল চোর, বই চোর, কুত্তা চোর, কলম চোর (তাও আবার নিজের বাসায়) সহ আরো কত চোর পাইলাম। ও আচ্ছা মন চোরও আছে। তো এই সমস্ত চোর স্টীল মিল বন্ধের পরে এদিক সেদিক ছড়াইয়া ছিটাইয়া পরছে। চোরায় না শুনে ধর্মের কাহিনী। চোরেগো এখনও চুরি করতে হাত পা নিশপিশ করে। কিন্তু যেখানে সেখানেতো চুরি করা যায় না। কলোনী ছিল চোরদের চুরি করার বিশাল ভান্ডার। ধরা খাইলেও অমুক তমুকের ছেলে বইলা পাড় পাইয়া যাইতো কিন্তু ষ্টীল মিল জগতের বাইরের জগততো অন্যরকম। চুরি করলেই খেসারত দিতে অইবো।

ফ্ল্যাশব্যাক


ফ্ল্যাশব্যাকঃ 
মেজাজ খারাপের মাস,
খুব সম্ভবত নভেম্বর, 
বার্ষিক পরিক্ষা সামনে।
রাত ৭ টার মতো
মধুর কণ্ঠের এখনো মাঝে মাঝে কানে বেজে ওঠা,
মোয়াজ্জেম হুজুরের এশার আজান শুনতে শুনতে
বাসা থেকে বের হচ্ছি,
গন্তব্য বন্ধুর বাসা।

বিব্রত - ২ ( পেজের ১২ টা )

- Mahabub Rasel


আতিক ভাই খুব সুন্দর করে "বিব্রত - ১" লিখেছিলেন, আতিক ভাইয়ের এই কথাগুলো কয়জনের মনে আছে জানি না, তাই এখন তার একটা ছোট্ট ২য় পর্ব দিলাম smile emoticon
যখন দেশে ছিলাম, তখন ক্যাবল অপেরেটররা ( আমাদের ভাষায়, ডিস লাইনে ) তাদের নিজস্ব চ্যানেলে সুন্দর সুন্দর বাংলা / ইংলিশ / হিন্দি সিনেমা চালাতো, মাঝে মধ্যে দারুন দারুন নাটকও চালাতো। ভালোই লাগতো দেখতে কারন, বেশীরভাগ সময় বাছাই করা সিনেমা বা নাটক ছিলো সেগুলো। তার উপরে কোন বিজ্ঞাপন ছাড়া একটানা দেখা যেত, তাই দেখে মজা পাওয়া যেত। তাই টেলিভিশন অন করলেই সবার আগে ক্যাবল অপারেটরদের এই চ্যানেলে দেখে নিতাম, এখন কি সিনেমা বা নাটক চলছে ।

টিফিন বক্স


ছোটবেলায় আমার ছোটমামা বিদেশ থেকে এলে সুন্দর সুন্দর টিফিন বক্স নিয়ে আসতেন।কিন্তু স্কুলে যাওয়া আসা শুরু করলেও আমার তখন টিফিন আওয়ার ছিলনা বলে মা আমাকে ওই টিফিন বক্স গুলো নিতে দিতেন না।তখন ভাবতাম কখন ক্লাস থ্রি তে উঠব আর টিফিন আওয়ারে টিফিন বক্স নিতে পারব।একসময় ক্লাস থ্রি তে উঠলাম।কিন্তু ততদিনে আমার টিফিন বক্সের মোহ ছুটে গেছে।স্কুল ছুটি হয় ১২ টায়।তখন আবার যারা ক্লাস ফাইভে পড়ত তাদের ক্লাস শুরু হত ১২ টায়।ইশ! যদি ক্লাস ফাইভে উঠতে পারতাম, তাহলে সারা সকাল খেলা করে ১২ টায় স্কুল করতাম।আর বৃহস্পতিবার মাত্র দুই ঘন্টা পর ছুটি। আহ! কবে সেই দিন আসবে।তারপর ক্লাস ফাইভে উঠলাম।যে আশা ছিল এতদিন মনে,দুপুরের ঘুমের কারণে তাতে ধূলো পড়তে বেশিদিন লাগল না।ভাবলাম,ক্লাস টা ১২ টায় না হয়ে ১০ টায় হলে বাসায় গিয়ে বিশ্রাম করতে পারতাম।অবশেষ এ একদিন ক্লাস সিক্সে উঠে ১০ টায় ক্লাস শুরু হল।এবার কি করা যায়?কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।পেছনে ফিরে তাকাবার অবকাশ নেই।মনে হল,আর টিফিন বক্স লাগবেনা আমার,এ যেন যত মধুর ভুল ছেলেবেলার

