Tuesday, July 26, 2016

আমাদের (১৯৯১ ব্যাচ) প্রিয় বন্ধু তুমান


আমাদের (১৯৯১ ব্যাচ) প্রিয় বন্ধু তুমান। মেধাবি ছিল। সব সময় ১/২/৩ এ থাকত। কবিতা আবৃতি, রচনা প্রতিযোগিতা, ব্রতচারি সবকিছুতে সরব উপস্থিতি। আমরা C2 থেকে C11 এ আসার পর ওর সাথে ঘনিষ্টতা ২ গুন হল। ছোটবেলায় যত রকম দুষ্টামি করা যায় সব কিছুই ওর সাথে করছি। আমি খেলাধুলায় মোটামুটি ছিলাম কিন্তু স্কুলে বার্ষিক প্রতিযোগিতায় কখনও অংশ নিতাম না। যে একটা পুরস্কার পাইছি সেটাও তুমানের কারনে। তিন পায়ে দৌড়। সম্বভত ক্লাশ থ্রির ঘটনা। বিশাল (!) একটা শিল্ড পাইছিলাম। সম্ভবত ক্লাস টুতে থাকতে একদিন ক্লাসে দুষ্টামি করে বলছিলাম, তুমান ক্লাসে তোর সাথে আর কথা বলবনা। বেচারা ভাবল সত্যি সত্যি ওর সাথে আড়ি নিচ্ছি। সাথে সাথে ওর আর্তনাদ আম্মু দেখনা আনালক আমার সাথে আর কথা বরবেনা বলে। আমি বারবার বলছিলাম ক্লাসে আর কথা বলবনা। ক্লাসে কথা বললে কেপ্টেনরা নাম লিখে রাখত আর টিচার আসলে জমা দিত।

বেচারা কড়া শাসনে থাকত। আমাদের মত যখন তখন বের হতে পারতোনা। আমরা যখন পাইন্না খেলা খেলি ও তখন জানালা দিয়ে করুন চোখে তাকিয়ে থাকত। মারবেল, তাস খেলা তো অকল্পনিয়। ওর অনুরোধে একবার পুকুরে গোসল করতে নিয়ে গেছিলাম। যেতে আসতে হইছিল অনেক লুকিয়ে। শবেবরাত এর রাত , তারাবি রাত বা চাঁদ রাত এর আনন্দ কখনও উপভোগ করতে পারেনি। কেডেটে টিকল। কিছুটা দুরত্ব বাড়ল। এরপর তো আমরা কলোনি থেকে বের হয়ে গেলাম। সব শেষ দেখা সিটি কলেজের পেছনে, ইন্টারের পর। ওর হাতে সিগারেট। আবাক হইছি তবে বুজতে দেইনি। আমি কেমনে জানি সিগারেটের হাত থেকে বেঁচে গেছি। অথচ ওই রাতগুলোতে দুষ্টমি করে কত সিগারেট খাইছি। বিশেষ করে মোর। গলা ঠান্ডা হয়ে যেত। তুমান চিটাং ভার্সিটিতে বিবিএ তে ভর্তি হইছে সেটাও জানছি। শেষ খবরটা পেলাম বাতাসে......। ওহ। অনেক দিন পর ভূতের ডিম বাবুর সাথে দেখা। জিজ্ঞাস করলাম কিভাবে? জানলাম গাড়ী এক্সিডেন্ট।

২৪ জুলাই তুমানের মৃত্যু বার্ষিকি..............

মাঠের পারে দূরের দেশ-২


বড় মাঠ বলতে আমরা যেটা চিনতাম সেটা হল, সে মাঠে স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হত। বছরের শুরুর দিকে।কলোনি এর প্রায় শেষ প্রান্তে ছিল এই মাঠ টা। আমি নিজে কোন খেলায় অংশ গ্রহণ না করলেও দেখতে যেতাম।মাঠের একপাশে ১ টা দোকান ছিল যেটা পলাশের দোকান বলত। এই বড় মাঠে যেদিন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা র চূড়ান্ত আসর বসত সেদিন সাজ সাজ রব পড়ে যেত।নানারকম এর কাগজ দিয়ে মাঠের সীমানা নির্ধারণ করা হত।সবচেয়ে আকর্ষণ এর রাউন্ড ছিল যেমন খুশি তেমন সাজো। এই রাউন্ড এ আমাদের স্কুলের ভাই বোন দের যে সৃজনশীল তা দেখতাম,তা বাইরের কোন স্কুলেই আর দেখিনি। মাঠ এর বাইরে দুই তিন জন ছাতা নিয়ে আচার বিক্রি করতে বসতেন। চালতা,বরই,তেতুল ইত্যাদি। বাসা থেকে টাকা নিয়ে ওই আচার খেতাম আর খেলা দেখতাম।আম্মা প্রায়ই বলতেন, রং মেশানো আচার খেলে পেট খারাপ হবে, নানারকম এলারজি হবে।কিন্তু কোন দিন হয়নি।এখন ত অনেক ভাল রেস্তোরা র খাবার খেয়েও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

photo- Taskin Ashiq

" লাল রং "


লাল রং এ যেন ভালোবাসার রং।অনেক সময় কেউ তার পছন্দের মানুষটিকে একটি লাল গোলাপ দিয়েও তার ভালো লাগা প্রকাশ করে। লাল রং এমনি একটি রং যা কম বেশি সকলেই পছন্দ করে। কিন্তু পোষাকের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই রংয়ের কাপড়ে মানায়। ব়ৃদ্ধ বয়সে চাইলেও এই রংয়ের কাপড় পড়া যাবেনা। তাই সময় থাকতে নিজের পছন্দের রংয়ের কাপড় পড়া উচিত। অনেক খুঁজে যে কয়টি ছবি পেয়েছি তাই দিলাম। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবার ছবি দিতে পারিনা। ভুল হলে ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

মাঝে মাঝে কড়া ,সব সময় বন্ধুসুলভ উদ্যমী


মাঝে মাঝে কড়া ,সব সময় বন্ধুসুলভ উদ্যমী ,আমার অনুপ্রেরণা আর মাঝে মাঝে বাচ্চা ছেলের মত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা আমাদের প্রিয় রেজা ভাইয়ের আজ জন্মদিন।জন্মদিনে রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা।প্রথম ফোনালাপ আর প্রথম সাক্ষাতেই বন্ধুসুলভ আচরণে মনে হয় এ যেনো শিকড়েই পরিচিত।এই বন্ধুসুলভ আচরনের কারনেই অনেক সময় অনেক অভিযোগও সরাসরি করেছি নির্ভয়ে।ভালো থাকবেন ভাই সবসময় দোয়া রইলো এবং মনে প্রানে বিশ্বাস করি সামনের দিনগুলিতে সাথে পাবো অবশ্যই সবসময়।।

সিএসএম পেজের নিবেদিত প্রান আমাদের রিপন ভাই


সিএসএম পেজের নিবেদিত প্রান আমাদের রিপন ভাই। সারাদিনের ব্যাস্ততার মাঝে সামান্য একটু সময় যেই পেলেন অমনি ঢুকে পড়েন পেজে। আর মজার মজার কমেন্ট করে আমাদের সবাইকে মাতিয়ে রাখেন। 

ভাবীর বকুনী যদি হিসেব করা হয় তাইলে সেকেন্ড প্রতি 10/12 বকুনীতো প্রতি সেকেন্ডে হবেই। শুভ কামনা রইলো ফেবুর সিএসএম পাগল এই নিখাঁত মানুষটার জন্য।

:-)+:-)(পর্ব-২)


আশিক বিষয়টা শুনে পরীকে ধৈর্য্য ধরতে বলে এবং এই বলে তাকে আশ্বস্ত করে যে আশিক তাকে ঠকাবে না বা ছেড়ে যাবে না।।আশায় বুক বেধে পাড় হতে থাকে পরীর জীবন।।এদিকে আশিক লেখাপড়ার পাশাপাশি একটা চাকরির ও চেষ্টা করতে থাকে।।এক সময় দিন অতিবাহিত শেষে পরীর ছোট বোনের বিয়ের প্রস্তাব আসে।।ভাল সমন্ধ।।তাই পরীর বাবার ইচ্ছা ছোট মেয়েকে ওখানেই বিয়ে দেবে কিন্তু বড় মেয়েকে রেখে কি করে ছোট মেয়ের বিয়ে দেই।।পরীর বাবা পরীকে বললো তুমি কি করবে সিদ্ধান্ত নাও।।পরী বললো আপনি ছোটর বিয়ের ব্যবস্হা করুন।।উওরে বাবা বললেন তোমাকে কি করবো??পরী বললো আমার ব্যবস্হা আমি করে নেবো।।নানা সমস্যা চড়াই উওরাই শেষে পরীর ছোট বোনের বিয়ে শেষ হলো।।কিন্তু পরীর দুঃখ পরীর মনেই রয়ে গেল।।আশিক জানিয়ে দিল তার এ মুহূর্তে কিছুই করার নেই।।যদি পারো অপেক্ষা করো অন্যথায় নিজের সুখ খোজে নাও।।পরী অপেক্ষা করতে লাগলো কারন সুখ যে এই খানেই,,এই অপেক্ষাতেই।।শুরু হলো সমাজের নির্যাতন।।কোথাও আশ্রয় মিলছিলনা পরীর।।শেষ মেষ চিম্তা করলো পরী এভাবেতো আর বেচে থাকা যায় না,একটা কিছু করা দরকার।।শেষে পরী একটি চাকরী নিল স্কুলে।।সারাটা দিনই তার ভালই কাটতে থাকে।।পরিশ্রম হলেও সামাজিক নির্যাতন থেকে তো বাচা যায়।।।ওদিকে আশিক লেখাপড়া শেষে মেরিনে চান্স পায়।।খবরটা শুনে পরীর চোখ বেয়ে জল গরিয়ে পড়ে।।এই ভেবে যে বিধাতা বোধ হয় চোখ মেলে তাকালেন।।পরী বললো এবার???আশিক বললো আরও কটা বছর অপেক্ষা করো,তারপর।।।আবার পরী আশায় বুক বাধে।।পাড়ি দিতে থাকে অপেক্ষার দিন গুলো।।এভাবেই কাটতে থাকে আশিক-পরীর দিন।।।

বর্তমানে পরীর তিন মেয়ে এক ছেলে।।আশিক মেরিন ইন্জিনিয়ার।।স্বামী -সন্তান-সংসার নিয়ে আজ পরী অনেক সুখী।।খুশি দু'পরিবারের মানুষ গুলো।।

বিঃদ্রঃ সময় সল্পতার কারনে অনেক কষ্টের বা নির্যাতনের কথা গুলো লিখা সম্ভব হয়নি।

তবে লিখাটা অগোছালো বা বাংলা সিনেমার মতো মনে হলেও ঘটনাটা কিন্তু সত্য এবং জীবনের ঘটে যাওয়া গল্প।।
দু'জনের ছবিটা প্রকাশ করতে পারলে বেশ ভালো লাগতো,কিন্তু????????

