Sunday, April 10, 2016

ফুল যদি ভুল হয়


ছেলেটি মেয়েটি র বিছানার পাশে প্রতিদিন একটি ঘাস ফুল রেখে যেত। ছেলেটির ইচ্ছা করত গোলাপ রেখে যেতে কিন্তু তার সে সামর্থ্য ছিল না। আবার এই মেয়েটি যেহেতু তার স্ত্রী, তার উপর আবার অসুস্থ তাই ফুল রেখে যেত যাতে ঘুম থেকে উঠে ফুল দেখে তার মন ভাল হয়ে যায়।

একদিন ছেলেটি ফুল রেখে যেতে ভুল গেল।কারন অফিসের তাড়া ছিল।দুপুরে যখন সে মধ্যহ্ন ভোজ এ গেল তার স্ত্রী ফোন দিল কেন সে গোলাপ রেখে যায় নি তার জন্য। ছেলেটি বেশ অবাক হল।পরে বুঝতে পারল ছেলেটির ভালবাসার কারণে ঘাসফুল তার কাছে গোলাপের মত মনে হত।

সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম


সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম, সিনেমা শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ না হওয়া পর্য্যন্ত অন্তত গোটা দশেক মারামারি না থাকলে ঐ সিনেমা দেখে পোষত না। যখন ক্লাস এইট নাইনে পড়ি তখন, মামার বাসা থেকে প্রায় সময় ভিসি আর এনে রাখতাম, আর এই সব ডিসুয়া ডিসুয়া মার্কা ফাইটিং ছবি দেখতাম। 

এক দিন মরা রাশেদ এসে বলল নুতন একটা ছবি এসছে, নতুন নায়ক নায়িকা আমীর খান আর জুহি চাওলা। সিনেমার নামটা একটু বড়, দেখি রাশেদ ও নামটা ঠিক মত উচ্চারণ করতে পারলোনা, কি কেয়ামত কেয়ামত করে খালি। যাই হোক পরদিন রাশেদ ক্যাসেট টি দিল, বাসায় এনে দেখি নাম কেয়ামত সে কেয়ামত তাক। সিনেমা দেখা শুরু করলাম খালি ঘ্যান ঘ্যান সিনেমা, হালকা দু মিনিটের মারামারি আর শেষে নায়ক নায়িকা দু জনেই কুল্লু খালাস মানে ইন্তেকাল। ধুর! মোটেই ভালো লাগলো না।

যাদু


আমার গোপন কথাটি সখি রেখো গোপনে।

কবি গুরুর এই গানের কথাটি কেউ রাখেনা। কেউ যদি চায় তার কোনো কথা প্রচার করা দরকার তাহলে কথাটি কাউকে বলে শুধু নিষেধ করে দিতে হবে যেন অন্য আর কাউকে কথাটি না বলে তাহলেই আশা করা যায় সবাই ব্যাপার টা যেনে যাবে।

কোনো একদিন বন্ধু Monirul Islam Monir তার এক গোপন প্রতিভার কথা বলেছিলো বন্ধু Monowar Dalim Dalim কে এবং নিষেধ করেছিলো আর কাউকে যেন না বলে। ডালিম ও কথা রেখেছিলো একজন কে কথাটি বলে নিষেধ করে দিতো যেন আর কাউকে না বলে। এইভাবে মনিরের গোপন প্রতিভার কথাটি সবাই যেনে যায়। মনিরুলের গোপন প্রতিভাটা ছিলো ও মুখ দিয়ে পানি খেয়ে নাক দিয়ে সে পানির সম্পুর্নটাই বের করে দিতে পারে। আমরা বন্ধুরা সবাই মনিরুলের এই প্রতিভায় দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রতিদিন ই মনিরুলের কাছে এই যাদু দেখতাম। একদিন সবাই চিন্তা করলাম বিনা পয়সায় আর যাদু না। যাদু দেখতে হলে পয়সা লাগবে যেই কথা সেই কাজ ডি টাইপের টিউবওয়েল এর কাছে যাদু প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হলো আমরা টিউবওয়েল থেকে এক গ্লাস পানি মনিরুল কে দিতাম ও সেই পানি মুখ দিয়ে খেয়ে নাক দিয়ে আবার গ্লাস ভর্তি করে পানি বের করে দিতো। যাদু দেখার মূল্য ছিলো চার আনা। চার আনার বিনিময়ে যে কেউ যাদু দেখতে পেতো। কয়েকদিন যাদুর ব্যবসা দারুন চলেছিলো। যাদু দেখানোর পয়সা দিয়ে আমরা জিলাপি কিনে খেতাম। আনোয়ারুল হক, ডালিম, বিপুল, মিল্টন, আমি আর যাদুকর মনিরুল এই যাদুর ব্যবসা করতাম। যে সময়ের গল্পটা এতোক্ষন আমি বললাম আমরা তখন অনেক ছোট ছিলাম সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছি এমন। 

আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে


আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে। আহারে আমার দাদু ছবি তুলতে খুব পছনদ করতো।খুব মিস করি আমার দাদুমনিকে।আমাকে অনেক.......অনেক বেশি আদর করতো যা কখনও বলে বুঝানো জাবেনা।আমমা মারা যাওয়ার দাদু আমাদের সাথে থাকতেন।উনার আমরা চার বোন সব কিছু শেয়ার করতাম।অনেক আধুনিক ছিল কিনতু উনি।আমি কলেজ আর টিউশনি ছেড়ে যখন বাসায় আসতাম তখন উনি খাবেন বলতেন।কোন কিছু আমাকে ছাড়া করতেন না। জা হবে শামমী জা বলবে তা।আমার জন্য উনি সব সময় দোয়া করতেন জেন আমার খুব ভাল জায়গায় বিয়ে হয়,আমি জেন ভাল থাকি।আললাহ উনার দোয়া কবুল করেছে হয়তো।আমিও উনি যা যা পছনদ করতেন তাই করতাম।জখন আমার ছেলে হয় ৩০ মাথায় আমার দাদু আমাকে ছেড়ে চলে যায়।আমার ছেলেকে দেখতে ছেয়েছিল কিনতু আমি দেখাতে পারিনি কারন শশুর বাড়ির কতগুলা নিয়ম কাননের জন্য।যাক অনেক কিছু লিখে ফেললাম মাফ করবেন সবাই।।।আমার দাদুর জন্য দোয়া করবেন।দাদাদাদুর আদর অনেক রহমতের জিনিস জারা পায় তারা অনেক ভাগ্যবান আমার মতে।।

Saturday, April 9, 2016

মিজানুর রহমান ( মিজান)


আমাদের ব্যাচ এর ছিলো।ওরা থাকতো এফ/২ নং বিল্ডিং এ।পরে আমাদের পাশের বাসায় আসলো।এফ/১ এ।তার বাবার নাম হচ্ছে আব্দুল আলম। সিকিউরিটি সেকশন এ ছিলো।রাউজান হচ্ছে তাদের বাড়ী। কলোনী থেকে বের হওয়ার পর তারা নারিকেল তলায় ভাড়া বাসায় অনেক দিন ছিলো।মিজানের বড় ভাই Md Hannan আর তার ছোট ভাই হচ্ছে Cricketer Minhaj মিজান কলোনীতে খুব ঘুরে বেড়াতো।হাসি খুশির মাঝেই সবাইকে মাতিয়ে রাখতো।কলোনী থেকে বের হওয়ার পরে মিজান দুবাই গিয়েছিলো।ঐ খানে ভালোই ছিলো।মাঝে মাঝে ফোন করতো।রাউজানে বাড়ি করার পর তারা সবাই ঐখানেই চলে আসলো।গত বছর দেশে এসে বিয়ে করেছে।বন্ধুদের বিয়ের দাওয়াত ও দিয়েছে।যাওয়া হয়নি।ফোনে কথা হয়েছিলো।আমাদের পাশের বাসায় ছিলো বিধায় আমাদের সাথে ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ ছিলো এখনো আছে।ওর বিয়ের ঠিক ১৯ কি ২০ দিনের দিন বন্ধুর মৃত্তুর খবর পেলাম।গত বছর কোরবান ঈদের ঠিক আগের দিন রাতে মারা গেছে মিজান।ঐ দিন রাতে নাকি পুকুরে ওযু বানাতে গিয়ে পুকুরে পরে গিয়েছিলো। আর উঠতে পারেনি।রাতে খুযার পরে পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখেছে।দেশে আসছিলো ছুটিতে আর যাওয়া হলোনা দুবাই।

আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়


আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়। দিনটা খুব দারুন পার হল। আম্মা থাকলে আরো ভাল লাগতো। বাসায় মাঝে মাঝেই চাচিদের আড্ডা বসতো। কাশেম চাচি আর আম্মা প্রথম লুডু খেলার সুচনা করেছিলেন। সে কি নেশা দুজনের! আমার দায়িত্ব ছিল উনাদের চা আর পান সাপ্লাই দেয়া।তখন সি টাইপে থাকতাম। আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পড়লো বি টাইপেও। সবার বাসায়ই লুডুর বোর্ড কেনা হয়েছিল। যে যখন যে বাসায় যেতেন সেখানেই এক রাউন্ড হত। বি টাইপে আমরা আর চাচিরা যাবার পর খানসুর চাচি,সিদ্দিক চাচিও যোগ দিলেন। সেকি খেলা! পরে দেখা গেলো চার গুটিতে হচ্ছেনা।একেকজন আট গুটি নিয়ে বসতেন।ওদিকে লুডুর বোর্ড ছিল শুভদের বাসায়। যে বাসায় যেতেন চায়ের আগে এক রাউন্ড খেলা পরে চা আর পান চলতো। আহা,কি দিন। এখন খালি একসাথে হলে এইসব গল্পই চলে। আজ চাচিকে দেখে ওসব মনে পড়ছিল।

আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ


আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ, বহু আকাম কুকামের সাথী,ঔষধ বানিজ্যের আমার প্রধান পার্টনার, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কাছ থেকে বহুবিধ জ্ঞান অর্জন করছি। শালা ছিল প্রচুর বিদ্যানুরাগী, তবে পাঠ্য বইয়ের প্রতি তার কোন আকর্ষণ ছিলোনা, অপাঠ্য বইয়ের প্রতি ছিল তার প্রবল আকর্ষণ। এই শালার সংগে মিলে ইপিজেড এর এক বই এর দোকান থেকে বই ভাড়া আনতাম, নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি উনার প্রচন্ড দুর্বলতা ছিল। সাংগঠনিক কাজে উনার ক্ষিপ্রতা ছিল ইর্ষনীয়। উনি যে কাজ ধরতেন "টিপো সুইচ জ্বালাও বাত্তি" স্টাইলে দ্রুত গতিতে সে কাজ সম্পন্ন করতেন। আমার রোমান্সের সহায়তায় উনি কিছু দুর্দান্ত সাহসী কাজ করেছেন। বন্ধু মহলে উনি সবার আগে ইনকাম করা শুরু করেন, উনার শিনার মত উনার আত্মা টাও বড়, ঢাকা শহরে উনি উনার ব্যবসা শুরু করেন, তখন ঢাকা শহরে আমরা কপর্দক শূন্য অবস্থায় এলেও জনাব মনিরুল আমাদের বটবৃক্ষের ন্যায় আশ্রয় দিতেন এনং চিটাগাং যাওয়ার ভাড়াও দিয়ে দিতেন। উনি বন্ধুমহলে সবার আগে শহিদ হোন মানে বিয়ে করেন, দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় খুঁটিনাটি জ্ঞান উনি আমাদের সবিস্তারে বিতরন করেন।

মুখের ভিতর স্প্রে মেরে গন্ধ দূর করার দুর্লভ জ্ঞান উনিই আবিষ্কার করেন। আমার চাকুরী জীবনের প্রথম দিকের নিরামিষ দিনগুলোতে উনি আমাকে সংগ ও সাহস দিয়েছেন।

পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে


পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে। এমনকি ভিন্ন মতের মানুষকেও কাছে টানতে পারে। সদা হাস্য মুখ, পরোপকারে ক্লান্তিহীন, সজ্জন, সদালাপি এমন মানুষের সংখ্যা আমাদের সমাজে দিন দিন কমে আসছে। উপরোক্ত গুনাবলীর অধিকারী-বন্ধু দুইটির একজনের নাম ‘‘হাফিজ” অন্য জন ‘‘সওগাত”।

স্কুল জীবনে দেখেছি হাফিজ কে অত্যন্ত মেধাবী ও তীক্ষ্ম বুদ্ধি মত্তার অধিকারী যদিও স্কুলের গতানুগতিক পরীক্ষায় সেই অনুপাতে কৃতিত্ব দেখাতে পারেনি। আর এই জন্য তাকে কখনো ব্যকুল ও দেখিনী। বরংচ জীবনকে সব সময় স্বভাবিক, সামাজিকতায় আচ্ছন্ন, রসময় ও উচ্ছৃল করে নেওয়ার প্রবনতা হাফিজকে এক অপূর্ব ব্যক্তিত্বে রূপদান করে। হাফিজের মুখস্ত বিদ্যার ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। কোন কিছু না বুঝেও সে অনার্গল মুখস্ত করে ফেলত-অনেকটা লোহা খেয়ে লোহা হজমের মত। অসম্ভব পরিশ্রমি ছিল সে। ভাল ফুট বল খেলত। তার হাতের লেখা ছিল অসাধারন। যে কোন সংগঠনিক কাজেও খুব গুছিয়ে করতে পারত। খুব স্টাইলীস্ট ছিল। আধুনিক যে কোন স্টাইলকে সে ফল করতে ভালবাসত। স্কুল জীবনের অনেক টা সময় দুজন এক সঙ্গে কাটিয়েছি-আজ স্মৃতি চারনার এই মুহুর্তে তার আগামী অগ্র যাত্রা, সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত


চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন, প্রতি তিন মাস পরপর বি+ রক্ত দেয়া লাগে। িএপ্রিল ২৯ এর রক্ত দান প্রোগ্রামের কারনে রোগীর স্বজন রা কলোনীতে যোগাযোগ করে। সে প্রেক্ষিতে ৯৭ এর ডিসেম্বরে আমার বন্ধু রানা সহ তিনজন রক্ত দিতে ঢাকা যায়। আবার মার্চে দেয়া লাগবে,রোগীর আত্মীয় স্বজন ব্যাপক সমাদর করে রক্ত দাতা দের। এবারের যাবো আমি ,দীপক দা আর মিজান ভাই। ৯৮ এর মার্চের ৮ বা ৯ তারিখে ঢাকায় রওনা দিবো সৌদিয়া এসি বাসে, টিকেট কাটা হয়ে গেছে এক দিন আগে আমার জ্বর শুরু। এ অবস্থায় আমার রক্ত দিতে ঢাকায় যাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। আমার বদলে নেওয়া হলো কলোনীর বাইরের সম্ভবত দক্ষিন পতেংগার কাশেম নামে এক ব্যাক্তিকে,গার্জিযান হিসেবে গেলেন কবির ভাই (লম্বা কবির ভাই)।

সেদিনই বিকেলে জ্বর একটু কম, বাজারের সালাউদ্দিন ভাইদের দোকানে আড্ডা দিচ্ছি, একটি ফোন এলো, সাথে সেই ভয়াবহ সংবাদ, দীপক দা ,মিজান ভাই আর কাশেম নামের ওই ব্যাক্তি যে কিনা আমার বদলে গিয়েছিলো তিনজনই ফেনীতে বাস একসিডেন্টে আর নেই, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস প্রথম এই খবর টা পেলাম আমি, আর এ যাত্রায় কাশেমের পরিবর্তে আমার যাওয়ার কথা ছিলো, খবর টি শুনে আমার পিঠ দিয়ে মনে হলো চিকন একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। কোন মতে জেকসের শাহনুর ভাইকে খবর টি দিয়ে উদভ্রান্তের মত বাসায় গিয়ে শুয়ে ছিলাম। পুরা কলোনী তে খবর রটে যায় মূহূর্তেই। কলোনী থমথমে হয়ে যায়। রাতে দীপক দার লাশ আসে, পুরা কলোনী কান্নায় ভেংগে পড়ে, দীপক দাকে দাহ করার সময় কবির ভাইয়ের কান্ন্া মনে পড়লে এখনো চোখে পানি এস পড়ে। ওই চারজনের মধ্যে উনিই বেঁচে ছিলেন।

আশোক - The lord of the jungle (Buijjar Bagan)


তখন অনেক ছোট, বোধয় 4/5 এ পড়ি। শয়নে, স্বপনে টারজান ছিল আমাদের স্বপ্নের পুরুষ। মনে প্রানে টারজান কে আমরা মানতাম হিরো হিসেবে। সেই টারজানের কিছু ফ্লেভার পাইতাম আমারা আশোকের ভেতর। নারকেল গাছের ডাল দিয়ে দোল খাওয়া, দোতলার কার্নিশ থেকে প্রিকুলিয়ার আওয়াজ করে জাম্প দেয়া, তীর ধনুকের ব্যাবহার, সর্বোপরি ৬নাম্বার বিল্ডিং এর আযমের লগে ফাইটিং, সব মিলায় আশোক ছিল আমাদের সেই টারজান এর মূর্তিমান প্রতীক।

তবে চরম বদ হিসেবে ওর ছিল কলোনিতে খুব সুনাম। কারও কিছু হারানো গেলে বা নষ্ট হলে সন্দেহের তীরটা প্রতমেই যেত ওর দিকে। ওর চুরির অপারেশনে নিজ মুরগির খামার বা নারকেল গাছও বাদ যেত না।

একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"


একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"। এর কোন শাখা,প্রশাখা,বিশাখা নেই। এটি অন্য কোন প্রতিষ্ঠান তৈরির বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র নয়। সম্পূর্ন স্বতন্ত্র এবং একক একটি পেজ বা গ্রুপ। নামে নামে মিলে গেলেও কোন বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। এখানে কোন স্বজন প্রীতি বা স্বজন ভীতি নেই। এ পেজের সকল সদস্যই আমাদের স্বজন।
যারা এ পেজের মেম্বার নন তারা এ পেজ সম্পর্কে দয়া করে কোন জ্ঞান দিবেন না। এ পেজের সদস্যদের মতামতই গুরুত্বপুর্ন ও যথেষ্ট। আমাদের সমস্যা আমরাই সমাধান করতে পারি।
এটা শুধু নির্মল, নির্দোষ বিনোদন, সুখ দু:খ, আনন্দ বেদনা একে অপরেরর সাথে শেয়ার করা জায়গা। পাশাপাশি মানবিকতার গান গেয়ে চলি সবসময়।

গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮


গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮, সিএসএম কলোনি, ভেন্যু: কক্সবাজার।
-----------------------------------------------------------------------------------
এবারের এই আসরে সিএসএম ফার্স্ট জেনারেশন আসেনি, এত দূর জার্নি,, উনাদের এখন বয়স হয়ে গেছে, তাই এতো ধকল নিলেন না। আবার ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে অনেকের ছুটি ছাটা ইত্যাদি ঝামেলায় আসতে পারে নাই, তবে বিশাল অংশই আছে।
যারা ফ্যামিলি নিয়ে আসছে এবং মেয়েরা হোটেল সায়মানে উঠেছে, যারা ব্যাচেলর বা ফ্যামিলি ছাড়া এসেছে তারা উঠেছে ওশেন প্যারাডাইস হোটেলে। এই নন ফ্যামিলি দলে আছে আতিক,রেজা ভাই, নাজমুল ভাই,নিরু ভাই আরো কলোনির কিছু জুনিয়রর ভাইয়েরা। আর হোটেল সায়মানে জিয়া ভাই,শাহিন ভাই,বন্যাপা সহ কলোনির আরো জুনিয়র সিনিয়র ছেলে মেয়েরা।
কিন্ত মজা হচ্ছে বেশি ওশেন প্যারাডাইজে, যেখানে সব ফ্যামিলি ছাড়া পোলাপান, নিরু ভাই গানের তালে তালে ব্রেক ড্যান্স দিচ্ছে। এখন আতিক নাচবে।
ওহ! ওহ! খাটের পাশের ওয়ালে পায়ে বাড়ি খাইছিরে। ধুর এতো সুন্দর স্বপ্ন আর ঘুম টা ভেংগে গেলো।

