Friday, July 22, 2016

সবাই যখন প্রিজমা দিয়ে নিজের চেহারা কার্টুন এর মত করে ফেলছে তখন মনে পড়ল


সবাই যখন প্রিজমা দিয়ে নিজের চেহারা কার্টুন এর মত করে ফেলছে তখন মনে পড়ল, কলোনি তে শুক্রবার আসলেই দুপুরে ঘুমাতে চাইতাম না।জেগে থাকতাম। দেখা যেত রিতা দের বাসায় বা রুবি আপাদের বাসায় গিয়ে বসে থাকতাম। কারন কার্টুন দেখতে হবে। থান্ডার ক্যাটস।এই কার্টুন টা দেখা প্রথম কার্টুন। খুব পছন্দ করতাম। তখন ত বিটিভির দুপুরের অধিবেশন শুরু হত ৩ টা থেকে। প্রথমে একটা মিউজিক দিয়ে স্থির চিত্র,তারপর পবিত্র কোরান থেকে পাঠ, তারপর ত্রিপিটক বা বাইবেল বা গীতা পাঠ। অল্প সময়ের জন্য দেখাত।কিন্তু এক একটা মিনিট মনে হত অনেক দীর্ঘ। শেষ হতে চাইত না। বিরক্ত হয়ে যেতাম।আর যখন কার্টুন শেষ হয়ে যেত,মনে হত এত তাড়াতাড়ি কেন শেষ হয়ে গেল।

আর এখন সময় যে কত দ্রুত চলে যায়, টের পাই না।



লিখালিখির ক্ষেত্রে " রাইটার্স ব্লক" বলে একটি কথা আছে


লিখালিখির ক্ষেত্রে " রাইটার্স ব্লক" বলে একটি কথা আছে, মানে লেখকের লেখা বন্ধ হয়ে যায়, কি লিখবে বুঝতে পারেনা। যদিও আমি কোন লেখক নই, তাই আমার ব্লক হওয়ার কিছু নেই। (অবশ্য সে ক্ষেত্রে নিরু ভাই ও মামুন কে কি বলা যায় চিন্তা করছি, কারন তাদের ব্লক আছে)। যাহোক যা বলছিলাম, আজ সারাদিন মাথায় কোন আইডিয়া আসছিল না যে কিছু লিখব, এমনিতেই বাসায় থাকলে আমার কোন আইডিয়া আসেনা, তার উপর ছেলে টার সর্দি জ্বর লেগে আছে। ওরে নিয়া কিছুটা ব্যস্ততা তো আছেই। আমার লিখার আইডিয়া ভালো আসে অফিসে কিংবা রাস্তায় জ্যামে পড়লে।

সুতরাং আমি আছি আইডিয়া ব্লকে।

ফুল ফল রঙ ঢং নিয়ে লিখা যায়, কিন্ত ফুল আর রঙের উপর লিখা একটু রিস্কি বোধ করি হয়ে যায়। তাই পোষাকের উপর লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্ত ওখানে কোন না কোন ভাবে রঙ এসে যায়, সুতরাং এটা নিয়েও লিখা যাবেনা। এবার আসি সাংস্কৃতিক জগত নিয়ে, সেখানে কিছু লিখতে চাইলে অটোমেটিকালি জুহি চাওলা এসে পড়ে, জুহি চাওলার নাম নিলে আবার অনেকের মাথা আওলা হয়ে যায়, তখন তারা আবার আমার মাধুরী মামীরে নিয়ে নাচানাচি শুরু করে দেয়। আমার মামী রে (মাধুরী) নিয়া অন্য কেউ নাচানাচি করুক এটা কি আমার ভালো লাগবে? অতএব এই লাইনও বাদ।

খেলাধুলো নিয়ে কিছু বলব সে উপায় আছে? কোথাও কোন খোলা জায়গা নাই, সব ভরাট করে বিল্ডিং আর বিল্ডিং। বাচ্চারা খেলবে কোথায় আর আমিই বা কি লিখব?