Wednesday, October 14, 2015

“ আমাদের আতিক কাকা, আমার অঙ্গীকারনামা “


কলোনি থেকে বের হয়ে গেছি বেশিদিন হয় নাই, কলোনি থেকে বের হয়ে গেলেও অবসরের পুরোটাই কাটতো কলোনিতে। তখন কলোনিতে অনেক নতুন নতুন সিকিউরিটি এসেছিলেন, পুরাতন সবাইতো আমাদেরকে চিনতো, তাই কেউ তেমন কিছু কখনো বলতো না, কিন্তু নতুন যারা এসেছেন তারাতো আর আমাদেরকে চিনে না। একদিন যে কোন এক কারনে একজন নতুন সিকিউরিটি এর সাথে বড় মাঠে আমার আর মাসুদের ( ব্যাচ-৯৬) তুমুল ঝগড়া। ঝগড়ার একসময় আমি তাকে কথার প্রসঙ্গে বললাম,..............

“ আপনারা আমাদেরকে নিয়ে এত মাথা ঘামাচ্ছেন, এত যে চুরি হয় চোরতো ধরতে পারেন না একটাও, আপ্নারাই হলেন চোর বুঝছেন, আপনাদের সাথে চোরদের যোগাযোগ আছে ।। “


জি!! ভাইয়াপারা গর্ত থেকে এই মাত্র বের হয়ে আসলাম।


জি!! ভাইয়াপারা গর্ত থেকে এই মাত্র বের হয়ে আসলাম।
বের হয়ে আসার সময় দেখলাম, আরো অনেকে গর্ত থেকেই সি. এস. এম. পেইজ এ দৌড়াদৌড়ি করে বেড়াচ্ছে আর সমানে বিভিন্ন পোস্ট এ লাইক/কমেন্ট দিচ্ছে।
আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি
এই গ্রুপ এর প্রত্যেকর চোখের আরাম এবং মনের আরামের
জায়গা নির্ধারিত আজ এই পেইজ এ।
নাহিদুল আলম (রাজন), এই আমার সাথে এই পেইজ এর বেশির ভাগ ভাইয়াপারাই হয়তো অপরিচিত। খুব স্বাভাবিক। আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর।
আরে না।।। যখন কলোনি ছেড়ে চলে আসি।

ছেড়ে আসা সময় গুলো আজো খোজে আমায়

- Atiq CSM

ছেড়ে আসা সময় গুলো আজো খোজে আমায়
উড়িয়ে যায় নিয়ে কলোনির সেই শিতল ছায়ায়।
যেখানেই থাকি আমি
রয়েছি আজো বেচে সিএসএম এর ভালোবাসায়।
হৃদয়ে রয়েছে সবার
দিনগুলো সেই ভালোবাসার।
দূরে যতই যাই,তবু শুনতে পাই
মনে হয় বলছে যেনো
আজো ভালোবাসি তোমায়।
মন ফিরে ফিরে চায়
আজ সিএসএম কোথায়
কাটিয়েছি অর্ধেক জীবন যেখান টায়।
আবেগ মাখা ঐ জীবনে কি ছিলো জানিনা
তাইতো আজো সিএসএম কে ভুলতে পারিনা।।

সম্ভবত ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৩


*জ্যামে বসে বসে থেকে আমার মাথাই পুরা জ্যাম হয়ে গেছে, আর কোন লেখাই আসেনা। ”তাই নতুন শিশিতে পুরানো সিরাপ” , অর্থাৎ আবারো পুন: পোষ্ট করলাম। গোস্বা করিয়েন না মেম্বার সাবেরা।
আবারও রাশেদ, তবে এবার আর ডাব গাছ নয়, খেজুর গাছ।