যেজন আছেন মাঝখানে


মধ্যবিত্ত শব্দ টা ছোটবেলা থেকে এত বেশি শুনতাম কিন্তু ভাবার্থ বুঝতাম না।এখনো যে খুব বুঝি তা না।তবে তাদের কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য খেয়াল করি,যেমন- তাদের জীবন হয় আটপৌরে, বৈচিত্র্য থাকে কম। মাঝে মাঝে এটা সেটা করে তারা জীবনে আনন্দ খোজার চেষ্টা করে। এরা পারেনা গরীব দের মত সরাসরি নিজের অবস্থা সবার সামনে তুলে ধরতে,আবার ধনীদের মত যা খুশি করতে। আপোষ করে চলতে হয়। ছেলেগুলোর থাকে দ্রুত নিজের পায়ের দাঁড়ানোর চেষ্টা আর মেয়েগুলো র থাকে বিয়ের পিড়িতে বসার চাপ।মেয়েগুলো কে লিখাপড়া শেখানো হয় ভাল পাত্রস্থ করার জন্য কিন্তু বলা হয় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য পড়াশোনা করছে।এরা বড় বড় স্বপ্ন দেখতে জানে, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারে খুব কম কিংবা বাস্তবায়ন এর জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়। হাসিমুখে নিজের কষ্ট টাকে চাপা দিতে হয়।এযেন নিজের সাথে নিজের লুকোচুরি খেলা।প্রতিদিন অনেক অচেনা মানুষের সাথে আন্তরিকতার অভিনয় করতে হয়, আবার আপন মানুষকে চিনেও না চেনার, দেখেও না দেখার ভান করতে হয়।

আসলে মধ্যবিত্ত দের দৈনন্দিন জীবনে থাকে এক ধরনের ভন্ডামির প্র‍্যাকটিস।

এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?


টানটান উত্তেজনাকর মুহুর্ত। শিরা উপশিরা সব উত্তেজিত একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি টেলিভিশনের দিকে। মাইটি ইগল এর ফাইটিং চলছে। হ্যা রেসলিং দেখছিলাম টেলিভিশনে। অনেক আগের কথা বলছি। কোন ক্লাসে পড়ি মনে নাই তবে বেশ ছোট ছিলাম। মিল মাস্কারাস, মাইটি ইগলরা তখন ফেমাস রেসলার। রেসলিং দেখার সেই উত্তেজনাকর মূহুর্তে আব্বার এক কলিগ এসেছিলেন আব্বার সাথে দেখা করতে। আব্বার কলিগ আব্বার জন্য অপেক্ষা করছিলেন আর রেসলিং দেখছিলেন। কিছুক্ষণ পর আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি"। এই কথা শুনে আমার মনে হয়েছিলো কাগুর সাথে আমি নিজেই রেসলিং খেলে দেখিয়ে দেই এগিন অভিনয় ন। প্রচণ্ড রাগ আর ক্ষোভ হজম করে চুপচাপ ছিলাম কোনো উত্তর দিতে পারিনি। এর অনেক বছর পর জানতে পেরেছি রেসলিং আসলেই অভিনয়।নিজের প্রতি বিরক্ত জন্ম নিলো আর নোয়াখালী অধিবাসী ওই কাগুর প্রতি শ্রদ্ধা জন্মালো। সত্যি ভেবে দিনের পর দিন চরম উত্তেজনা নিয়ে যে রেসলিং দেখেছি আমার সেই কাগু একদিন দেখিই সন্দেহ করেছিলো রেসলিং টা অভিনয়। সমাজের অনেক অসংগতি দেখে কাগুর সেই প্রশ্নটা আজো আমার মনে বাজে... "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?"

:::তু চিজ বা‌ড়ি হে মাস্ত মাস্ত:::


অামা‌দের ক‌লোনীর কিছু "‌চিজ" পাব‌লিক‌কে এই পেই‌জে খুব মিস কর‌ছি। তারা থাক‌লে পেইজটা অারও জমজমাট হ‌তো ।
১) মোকাদ্দাস কা সিকান্দার ("হা‌ন্ড্রেড টেন" ছিল তার জন‌প্রিয় অ‌নেক ডায়ল‌গের এক‌টি)
২)শীতল ভাই (জ‌সিম ভাই‌দের ব্যাচ, উনার কোন এক বন্ধু fun ক‌রে উনার লু‌ঙ্গি খু‌লে দি‌য়ে‌ছিল এবং পরক্ষ‌ণে অাবার বাধ্য হ‌য়েই সেই বন্ধু লু‌ঙ্গিটা শীতল ভাই‌কে প‌রি‌য়ে দি‌য়ে‌ছিল। grin emoticon ) 
৩) অালমগীর বিরানী ( সর্ম্প‌কে কিন্তু অামার চাচা হয়)
এমন অারও অ‌নেক পিকু‌লিয়ার পাব‌লিকের বসবাস অামা‌দের ক‌লোনী‌তে ছিল যা‌দের নাম অামার ম‌নে অাস‌ছে না।
দয়া ক‌রে অাপনারা এই টাই‌পের কিছু লো‌কের নাম পোস্ট ক‌রে সবাই‌কে ম‌নে ক‌রি‌য়ে দিন।

Friday, April 8, 2016

আতিক ভাইয়ের পোস্ট আর অনেক গুলা বাংলা গান comments পড়ে পুরনো কিছু সৃতি মনে পড়ে গেল


আতিক ভাইয়ের পোস্ট আর অনেক গুলা বাংলা গান comments পড়ে পুরনো কিছু সৃতি মনে পড়ে গেল।

স্পার্ক এর বেজ গিটারিস্ট শাহজাহান ভাইয়ের সাথে মেডিকেলে এক শো তে দেখা, উনারা গেছেন বেবি নাজনিনের সাথে বাজাতে আর আমি মেডিকেলের বন্ধুদের সাথে লোকাল প্রোগ্রামের পারফর্মার হিসেবে। তখন সবেমাত্র 1st year এ পরি। প্রগ্রামের পর পরই উনি প্রস্তাব দিলেন উনাদের টিমে বাজানোর, ওনাদের তখনকার প্লেয়ার উন্নত ধান্দার খোঁজে ঢাকা প্রবাসী। আমিতো বেহুঁশ, সব বাঘা বাঘা মিউজিসিয়ান, বাবার বয়সী লোক, একটু নারভাস, যা হোক, শুরু করে দিলাম মিউজিক লাইফ, প্রথম শো engineer’s institution. শিল্পী তপন চৌধুরী-শাকিলা জাফর। তারপরদিন পেপারে ছবি, আমিতো পুরা হিরো। এভাবে চলছে বেশ কয়েক মাস, তখন “আতিক হাসান” নামে একটা শিল্পী উঠেছিল মাধবী নামের এক গান দিয়ে পুরা হিট, ফটিকছড়ির সোনা রফিকের বাড়িতে এক বিশাল গায়ে হলুদের শো তে গেলাম। বিলের মধ্যখানে বিশাল স্টেজ আর বিলের অপর পাশে ছিল খাওয়ার বিশাল আয়োজন, মাগরিবের পর থেকেই খাওয়া শুরু আর নন স্টপ চলবে পরদিন ভোর পর্যন্ত, ১০টা গরু অলরেডি জবাই করা হয়েছে অ্যান্ড আরও ৩/৪ টা স্ট্যান্ডবাই ছিল। আমার লাইফে এমন গায়ে হলুদের আয়োজন আগে কখনও দেখিনি। 

এক গ্লাস রঙ চা সাথে বরফ মেশানো


এক গ্লাস রঙ চা সাথে বরফ মেশানো, হুমম, দারুন ফিলিংস। বারান্দায় বসে বসে খাওয়া আর আকাশ দেখা। দারুন শান্তি! ইমোশনাল পানি লাগেনা। ভাবনার জগতে চলে যাওয়া যায়! গুন গুন করে গানও গাচ্ছি! আরে ভাই, আমি গাই আমার আত্নার শান্তির জন্য! আসলেই দুনিয়াটা অনেক সুন্দর করে বানিয়েছে, আল্লাহ পাক। সারাফের মা বুঝলো না। ছি! রঙ চা কেউ বরফ দিয়ে খায়!? তোমার এই আদিখ্যেতা দেখলে! ভ্যার/ভ্যারা গলায় গান গেও নাতো, অসহ্য! খালা ডাকছে, ভিতরে আসো। আমি আজ কোথাও যাবোনা। ডাকুক খালা।
আকাশের ঐ মিটি মিটি তারার সাথে
কইবো কথা, নাইবা তুমি এলে।
রে---জা--, আসি খালা! না এই গরিবের কপালে সামান্য বিলাসিতা বলতে কিছুই নাই! এর চেয়ে আতিক্কাই ভালো! কি সুন্দর, পারটেক্স হাশেমের কান্দে চইরা, কক্সবাজার-----!!