ভালবাসার ইতি কথা :-)+:-)জীবন থেকে নেয়া---


ছেলেটাকে প্রথম দেখাতেই ভাল লেগে গেল পরীর(ছদ্দ নাম)!!মনে মনে বলতে লাগলো ইস্ এতো সুন্দর আর সুদর্শন মানুষ হয়।।অপলক চেয়ে থাকে সর্বক্ষণ।।বলতে গিয়েও কেন যেন বলতে পারেনা পরী।।কিসের যেন ভয় কাজ করে পরীর।।প্রথম প্রথম না বুঝলেও ধীরে ধীরে বুঝতে বাকী থাকে না আশিকের(ছদ্দ নাম)।।পরীরা চার বোন এক ভাই।।পরী তিন নাম্বার।।অপরদিকে আশিকরা চার ভাই এক বোন।।আশিক বড়।।তারা দু'জনই একই ফ্লেটে থাকে।।একই স্কুলে পড়ে।।তাদের বাবারাও একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে।।দু পরিবারই মধ্যবিত্ত।।হিসেবি জীবন।।আশিক লেখাপড়ায় খুবই ভাল অপরদিকে পরী মোটামুটি ভাল।।তবে আশিকের কারনে এখন ওটাও নেই।।সারাক্ষণ কেবল প্রেম করা সেই সাথে পাগলামি।।কিন্তু আশিক বরাবরই বাস্তববাদী।।পরীকে পছন্দ করলেও পাগলামীটাকে কখনওই প্রশ্রয় দেয় না।

তার লক্ষ্য একটাই লেখাপড়া করে ভাল একটা চাকরী করতে হবে,তারপর বিয়ে এবং সংসার।।এভাবেই চলতে তাদের জীবন।। মাঝে মাঝে লুকিয়ে দেখা করা,কোথাও বেড়াতে যাওয়া এবং প্রতিদিনই চিরকুট বা চিঠি আদান-প্রদান করা।।একটা সময় দু'পরিবারই সকল ঘটনা জানতে পারে এবং দু'জনকেই উত্তম-মধ্যম সহ কড়া নজরদারিতে রাখা এবং পরিস্কার জানিয়ে দেয়া এটা কখনওই মেনে নেয়া হবে না।।শুরু হলো দু পরিবারে যুদ্ধ।।তবুও থেমে নেই আশিক-পরীর ভালবাসা।।বরং দিনকে দিন ভালবাসার ভিত্তিটা আরও যেন মজবুত হচ্ছিল।।এক সময় পরীর বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে কিন্তু পরী বিয়ে করবে না বলে তার পরিবারকে জানিয়ে দেয়।।কথা শুনে পরীর বাবা পরীকে মারধর করে।।কিন্তু পরী অটল।।বিষয়টি পরী আশিক কে জানায়,,,,,,,,,

সাথেই থাকুন,,,,,,,আসছি

সিএসএম পেইজের বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon এর পরিসংখ্যান মতে


সিএসএম পেইজের বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon এর পরিসংখ্যান মতে Atiq Csm এর পরে উদীয়মান কিশোর (বিয়ে করে নাই বলে) লেখক Niaz Morshed জনির অবস্থান। আজকে এখন পর্যন্ত তার লেখা ১৯৬ টি। মানে ডাবল সেঞ্চুরির অতি সন্নিকটে। প্রথম প্রথম জনি এই পেইজে তার আপাদের নিয়ে বেশির ভাগ লেখা লিখত। তখন ভাবতাম হয়তো ছোটবেলার রেশটা এখনো কাটে নাই। কিন্তু তার ইদানিং কিছু লেখা দেখে মনে হচ্ছে জনি এখন আগের জনি নাই। পুরাই চেঞ্জ। তার কিছু পোষ্ট দেখে আমি আসলেই অবাক হয়ে গেছি। কি অসাধারন স্মৃতিশক্তি! কি সুন্দর স্মৃতিচারন! ইদানিং কালের জনির লেখাগুলো পড়তে পড়তে কলনির চিত্রটা চোখের সামনে ভেসে উঠে। মনের অজান্তে কলনিতে চলে যায়। তোমার ভান্ডারে আর যা যা আছে সব বের করে দাও। ডাবল সেঞ্চুরি ও হবে। আর আমরাও নিজের অজান্তে কলনি থেকে একটু ঘুরে আসতে পারবো। ধন্যবাদ জনি। ভালো থেকেো, সুস্থ থেকো। দীর্ঘজীবী হও। যদি সিরিয়াল জনিত সমস্যা না থাকে তাহলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করে তোমার বউয়ের জন্য একটা জনি প্রিন্ট শাড়ি কিনো।

রেজা ভাই, আমার বড় ভাই


সেই ন্যাংটা কাল থেকে দেখে আসছি। আমার বাবুদা'র উপর যেমন আবদার/অধিকার, ঠিক তেমনি উনার উপর। কখনো কোন কথা বলতে ভাবতে হয় না, ভাই কিভাবে নেবে। মন খুলে বলে ফেলি। অসম্ভব পছন্দের একজন মানুষ আমার। 

আজ আমার ভাইয়ের জন্মদিন। যদি ক্ষমতা থাকতো বাংলাদেশে আজ সাধারন ছুটি ঘোষণা দিয়ে ভাইরে নিয়ে CSM পরিবারের সবার সাথে আড্ডা দিতাম(একটু বাড়াই বলছি আরি), কিন্তু সম্ভব না, তাই শেষ বেলায় চাঞ্চ পাওয়া মাত্র দুই লাইন লিখলাম।

ভাই, ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সারাফের মায়ের নাতি-পূতি নিয়েও আমাদের সাথে থাকবেন এই কামনা করি।

সাল ও সময় মনে নেই তবে মনে আছে সেই সময়ের ফ্যাশন


সাল ও সময় মনে নেই তবে মনে আছে সেই সময়ের ফ্যাশন। সাদা ফিনফিনের সাট, বেল্টবটম প্যান্ট আর হাইহিল সু। আমরা তখন থাকতাম ই-৮।

ইদের শপিংের জন্য বাবার সাথে গেলাম সেই ফেমাস রেয়াজউদ্দিন বাজারে। বাবা সবার জন্যি কেনাকাটা করছেন কিন্তু আমার জন্য কিনছে না। সাথে আমার ভাই টা আছেন। বললাম কিরে আমার টা কিনবি না। তর টা পরে কারন তুই যা চাইছিস বাবা তা তুকে কিনে দিবে না। বাবা আমাকে এ সাট ও প্যান্ট দেখায় কিন্তু সব টা তে আমার না। শেসে বকা জকা করে পেলাম সেই ফ্যাসনের সামগ্রিক সমুহ। 

আমার কি আনন্দ ধরে রে।।।।

একতলা, দোতলা, তিনতলা


ছেলেটির বাসা এক তলায়।আর মেয়ে টির দোতলায়। দুজনের প্রতিদিন জানালার কাছে আসলেই কখনো ইশারায়, কখনো চোখে চোখে কথা বলত।একদিন মেয়েটি অনুযোগ করল ছেলেটিকে,"
তোমার দিকে তাকাতে আমার চোখ নিচু করতে হয়।দোতলায় উঠতে পারো না"
ছেলেটা কিছু বলেনা।হাসে।একসময় ছেলেটির বাবার বদলির নোটিশ আসে।কলোনি র অন্য আরেক টি বিল্ডিং এ যাবার।এই টাও নিচতলা। শুনে মেয়েটি র মন খারাপ হয়।এতদিন ত তবুও চোখ নিচু করে দেখতে পেত।এখন ত দূরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু চোখের আড়াল হলেও মনের আড়াল হয়না একে অপরের।

একদিন ছেলেটি আবার ফিরে আসে মেয়েটি র কাছাকাছি আরেক টি বিল্ডিং এর বাসিন্দা হয়ে তবে এবার তিন তলার। মেয়েটি মনে মনে খুশি হয়।

এবার ছেলেটি বলে,"তুমি ত আমাকে নিচু চোখ করে দেখতে চাইতে না।এবার রাজহাঁস এর মত গলা উঁচু করে দেখতে পারবে"
এবার মেয়েটি কিছু বলে না।মিষ্টি করে হেসে উঠে দুজন।সে হাসিতে স্বর্গের দেবতারাও হেসে উঠেন

Monday, July 25, 2016

শিরিন আপু ,আপনার কথা রাখলাম


শিরিন আপু ,আপনার কথা রাখলাম ।আমরা CSM এর বাহিরে বিয়ে করেছি বলে কি আমাদের দাম নাই ?ধন্যবাদ আপু ।সুযোগ যখন পেয়েছি একটু ঢোল ও পিটায় লই ।আমি ঝুমুর ।এককালে চাঁদের বুড়ি নামে কলোনিতে খ্যাতি ছিল ।৯৫ ব্যাচ ।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন শাস্ত্রে অনার্স .মাস্টার্স করেছি ।এম .এড ও করেছি ।আমি পড়ালেখা করেছি সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য ।মূলত আমি সৃজনশীল মনের মানুষ ।তাই ১৮ বছর বয়স থেকেই আমি ফ্যাশন ডিজাইনে কাজ শুরু করেছি ।২০০৪ সালে একাত্ন দর্শন নামে নিজের একটি ফ্যাশন হাউজ চালু করি ।চট্টগ্রাম ,ঢাকা মিলিয়ে ছয়টি আউট লেট আমার ছিল ।পর পর সাত বছর বেস্ট সেলার এবং পাঁচ বার বেস্ট ডিজাইনার নির্বাচিত হই ।এখন কাজ কমিয়ে দিয়েছি প্রায় দেড় বছর ।অন লাইন ভিত্তিক কিছু ডিজাইনের কাজ এখন ও করছি তবে তা খুব স্বল্প ।ও আচ্ছা ,আমি হিলভিউ পাবলিক স্কুলে আছি ।সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ।কামরুল ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্সে আছে AVP . আমাদের একমাত্র সন্তান আরিন ।বয়স ছয় ।আমার স্কুলে ক্লাস ওয়ানে পড়ে ।আমাদের জন্য দোয়া রাখবেন ।ভাল থাকবেন সবাই ।

সাধাসিধা সেই মানুষ টি


আমরা যখন স্কুলে যাওয়া শুরু করি তখন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন প্রয়াত শ্রদ্ধেয় আহমদ কবির স্যার। উনার আগে নাকি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন প্রয়াত শ্রদ্ধেয় ইউনুস স্যার। তবে স্যারকে দেখতাম দোতলার খালেক কাকার বাসায় উনার মেয়েদের কে পড়াতেআসতেন।

রিনা আপার সাথে পড়তেন Jashim Uddin ভাইয়ের বউ রুবা আপা। পলি আপাও আসতেন।আর রুমা আপার সাথে আমার আপারা পড়তেন। স্যারকে দেখতাম পাঞ্জাবী পড়ে আসতেন।দুপুরবেলা। ধীরে ধীরে হাটতেন। মাটির দিকে তাকিয়ে।চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। হাতে ইংরেজি বই। 