সম্ভবত ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৩।

কিছু না বলা মানে, অনেক কিছু বলা।।


** কিছু না বলা মানে, অনেক কিছু বলা।।
** দু:খ যার সারা জীবনের সাথী তার আবার দু:খ কিসের।।

জ্বি না ভাই ও বোনেরা এগুলো আমার কোন কথা নয়। এতো উচ্চ মার্গের কথা বলার গুন আমার নেই । শ্রদ্ধেয় Mdnurul Kabir Niru নিরূ ভাইয়ের উক্তি। কয়েক দিন ধরে আমার শরীর টা ভালো যাচ্ছিলোনা, উনার এ মহামূল্যবান উক্তি শোনার পর এখন আমি অনেক ভালো বোধ করছি। সে হিসাবে বাংলাদেশের স্বাস্ব্য বিভাগে উনি ব্যাপক অবদান রাখতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাষ। নিরু ভাইয়ের সংগে আজ দুপুরে আমার টেলিসংলাপ হয়। উনি আমার মাধ্যমে জাতির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ধন্যবাদ নিরু ভাই ।

নিরু ভাই প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড


নিরু ভাইয়ের সাথে আমরা খুব মজা করছি। নিরু ভাই প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড। এটা স্রেফ মজা। অন্য কিছু নয়। আমরা আপনাকে খুবি লাইক করি। 
আপনার কি মনে আছে, ৯০ এর গন আন্দোলন এ আমি আর আপনি এক সাথে ইপিজেড এ মিছিল করতে করতে যেতাম, কোন কোন দিন টেম্পু তে যেতাম, সবার ভাড়া আপনি দিয়ে দিতেন। 
আমি কমাস' কলেজে পড়তাম, আর আপনি আগ্রাবাদে ব্যাবসা করতেন। সোনালি ব্যাংকের সেই ষ্টাফ বাসে করে আমরা আরো কয়েকজন কলোনির ছেলেরা প্রতিদিন যেতাম আগ্রাবাদ। সবসময় সবার ভাড়া আপনি দিতেন।
আমার এক অতি সংবেদনশীল ব্যাক্তি গত একটি ঘটনার ব্যাপারে আপনি গুরুত্তপুন' ভুমিকা রেখেছিলেন। আমি কিছুই ভুলিনি নিরু ভাই। 

আমরা আপনাকে খুব পছন্দ করি তাই একক্টু মজা বেশি করি।
we like you Mdnurul Kabir Niru vai

কি লিখবো?

- Mahmud Hasan

কি লিখবো ? কাকে নিয়ে লিখবো বুঝতেই পারছি নাহ.... csm এর সবাই ব্যস্ত.. তারচেয়ে বেশি ব্যস্ত 98 Batch এর অনেক বন্ধু ...CSM এ থাকতে আমার মনে হয় আমার বাবারা অনেক ভাগ্যবান ছিলেন..বুঝতেই পারি নাই বাবার সিনিয়র জুনিয়র কারা ছিলেন .. মনেহতো সবাই এক পরিবারের সদস্য..কতোই না ভালোবাসা ছিলো তাদের মধ্যে...আর এখন ...বাবার জায়গাই আমরা এলাম.... বুঝতে পারছেন কিছু ? না .... বাবার জায়গাই আসলেও ওদের ওই বিশাল ভালোবাসার স্থান আমরা পূরন করতে পারি নাই.... ভাবতে অনেক কষ্ট হয় যখন অনেক দুর থেকে কোনো CSM এর বন্ধু কে CALL করলে Rcv করে না চেনার ভান করে Buzzy দেখাই... হয়তো তোরা দেশ এ আর আমরা কজন দেশ এর বাহিরে এইতো পার্থক্য ? এটা মনে রাখা উচিত আমরাও তোদের থেকে কম না.. তারপরও বন্ধু দোয়া করি তোদের জন্য .. অনেক ভালো থাকিস...