Ali Abbas Mohammad Khorshed


খোরশেদ হল আমাদের হুজুর স্যারের(ফারুকি স্যার) "আব্বাইচ্চা মার ফোয়া"। আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন। একবার কোথায় যেন নাম লিখার কথা , আমি ওর নামের বানান ঠিক লিখেছিলাম, এর পর থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব বাড়তে লাগলো। আমার হাতের লেখা বরাবরই খারাপ, খোরশেদ আমাকে টিপস দিত কিভাবে হাতের লেখা খারাপ না করে দ্রুত লিখা যায়। আর খোরশেদের প্ররচনাতে ছেলেরা (Mamun Baul, Herin Moynuddin, Abdullah Al Mamun Rana) কিভাবে বিউটি আপার ক্লাস ভণ্ডুল করেছিল তা আগেই বলেছি।
আমি আর খোরশেদ এক সাথে হক স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। তখন ও সকাল বেলা একটা গান মুখস্থ করতো আর সারাদিন ঐ গান গুন গুন করে গাইত। ভাগ্যিস জোরে জোরে গাইত না, তাহলে শ্রোতার বারোটা বেজে যেতো। পর দিন আবার নতুন আরেক গান। মোরশেদ ভাই, রাশেদ ভাই তখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন, উনাদের গানের সংগ্রহ ভালই ছিল।

রাত ১ টা, ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল


রাত ১ টা, ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল। সেই ভয়াল কালো রাত। এক জরিপে দেখা যায় যে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, আর প্রায় ১ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে আশ্রয়হীন হয়েছিলেন। প্রানহানীর দিক দিয়ে ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে বড় দূর্যোগ হিসেবে বিবেচিত ছিল এই ভয়াবহতা। এর পর ২০০৭ সালের সিডর ভয়াবহতার দিক দিয়ে আরো বেশি থাকলে্ও প্রানহানী ছিল তুলনামূলক বেশ কম। ঐদিন আমাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণ যে কিভাবে বেচেঁ ছিল সেই কথা মনে পড়লে মনের অজান্তে অশ্রুসিক্ত হই। আমার এক ছোট ভাই সম্ভবত লিটন ( নামটা ভূল হলে ক্ষমাপ্রার্থী , সংশোধন করে নিব ) সেই ভয়াল কালো রাতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে পোষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেছেন। আমিও আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো আসছে ২৯শে এপ্রিল ,২৯শে এপ্রিলের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পোষ্ট করুন, প্লিজ।

ইস্পাত একাদশের অনেক খেলা দেখেছি আমি স্টেডিয়ামে


ইস্পাত একাদশের অনেক খেলা দেখেছি আমি স্টেডিয়ামে।স্কুলের টিফিন ফাকি দিয়ে স্টীলমিলের বাস করে খেলা দেখতে যেতাম।একবার চট্টগ্রাম আবহনীর সাথে স্টীলমিলের খেলা দেখতে গিয়াছিলাম।আবহনী ১-০ গোলে হেরেছিল।খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবহনীর সমর্থকরা শুরু করে দিল ইট পাটকেল নিক্ষেপ। পুলিশ লাটিচার্জ শুরু করল।সেদিন আমিও পুলিশে লাঠির বারি খেয়েছিলাম ।আশিশ ভদ্র ইস্পাত এর খেলোয়াড়দের গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দিয়েছিল।

৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ধুম লাগে


৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ধুম লাগে। স্টার স্পোর্টস ও ইএসপিএন চ্যানেলে এই সব টুর্নামেন্ট এর ম্যাচ গুলা সরাসরি সম্প্রচার করত। আমাদের বাসায় ডিশ কানেকশন ছিলোনা, তাই খেলা দেখার জন্য ছুটে যেতাম সুমন ভাই, লুনা আপা, মুনা দের বাসায় ( উনাদের বাবা রফিকুল মাওলা চাচা, D 1 E) আমাদের জন্য এ বাসার দরজা সবসময় খোলা ছিল,আমি ও আমার আব্বা ছিলাম নিয়মিত দর্শক, চাচা চাচী বা উনাদের ছেলে মেয়েরা কখনো বিরক্ত হতেন না, বরং কোন দিন খেলা দেখতে যেতে দেরী করলে ফোন করে খোজ নিতেন কেন দেরী করছি। নিজের ঘরের মত আন্তরিক পরিবেশে খেলা দেখতাম সেখানে। আমরা ছাড়াও কলোনির অনেকেই মুনা দের বাসায় খেলা দেখতাম। এখন আমার তেমন একটা খেলা দেখা হয়না, যাও দেখি তাতেও সুমন ভাইদের বাসায় খেলা দেখার সেই মজা পাইনা।

তারা আমাদের পরিবারের সুখ দু:খের পরম সাথী। আমাদের পরিবারের সাথে রয়েছে তাঁদের নিবিড় যোগাযোগ।
সময়ের আবর্তে পেশাগত ব্যস্ততায় উনাদের সাথে আমার ব্যাক্তিগত যোগাযোগ হয়তো কমে গিয়েছে, কিন্তু উনারা হয়তো জানেননা আমার অন্তরে উনারা আছেন পরম শ্রদ্ধা আর স্নেহে।

Farhana Muna
Rakiba Khanum Luna

আমি ছোট একটা সরকারি কলোনিতে থাকি


আমি ছোট একটা সরকারি কলোনিতে থাকি।সেটা কোন ভাবেই আমাদের কলোনির মত নয়।সেখানে আমি যখনি বাইরে যাই আমার পিছন পিছন কলোনির আন্ডা বাচ্চাদের গ্রুপটা থাকে।সেটা পুকুরের ঘাটলায় বসি আর রাস্তায় হাটি।তাদের যত অভিযোগ,ছোটখাট আবদার আমার পূরণ করতে হয়।আমি বিরক্ত নই কিন্তু আমার ভাবিরা বিরক্ত। তারা সবসময় বলে আপনি পারেনও।আমি হাসিমুখে বলি হ্যা আমি পারি কারন আমি সি,এস,এম কলোনির মেয়ে।যেখানে আমি শুধু বাবা,মা বা শুধু নিজের ভাই বোনের আদর পেয়ে বড় হয়নি।অনেক চাচা চাচি এবং ভাই বোনদের আদরে বড় হয়েছি।নিজের ছোট ভাই বোনেরও অভাববোধ করিনি।চাচা চাচিদের কাছ থেকে শিখেছি কি করে অন্যের সন্তান কেও এত আপন করে নিজের সন্তানেরর মতই ভালবাসা যায়।আমি জানি এটা শুধু আমার কথা নয়।আমাদের কলোনির সব ভাই বোনদের কথা।আমাদের সব ভাই বোনদের হয়ে আমি কলোনির সব চাচা চাচিদের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি।আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।আমি দুজন চাচির কথা না বলে পারছিনা।সিরাজ চাচা চাচি। চাচা আমায় স্কুলে দিয়ে আসতেন আর চাচির কাছেই আমার লিখতে শেখা।আর আমিনউল্লাহ চাচা চাচি।ওনারা আমায় মেয়ে কম বন্ধু মানেন বেশি।এখনো রান্না বা অন্যকিছুতে সমস্যায় পরলে প্রথম ফোন চাচিকেই করি।আপনারা এভাবেই আমাদের সবসময় ভালোবাসবেন।

যতটুকু মনে পড়ে পড়তাম ক্লাস ৫/৬ এ


যতটুকু মনে পড়ে পড়তাম ক্লাস ৫/৬ এ। ওই সময় দেখতাম কলোনিতে আচমকা কিছু পাগল বড় ভাইদের আবির্ভাব। তাদের চলাফেরা কেমন আজব লাগতো। তবে এর পেছনে যে জিনিসটির ভুমিকা প্রধান তা হল ব্যান্ড সংগীত এর প্রভাব। ওই সময় ব্যান্ড গান এমন জনপ্রিয় ছিল যা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেখি ভাই বোন রা বলতে পরবেন (১)আপনি কোন ব্যান্ড গান পছন্দ করতেন? (২) আপনাদের কোন বন্ধুটি ব্যান্ড এর প্রভাবে আসক্ত হয়ে কেমন আচরণ করতেন?।(৩) নিজের কথা বলতে পারার সাহস আছে কিনা দেখি কোন ভাই ও বোনদের ? (৪) কেমন পেরা হত কলোনির মুরুব্বিদের?। (৫) এখন কেমন যাচ্ছে দিন? পাগলামি কি এখন আছে,তা হলেতো বো/ স্বামী পাশে থাকার কথা না।

শুভ সকাল সব্বাইকে এবং পবিত্র দিনে সকলকে জুম্মা মোবারক


শুভ সকাল সব্বাইকে এবং পবিত্র দিনে সকলকে জুম্মা মোবারক।।শুক্রবার টা আমার কাছে দারুণ একটা দিন মনে হয়।।চারিদিকে একটা পবিত্র পবিত্র ভাব থাকে।।দিনটাতে সকলে সব কিছু ধোয়ে মুছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি নিজেকেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নের মাধ্যমে পবিত্র করে তোলে।।কলোনি থাকাকালীন বাবা সপ্তাহের ছ'টা দিন যেভাবেই যাক না কেন এই একটা দিনে বাবা খূব সিরিয়াস থাকতেন।।ভাল-মন্দ খাবারের ব্যবস্থা করতেন।।গরিবের হজ্বের দিন বলে বাবা একজন গরীব কে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াতেন।।যেটা বাবা আজও করেন।।যেটা এখন আমিও করি।।কারন বাবার কাছ থেকেই শেখা।।

আশা রাখি আমার মতো আপনারাও এই দিনটি পবিত্রতার সহিত পালন করেন বা করবেন বা করছেন।।

এই পেজ টাকে যদি একটা দেশ হিসাবে কল্পনা করি


এই পেজ টাকে যদি একটা দেশ হিসাবে কল্পনা করি তাহলে সে দেশে নিশ্চয়ই একটা সরকার থাকা উচিৎ। একটা মন্ত্রী সভা অ থাকবে। তাই আমাদের সবার উচিৎ প্রধান মন্ত্রী, মন্ত্রী সিলেক্ট করা। 

আমি একটু এগিয়ে দিচ্ছি যেমন খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে আমার মানিক ভাই কে পছন্দ। কারন উনি প্রায় সময় ফল, মাছ এইগুলো দিয়ে শুভ সকাল বা শুভ বিকেল জানান। আর সাস্থ্য মন্ত্রী হিসেবে এই পেজ এ একটিভ কোন ডাক্তার কে রাখা যায়। যে কিনা কেও যদি স্ট্যাটাস দেয় দাত ব্যাথা সাথে সাথে একটা ওষধের নাম দিয়ে দিবেন। Reajul Islam Shahin Khurshed Alam Manik Anisur Rahman Reza