বড়দের মুখে শুনতাম স্যার ইংরেজি খুব ভাল পড়াতেন। ইংরেজি অভিধান স্যারের নাকি মুখস্থ ছিল। ১৯৯৩ এর পর স্যারকে আর দেখিনি।আমি যদিও স্যারের ছাত্র ছিলাম না, কিন্তু উনার প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা অনুভব করতাম।

মন বসে না পড়ার টেবিলে


তখন ৯০ এর দশক।মোবাইল,ফেসবুক ছিল না। রাত ৯ টা।কলোনি র কোন ১ টা বাসা। ২য় তলা। বাসার কোনার রুমে জানালার পাশে টেবিলে বসে বড় মেয়েটি পড়ছে। কালকে ক্লাস টেস্ট। বাসার সবাই অন্য রুমে টিভি দেখছে। মেয়েটি অনেক করে চাইছে পড়ায় মন বসাতে। এমন সময় অন্য আরেক বিল্ডিং এর ছেলেটা বের হয়। সিগারেট এ আগুন ধরায়। হাটতে শুরু করে।এমন সময় মেয়েটি র চোখ যায় ছেলেটির দিকে। সে কিছু বলতে চায়। কিন্তু ছেলেটি সেদিকে খেয়াল করেনা। যদিও তারও কিছু বলার আছে মেয়েটি কে। এদিকে মেয়েটি চিতকার করতে পারছে না। বাসার সবাই,আশেপাশের সবাই টের পেয়ে যাবে। কি করবে সে,ছেলেটা কেন তার দিকে ফিরে তাকাচ্ছে না। এদিকে সে ত পড়ায় মন বসাতে পারছেনা। কাগজ মুড়ে ছেলেটার দিকে ছুড়ে মারে যাতে সে ফিরে তাকায়

কয়েক দিন ধরে পেইজে-কলোনীর সকল জুগলের সাফল্লের ছবি ছাপা হচ্ছে


কয়েক দিন ধরে পেইজে-কলোনীর সকল জুগলের সাফল্লের ছবি ছাপা হচ্ছে। কিন্ত ব্যার্থতার কোন স্থান এখানে নেই। তাই হালকার উপর ত্রি-বন্ধুর ব্যার্থতার কাহিনী এবং আমার এক প্রিয় ছাত্রী-মনিরুন নাহার ময়না-বন্ধু অনুপ সম্পর্কে কিছু লেখার জন্য অনুরোধ করেছিল। আমিও কথা দিয়েছিলাম লিখব বলে-তাই এই লেখা। এফ-10নং বিল্ডিং এ আমারা টিন-এইজ তিনজন ছিলাম-আমাদের ওস্তাদ অনুপ (কৃষ্ণ)/সম্রাট সাহেব-বাবু (চন্ডি দাস) আর আমি (ফরহাদ)। আমাদের প্রেম কুঞ্জ ছিল এফ-10নং বিল্ডিং এর 24নং রুম। রুমটি আমারা আমাদের আর এক বন্ধু এখন হালিশহরে থাকে নাম-মনির, এখন দাড়ি রেখেছে, মাঝে মাঝে ফেসবুকে ডু মারে। মনিররা হালিশহেরে চলে যাওয়ায়-তখন স্টিল মিলের রুম ভাড়া দেওয়ার রেওয়াজ না থাকায় আমাদের অভিভাবকগণ ছেলেদের একটু ভাল লেখা-পড়ার জন্য আমি আর অনুপ ঐ রুমেই লেখা-পড়া করতাম। আমাদের ভাল লাগার মুনেষেরা থাকত এফ-11নং বিল্ডিংএ। আমাদের জানালার পাশ দিয়েই তারা স্কুলে যেত। আমরা উপর থেকে দেখতাম। অনুপ কে বললাম-কিরে? কোন কিছুতো বুছতে পারতেছি না। তখন অনুপ দার্শনিকের মত বলত-‘‘লাইফ ইজ রেইস”। অপেক্ষা কর। আমি আর সম্রাট সাহেব ছিলাম-অনুপের সাইট নায়ক অনেকটা সখার মত। সে একদিন আমার পছন্দের মেয়েটিকে গিয়ে-আমার সম্পর্কে অনেক কিছু বলল এবং ‘‘হুজরের পাতে দই নেই”-স্টাইলে ওর ভাল লাগার কথা ওর পছন্দের মেয়েটিকে বলতে বললো। ওর পছন্দের মেয়েটিছিল অসম্বব বুদ্ধিমতী, মেয়ে শুনে বললো-মুখের কথায় হবে না। ডুকেমেন্ট লাগবে। অনুপ বললো-দোস্ত, আমাকে একটা চিঠি লিখে দেয়। নিজের জন্য নয়-অনুপের জন্য জীবনের প্রথম প্রেম পত্র লেখা। ওয়ার্কার ক্লাবের জানালা দিয়ে-টেলিভিশনের নাটক থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহণের চেষ্টা করতাম। অনুপ আমাকে বিভিন্ন নাটক থেকে কিছু টিপস দিল-মেয়েদেরকে সব সময় দৌড়ের উপর রাখতে হবে, তাহলেই সাড়া দিবে, মাঝে মাঝে রূপের প্রসংশা করতে হবে আর নায়ক আফজাল হোসেন এর মত কবিতা বলতে হবে-‘‘সুরঞ্জনা ঐ খানে যেও নাকো তুমি, বলোনাতো কথা ঐ যুবুকের সাথে, ফিরে এসো সুরঞ্জনা” এই স্টাইলে।েআমি বললাম-দৌড়ের উপর রাখবি কি করে? তুই নিজেইতো দৌরের উপর থাকস! অনেক কষ্ট করে আমরা অনুপের জন্য কবিতা লিখলাম-
কাজল কালো চোখ দুটো তোমার 
স্নিগ্ধ কোমল হাসি, 
শ্যামলা বরন মেয়ে তোমাকে 
বড্ড ভাল বাসি।

বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon এর পরিসংখ্যান মতে


বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon এর পরিসংখ্যান মতে Atiq Csm লেখালেখির ক্ষেত্রে ৩৩৯ দিনে ৩০০ টা লেখার পোষ্ট দিয়েছে। যা আতিককে এই পেইজের সর্বোচ্চ লেখক হিসাবে ভুষিত করেছে। এত অল্প সময়ে আতিকের কাছাকাছি যেতে পারে আর এক জন সে হলো Niaz Morshed জনি। জনি ছাড়া আর কেউ এত অল্প সময়ে ৩০০ টি লেখার পোষ্ট দিতে পারলেও অন্তত আমি দিতে পারবো না। 

আতিক আজকে একটা পোষ্ট দিয়েছে। সেই পোষ্টটা ভাল করে পড়ে দেখলাম সেখানে লাইক দেওয়ার মত কিছু নাই। তাছাড়া পোষ্টটা আমার পছন্দ হয় নাই। আর এখানে লাইক দেওয়া মানে আতিকের ঐ পোষ্টের শেষ লাইন দুটিকে মেনে নেওয়া। তাই লাইক দিলাম না। 

আতিকের পোষ্টে আতিক লিখছে - তার ভান্ডারে আর কিছু নাই, তাই হয়তো এটা তার শেষ লেখা। আতিকের সাথে আমার এই ব্যাপারে দ্বিমত আছে। কারন যারা লিখতে পারে তাদের স্টক শেষ বলে কিছু নেই। তারা যে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে পারে। তাই মনে হচ্ছে এটা কোন অজুহাত হতে পারে না। তবে আমার ধারনা হয়তো অন্য কারনে আতিক তার লেখা বন্ধ রাখতে চাইছে।

আতিক এই পেইজে অনেক সময় দেয়। অনেক লেখালেখি করে তাই হয়তো ও একটু টায়ার্ড কিংবা ওর কাছে হয়তো একঘেয়েমি লাগছে। যদি সেটা হয়ে থাকে তাহলে আতিককে বলবো পেইজে সময় একটু কমিয়ে দাও বা লেখার সংখা কমিয়ে দাও। তারপরেও লেখা দিতে হবে। কোন কিছুতেই লেখা বন্ধ করা যাবে না।

আর এখানে যারা লেখে তারা সবাই মনের আনন্দে লেখে। কে কি বললো এটা চিন্তা করে এখানে কেউ লেখে না। আর এটি চিন্তা করলে একটা লেখাও আসত কিনা সন্দেহ। অন্তত পক্ষে আমি দিতাম না।

পরিশেষে আতিককে বলতে চাই আদেশ, আবদার, আর অনুরোধ যেটাই মনে করনো কেন তোমাকে বলছি তুমি তোমার লেখা চালিয়ে যাও।

দু'দিন আগে মোর জুটির পিছনের গল্প সংক্ষেপে বলিয়াছিলাম


দু'দিন আগে মোর জুটির পিছনের গল্প সংক্ষেপে বলিয়াছিলাম।এখানে দুষ্টু কয়েকজন ছোট ভাই আছে।তাহারা যেখানে কিছু দেখিবে, সেখানে খুজিয়া দেখিবে, যদি কিছু পাওয়া যায় মন্দ কি!কিছুক্ষন আনন্দ পাইলাম তাতে ক্ষতি কি!কিন্তু মজা পাওয়ার তেমন কিছু আর নাই তাই লিখিলাম না।মামুন পরে একটি প্রসংশনীয় উদ্যোগ নিয়াছে 'সি এস এম জুটি'(স্বইচ্ছায় /অভিভাবকের ইচ্ছায়)।সকলকে দেখিতে ভালই লাগিতেছে।তবে যাহারা সি এস এম এর বাহিরে জুটিবদ্ধ হইয়াছেন উনারাও উনাদের ছবি দিলে ভাল লাগিবে।

নামে কি আসে যায়


নাম নিয়ে আমার মধ্যে কিছু কুসংস্কার আছে। নিজের নাম নিয়েও।আমার কেন জানি মনে হয় শ, আ,দিয়ে যাদের নামের শুরু এই মানুষগুলো অল্পতেই অনেক কিছু পেয়ে যায়। এইটা ভাবে আমি স্কুলে থাকতে একবার আমার নাম বদলাতে চেয়েছিলাম। আপা বলত, ক্লাস নাইনে রেজিস্ট্রেশন এর সময় নাম বদলান যায়। সেভাবে চিন্তা করে আমি শ দিয়ে একটা নাম ঠিক করে স্কুলে গেলাম।যাক,এবার আমার নাম বদলাবে।আর মন্দ ভাগ্য দূর হবে।কিন্তু না, বাদল স্যার এসে বললেন,সবাই যে নাম আছে,সে নাম লিখবে। বদলান যাবেনা।স্যারের মুখের উপর কিছু বলতে সাহস হল না।আমার নাম সেরকম থেকে গেল।

এই কথা টা মনে আসার কারন হল, একটা নাম ইদানীং আমার চোখে আসছে। জন্মের পর আমার বড় আপা আমার নাম রেখেছিলেন জিসান। কিন্তু আম্মার নাকি নাম টা অমুসলিম অমুসলিম মনে হত। তাই জিসান নামের স্থায়িত্ব বেশিদিন হল না।সে নাম বদলে হল জনি।এই নাম টা এমনিতেই আমার পছন্দ না।অনেকে ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারেনা। স্কুলে বন্ধুরা,জনি প্রিন্ট শাড়ি বলতে পারত না,বলত জনি প্রেম শাড়ি।