Tuesday, October 13, 2015

কত চেনা মুখ নতুন করে চেনা হয়

- Emrul Huda

কত চেনা মুখ নতুন করে চেনা হয়
সম্পর্কগুলো বদলে দেয় সময়....!!
"প্রিয়" কিছু হারানোর কষ্ট
আমাদেরকে কাদাঁয়।
সময়ের ব্যবধানে এই প্রিয় মানুষদের
ছাড়াই আমরা বাচঁতে শিখে যাই।
অথচ একদিন এই মানুষদের
ছাড়া বেচেঁ থাকাটাই অসম্পূর্ণ ছিল।
জীবন হয়ত কারো জন্য থেমে থাকে না;
কিন্তু হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষদের
জন্য মনটা ঠিকই থেমে থাকে।
হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে মনের
অনুভূতিকে যেন শূন্য করে দিয়ে যায়,,,,,,,!!

মনে পড়ে অতীতের সেই কথা

- Atiq CSM

মনে পড়ে অতীতের সেই কথা
যা ছিল স্বপ্নে গাঁথা
মনে পড়ে অতীতের সেই দিন
যা ছিল ভাবনায়রত
মনে পড়ে অতীতের সেই গান
যা ছিল সুখে দু:খে অবরত
মনে পড়ে অতীতের সেই ফাল্গুন
যা ছিল বাতাসে মুখরিত
মনে পড়ে হারানো সেই স্মৃতিটা
যা ছিল পাখির ডানার মত
মনে পড়ে অতীতের সেই প্রহরটা
যা করেছিল হতাহত
জীবনের শেষ সুখটা

তোমাকে ছেড়ে যেদিন শেষ বারের মত চলে আসি


তোমাকে ছেড়ে যেদিন শেষ বারের মত চলে আসি,
পেছন ফিরে তাকাইনি আর।
চোখ বেয়ে পড়েনি ক ফোটা অশ্রু, 
ভেবেছিলাম ভেতরের মানুষ টা হয়ত মারা গেছে।
এভাবে দিন যায়,
আমি ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমার নিজেকে নিয়ে,
হঠাত ফুরসত মিলে গেলে ভাবি তোমার সাথে দেখা করে আসি,
কারণ চোখের আড়াল হলেও, মনের আড়াল ত হওনি।
কিন্তু আমার চারপাশের মানুষগুলো আর নিষ্ঠুর পারিপার্শ্বিকতা যেন আমাকে তোমার কাছে যেতে দেয়না,
আমি অপেক্ষা করি,দিনের পর দিন,
তারপর একদিন ছুটি মেলে আমার সব ব্যস্ততা থেকে,
আমি ছুটে যাই তোমার কাছে,
কিন্তু সেখানে তোমার অস্তিত্ব বিলীন হয়েছে অনেক আগেই,
পড়ে রয় তোমার করোটি ( কংকাল)।
প্রিয় কলোনি র উদ্দেশ্যে রচিত।

Monday, October 12, 2015

মারবেল খেলা (বাকি অংশ) ......


চম্পা- এটা মুলত দুই জনের খেলা। আন্টিসের মত আঙ্গুল দিয়ে খেলতে হয়না। মারবেল ধরে মারা যায়। এ খেলার সুবিধা হল যে কোন জায়গায় খেলা শুরু করা যায়। অর্থাৎ কেপ কেন্দ্রিক না। মারবেল যেখানে থাকবে সেখানে পা রেখে অন্য খেলোয়ারের মারবেল ঠুকতে হবে। লাগাতে পারলে একটা মারবেল পাবে।

চম্পার জন্য ডাগ্গিটা একটু বড় হতে হয়।
খেলোয়াড়- মারবেল যারা খেলত সবাই এটা খেলত। অনেক সময় আন্টিস খেলতে ইচ্ছা না করলে, কখন চান্স না পেলে অন্য পাশে চম্পা শুরু হয়ে যেত। যত দুর মনে পরে দুলি, সমু, বড়া মিয়ার মধ্যে চ্যালেঞ্জটা জমত ভাল।
ভ্যেনু- আন্টিস যেখানে খেলা হত তার আশে পাশে চম্পা খেলা হত। বিশেষ করে রাস্তায়। রাস্তার ইট.পাথরের খাজে মারবেল লুকিয়ে রাখা যেত তো তাই।