Arif Samad Rubel


আমি, রুবেল, Mohammed Wakilul Islam, Owajuddin Chowdhury, Sumit Dutta, মুরাদ নিখিল স্যারের কাছে পড়তাম। স্যার মাঝে মাঝে অবজেক্টিভ পরীক্ষা নিতেন। বেশি ভুল হলে বেত চলত। আমি আর তানিম একজন আরেক জনকে ইশারাতে সাহায্য করতাম কিন্তু রুবেলের পদ্ধতি ছিল ইউনিক। কারো সাহায্য ছাড়াই সে চাইলে ১০০% সঠিক উত্তর দিতে পারতো। স্যারের যাতে সন্দেহ না হয় তাই ইচ্ছে করেই কিছু কিছু ভুল করতো। আমি এটা সবসময় মানি যে, রুবেলের আইকিউ অনেক বেশি। ঝামেলার মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ওর অসাধারণ।
সবাই নিশ্চই জানেন, আমাদের স্কুলে টিফিন ছুটি ছিল এক ঘণ্টা। স্কুলে টিফিন ছুটির সময় আমরা বাসায় গিয়ে ভাত খেয়ে আবার স্কুলে চলে আসতাম। যত আগে আসা যায় তত বেশি বাঁদরামি করা যাবে, এই ছিল আমাদের লক্ষ। রুবেল ছিল এর উলটা, ওদের বাসা ছিল বিএইচ ওয়ানে তিন তলায়। রুবেল বাসায় গিয়ে ভাত খেয়ে দিত এক ঘুম। টিফিন ছুটি শেষে ঘণ্টা পড়লে আন্টি রুবেলকে ঘুম থেকে তুলে দিত। আর ও ঢুলতে ঢুলতে ক্লাসে চলে আসতো। ঘুমের ব্যাপারে রুবেল ছিল খুবই সমঝদার।

A page join korechi onek age


A page join korechi onek age ,but kokhono kichu lekha hoinai.ami'99' a Chittagong thake chole asechi.air 17 bochor a Chittagong galeo colony the jaoya hoini.tai hoyto temon kaoke mone o rakhte parini.se jonno khoma chacchi.aj dekhlam sujon sei voyaboho '29th April' r picture diache.sei rat r kotha none pore galo.ami tokhon class-3 pori.sei ghor dekhe amar mone je voy hoachilo, ajo o ami jhor dekhle,bojjropat dekhle voy pai.mone hoy,Rima apu der basar janala dea bazarer rastay vase jaoya laser kotha.sober ato kosto tokhon dekhechi ja like shes kora jabena.por din sokale baranday jeya dekhi bazarer sob sobji, mach baser same sea vase jate.jara niche thakto tader je ki kosto, tokhon beshi na bujhlao akhon mone hoy r kokhono jeno amon jhor na hoy. OK, sobai valo thakben.

চারিদিকে যেভাবে রেড এলার্ট জারি হয়েছে তাতে মনে হয় আর আত্মগোপন করে থাকতে পারবো না


চারিদিকে যেভাবে রেড এলার্ট জারি হয়েছে তাতে মনে হয় আর আত্মগোপন করে থাকতে পারবো না। প্রথমে Nazmul Huda ভাই খুলশি থানায় জিডি করলো। তারপরে Ishrat Jahan Shaila মিরপুর পল্লবি থানায় মামলা করে। পরে Chand Sultana বন্যা পরপর দুইদিন পত্রিকায় নিখোঁজ সংবাদের বিজ্ঞাপন দিলো। সবশেষে Towsif Noor Kabbo ধরিয়ে দেওয়ার জন্য রীতিমত পুরষ্কার ঘোষনা করেছে। আর Umama Iqbal তো আমারে বাদ দিয়ে গৃহমন্ত্রীরে ম্যানেজ করে ফেলছে। মোটামুটি ভাবে আমার আত্মগোপনের পরিধি দিনদিন ছোট হয়ে আসছে। তাই নিজেই আত্মসমর্পন করলাম। আর একটা কথা আমি আত্মগোপন থাকলেও আমি চুপিচুপি সব কিছু দেখতাম। একটু পর পর পেইজে ডু মারতাম। আর মজার কমেন্টস, পোষ্ট দেখলে আপন মনে হাসতাম। আপনাদের সবাইকে জানাতে চাই এই পেইজে আছি, থাকবো। তাই সাবিনা ইয়াসমিনের গানের সুরে বলতে চাই,
"আমি আছি থাকবো,
ভালবেসে মরবো।
দোহাই লাগে তোমার
আমারে ছাইড়া যাইওনা।"

পরীক্ষা নামক জিনিসটা বড়ই বিরক্তিকর


পরীক্ষা নামক জিনিসটা বড়ই বিরক্তিকর। জীবনে কোনোদিন ইচ্ছা নিয়ে পড়াশুনা করিনি। খুব বেশী ডিমান্ডিং মানুষ না আমি।অল্প কিছু কাছের মানুষ, আল্লাহ্‌কে ডাকার মত সুস্থ জীবন,কিছু গল্পের বই, লেখালেখি করার জন্য কাগজ-কলম আর ছোটখাটো একটা চাকরি হলেই আমার চলবে।লাখপতি হওয়ার ইচ্ছা আমার ছিলনা।সাড়ে তিন হাতের ঘরে এসব কিছুই নিয়ে যাবনা।তাই পড়াশুনাও সিরিয়াসলি করিনা।যদিও ভার্সিটি পরীক্ষায় কোনোদিন দ্বিতীয় হইনি।প্রতিবার পরীক্ষা আসার আগে মাথার মাঝ বরাবর ব্যাথা হয়।রাগ উঠে খালি।মেজাজ আকাশে থাকে। আরে ভাই,আমি যা শিখব তা আমি বাস্তবে এপ্লাই করে ভালো/খারাপ রেজাল্ট পাব।পরীক্ষা দেয়া লাগবে কেনো? যাই হোক,আগামী ১১ এপ্রিল থেকে ফাইনাল পরীক্ষা।৯ তারিখ পড়তে বসবো।সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী।দোয়া করবেন মামা নানা ভাইয়া আপুরা।

শুভরাত্রি। 
যেতে যেতে কমুমামাকে ওয়েল্কাম বলে যাই।তোমাকে মিস করসিলাম মামা।

Thursday, April 7, 2016

ঢাকা শহরের রাস্তায় সবচেয়ে প্রতাপশালী ও বেত্তমিজ প্রজাতি হচ্ছে সিএনজি


ঢাকা শহরের রাস্তায় সবচেয়ে প্রতাপশালী ও বেত্তমিজ প্রজাতি হচ্ছে সিএনজি অটো রিক্সা ড্রাইভার। এমন ভাবে থাকে মনে হয় সিএনজি না প্লেন চালায়। আর কোথাও যাওয়ার কথা বললে তো এদের পার্ট হয়ে যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্লেনের পাইলট এর মত। এদের কাছে গিয়ে কথা বলতে গেলে এমন ভাবে কথা বলে মনে হয় যেন ভিক্ষা চাইতে গেছি। বেশ কিছুদিন আগে মিটারে চলাচল শুরু হয়েছিল, এখন সেটা নিয়ে আবার পেখনা শুরু করছে ফাজিল গুলা। টাকা বাড়িয়ে দিব বলি তবুও যাবেনা। আর মিরপুরের কথা বললে এমন ভাবে না করে, মনে হয় মিরপুর ঢাকা শহরে না মংগল গ্রহে।ইচ্ছে করে কলোনির টাংকির তলায় নিয়ে একটা মুড়া দেই ইতর গুলারে। ধুরর!!! কি বলি এগুলা, আমাদের কলোনিটাই তো নেই।টাংকির তলা পাবো কই?

নেপথ্য কাহিনি


মাঝে মাঝে ভাবি এই যে কাউকে নিয়ে ভাল ভাল লিখা।এর পেছনে কি কারন। আমার এগুলো লিখার কি দরকার।এর শুরু কোথায়? প্রশ্ন গুলো র উত্তরে যা মাথায় এল তা হল এই,
আমি তখন নতুন ব্রাঞ্চ এ আসছি।তার কয়েক মাস পরে আমাদের অপারেশন ম্যানেজার বদলি হলেন।ভদ্রলোক আমাকে দেখতে পারতেন।আমি কিছু ভুল করলে আমাকে বকা না দিয়ে পাশের জনকে বকা দিতেন।এতই ভাল। উনার বিদায়বেলায় ম্যানেজার আমাকে প্রথমে বলতে দিলেন।আমি এত বেশি বলে ফেললাম উনার সম্পর্ক ভাল কথা, যে পরে আমার অন্য কলিগেরা বলতে লাগল," স্যার, আমি কি বলব,সব ত নিয়াজ বলে ফেলছে"। পরে অন্য কলিগ দের বিদায়ে র সময় আমার বক্তব্য শুনে স্যার বললেন, তোমাকে ত চুপচাপ দেখি,কিন্তু কারো বিদায়ের সময় মুখে ভাল কথা র খই ফুটে।

আমার সব "তৈল মর্দন" এর পিছনে ছোটখাট একটা কারণ থাকে


আমার সব "তৈল মর্দন" এর পিছনে ছোটখাট একটা কারণ থাকে।মাঝে মাঝে সফল আবার মাঝে মাঝে বিফল না বলে আংশিক সফল বলা ভাল। সব ত্যালানোতে যে সফলতা আসবে এমনটা ও ভাবি না।তবু কিছু কিছু সত্য ত্যালানোর মাধ্যমে প্রকাশের চেষ্টা করা।"পরাজয়ে ডরে না বীর"