তাই জিসান নাম টার প্রতি আমার ভাল লাগা থেকে যাবে।

গতাকাল একটু আরামে ছিলাম


গতাকাল একটু আরামে ছিলাম। একদিন আরাম করলে পরদিন ঘাম ছুটে যায়। কিন্তু আজকেও কাজ কম। আজকেও রিলাক্স থাকতে ইচ্ছে করছে, কারন আগামি দুই/তিন দিন আবার চাপে থাকবো। ছোট একটা কাজ ছিল বালুছড়ায়। কাজটা খুবই ছোট কিন্তু সিস্টেমে পড়লে অনেক সময় অনেক সময় লাগে। অফিসে কাজ যেহেতু কম তাই আজকে বালুচড়ায় (অক্সিজেনের পরে) মনে করেছিলাম এখানে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু বিশ মিনিটের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে গেলো। তারপর কোন কাজ নাই তাই আর কি করবো। তাই অনন্যা আবাসিকে একটু ঘুরতে আসলাম। খুব সুন্দর জায়গা, সুন্দর রাস্তা। নিরিবিলি পরিবেশ।

শৈশবের দুরন্তপনা


বেয়ারিং দিয়ে কাঠের এইরকম বানানো গাড়ি প্রথম দেখেছিলাম ক্লাস সিক্স/সেভেন এ থাকতে বিএইচ১ এর তৃতীয় তলায় রুবেলের মামার কাছে। সে গাড়িতে বসে আর আমি তাকে পিছন দিক থেকে ঠেলতে থাকি।এক সময় আমিও বসে চালালাম।পরবর্তিতে আমিও বিয়ারিং জোগার করে বানালাম এক গাড়ি।বিল্ডিং এর করিডোরে কত খেলা, পিছন থেকে বেশী ঠেলা দেওয়াতে হাত স্টিয়ারিং এর নিচে পড়ে কত হাত ছিঁড়েছি ।।

শৈশবের আরেকটা খেলা ছিল লোহার শিক কে নিচের দিকে বাঁকিয়ে ছোট গাড়ির চাকার টায়ার দিয়ে খেলা।শিকের বাঁকানো অংশে টায়ার দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া।বিএইচ১ এর নিচের এবং ৩ তলায় এই খেলা খেলতাম , মাঝে মাঝে রাস্তায় যেতাম।অনেকে আবার টায়ার এর পরিবর্তে লোহার রিং ব্যাবহার করত, ওইটাতেও একটা সুন্দর আওয়াজো হতো।

শীতকালে দেশের বার্ষিক পরীক্ষার পর বাড়িতে বেড়াতে গেলে বড় গাছের বড় পাতা ওয়ালা ডাল ভেঙ্গে, ডালের চওড়া অংশে বসতাম আর আরেকজন সরু অংশ ধরে টানতো।খুবই মজার খেলা ছিল।।



পেজে কেমন যেন উৎসব উৎসব মূখরিত


পেজে কেমন যেন উৎসব উৎসব মূখরিত । দেখে ভালই লাগছে ,যেমন :- আমি পাগলও এখন পেজে লিখি , ভাবতে ভালই লাগছে । ২০শে আগষ্ট পেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী , ঐ দিন নিঁয়ে অনেকে অনেক রকমের ভাবনা । আমি এতো ভাবনা বা পরিকল্পনায় নেই , সবাই মিলে একটু আড্ডা দিবো গল্প করবো এতো টুকুই । গ্র্যান্ড আড্ডাটা ছিল ভিন্ন , পুরো দুইটা মাস ছিল উৎসব মূখরিত । কুপন বিক্রয় বা বিলিতে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না , তারপরও নিজ তাগিতে কুপন বিলি করি চট্টগ্রাম শহরের এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে । শুধু কি শহর ? শহরের বাহিরেও গিয়েছিলাম এই কুপন বিলি করিতে ! পুরনো মানুষ গুলোর সাথে আবার যোগাযোগ বৃদ্বি হয় । গ্র্যান্ড আড্ডার দিন আমার মেয়েটা অনেক মজা করেছে । গত ১৬ই জুলাই আমার মেয়ে নুসফিকার জন্মদিন গেল , মেয়ের পিরাপিরিতে ঘরে ছোট আকারে প্রোগ্রাম করতে হয় এতে- জসিম ভাই, নাজমুল ভাই, নিরু ভাই, মাসুক ভাই, মামুন ভাই, পুলক, টিপু, সুজন উপস্তিত হয় । মেয়েটা অনেক খুশি হয় , তার মামা, নানী ও খালার সাথে ফোন আলাপে বলতে শুনলাম - সিএসএম তার জন্মদিনে এসেছে । নাজমুল ভাইয়ের হাত থেকে পুতুল একটা পেয়ে মহাখুশি , তার স্কুলেও নাকি বলেছে সিএসএম তার বার্থ ডে তে পুতুল দিছে । মেয়ে আমার যা বুঝেছে তাই বলেছে । মোবাইল হাতে নিয়ে ফেইসবুকে বসতে দেখলেই মেয়েটা বল উঠবে- বাবা এখন সিএসএম-এ । আমার বৌটাও মাঝে মাঝে খুবই ক্ষেপে উঠে বকবক করে বলতে থাকে - সারাদিন ফেইসবুক , সারাদিন কিসের সিএসএম কিন্তু ফোনে তার মা ও ভাইদের সাথে আলাপ কালে সিএসএম-এর অনেকের প্রসংশা করতেও শুনেছিলাম । ২৯শে জুলাই রোজ শুক্রবার বিকাল ৪টায় স্কুলে যাবো শুনে, সেও রাজি আমাদের স্টিল মিলস্ স্কুল দেখতে যাবে । সাথে ছোট বোন রেশমাও যাবে । ২০শে আগষ্ট পেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রোগ্রাম নিয়েও আমার বৌয়ে ভাল কৌতুহল দেখতেছি যেমন- প্রোগ্রাম কয়টা থেকে শুরু , কতজন হবে . কে কে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি । আমার ২বছর ৬মাসের ছেলেটাও সুজনের গাওয়া- হায় সিএসএম ,হ্যালো সিএসএম গানটা পছন্দ করে ও মাঝে মাঝে গায়ও - "আয় সিএম" । 

আসুন ২০শে আগষ্ট পেজের সবাই একত্রিত হয়ে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীটাকে সফল করি ।।

১২ আগস্ট ২০১৫ কলোনি স্মৃতি নিয়ে আমার টাইম লাইনে পরপর কয়েক টি লেখা দিলাম


১২ আগস্ট ২০১৫ কলোনি স্মৃতি নিয়ে আমার টাইম লাইনে পরপর কয়েক টি লেখা দিলাম, অনেকের কাছ থেকে উৎসাহ আসতে লাগলো। আমিও মনের আনন্দে লিখতে লাগলাম প্রতিদিন। ১৮ আগস্ট ২০১৫, বনানির এক রেস্টুরেন্টে রেজা ভাইয়ের সাথে একত্রে দুপুরের খাবার খেতে খেতে অনেক আলাপ হলো, এর মধ্যে তারিকের চিকিৎসার প্রাথমিক পরিকল্পনা সহ আরো দুয়েক টি চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যাপারে। ১৯ আগস্ট ২০১৫ আমার টাইম লাইনে মিঠু ভাইয়ের কোক কাহিনী নিয়ে লিখায় ব্যাপক ভার্চুয়াল আড্ডা যার নাম দিয়েছিলাম ট্যাংকির নিচের আড্ডা, সেখান থেকে আলাদা একটি পেজের প্রয়োজনীয়তা অনুভব, আর সেখান থেকেই Mahmudur Rashid Pulak তৈরি করল সবার প্রিয় এই পেজ। তারপরের ইতিহাস তো সবারই জানা। মনের আনন্দে বা জমানো সকল কথা শেয়ার করার জন্য একের পর এক লিখে গেছি এখানে। জানিনা আমি কি লিখেছি,, তবে কলোনি তে না যতটুকু পরিচিত তার চেয়েও বেশি পরিচিতি পেয়েছি এই পেজে, এই পেজে লেখালেখির জন্যই সুদূর আমেরিকা,কানাডা থেকে আমাকে ফোন করে আমার ব্যাক্তিগত ভালোমন্দ খোজ খবর নেয়। অথচ কলোনিতে হয়ত উনাদের সাথে আমার কথাই হয়নি। এই ভালোবাসা আর স্নেহ এই পেজের কল্যানেই। এখনতো আরো পরিপূর্ন হয়েছে এই পেজ, কয়েকজন তো খুবই ভালো মানের লেখক আছে এখানে, আছে ইর্ষনীয় কিছু দক্ষ সংগঠক। যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন ও সফল করার ক্ষমতা আছে।

আমার এতোসব লেখায় হয়ত অনেকে মনে কষ্ট পেয়েছেন, আমি তাদের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আর যদি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করে দেন বিতর্কিত লেখা গুলো, তাহলে আমি ঐ সব লেখা গুলো প্রত্যাহার করে নিব।
Al Amin Billah Shujon এর কাছ থেকে জানলাম আমার লেখা ৩০০ পার হয়েছে। যদিও আমি লেখা কাউন্টিং টাকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে করিনা। তারপরেও মনে একটা তৃপ্তি আসে। আমার ভান্ডারে শেয়ার করার মত আর কিছু নেই, আর আগের মত লিখে সেই মনের আনন্দও আর পাচ্ছিনা। তাই হয়ত আমি আর লিখবনা। এটাই সম্ভবত আমার শেষ লেখা।

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।



গতকাল একটি পোস্ট দিয়েছিলাম সেখানে বিখ্যাত হিন্দি ছবি দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েংগে'র নাম এসেছিল


গতকাল একটি পোস্ট দিয়েছিলাম সেখানে বিখ্যাত হিন্দি ছবি দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েংগে'র নাম এসেছিল। ৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কঠিন রোমান্টিক এই ছবিটি আমার মত, মতান্তরে এরশাদ কাক্কুর মত রোমান্টিক বালক দেখলোনা কেন সেটা এখনো মাথায় আসছেনা। দেখলাম তো দেখলাম সাত বছর পর ২০০২ সালে, যখন এরশাদ কাকুও বুড়া হই গেছে আর রোমান্টিসিজমও শেষ হয়ে গেছে।আসলে আমি মনে হয় তখন ( ছবিটির মুক্তিপ্রাপ্ত সময় ৯৫ সাল)এত রোমান্টিক ছিলাম যে আশেপাশে অন্য কিছু আর রোমান্টিক মনে হয়নি।