“ প্রথম, ব্যাংক অভিজ্ঞতা !!! “

- Mahabub Rasel

একদিন যেকোন এক কারনে প্রথম গিয়েছিলাম সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য কিছুক্ষন লাইনে দাড়ানোর পর আমার সিরিয়াল আসলো, আমি রিসিট আর টাকা জমা দিলাম, ( সব নোট ছিলো, কিছু টাকা ফেরত পাবো ) ক্যাশ কাউন্টারে বসা ম্যাডাম কয়েকবার করে বলছেন, “ভাংতি নাই, ভাংতি দাওআমি প্রতিবারই শুনছি আর ম্যাডামের দিকে তাকাচ্ছি কিন্তু বুঝতে পারছিলাম না, ম্যাডাম আসলে কাকে উদ্দ্যেশ্য করে বলছেনভাংতি নাই, ভাংতি দাও !!! “, কারন ম্যাডাম তাকিয়ে আছেন অন্য দিকে !! হয়তো আমার পাশের জনকে বা অন্য কাউকে বলছেন আমি আমার মত বাকি টাকা আর রশিদের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম

অভিশাপ দিচ্ছি সুখী হও

- Javed


কবিতা মনের খোরাক। কবিতা পড়ুন। ইচ্ছা করে তো কেউ পড়বেন না তাই জোর করে পড়াই। grin emoticon
----------------------------------------------------
অভিশাপ দিচ্ছি সুখী হও
------------------------
যতবার অবহেলা করেছো
আমি কেঁদেছি।
তোমার আর কি দোষ বল
তোমরা তো এমনই।
আজ আমি কাঁদতে আসিনি
আসিনি আকুতি জানাতে।
আজ আমি অভিশাপ দেবো।
অন্তঃস্থল থেকে জানাবো অভিসম্পাত।
ঘৃণার ফোয়ারা ছোটাব আজ।
তুমি পাবে আজ অবহেলার
কঠিন জবাব।
আজ কাঁদবো না,
অশ্রুর বদলে আগুন ঝরবে
দুচোখ দিয়ে।
হ্যাঁ, আমি অভিশাপ দিচ্ছি
সুখী হও।
প্রবল সুখের মাঝেও
আমার জন্য তুমি কাঁদবে জানি।
তোমার দু'ফোঁটা চোখের জলই আমার অভিসম্পাত।
অভিশাপ দিচ্ছি
সুখী হও, সুন্দর হও, সফল হও।।
(২০/১০/২০১৪)

"স্মৃতি"



২০০১ সালের ৭ আগস্ট যায়যায়দিন এর "বঞ্চনা" সংখ্যায় "শূন্য" নামক এক লেখকের একটি ছোট লেখা প্রকাশিত হয়েছিলো। লেখাটি স্টিলমিল কলোনি সম্পর্কিত তাই এখানে দিলাম। লেখার শিরোনাম ছিলো "স্মৃতি"। 
-----------------------------------------------------------------------------
৭ জুলাই ১৯৯৯ সালে বন্ধ হয়ে গেলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চিটাগাং স্টিল মিলস লিমিটেড। অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেও কোন কাজ হলো না। আমরা মিলের কর্মরত কর্মচারীদের ছেলেরা মন খারাপ করে মিল সংলগ্ন কলোনির রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। কতো স্মৃতির এই কলোনি, কতো আনন্দের এই প্রাঙ্গন। জমজমাট কলোনি হঠাৎ করেই নিশ্চুপ হয়ে গেলো। কারো মুখে হাসি নেই, ভবিষ্যৎ চিন্তায় সকলেই দিশেহারা।

কয়েক মাসের মধ্যেই কলোনি খালি হয়ে গেলো। আমরা চলে এলাম হালিশহর এলাকায়। অনেকে দেশের বাড়ি চলে গেলো। জনমানবহীন হয়ে গেলো আমার জন্মস্থান স্টিল মিল কলোনি। যেখানে কেটেছে আমার শৈশব আর কৈশোরের সোনালী দিনগুলো, যেখানকার আলো বাতাসে একজন পরিপূর্ণ যুবক হয়ে উঠেছিলাম। যেখানকার মাটির গন্ধ এখনো আমার গায়ে লেগে আছে।