Abdullah Al Mahbub ব্যাচ-৯৫।হাই পাওয়ার মোটা কাঁচের চশমা পরে।কলোনীতে "বি" টাইপে থাকত।আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল,অনেকটা বন্যাপার(বুবু) মত।কোন ক্লাসে রোল কত,কেউ জিজ্ঞাস করলে চিন্তা না করে বলতে পারে ১।সব ক্লাসে ঐ ১ রোলটা তার দখলেই থাকত।চাকরীর সুবাদে বর্তমানে সপরিবারে মালয়েশিয়াতে অবস্থান করছে এয়ার এশিয়া এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা হিসাবে।হয়ত মোটামোটি লেখালেখির অভ্যাস ও আছে।তথাপি পেইজে কখনো লিখে না,তাকে লাইক/কমেন্টসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে।কলোনীতে থাকাকালীন প্রয়োজন ব্যতীত খুব একটা কথাবার্তা হতো না।এরপর ১৫/২০ বছর কোন দেখাসাক্ষাত নাই(অন্যদের সাথে ছিল হয়ত)।গত ডিসেম্বরে আমি ও পেশাগত কারণে মালয়েশিয়ায় যায়,ওর সেল নাম্বার জানা ছিল না,ওকে একটা মেসেজ করি।সাথে সাথে কল ব্যাক।আবিস্কার করলাম এ তো অন্য এক টিপু,আবেগাপ্লুত কন্ঠ।যার সাথে ১৫ বছর আগের টিপুর কোন মিল নেই।অসম্ভব আন্তরিক, এবং বন্ধুসুলভ মনে হল।

মাহাবুব ভাই কলোনীতে যার পরিচিতি ম্যারাডোনা নামে

- Tinku

মাহাবুব ভাই কলোনীতে যার পরিচিতি ম্যারাডোনা নামে । আজ সকালে অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ মাহাবুব ভাইয়ের সাথে দেখা হয়ে গেল । সালাম দিয়ে বললাম- ভাইজান কেমন আছেন , চট্টগ্রাম কখন এলেন ? উত্তরে মাহাবুব ভাই বললো - চট্টগ্রাম এলাম এই ৩দিন হলো , আগামীকাল সকালে(শুক্রবার ) চলে যাবো। এবং বললো তোর কি খবর ? কৈ যাবি ?
আমি হাঁসতে হাঁসতে কই আর যাবো, মোল্লার দৌঁর মসজিদ অর্থাৎ অফিসে যাচ্ছি ।
এরপর বললাম মাহাবুব ভাই নাস্তা করছেন , চলেন নাস্তা খাই ।
মাহাবুব ভাই- আরে তুই অফিসে যা আমি নাস্তা করে এসেছি ।
বললাম- নাস্তা না হয় করবেন না ভাল কথা , অন্তত চা তো খাবেন ।
মাহাবুব ভাই - তোর অফিসের দেরি হয়ে যাবে ।

দুপুর সারে বারোটা কি একটা


দুপুর সারে বারোটা কি একটা।।প্রচন্ড রোদ।।বাজার থেকে যে হেঁটে বাসায় ফিরবো সে শক্তি বা সাহস কোনটাই পাচ্ছিলাম না।।খুবই ক্লান্ত লাগছিল।।রিকশায় যে যাবো সে টাকাটাও পকেটে ছিল না।।মাথায় একটা বান্দরামি বুদ্ধি এলো।।রিকশা ওয়ালারে বললাম ভাই ভেতরে যাবো??যাবেন??রিকশা ওয়ালা বললো যাবো তবে ভাড়া কিন্তু তিন টাকা দিতে হবে।।বললাম দিবো,,সমস্যা নাই।।বলেই উঠলাম।।আমার বাসা ছিল এফ-1-এ।।আমি তাকে আমার বিল্ডিং-এর সামনে না নিয়ে দুই এবং তিন নম্বর বিল্ডিং-এর সামনে রাস্তার উপর দ্বাড় করালাম এবং বললাম ভাই আপনে একটূ দাঁড়ান আমার কাছে তো টাকা নেই,,আমার বাসা নিচ তলায়,,আমি বাসা থেকে টাকাটা নিয়ে আসি।।এই বলে দুই নাম্বার বিল্ডিং-এর ভেতর দিয়ে গিয়ে সোজা চলে গেলাম এক নাম্বার বিল্ডিং-এ মানে আমার বাসায়।।সেই যে গেলাম আজ অবদি আর ঐ রিকশা ওয়ালার সাথে দেখা করিনি।।
জানিনা আল্লাহ্ আমার এই গুনাটা মাফ করবেন কিনা!!যা ছিল আমার বয়সের নির্বোধতা।

ঝুমুর ঝুম ঝুম ৯৫ ব্যাচ

- Aslamuddin Mamun

কলোনীতে থাকতো এফ/ ৩ এ।আরশাদ ভাই ও আহসান ভাই এর বোন।
কলোনীতে দেখেছি কিন্তু কখনো কথা হয়নি।
পেজের মাধ্যমে কলোনী থেকে বের হওয়ার পর
আবার দেখা পাই বোনটিকে।
আড্ডা তে দেখা হয়েছে তবে কথা হয়নি।
বর্তমানে একটি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে আছে।
বোনটি পেজে কমেন্ট লাইক দিয়ে থাকে সবার পোস্ট এ তবে, পেজে মাঝে ২/১ টি লিখা লিখেছে।সবাই আমাদের বোনটির জন্য দোয়া করবেন।
পরিশেষে - সব সময় এভাবে সিএসএম পেজের সাথে থাকিস বোন,আর মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট করিস এখানে আমরা আমরাইতো।

ইস্পাত একাদশ, চিটাগাং স্টিল মিলস লি: এর ফুটবল ক্লাব ছিলো


ইস্পাত একাদশ, চিটাগাং স্টিল মিলস লি: এর ফুটবল ক্লাব ছিলো। চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে জায়ান্ট ছিল এই ক্লাব টি। প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন গড়ার মত টিম করত এই ক্লাব। কিন্তু আবাহনী মোহামেডান এই দুই ক্লাবের ক্লাব রাজনীতির টেবিলের খেলায় হেরে যেত ইস্পাত একাদশ।দেশ বরেণ্য সব খেলোয়াড় রা এই ক্লাবে খেলে গেছেন আশি নব্বই দশকের তারকা খেলোয়াড়, গাফফার, মনু,সাব্বির মামুন বাবু,পান্না,গাউস রেহান,অরুন,বরুন জয় সহ বহু ফুটবলার ছিল এই দলের সদস্য। এরা সবাই বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্লেয়ার ছিল।বি এইচ ওয়ানের নীচ তলায় ছিলো এই টীমের টেন্ট । এইসব খেলোয়াড় দের দেখার জন্য বিএইচ ওয়ানে এতো ভিড় লেগে যেত যে, আজকাল ফুটবল ম্যচ দেখতেও এতো দর্শক হয় কিনা সন্দেহ আছে। কলোনি তে আমরা কেউ হয়তো আবাহনী বা মোহামেডান সাপোর্ট করতাম ঢাকা ফুটবল লীগের জন্য। কিন্তু চিটাগাং ফুটবল লীগের জন্য আমাদের অন্তপ্রান ছিলো এই লাল সাদা জার্সির দল টি। ৯১ এর পর থেকে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে এই দল টি স্টিল মিলের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা র কারনে, সম্ভবত ৯৬/৯৭ সালের দিকে এই ক্লাব টিকে কিনে নেয় সানোয়ারা গ্রুপ, নাম দেয় কোয়ালিটি স্পোর্টিং ক্লাব। ব্যাপার টা আমাদের কাছে ছিল এমন, অর্থের অভাবে মা যেন তার সন্তান কে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
স্টিল মিল, স্টিল মিল কলোনীর মত এই ইস্পাত একাদশও আমাদের স্মৃতিপটে রয়ে যাবে অনন্ত কাল।

(ইস্পাত একাদশের পতাকা টি দিয়ে দিলাম)

পরাগ-৯৬ ব্যাচ।


সিএসএম এর আমাদে ছোট ভাই,
হক স্যারের মেজ ছেলে।
কলোনীতে থাকতো এফ/৩ তে।
খুব ভাল ছেলে।কলোনীতে থাকতে বড় মাঠে আমাদের সাথে খেলতো,ফুটবল ক্রিকেট খেলাধূলা ও পড়ালেখায় খুব ভাল ছিল।
খুব পরিশ্রমী আমাদের ছোট ভাই টি।
আড্ডাতে ভাই টি অনেক শ্রম দিয়েছে।আমরা যারা আড্ডারর সাথে জড়িত ছিলাম তারা দেখেছি ভাই আমাদের সব কিছুতে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে। কখনো কোন কাজ না করে নি।নিরবে কাজ করে গেছে।
শামিমের ব্যাপারে আমাদের ভাইটি সবচেয়ে বেশী অগ্রণী ভূমিকা ছিল।
পরিশেষে- ভাই তুই সব সময় এরকম থাকিস।
আর পেজে শুধূ লাইক কমেন্ট না তোর কাছে আমরা কলোনীর স্মৃতি নিয়ে সুন্দর সুন্দর পোস্ট আশা করি।ভাল থাকিস।

সকল সিএসএমের বড় আর ছোট ভাইবোনেরা আমাদের মনে আছে


সকল সিএসএমের বড় আর ছোট ভাইবোনেরা আমাদের মনে আছে নিশচয় প্রতি বছরের শেষে বাষিক পুরস্কার বিতরনি অনুষঠান হতো আমরা সবাই অনেক মজা করতাম।সকুল কত সুন্দর করে সাজানো হত। দিনটা অন্য রকম ভাল লাগতো।পুরস্কার বিতরনি অনুষঠান হতো রাতে।এখন সব ভাইবোনদের বলছি আমাদের সকুলে বিভিনন ইভেনট ছিল যেমন- খেলাধুলা,গান,নাচ,আব্ওি,নাটক বিতক আরও নানা রকম ইভেনট।এখানে অনেকে অংশগহন করে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।আপনারা সবাই সকুল লাইফের যে যত পুরস্কার পেয়ে তা আমাদের এ পেইজে সবাইকে জানান।তবে সত্যটা লিখতে হবে।কে কিসে তা উললেক করতে হবে।একদম শিশুক্লাস থেকে দশম ক্লাস পযন্ত। সবাইকে মনে করিয়েদিলাম আমাদের জীবনের সবচাইতে মধুর দিনগুলার কথা।