দোস্ত Riman Babu মামমা, তোমার কি মনে পড়ে ৯১/৯২ সালে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্য্যন্ত তোমার বাসায় হিন্দি ছবি দেখার আসর বসত। সাথে ছিল বুড়া মিয়া, Monir Zaman বাবু, মরাইয়া Mamunur Rashid Rashed। বিখ্যাত কেয়ামত সে কেয়ামত তক থেকে শুরু করে অঘা মগা যত রোমান্টিক হিন্দি ছবি আছে সবই আমরা দেখতাম। আমাদের নীতি ছিল " বাদ যাবেনা একটি রোমান্টিক ছবিও"-----------

"যুগ যুগ বেঁচে থাকো সব রোমিও
বেঁচে থাকো এরশাদ কাক্কু তুমিও"

Sunday, July 24, 2016

ডাঃ Rahim চাচার কথা তো সকলেরই মনে আছে


ডাঃ Rahim চাচার কথা তো সকলেরই মনে আছে।।হাসপাতালের ডাঃ ছিলেন।।সেই সাথে বাহিরেও মানে মেইন গেটের সামনেও উনি বসতেন এবং সেবা দিতেন।।উনি কিন্তু অনেককেই সুন্নত করিয়ে ছিলেন।।আমিও ওনার তালিকার একজন।।অত্যন্ত ভাল মনের একজন মানুষ ছিলেন এবং দেখতে খুবই সু-দর্শন ছিলেন।।সব সময় হাসি মুখে রোগী দেখতেন এবং রোগীর সমস্ত সমস্যা মন দিয়ে শুনতেন।।বাসা খুব সম্ভবত সি-টাইপে ছিল।।

আমি জানি না এই পেজের কারো সাথে ওনার যোগাযোগ আছে কিনা বা এই পেজ সম্পর্কে ওনি অবগত আছেন কিনা।।যদি থাকে বা না থাকে তবে ওনাকে যেন নক্ করা হয়।।আমার জানা মতে ওনি বর্তমানে হালিশহর আবাসিকে থাকেন।।ওনার সাথে সর্বশেষ আমার ছোট পুল পুলিশ লাইন মসজিদে দেখা হয়েছিল।।তবে ওনি আমাকে চিনতে পারেন নি।।কালের বিবর্তননে ওনার শারিরীক কাঠামোতে এসছে অনেক পরিবর্তন।।নেই আগের সেই উজ্বলতা।।অনেক মোটা হয়ে গিয়েছেন।।যদি সম্ভব হয় তাহলে যেন ওনাকে ২০আগষ্টে নক্ করা হয়।।

আশা রাখি সকলে আমার বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন।।

অভিযোগ পত্র


আজ আতিক ভাইয়ের "পোষ্ট মটেম পার্ট-৩" এর কিছু আপন্তিকর শব্দ ব্যবহার নিয়ে আমরা বিব্রত বোধ করেতেছি । বন্দ্বু ঝুমুর ঝুম ঝুম ঝুমু নদী-নালা , খাল-বিল , বন-জংগল ,প্রকৃতি খুবেই পছন্দ করে এবং ঘুরাফেরাও খুবেই পছন্দ করেন । কলোণীর খাল পাড়কে নদী আর তার আশপাশ বা চারপাশকে বন ভেবে মাঝে মধ্যে ঘুরতে যেত এই যা । ঘুরতে যাওয়ায় ঝুমুরের কিছু অভিজ্ঞতাও অর্জন হয় বটে । যেমন- বড় ভাইদের মুরগী চুরি করা দেখা এবং রান্না করে খাওয়া , চারজনে বসে মুনাজাতে বসা ইত্যাদি ইত্যাদি । তাই বলে "চীফ অফ বান্দর " ?? না, তা মেনে নেওয়া যায় না । এই শব্দে আমরা বিব্রত বোধ করছি এবং তীব্র প্রতিবাদ করছি । এই শব্দ ব্যবহারে বন্দু ঝুমু অপমান বোধ করিয়া এখনো পর্যন্ত কোন প্রকার অন্ন গ্রহন করছে না । তাই আমরা আতিক ভাইয়ের দৃষ্টান্তর মূলক শান্তি হিসেবে, আজই দ্রুত পার্সেল যোগে পুরান ঢাকার শাহী বিরিয়ানি দুই পেকেট পাঠানোর জন্যে আবেদন করছি । 

বিশেষ দৃষ্টি আর্কষনে অনুরোধ করছি ।

অনুলিপি 

স্বাস্হ্য ও পরিবেশ দপ্তর Khurshed Alam Manikমানিক ভাই । নারী বিষয়ক দপ্তর Rubina Akter Shireen শিরি বু । সমন্বয় দপ্তর Nazmul Huda নাজমুল ভাই । অভিযোগ দপ্তর Jashim Uddin জসিম ভাই । ভাষাবিদ Mdnurul Kabir Niru নিরু ভাই । প্রচার দপ্তর Aslamuddin Mamun মামুন ভাই । প্রসাশন দপ্তর Mahmudur Rashid Pulak !!

গতকল্য আমাদের Al Amin Billah Shujon কর্তৃক জ্ঞাত হইলাম


গতকল্য আমাদের Al Amin Billah Shujon কর্তৃক জ্ঞাত হইলাম সিএসএম পেজে এই অধম তিনশ খানা অখাদ্য পঁচা রদ্দিমাল লিখিয়া ফেলিয়াছে, ইহাতে আমিও মোটেও বিচলিত বা কুণ্ঠিত বোধ করিতেছিনা। কারন পঁচা জিনিস হইতে রদ্দিমালই বাহির হইবে, যাহা হউক সুজন কে ধন্যবাদ জানাইতেছি সে রবার্ট ব্রুসের ন্যায় অসীম ধৈর্য ধরিয়া এই অধমের পঁচা রদ্দিমাল সমূহ গননা করিয়াছে আবার উহা জনসম্মুখে প্রচার করিয়াছে। আমি আরো ধন্যবাদ জানাই যাহারা আমার তিনশ খানা পঁচা রদ্দিমাল নিজের নাক কান চাপিয়া ধরিয়া পড়িয়াছেন এবং আমাকে বাহবা দিয়াছেন। জনগনের এরুপ উৎসাহ দেখিয়া চিন্তা করিতেছি আমার তিনশ খানা বস্তাপচা মালামাল নিয়া পুস্তক আকারে বাহির করা যায় কিনা, যে পুস্তকের নাম হইবে " সিএসএম কলোনি তে আমার কুকীর্তি "। 

( বই ছাপানোর কাগজ তো আমার লাইগা ফ্রি, বই তো এক পাতাও বেচা হইব না, সের দরে বেইচা যা থাকব হেইটাই লাভ, হে হে হে)

দম লাগাকে হেইয়া


রিকশার পেছনের ছবির মত সবাই যখন নিজের চেহারা টা করছেন,তখন ১ টা কথা মনে পড়ে গেল।ছোটবেলায় ঈদের দিন আমরা কাজিন রা মিলে বেড়াতাম রিকশা করে।সারাদিন বেড়ানোর পর দুপুরে সিনেমা শুরুর আগে বাড়ি ফিরছি।এমন সময় রিকশা আটকে গেল।রিকশা ওয়ালা বললেন ধাক্কা দিতে হবে।না হলে পারবেন না।ত আমরা যারা ওই রিকশাতে চড়েছিলাম সবাই।নেমে ধাক্কা দিতে গেলাম। রিকশার পেছনে যেতেই দেখি অনেক গুলো নায়ক নায়িকার পোস্ট কার্ড লাগানো। মৌসুমি, সালমান শাহ সবার। 

মনে মনে ভাবলাম ধাক্কা দেবার সময় যে ছবিটা বেশি সুন্দর সেটা নিয়ে নেব।বুঝতে পারবেনা। ধাক্কা দিতে গিয়ে টান দিলাম সালমান শাহর ছবিতে কিন্তু উঠে হল সোনিয়া না কোন নায়িকার ছবি।ফালতু টাইপের। তারপর রিকশা করে বাড়ি ফিরে নিজের বোকামি নিয়ে হাসাহাসি। পরে অবশ্য খারাপ লেগেছিল এই ভেবে যে লোক টা হয়ত ঈদ উপলক্ষে তার রিকশা টা সাজানোর জন্য ছবিগুলো লাগিয়েছিল যা আমরা নষ্ট করতে চেয়েছিলাম

কোকে কখনও পাউরুটি চুবিয়ে খেয়েছেন


কোকে কখনও পাউরুটি চুবিয়ে খেয়েছেন, টেস্ট আছে, একবার খেয়ে দেখতে পারেন, আশা করি ভালো লাগবে। আমার প্রায়ই অসময়ে ক্ষুধা লাগে, তখন এই কোকে পাউরটি চুবিয়ে খেয়ে ফেলি। এ মেন্যু আমি কোথায় পেলাম সেই গল্পটি আসুন শুনি।

৯৩ সালের দিকের ঘটনা, বড় মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছে, সি টাইপ থেকে কোন টিম অংশ নেয়নি, কিন্তু সি টাইপের খেলোয়ার রা বিভিন্ন টীমের পক্ষ হয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। এক মাত্র আমি আর আর্মি রতন কোন টীম পাইনি। অবশেষে কোরবান আলী তার টীম জোনাকী সংঘের গক্ষে খেলার জন্য আমাকে আর রতন কে অনুরোধ করল , আমি আর রতন তো মহানন্দে রাজি হয়ে গেলাম, আমি দলের গোলকিপার আর রতন মিডফিল্ডে। কিন্ত আনন্দ আর বেশীক্ষন স্থায়ী হয়নি প্রথম খেলাতেই বিগক্ষ দলের কাছে ৫--০ গোলে হেরেছি, তার উপর গোল সেভ করতে গিয়ে আমার পরনের প্যান্ট চিচিংফাঁক,ভাগ্য ভালো জার্সি টি লম্বা ছিলো বলে ইজ্জত রক্ষা, এখনকার মত ‍স্লিম ফিটিং জার্সি হলে খবর আছিলো। পাঁচ গোল খেয়ে টীমের সবাই মুখটাকে বাংলার পাঁচ বানিয়ে যে যার বাসায় চলে গেলাম, সণ্ধ্যার পরে কোরবান আলী আমার আর রতনের বাসায় হাজির , তার আসার উদ্দেশ্য হলো, খেলায় হেরে গিয়ে তার মন খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল তাই সে আমাকে আর রতনকে আপ্যায়ন করাতে পারেনি, এখন সে আমাদের খাওয়াবে ,তাই সে জোর করে দু জনকে জেক্সে নিযে গেল, এবং সেখানে সে আমাদের জন্য কোক আর পাউরুটি অর্ডার দিলো, তার মেন্যু দেখে আমার ও রতনের ভিমড়ি খাওয়ার মত অবস্থা, কিন্ত মুখে কিছু বললাম না, ছেলেটো এতো শখ করে খাওয়াচ্ছে। কিন্ত সত্যি কথা সেদিন ঐ খাবার টি খেতে কিন্ত মোটেও খারাপ লাগেনি, আর খারাপ লাগবেই বা কেনো, এখানে শুধু কোক আর পাউরুটিই ছিলোনা , ছিলো কেরবান আলীর অকৃত্রিম আন্তরিকতা আর বুক ভরা ভালোবাসা।

অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আড্ডা খানা


অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আড্ডা খানা। দুপুরের পর থেকে আমি অফিসে ঝিমাইতেছি। আজ কাজ যা ছিল তা দুপুরের আগেই শেষ হয়ে গেছে। চিন্তা করছি বাসায় চলে যাব কিনা। আবার বাসায় গেলে উদাহরন সৃষ্টি হতে পারে। তাই বাসায়ও যাচ্ছি না। কলনিতে থাকার সময় স্কুল/কলেজ বন্ধ থাকলে, কোন কাজ না থাকলেও দুপুরে খাওয়ার পর বেরিয়ে পড়তাম। বাসা থেকে বের হয়ে বড় মাঠে বা ইউনুচের দোকানে কিংবা স্কুলের মাঠে গেলে কাউকে কাউকে পাওয়া যেত। এখনতো আমরা রোবর্টের মত যান্ত্রিক জীবন যাপন করছি। বাসা-অফিস-বাসা। সন্ধ্যায় বের হয়ে এলাকায় কিছুক্ষণ আড্ডা দেই। সেখানে আবার পঁয়ষট্টি বৎসরের বয়স্ক লোক থেকে ছাব্বিশ বছরের অবিবাহিত যুবক আছে। কিন্তু তারপরেও কলনির সেই হারিয়ে যাওয়া মজা টুকু পাই না। কলনির কেউ ফোন করলে বা দাওয়াত নির্ধিয়ায় চলে যায়। ছোট-বড় যে কোন অনুষ্টানে কলনির কেউ থাকলে খুবই ভাল লাগে। কলনির যে কোন প্রোগ্রামে (ইউক সে চায়ের দাওয়াত কিংবা শুধুই আড্ডা দেওয়া) যেতে যে রকম ভাল লাগে অন্য কোন প্রোগ্রামে যেতে আমার সে রকম ভাল লাগে না। তাই চেষ্টা করি যে কোন প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য। আর কোন কারনে মিস করলে মনের মধ্যে অসম্ভব খারাপ লাগে।

এইটা কি ড্রেস পড়লা??


কেন, তুমি নতুন রিলিজ হওয়া কাজল শাহরুখের দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েংগে ছবিটি দেখোনি। এই ডিজাইনের ড্রেস ওই ছবিতে কাজল পড়ছিল।।-----

না, আমি এসব হিন্দি ছবি দেখা টেখা ছেড়ে দিছি, আমি নিজেরেই এখন নায়ক মনে করি। তা ছাড়া জুহি চাওলা পরিহিত কোন জামার ডিজাইন হইলেও হইত। তাও মানা যেতো।।
-- এখনো খেত রয়ে গেছো।।-----

খেত থাকাই ভালো, খেতেই ফসল হয়।।
--------------------------------+-------------+-+++++--
৯৫ সালের রিলিজ প্রাপ্ত ছবিটি আমি প্রথম দেখছি ২০০২ সালে, ততদিনে ওই ছবির কাজলের ড্রেসটির ডিজাইনও খেতে পরিনত হয়ে গেছে।।
তবে আকাশি কালারের ওই ড্রেস টি সামনাসামনি দেখতে খারাপ ছিলনা। ভালোই লাগতো।

আমি মোটামুটি গুছিয়ে চলার চষ্টা করি


আমি মোটামুটি গুছিয়ে চলার চষ্টা করি। কিন্তু বেশির ভাগ সময় পারি না, সব উলট পালট হয়ে যায়। মাথা গরম তার জন্য। কোথাও গেলে সখানে যদি রাত্রি যাপন করতে হয় তাহলে সেখানে যা যা দরকার মুটামুটি সব কিছু নিয়ে যাই। ব্যাগ আগে থেকে গুছিয়ে রাখতে হয়। যাওয়ার সময় গুছাতে সব সময় কিছু না কিছু বাদ পড়ে যায়। আর সেখানে গিয়ে কখন কি করবো তা আগে থেকে সেট করে নেই। যদিও কখনও সেটিং মত হয় নাই। কারন আমি প্রিপারেশন নিয়ে যাই এক রকম হয়ে আরেক রকম। 

গ্র্যান্ড আড্ডার আগে মনে মনে অনেক কিছু ভাবছিলাম। এইটা করবো, সেইটা করবো, দৌঁড় দিবো, বন্ধুদের সাথে সারাদিন আড্ডা দিবো। দিনটা হবে স্মৃতিময় দিন। কিন্তু না কিছুই করতে পারি নাই। সারাদিন খাওয়া দাওয়ার পিছনেই পার করলাম। মাঝে মাঝে মঞ্চের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু বেশিক্ষন থাকতে পারতাম না। এইটা লাগবে, সেইটা লাগবে বলে ফোন দিয়ে ডাকা হত। 

তবে গ্র্যান্ড আড্ডায় মজা করতে পারি নাই বলে আমার কোন আফসোস তখনও ছিল না, এখনও নাই। তবে তখন একটা মনে ভয় ছিল "খাবার যদি কারো মন মত না হয়"!! খাবার কারো মন মত হয়েছি কিনা জানিনা, তবে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি।।

গ্র্যান্ড আড্ডার কথা মনে করে এখন আর কোন কিছুই আগে থেকে প্ল্যান করছি না। যখনের চিন্তা তখন দেখা যাবে।। যত্তসব আজাইরা প্যাঁচাল।

যদি লাইগ্যা যায়


৯০ দশকে হঠাৎ করে শুরু হয়েছিল ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলের লটারি।তাদের প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপন ছিল "যদি লাইগ্যা যায়"।লটারির ১ম পুরষ্কার ছিল প্রথম দিকে মনে হয় ২০লক্ষ টাকা যা পরবর্তিতে ৪০লক্ষ তে পৌঁছে।

তখন সপ্নে/কল্পনায় কতবার ১ম পুরষ্কার পেয়েছি,কিভাবে কিভাবে খরচ করব তার পরিকল্পনা করেছি।বেশী লটারি কিনতাম না।একটা কিনেই সেইটা নিয়েই কল্পনা।বিএইচ১ এর ২০/২০ফুট বাসায় বসে কত উচ্চবিলাসী চিন্তাভাবনা!!!
আজকাল তো সেইসব লটারি আর কিনাই হয়না!!...

ছোটবেলায় পড়াশোনা করতে ভাল লাগতো না


ছোটবেলায় পড়াশোনা করতে ভাল লাগতো না।তবে ছবি আঁকায় অসম্ভব আনন্দ পেতাম।পড়ার টেবিলে বসা থাকলেও লুকিয়ে লুকিয়ে ছবিই আঁকতাম।পরে কগজগুলো ছিড়ে ফেলতাম,কেউ যেন না দেখে সেজন্য।৭ম/৮ম শ্রেণীতে থাকতে চিন্তা করলাম যা আঁকবো লুকিয়ে রাখবো।বাসায় কেহ জানতো না তখনো।তারপর সি-টাইপের একতলায় আমরা ছিলাম যখন তখন তুমানকে(রেবার ছোট ভাই)দিয়ে প্রায়ই আর্ট পেপার আনাতাম।খুবই ভাল ছেলে ছিল।শান্ত স্বভাবের ছিল।যত দিন বলেছি এনে দিয়েছে।ওর জন্যই পেরেছি সবার চোখের আড়ালে নিজের মত করে ছবি আঁকতে।বছর শেষে কাগজ বিক্রির সময় বাবা মা চেক করে জানতে পারে আমি ছবি আঁকতে পারি।যেভাবে বলতাম তুমান আমাকে সেভাবেই কাগজ এনে দিত, কেউ টের পেত না।পরে ওর মৃ্ত্যু সংবাদ যখন শুনলাম চোখের সামনে ভেসে উঠলো সেই স্মৃতিগুলো।অন্যান্য স্মৃতিও আছে।তবে আমার কাছে ঐ স্মৃতিগুলিই আজীবন মনে রাখার মত।আজ তুমানের কথা ভেবে চোখের জল বেঁধে রাখতে পারলাম না।

ছোট ভাইটাকে যেন আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন, এই দোয়া করি।।

Rakiba Khanum Luna আমােদর Taj Suman এর ছোট বোন

- Kamar Uddin Komu

Rakiba Khanum Luna আমােদর Taj Suman এর ছোট বোন। '৯০ সালের ব্যাচ। ও লন্ডনে থাকে। অনেক বছর আজকে লুনার সাথে কথা হয়েছে। সে সিএসএম পেইজের অনেক গুনগান করলো। কিছুক্ষণ পর পর সিএসএম পেইজে না ঢুকলে ওর নাকি মনে হয় অনেক কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে। তাই কিছুক্ষণ পর পর পেইজে ঢুকে এবং স্ট্যাটাসগুলা দেখে। হয়তো সবগুলোতে লাইক / কমেন্টস করেনা বা করতে পারে না সময়ের অভাবে। অনেক সময় সে রান্না করতে করতেও নাকি ফেইসবুক চালায় তা শুধুমাত্র সিএসএম পেইজের কারনে। যদি কিছু মিস হয়ে যায়!! যারা এই পেইজ সৃষ্টি করছে এবং যারা পেইজে সময় দিচ্ছে তারা সহ সিএসএম পেইজের সবাইকে সে ধন্যবাদ জানিয়েছে। কারন এই পেইজের জন্য আমরা আবার এক হতে পেরেছি এবং আমরা একে অপরের কাছাকাছি আসতে পেরেছি।

যা আছে অনুভবে


কলোনি র যারা এই পেজে আছেন, বা ফেসবুকে আছেন তাদের অনেকের এলবামে দেখি কলোনি র পুরনো ছবি গুলো নিয়ে আলাদা কালেকশন আছে। আবার অনেকে লিখালিখির মাধ্যমে বা কলোনি র মানুষ গুলো র সাথে এক হওয়ার মাধ্যমে, আবেগ তাড়িত হয়ে তাদের ভালবাসার প্রকাশ ঘটান। আবার অনেকে ফেসবুকে কলোনি র বিভিন্ন স্থানের ছবি শেয়ার করে তাদের অনুভুতি শেয়ার করেন। দেখতে কিন্তু ভালই লাগে।

অনেকে আবার এগুলো র কোন টাই করতে পারেন না। তার মানে এই না যে তারা কলোনি র প্রতি কোন পিছুটান বা ভালবাসা অনুভব করেন না।তারাও এই স্মৃতি বিজড়িত জায়গার প্রতি বিশেষ টান অনুভব করেন।কিন্তু এটা শুধুই উপলব্ধি র বিষয়, দেখানো র মত কোন বিষয় না

Saturday, July 23, 2016

পুনরঃজন্ম !!!!!!


পেজের মাধ্যমে জানতে পারলাম আগামী ২০ আগষ্ট/১৬খ্রিঃ আমাদের পুনরঃজন্ম দিবস বা বর্ষপূর্তি বা মিলন মেলার জন্মপূর্তি।।ভাল লাগার পাশাপাশি বেশ অবাকও লাগছে।।মনে হচ্ছে আবার আমার কলোনিটার জন্ম হলো।।আবার আমার মা-বাবার আগমন ঘটলো।।আবার আমার জন্ম হলো।।আবার আমার সহপাঠীদের আগমন হলো।।ভাই বোন সকলের সমাগমে ভরে গেল আমার সিএসএম,,আমাদের সিএসএম।।

ধন্যবাদ জুকারবার্গ,,কারন তোমার জন্যই আবার আমাদের জন্ম।।আবার আমাদের এক হহওয়া।।আমাদের কলোনিটাকে বেজবা থেকে একান্তভাবে আমাদের করে আমাদের দখলে নিতে পাড়া।।

দোয়া করি আল্লাহ্'র কাছে,,এ বন্ধনটা যেন আমাদের অটুট থাকে আজীবন।।

২০ আগষ্ট সফল হোক।।

CSM মাজেজা


২০ শে আগস্ট CSM কলোনিবাসীর জন্য একটা আনন্দের দিন,কারন এই দিন একটি পেজ আমরা পেয়েছি যার মাধ্যমে আমরা অনেক হারানো আত্নার আত্মীয়দের সাথে পুনঃযোগাযোগ করতে পেরেছি যাদের কে আমরা অনেক খুজেছি, আমরা সার্থক এমন একটি পেজ তৈরি করতে পেরে, এখানে আমরা মনের মাধুরি মিশিয়ে আমাদের সব সৃতি রোমস্থ করতে পারি,কোন জড়তা থাকে না আরেক জন খোচা দিয়ে মজা করতে, ছোট বড় আজ সবাই বন্ধুর মত আড্ডা দিচ্ছি, এটাই হল CSM কলোনী পেজের মাজেজা, ধন্যবাদ সকল সদস্যদের যাদের কারনে আজও এই পেজ জমজমাট,

পরিশেষে ২০ শে আগস্টের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কে আমরা যে যেখানেই থাকিনা কেন জমজমাট উৎসবে পরিনত করি।
চট্রগ্রাম CSM উৎসবে সবাইকে আমন্তন জানাচ্ছি --------

বাংলা সিনেমায় দেখেছি সন্তান অথবা কেউ হারিয়ে গেলে গান শুরু হয়


বাংলা সিনেমায় দেখেছি সন্তান অথবা কেউ হারিয়ে গেলে গান শুরু হয়।গানের মাঝামাঝি এলে হারানো নিধি ফিরে পাওয়া যায়।। C.S.M.পেজে অবশ্যি কোন গানের প্রয়োজন হয়নি।কিভাবে কিভাবে যেন এখানে এসে সবাই মিলে গেছে।সবার কলরব,হাসিঠাট্টা অনেক দুর থেকে শোনা যায়।এখানে আম্রা সবাই খুব happy.happy.happy.we r a happy family.long live our family....

তারা ৩ জন


আমাদের ক্লাসের রাফি,আসিফ,সালাউদ্দিন। সবসময় একসাথে বসত।প্রথম বেঞ্চেও না,২ য় বেঞ্চেও না আবার শেষে র বেঞ্চেও না,একেবারে ৩ য় বেঞ্চে, জানালার পাশে।৩ জন একসাথে বসে এটা ও টা নিয়ে খুনসুটি, হাসাহাসি করত। রাফির কথার গাড়ি ছুটলে আর থামত না,আর সালাউদ্দিন এর সেন্স অব হিউমার ছিল দারুন।আসিফ হঠাত হঠাত হ্যালির ধুমকেতুর মত একটা দুইটা বলত। তিন জনে দুষ্টামি করলেও সীমা ছাড়াত না।আবার ক্লাসের বাইরেও একসাথে ঘুরত। ক্লাসের জানালা দিয়ে তাকিয়ে এটা ওটা খুজে বের করত কি নিয়ে মজা করা যায়। আবার পরীক্ষা আসলে তিন জনেই সিরিয়াস।কলোনি থেকে চলে আসার সময় ওদের থেকে বিদায় নিতে পারিনি।কিন্তু একদিন ঠিক আমাদের বাসায় এসে হাজির আর সবার আপডেট দিল।

এর অনেক বছর আসিফ আর রাফির সাথে দেখা হলেও সাল্লুর সাথে হয়নি।তিনজন ঠিক আগের মতই আছে।স্কুলের ড্রেস পড়িয়ে দিলে বোঝা যাবে না,এরা কি স্কুল ছাত্র না চাকরিজীবি?

পোস্টমর্টেম পর্ব ৩


আবারো লেখা পোস্টমর্টেম শুরু করি।
অপরাজেয় বাংগালী : মেজর সাব বাংগালী রাজিবের লেখা পড়লে মনে হয় যেন বুলেটেড আইটেম। আবেগের বুলেট দিয়া বহু গুরুত্বপূর্ণ ভেজাল সমাধান দিয়া দেয় বা সমাধানের রাস্তা দেখা দেখাই দিতে পারে।
Mahbub Liton ভালো লেখে। অনেক প্রত্যাশা ছিল। তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশাহত আমি।
Monirul Islam Khan Liton আজকাল দ্বীপ গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত। রহস্যটা যে কি, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আসেনি।
ঝুমুর ঝুমঝুম, লেখায় বেশিরভাগ সময়ই খালপাড়, বন জংগল পাওয়া যায়, রিপোর্ট বলছে উনি ছোট বেলায় সম্ভবত "চীফ অফ বান্দর " আছিল।
Mosaddeque Ali ভাইয়ের লেখা পোস্টমর্টেম করতে করতে ঘুমাই গেছিলাম, কে জানি স্বপ্নে মাথায় চাটি মাইরা কইল " ওরে নরাধম তোর এত বড় সাহস, তুই বড় ভাইয়ের লেখা নিয়া ফাইজলামি করতে চাস" স্বপ্নে এই চাটি খাইয়া ডরে আমার ঘুম ছুইটা গেছে। 
ভাই আমি আপনার কাছে মাফও চাই দোয়াও চাই।
এবারে আমি আমারে.. ধুর কি কই এগুলা, আসলে আমার লেখারে পোস্টমর্টেম করি এবার, আমি কি লিখি আমি নিজেও কনফিউজড থাকি। মূল লেখার চেয়ে লেখার ডাল পালা বেশি থাকে। তাই পাঠক রা পড়ে যে বিরক্ত হয় এটা আমি শিউর। আমার তো ধারনা গ্রুপের ৯০% মেম্বার আমার লেখা পড়েনা।আর গোলাপি বা সবুজি রা তো মনে হয় আমার লেখা দেখলে রাগে তাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ আছাড় মারে।
যাই হোক পোস্টমর্টেম পর্ব আপাতত এখানেই শেষ। আবার আসব হয়ত নতুন কিছু নিয়া।

দু'দিন যাবৎ অনেকে সুন্দর চেহারা গুলিকে পাথর টাইপের (prisma)


দু'দিন যাবৎ অনেকে সুন্দর চেহারা গুলিকে পাথর টাইপের (prisma) করে পোষ্ট করাতে ২০০২ সালের একটা কথা মনে পড়লো...মুনার বিয়েতে বউ বিউটি পার্লার থেকে সেজে এসে আমাকে খুব আল্লাদ করে জিঙ্গাসা করল "আমাকে কেমন লাগছে" আমি বোকার মত জবাব দিলাম প্লাসটিক প্লাসটিক লাগছে....এই উত্তরের মাশুল এখনও গুনতে হয় মাঝে মাঝে....

আকাশী পার্ট -2


আকাশী রং যখন সবাইকে মানায় তখন মেয়েরাও (বোনেরা) বাদ যাবে কেন? যেহেতু সবার ছবি একসাথে দেয়া সম্ভব হয়নি তাই কিছু ভাইদের ও বোনদের ছবি আকাশী পার্ট -2 তে দিয়ে দিলাম। যাদের ছবি আমার সংগ্রহে আছে তাদের গুলোই দিচ্ছি। আর যাদের ছবি দিতে পারছিনা আকাশের মত বিশাল মন নিয়ে আমায় ক্ষমা করবেন।

আজ ছুটির দিন তাই কিছুটা জাবর কাটা


NAVY vs. CSM

তখনো নেভি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা হয়নি। নেভির এক কেপ্টেনের ছোট ভাই পড়তো আমাদের এক ক্লাস ণীচে। দেখতে সুদর্শন, রোমিও রোমিও ভাব। একদিন আমাদের ব্যাচের সাথে বেয়াদবি করে বসলো। আর যায় কোথা। সাথে সাথে জবাব। জাফর,সালেহ,শাহ আলম তিন জন মিলে রোমিওর একেবারে মিও মিও করে ছাড়লো। বেচারার নাক-মুখ ফেটে একাকার। 

আমরা সেদিন সারাটা বিকেল একেবারে হিরোর ( জাফর হিরো আমরা চামচা) ভুমিকায় বুক ফুলিয়ে কলোনীর রাস্তায় মহড়া দিলাম,।অনেক অভিভাবক ও আমাদের বাহবা দিল - আমাদেরতো ফেপে ফুলে বেলুনের মত অবস্থা।
তবে মাগরেব নামাজের পর থেকেই বেলুনের বাতাস কমতে শুরু করলো যখন নেভি থেকে এক গাড়ি ট্রপ এল সন্ত্রাসীদের (?) ধরতে। নামাজ শেষে সবাই আতংকিত। অভিভাবকরাওও চিন্তিত। 

মাষ্টার মাইন্ড হিসাবে জাফরকে বললাম চল আমার বাসা খালি আছে। শাহ আলমকে বুদ্ধি দিলাম আমাদেরকে (আমি,জাফর নিয়াজি,সালেহ) ভিতরে রেখে বাইরে তালা দিয়ে বাসায় চলে যেতে। কথা মত কাজ।

এদিকে সাইরেন বাজিয়ে নেভির ট্রুপ এসে আমাদের বাসায় এল। বাইরে তালা দেখার পরও হাকাহাকি- ডাকাডাকি করলো। আমরা ভিতরে তখন চুপটি করে বসে তসবিহ পড়ছি।

কিছুহ্মন পর সব শান্ত হয়ে গেছে বুঝতে পেরে আমরা যে যার বাসায় ফিরে গেলাম।

পর দিন সকালে শুনলাম এস এন হক চাচা ( সিকিউরিটি অফিসার ) নেভির সাথে দেন দরবার করে সব সামলেছিলেন।

তারপর আর সেই রোমিওকে আর স্টিল মিল স্কুলে দেখা যায় নি।

সেই থেকে CSM এর সাথে NAVY''র একটা প্রাগৈতিহাসিক শত্রুতা বিরাজমান।
আতিক তোমাকে ধন্যবাদ, সেই পরম্পরাটা ধরে রাখার জন্য।