হৃদয় পুরের মানুষ-


হঠাত করে সামনের বিল্ডিং এর নিচতলায় নতুন মানুষ এলেন কিছু।এর আগে যারা ছিলেন, তাদের বাসায় অনেক মানুষ।সে তুলনায় নতুন পরিবার টিতে মেম্বার অনেক কম।দুই ভাই,এক বোন।বোন টি ছোট। বড় ছেলেটা একটু শুকনো কিন্তু পুরো কলোনি তে সে দাপিয়ে বেড়ায়।শেষ রুমের জানালার পাশে তার পড়ার টেবিল।পড়তে বসলে, বইয়ের চেয়ে এদিক ওদিক তাকানো তে তার খেয়াল বেশি। আস্তে আস্তে জানতে পারলাম এই ছেলেটা আবার ভাইয়ের বন্ধু। তিনভাই বোনের মধ্যে সেই একটু বেশ সপ্রতিভ, চঞ্চল।

১৯৯১ এর বন্যার সময় তার বই খাতা পানিতে ভেসে যায়। তারপরেও সে মনোবল হারায় না।পরীক্ষা দিয়ে মোটামুটি রেজাল্ট করে।ক্ষতি কি,এর চেয়ে খারাপ হতে পারত। কলেজে যায়,পেপার ম্যাগাজিন কিনে।তাতেও ছিল রুচিশীলতা র ছাপ।কলোনি র ছোট বোন গুলো র কাছে সে আস্থাশীল বড়ভাই, যাকে মন খুলে সব বলা যায়,মনে করার মত ছোট মন নেই তার।

বাসার পাশে নারকেল তলা টা তার বেশ প্রিয়।সাথে পুকুর আর পুকুরের পাড়।আমার সাথে তেমন কথা হত না।শ্রদ্ধা করতাম,সাথে ভয় মেশানো ছিল। 

মু্ক্তা


কলোনীতে থাকতো ই টাইপে সুজন হাসনাত দের বিল্ডিং এ।আমাদের লিলি আপা,শেলী আপা,তারেক ভাইয়ের ছোট বোন।

স্কুলে থাকতে সাংস্কৃতিতে খুব ভাল ছিল।
সাউথ ইস্ট ব্যাংকে চাকুরী করতো।এখন মনে হয় করে না,
বোনটি আড্ডা তে আমার সাথে খেলাধূলায় দায়িত্ব এ ছিল।

পেজে এখন কম দেখা যায়।তাই আমরা চাইবো আগের মত পেজে সরব উপস্থিতি।আবার পোস্ট কমেন্ট কর,এখানে সব আমরা আমরাইতো।

লাইক/কমেন্টস সংক্রান্ত বন্যাবু'র পোস্ট প্রসংগে কিছু কথাঃ


বুবুর পোস্ট সময়োপযোগী। কিন্তু,unfortunately এই পোস্টেও শুধু তারাই কমেন্ট করছে,যারা active. এই লাইক/কমেন্টস নিয়ে হিসাব করাটা আমি personally লাইক করিনা। তবে, অস্বীকার করবো না,লাইক/কমেন্টস পেলে অবশ্যই ভালো লাগে। ভালো লাগাটা আমাকে "priority" দেওয়াকে ঘিরেই। তবে,কেন কম লাইক/কমেন্টস পড়লো, সেটা নিয়ে "গ্রুপিং হয়" টাইপের অভিযোগ শুনলে মেজাজ খারাপ হয়। ভালো বা মজার লিখা বা কমেন্টসে লাইক দিতে কেউ কার্পণ্য করেনা বলেই আমি বিশ্বাস করি। এই পেজে যারা "সক্রিয়" নন,তাদেরকে আমি সক্রিয় বলবো। সক্রিয় এই জন্যই বলবো যে,তারা এই পেইজ লাইক না করলে চলে যেতেন। আনেকেই আছে,যারা silent observer. আমি নিজেও প্রথম দিকে এমন ছিলাম। ২০১০ এ SSF এ পোস্টিং হওয়ার পর সংগত কারনেই ফেসবুক থেকে সরে আসি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সাথে সিংগাপুর গেলে একজন কমেন্ট করেন,"কি রে,বুইড়া বেটারে কি protection দেস!!"। অযাচিত এমন মন্তব্য আমার পেশার জন্য ক্ষতিকারক।তাই ফেসবুক একাউন্ট deactivate করে দেই। এরপর বহুদিন পর নতুন একাউন্ট খুললেও মোটে ২০/২৫ জন আমার ফেবু ফ্রেন্ড ছিলো।(CSM এ join করার পর সংখ্যাটা ২০০+)।এই ২০/২৫ জন ফ্রেন্ডের mutual friend ছিলো আমার পরিচিত সবাই।তাই ছদ্মনামে কোনো প্রোফাইল পিক ব্যবহার না করেও আমি সবার খোঁজখবর পেতাম ফেসবুকের মাধ্যমেই। এই গ্রুপে শুরুতে silent observer থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। হাত নিশপিশ করেছে। ১/২ টা কমেন্ট করতেই সবাই ছদ্মবেশী বাঙালীর পরিচয় জানতে চেয়েছে। গ্রুপের পরিবেশ ভালো ছিলো আর নিজের ভাই/বোনদের কাছে পরিচয় গোপন রাখা অযৌক্তিক বিধায় নিজেকে মেলে ধরেছি।

আমাদের এই পেইজের একটি মজার ও ভাল জিনিষ হচ্ছে হুমরি খেয়ে পড়া “লাইক এবং কমেন্টস” গুলো


আমাদের এই পেইজের একটি মজার ও ভাল জিনিষ হচ্ছে হুমরি খেয়ে পড়া “লাইক এবং কমেন্টস” গুলো। আমার অফিসিয়াল সব কাজ কম্পিউটারইজাড। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফেইসবুকে ডু মেরে পোষ্ট, লাইক ও কমেন্টস করি। প্রায় দু-আড়াই ঘন্টা ধরে খেয়াল করছি যে পোষ্ট বা কমেন্টস এর মাত্রা খুব কম। যখনই নিরুর মেয়ে ও রিমনের বউ মেরীর জন্মদিনের দু’টি পোষ্ট আসলো দেরী নাই হুমরি খেয়ে পড়তে লাগলো সবাই। মনে হয় যেন সবাই বরশি নিয়ে বসে আছে যখন মাছে টোপ দিলো তখনই টান তাও আবার বৃষ্টির মত। মানে নতুন কোন পোষ্ট আসলে ভাল রেসপন্স পায় এটা অবশ্যই ভাল দিক। আমি সবার প্রতি অনুরোধ করবো তোমরা লাইক ও কমেন্টসের পাশাপাশি পোষ্টও কর, প্রয়োজনে গঠনমূলক, শিক্ষনীয়, বিনোদনমূলক পোষ্টগুলো শেয়ার কর যাতে আমাদের পেইজটি প্রাণবন্ত থাকে। আমিতো মনে করি এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মতো। সবাই ভাল থাকুন।

Wednesday, April 6, 2016

মোহাম্মদ কমর উদ্দিন


কমু

সম্পর্কে আমার মেঝমামা হন।বর্তমানে উনার fb id সাময়িকের জন্য প্যারালাইজড।উনি সবাইকে দেখতে ও অনুভব করতে পারতেসেন কিন্তু কাওকে সাড়া দিতে পারতেসেন না।ইদানিংকালে উনার মাথা দিয়ে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ঘটিতেছে।উনার মাথার উত্তপ্ত লাভা যাতে csm পেজে ছরিয়ে না পড়তে পারে তাই উনি উনার fb id কে সাময়িক প্যারালাইজড করে দিয়েছেন।উনার উদ্দেশ্যে বলি "মামা csm এন্টার্কটিকা মহাদেশে অবস্থিত। so লাভা নিয়ে tension করতে হবে না" 
উনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাই উনাকে ধরিয়ে দিন।।।।।
উনাকে ধরিয়ে দিতে পারলে 1mb ও ফ্রি তে বিনোদন দেওয়া হবে।

আনোয়ারুল হক (আনালক ভাই)


আমাদের সিএসএম ইন্জিনিয়ার ভাই।
কলোনীতে ছোট কালে ছিল খুবই দূরর্ন্ত।
তবে কলোনী থেকে অনেক আগেই চলে যায়।হালিশহর এখন নিজ বাড়ী।মাঝে মাঝে কলোনীর স্মৃতি নিয়ে সুন্দর সুন্দর পোস্ট করে।
আড্ডা তে -আড্ডার আগে আমার ও জসিম ভাই এর সাথে ভেন্যুতে যায়।যেদিন আমরা প্রিন্সিপ্যাল স্যারের সাথে কথা বলে সব ফাইনাল করি।
সেখান থেকে এসে একটি ম্যাপ পোস্ট করে পেজে সকলের চিনতে সুবিধার্থে।
সে আমাদের জাফর ভাই এর ছোট ভাই।
ভাই কে ডাকলে কাজ না থাকলে আসার চেষ্টা করে।সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন যেন আরো সফলতা অজর্ন করতে পারে।
পরিশেষ এ ভাই সব সময় বিপদেআপদে পাশেপাশে থাকবেন কারন সিএসএম কলোনীর এখানে সব আমরা আমরাইতো।