আমার প্রফেশন যে লাইনে, মানে যে জিনিসের ফেরিওয়ালা গিরি করি সেটা হচ্ছে কাগজ


আমার প্রফেশন যে লাইনে, মানে যে জিনিসের ফেরিওয়ালা গিরি করি সেটা হচ্ছে কাগজ। এই ব্যবসার মূল সিজন টা সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্য্যন্ত, যদিও আল্লাহ র অশেষ রহমতে টানা তিন বছর ধরেই আমাদের কাগজের রমরমা ব্যবসা যাচ্ছে। তারপরেও সামনে যেহেতু পিক সিজন আবার আমাদের নতুন একটি প্রজেক্ট এর কাজ হচ্ছে তাই চেয়ারম্যান সাহেবের দাবড়ানিতে প্রায় দু দিন পরপরই ফেরিওয়ালা গিরি করার জন্য বের হতে হয়। 

এবার একটু আমার ফেরিওয়ালা গিরির নমুনা দেই দুপুর ১২ টার দিকে অফিস থেকে বের হই, ব্যক্তিগত কোন কাজ থাকলে (প্রতি দিনই কিছু না কিছু থাকে),সেগুলো সেরে নেই, তারপর আস্তে ধীরে যেখানে ফেরি করি সেখানে যাই, গিয়ে কোন ব্যবসায়ীর ঘরে বসে হাল্কা চা নাস্তা , তুমুল আড্ডা চালাই,যেখানে ব্যবসায়ীক আলোচনার চেয়ে খাজুইরা আলোচনাই বেশী হয়।তারপর পুরান ঢাকার বিখ্যাত " খুশবু বিরয়ানী হাউজের" তেহারি দিয়ে লাঞ্চ। ( উম!! জিভে পানি আইসা পড়ছে)। এভাবেই সাড়ে তিনটা চারটা বেজে যায়। তারপর সোজা বাসায় গমন, বিকাল পাঁচটা/ সাড়ে পাঁচটা মধ্যে বাসায় পৌছে একটা ঘুম। 

অতএব ফেরিওয়ালা গিরি করাটা একবারে খারাপ না। আর ডিএ বিল তো আছেই।

যদিও আমার কাছে ঘন ঘন ফেরি করতে যেতে তেমন মজা লাগেনা। অফিসেই মজা লাগে, কারন সেখানেও একটা ঘুম দেই দুপুরে।

পুনশ্চ : মার্কেটিং বা ফেরি গিরিতে ১০ টা খাজুইরা আলোচনা থেকে একটা কিন্ত কাজের কথা উঠে আসে। আর তাতেই কিস্তিমাত।

মোরাল অফ দ্যা পোস্ট : প্রচন্ড জ্যামে পড়ছি, আজাইরা বসে কি করমু, তাই এ আজাইরা পোস্ট টা দিয়া দিলাম।

মসজিদের ওরশ


কলোনীতে সাধারণত নামাজ পড়তাম বিএইচ ১ এর পিছনে চইকা জামে মসজিদে তবে মাঝে মাঝে যেতাম বিশেষ উদ্দেশ্যে পুকুর পাড়ের মসজিদে যাহা তখন বাহিরের মসজিদ নামে পরিচিত ছিল।। বন্ধুরা মিলে একদিন পুকুর পাড়ের পাশ দিয়ে হেটে যেতে দেখলাম মসজিদের সামনেই ছোট গরু বাঁধা। ঘটনা বুইঝা ফেলাইতাম, বুইঝা নিতে হইতো, কারণ একেতো সেখানে নামাজ পড়তাম না ,তারপরে কোন প্রকার প্রচার থাকতোনা।সেইদিন একেবারে এশা'র আজানের সাথে সাথে মসজিদে হাজির হতাম।নামাজ শেষে নফল নামাজ পড়তাম,কারণ সময় ক্ষেপন করা।যাইহোক পরবর্তিতে মসজিদের বারান্দায় লাইন ধরে বসতাম।একেবারে গরম গরম আখনী বিরিয়ানি দেওয়া হতো।আহ কি স্বাদ!! সেদিন আশে পাশে অনেক বড় ভাইদের কেও দেখতাম যাদের মাঝে বেশীরভাগই ছিল সিজনাল নামাজী।।পরবর্তিতে মসজিদের অবস্থা দেখলাম আগের থেকে খারাপ হলো। আগে যেখানে দেখতাম গরু দিয়ে ওরশ দিত,পরে দেখা গেলো ছাগল দিয়ে ওরশ করতো।।

খেলাধুলায় সি এস এম


কলোনীতে থাকতে ফুটবল/ক্রিকেট খেলতাম বিএইচ১ এর সামনের মাঠেই।পরবর্তিতে ক্রিকেট খেলা চলে আসলো বিএইচ১ এর নিচের করিডোরে সংক্ষিপ্ত আকারে।বল গড়িয়ে করিডোরের বাহিরে গেলে চার রান আর সরাসরি বল বাহিরে গেলে আউট। ওয়ার্কার ক্লাবেও এই ফরম্যাটে ক্রিকেট খেলা হতো।সকাল বেলায় মাঝে মাঝে অফিসার ক্লাবের আহমেদ ভাইকে ম্যানেজ করে ক্লাবের ভিতর টেবিল টেনিস খেলতাম।শীতকালে ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য অফিসার ক্লাবের ব্যাডমিন্টন কোর্ট অনেক বছর দখলে রেখেছিলাম।একসময় আসলো বড় ভাইরা এবং চাচারা সহ ভলিবল খেলা শুরু করলো।এই খেলায় খুব মজা পাইছিলাম।খেলতাম তবে পিছন দিকে।।ইচ্ছা হতো সামনের দিকে থেকে চাপ মেরে খেলতে।এক বড় ভাই ছিলো ভিন্ন ভঙ্গীতে সার্ভ করতো(বল শুন্যে দিয়ে দৌড়ে এসে ফ্লিক করা)।বয়ঃসন্ধিকালে হঠাৎ এইসব খেলা বাদ দিয়ে কলোনীর শাখা রাস্তাতে শুরু হলো ফিল্ডিং খেলা।।ইহা ইভটিঞ্জিং নয়, একটুখানি পারস্পারিক হাসি বিনিময়।।আহা কি ছিল সেই যে আমার নান রঙের দিনগুলি...

তারিকের সাতার থেরাপী


ঈদের পরপরই তারিককে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সুইমিং পুলে ভর্তি করানো হয়েছে। সপ্তাহে চারদিন সুইমিং। ভার্সিটি এলাকার ভি আই পি রোড দিয়েই শিলু তারিককে সবসময় নিয়ে যায়।

তারিকের সব সুইমিং মুভমেন্ট আজ ক্যামেরা বন্দী করেছি। ইনশাল্লাহ এভাবে আর বেশ কিছুদিন চললেই মোটামুটি একটা লাইন আপে চলে আসবে। 

সুইমিং পুলে যে কথাগুলো আমাদেরকে প্রায়ই গিলতে হয় সেগুলো রীতিমত হাসির খোরাক যোগায়। ছোট্ট এক পুচকু বলছে "এত বড় মানুষ তুমি, লাইফ জ্যাকেট নিয়ে সাতার কাটছো?" ভার্সিটির তিন ছেলে বললো "কোমর সমান পানিতে সাতার শিখতে লাইফ জ্যাকেট লাগলে সাতার শিখা কি দরকার? আমার ঝটপট উত্তর "পানির ভয়েই লাইফ জ্যাকেটের আশ্রয় নিতে হয়েছে, যদি কোমর সমান পানিতে ডুবে যায়!!"

বি:দ্র: সেই ছোট্ট বেলা থেকেই তারিক সাতার কাটতে জানে। এখন যা হচ্ছে, সেটা হলো সাতার থেরাপী। 
Anisur Rahman Reza Ripon Akhtaruzzaman Atiq Csm Chand Sultana Fatima Zahra Abdullah Al Mamun Rafiqul Islam Nazmul Huda Jashim Uddin Mdnurul Kabir Niru

Md.Emrul Huda ওর কথা ভাবলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে


Md.Emrul Huda ওর কথা ভাবলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে, হাফ পেন্ট পড়ে দৌড় ঝাপ দেওয়া একটা পিচ্ছি ভাই। আজ মাশআল্লাহ সেও বাবা হয়ে গেছে আমারা বুড়া হয়ে গেছি। আবার কলোনীর কোন চাচা বা চাচী আমাকে বেটা বা বাবা বলে ডাকে তখন মনে হয় আমরা আগের বয়সেই আছি তখন যেমন ছিলাম....

একেই বলে রিজিক


একেই বলে রিজিক!!! কিছুক্ষন আগে আতিক ভাই উনার এক পোস্টে পুরান ঢাকার খুসবুর তেহেরীর কথা লিখেছিলেন। লেখাটি পড়ে ভীষন ইচ্ছা করছিলো খুশবুর তেহেরী খেতে একবার ভেবেছিলাম আতিক ভাইকে ফোন করে বলি ফিরার পথে আমার জন্য তেহেরী নিয়ে হাসপাতালে আসতে। বলা হয়নি সংকোচ করে। আতিক ভাইয়ের কাছে কি আমার মনের ইচ্ছার কথাটা পোছেছিলো??? কিছুক্ষন পরই দেখি আতিক ভাই তেহেরীর প্যাকেট হাতে হাসপাতালে আমার কেবিনে। এরই মধ্যে সুজনের পোস্টে জানতে পারলাম সিএসএম পেজে আতিক ভাইয়ের লেখার সংখ্যা তিনশ পূর্ন হয়েছে। আমার মনের ইচ্ছা পুরনের সাথে আতিক ভাইয়ের পেজে লেখার ত্রিপল সেঞ্চুরী সেলিব্রেট করছি খুশবুর তেহেরী দিয়ে।

প্রথম বেঞ্চ


বড়দের মুখে শুনতাম, স্কুলে সামনের বেঞ্চে যারা বসে,তারা নাকি ভাল ছাত্র।এই জন্য স্কুলে অনেক কে দেখতাম খুব সকালে স্কুলে গিয়ে ব্যাগ রেখে আসতে।একদিন খুব সকালবেলা দেখি মুন্নি আপা( উম্মে হানি আপার বোন) স্কুল ড্রেস পড়ে আসছেন বাসার থেকে। আমি জিজ্ঞেস করলাম,মুন্নি আপা, কই গেসিলেন? উনি বললেন, ব্যাগ রেখে আসলাম প্রথম বেঞ্চ এ।এখন আস্তে ধীরে স্কুলে গেলেই হবে।" 

স্কুলে ভর্তি হবার পর আমারো ধারনা ছিল, সামনের বেঞ্চে বসতেই হবে। যাদের রোল নং সামনের দিকে ছিল তারাই আমাদের স্কুলে সামনে বসত।একবার নাজিম উদ্দিন স্যার নিয়ম করেছিলেন যাদের রোল পেছনের দিকে তারা সামনে বসবে, তারা সামনে বসবে যাতে পড়া ফাকি দিতে না পারে। 

কিন্তু যতই দিন গেছে বুঝতে পেরেছি সামনের সারিতে বসার মানসিক চাপ। সব সময় তটস্থ থাকতে হত।এর চেয়ে যারা পেছনে বসে দুষ্টামি করত তারাই স্কুল জীবন ভাল ভাবে উপভোগ করতে পেরেছে