আকাশ ছোয়া স্বপ্ন


ভাইদের মধ্যে সে সবার ছোট।বাসার সবার আদরের।মা দেখলেন,গানের প্রতি ছেলের আগ্রহ। কলোনি র আর দশ টা ছেলের মত শুধু খেলা আর পড়ালেখা নিয়ে পড়ে থাকতে চায় না সে। তাই তাকে গান শিখতে দিলেন।স্কুলের, কলোনি র যেকোন অনুষ্ঠানে গান গাইত সে।গানে মুগ্ধ হত শ্রোতারা। বয়স কম, কন্ঠ তার যথেষ্ট ম্যাচিউরড, ম্যানলি। গান, নাচ এগুলো মেয়েদের বিষয়, মেয়েরা শিখে এগুলো আর ছেলেরা করবে খেলাধুলা,দস্যিপনা।কিন্তু ছেলেটা সে সব প্রথাগত ধারনা ভেঙে দিয়েছিল।

একবার এক অনুষ্ঠানে একটা গান গেয়েছিল," বাংলাদেশের মানচিত্র, রবীন্দ্র নজরুল"।মুগ্ধ হয়ে শুনেছিলাম। এতটুকু জড়তা নেই।গান গাইতে যথেষ্ট স্বতঃস্ফূর্ত। কলোনি তে মোটামুটি স্টার হয়ে গিয়েছিল। তবুও তার ছিটেফোঁটা তার স্বভাবে দেখা যায়নি। ওর সাথে আমার কথা হয়েছিল দুই কি তিন বার।কথাতেই বুঝেছিলাম দারুন অমায়িক।মানুষকে সম্মান করতে জানত,হোক সে ছোট বা বড়। তারপর অনেকদিন দেখা নেই তার।

আমার বাবা


আমার বাবা আামাদের পরিবারে প্রধান এাণ কর্তা। আমার বাবা ছিলেন একজন কমঠ ।তিনি তার শক্ত দুইটি হাত দিয়ে আমাদের বিশাল পরিবার টা কে সামলেছেন। তিনি কখনও আমাদের কে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেয়নি।তিনি তার সাধ্য মত আমাদের সব ভাই ও বোনদের আবদার মিটিয়েছেন।তিনি সবার সাথে মজা করেন। তিনি সহজে সবাই কে আপন করে নেন। খুব ভাল মনের মানুষ আমার বাবা। কখনও বাবার সামনে বলতে পারিনি বাবা আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। বাবা তুমি ভাল থেকো,সুস্থ থেকো। আমাদের জন্য দোয়া কর। আমরা যেন মানুষের মত মানুষ হতে পারি ও তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।

আপুর বন্ধুরা


সেলিনা আকতার ( সেলি) আমার বড় বোন। আমাদের পরিবারে অন্যতম প্রান। তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী ও সাহসী। তিনি নিজেকে গুছিয়ে রাখতেন। তিনি কখনও কারও সাথে রাগ বা অভিমান করতেন না।আপা খুব প্রাণবুন্ত ছিলেন। আপা তার বনধু মহলে খুব জনপ্রিয় ছিল। তার প্রিয় বনধুদের তালিকা ছিলেন Atiq Csm, বদরুল ভাই, Md Maksudur Rahman Rana ভাই, রুবা ভাবি, ফারহানা আলি,লাবনি আপা, মিলি আপা।এরা আপার প্রিয় বনধু ছিল।আপার বনধুদের মাঝে একজন আবার আমার বড় ভাইয়ের বউ। তিনি হলেন আমাদের প্রিয় রুবা ভাবী। আজ আপার সব বনধু রা আছেন কিনতু আপা নাই। আপা তুমি যেখানে থাক ভাল থেকো। তোমার বনধু রা সবাই ভাল আছে।

কলোনি নিয়ে এ লেখাটি


কলোনি নিয়ে এ লেখাটি, ২০১৪ সালের আগস্টে আমার টাইম লাইনে পোস্ট করেছিলাম, বন্যাপার আজকের পোস্ট টি দেখে এটির কথা মনে পড়ল।

আমার প্রায় সময় মনে হয়, কলোনী ছেড়ে আসার পরবর্তী এ জীবন টা একটা স্বপ্ন চলছে। ঠিক যেন আমি আমাদের সি টাইপের তিন তলার বাসায় ড্রয়িং রুমে দুপুরে ঘুমিয়ে আছি, স্বপ্নে আমার বর্তমান জীবনটাকেই দেখছি, হঠাৎ ডোরবেলের শব্দে ঘুম ভাংল,স্বপ্নও ভেংগে গেল, দরজা খুলে দেখি কলোনীর বন্ধুরা আমাকে মাঠে খেলতে যাওয়ার জন্য ডাকতে এসেছে আর সব আগের মতই আছে।

ইশশশশ!!!!যদি সত্যিই এমনটা হতো।

উফফ,কি রোদ আজকে


উফফ,কি রোদ আজকে!!! এত গরম। আর আমাদের বাসাতায় পুরা রোদটা পড়ে। নাহ,এই ঘরে শোয়া যাবেনা,আম্মার ঘরে গিয়ে শুই। একটু পর আব্বা চলে আসবেন অফিস থেকে। 

উমামের চোখে ঘুম নাই। আম্মা তুমি ওরে আনটাইমলি ঘুম পাড়াও, আর আমি দুপুরে ঘুমাতে পারিনা।

হাসিনা গেইটে কে দেখতো? ও খানসুর চাচি? চাচি কেমন আছেন? ভাল, তুমার আম্মা কই? আম্মা শুয়ে আছে ডাকতেসি। আম্মা,চাচি আসছে। রান্নাঘরে ঢুকলাম চা বানাতে। এমন সময় সিদ্দিক চাচি,সাইফুল আমিন চাচিও হাজির। শুরু হল দ্বিপ্রাহরিক আড্ডা। আম্মা বললো, বন্যা আরো লাগবে। চা বানায়ে এসে দেখি রেজা ভাই আম্মাদের সাথে বসে নাশতা খায়। এলোমেলো গল্পের এই অংশটুকু সত্যি। রেজাভাই একটু খেয়েই প্লেট থেকে কয়েক কোয়া কমলা আর কয়েকটা বিস্কুট নিয়ে উঠে দাঁড়ালে আম্মা বললো রেজা চা খেয়ে যাও। রেজা ভাই বলে না চাচি রোগি দেখে আসি। আম্মা বলে রোগি কে? রেজাভাই বলেন তিনতালার অপু(মোল্লা অপুভাই)। কয়দিন ধরে জ্বর,দেখে আসি। খালি হাতে ত যাওয়া যায় না, তাই বিস্কুট, কমলা নিয়ে নিলাম। চাচিরা হাসতে লাগলো।

‘কেউ কাউকে ত্যালায়না’ উমামার এই পোস্টটার সাথে আমিও ৯৯% একমত


‘কেউ কাউকে ত্যালায়না’ উমামার এই পোস্টটার সাথে আমিও ৯৯% একমত গত কয়েকদিন ইতিবাচক চর্চা (তৈল জাতীয়) বিষয়ক পোস্ট অনেক কম। এইজন্য আমি প্রথমত গভীর উদ্বেক প্রকাশ করছি। মনে হয় মামুন ভাইয়ের শরীর খারাপ অথবা মন খারাপ অথবা উনি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন অথবা মামুন ভাই তৈল সংকটে পড়ছে। রেজা ভাই এবং জসীম ভাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি মামুন ভাইসহ অন্যরা যদি তৈল সংকটে পড়ে তাহলে আপনারা উনাদের কিছু তেল ধার অথবা ফ্রী দিবেন। আশা করছি আগামীকাল থেকে আমরা আবার মামুনভাইসহ অন্যদের কাছ থেকে তৈল বিষয়ক পোস্ট পাব নতুবা আমি তীব্র নিন্দা জানাতে বাধ্য হবো। যাই হোক আমি আমার এই পোস্টে কি তেল মাখবেন এবং কিভাবে মালিশ করবেন সেইদিকে কিছুটা আলোকপাত করলামআশা করছি এই পোস্টটা মামুন ভাই এবং অন্যদের কিছুটা হলেও কাজে আসবে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেনবাস্তবিক তৈল সর্বশক্তিমান, যাহা বলের অসাধ্য, যাহা বিদ্যায় অসাধ্য, যাহা ধনের অসাধ্য, যাহা কৌশলের অসাধ্যতাহা কেবল তৈল দ্বারা সিদ্ধ হইতে পারে।তিনি আরও বলেন— ‘যে তৈল দিতে পারিবে তাহার বিদ্যা না থাকিলেও প্রফেসর হইতে পারে। আহাম্মক হইলেও ম্যাজিস্ট্রেট হইতে পারে, সাহস না থাকলেও সেনাপতি হইতে পারে এবং দুর্লভ রাম হইয়াও উড়িষ্যার গভর্নর হইতে পারে।

চারদিকে যে তেলের বন্যা দেখা যাচ্ছে তাতে যদি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা না হয় তাহলে যে কোনো মুহূর্তে তেলসংক্রান্ত মহাবিপর্যয় বা সুনামি দেখা যেতে পারে। তেলের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, তেল মর্দনের সনাতনী পদ্ধতি এবং মর্দনে ব্যবহার্য তেলের গুণগতমানের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা গাইড লাইন না থাকার কারণে তৈলজাত রোগবালাই মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে

তৈল মর্দনের অর্থ বোঝে না এমন লোক বর্তমান সমাজে নেই বললেই চলে। তেলের বাহারি ব্যবহারের হাজারো উপকার নিয়ে লিখতে গেলে বিরাট এক মহাকাব্য তৈরি হয়ে যাবে। তেল কত প্রকার এবং কী কী অথবা তেল কোন কোন অঙ্গে কিরূপে মর্দন করলে কতটুকু সুফল পাওয়া যাবে তাও ইদানীংকালের তেলবাজরা মোটামুটি জেনে ফেলেছেন। আসুন আমরাও জেনে নেই কি তেল মাখবেন এবং কিভাবে মালিশ করা উচিত? কারণ সবাই তৈল মর্দন করতে এবং তৈল মর্দন পেতে সীমাহীন আবেগ-উল্লাস হৃদয়ে ধারণ করেন বটে কিন্তু প্রকাশ্যে বলে বেড়ানআমি কোনো তেল মারামারিতে নেই অথবা আমাকে তেল মারার সাধ্য কোনো বাপের বেটা বা বেটির নেই।