আসলে দেখা যাচ্ছে শুধু রাইটার্স ব্লক বা আইডিয়া ব্লক নয় সবকিছুই ব্লক হয়ে যাচ্ছে।

আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম


আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম,ক্লাস তাড়াতাড়ি ছুটি হত,তখন অনেক ক্ষণ খেলার সময় পেতাম। ১ টা না বাজলে বা আম্মা না ডাকলে, বাসায় যাবার কথা, গোসল করার কথা ভুলেই যেতাম। মাঝে মাঝে খেলা খুব জমে উঠছে, এমন সময় দেখতাম, বড় কোন আপা ডাকছে, ছায়াছন্দ শুরু হয়ছে। এগুলো কে বলত চোরা অনুষ্ঠান, কারন নির্ধারিত সময়ের আগে টিভি তে দেখানো হত। মাঝে মাঝে রুনা লায়লার গানও দেখান হত। ছায়াছন্দের নাম শুনে আমরা খেলা বাদ দিয়ে পড়ি মরি করে ছুটতাম। বেশিরভাগ সময় দেখানো হত, ববিতার চুরি করেছ আমার মন টা কিংবা শরমিলা ঠাকুরের যেও না সাথি গান টা। তবে কয়েক টা গান দেখানোর পরে বন্ধ করে দেয়া হত।তখন খুব রাগ হত।এত মজার খেলা টা মাঠে মারা যেত। এখন ত বিনোদনের অনেক রসদ।তবে চোরা অনুষ্ঠান এর মত আকর্ষণ করেনা

তানিয়ার জন্য শুভ কামনা


কিছুহ্মন আগে ফোন করেছিল তাড়াহুড়োর মধ্যে। শুধু বুঝলাম আগরতলা যাছছে কবিতা পড়তে। কোন ব্যানারে কাদের অনুষ্ঠান, ভেনু,প্রতিপাদ্য - কিছুই জানা হয়নি। খেলা দেখা, শোনার মত কবিতার প্রতিও আমার দূরবলতা ছোটকাল থেকে ।

আমাদের জাতীয় পর্যায় এর অনেক অনুষ্টানে কোলকাতা,আগরতলা থেকে অনেক বিদগ্ধ কবিরা আসতেন - শামসুর রাহমান বেচে থাকতে। সেখনে বিষয় থাকতো, প্রতিপাদ্য থাকতো, থকতো আরো অনেক কিছু -----
সে যাই হোক" আমাদের তানিয়ার " জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা !!

কবিতা হোক দ্রোহ - ভালোবাসায় টক মিষ্টি আমের আচার। 
সাথে দু একটা ছোট্ট প্রশ্ন তানিয়ার কাছে । 
কোন ব্যানারে, কাদের সৌজন্যে,ভেন্যু,সময়, কোন কবিতা পড়ছো --এই সব ---??

খুব সকালে উঠেই ভাবছিলাম মামুন ভাইয়ের কোন পোস্ট দেখব


খুব সকালে উঠেই ভাবছিলাম মামুন ভাইয়ের কোন পোস্ট দেখব আমাদের গ্রুপের Mohammad Nazrul ভাই ওরফে টিংকু ভাইয়ের জন্মদিন উপলক্ষে। আজ আমাদের এই ভাইয়ের জন্মদিন। খুবই ভাল একটা দিন জন্মদিন উদযাপন এর জন্য। ছুটির দিন। ব্যক্তিগতজীবন এ উনি খুবই সন্তান বৎসল।আবার সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করেন। হাসিখুশি থাকতে চান।ভাই বোন দের প্রতি দায়িত্ববান মানুষ।পেজের যেকোন অনুষ্ঠান এ উনার সরব উপস্থিতি প্রমান করে কলোনি র প্রতি তার ভালবাসার ব্যাপার টা। আমি যখন নিরু ভাইয়ের অফিসে যাই,সেদিন টিংকু ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে অনেক কথা বলেন যেন আমার অনেকদিনের চেনা। দোয়া করি যেন আরো অনেক বছর এভাবে আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে পারি।বেচে থাকেন সুস্থভাবে,সুন্দর ভাবে।

তিনি একজন


আমরা যখন একটু একটু বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে তখন দেখতাম আমাদের বাসায় হুমায়ুন আহমেদের বই।আমার আপাই কিনতেন।কিন্তু আমাদের সেই বই পড়া নিষেধ ছিল।আমাদের জন্য ছিল বোতল ভুত,পিপলী বেগম।কিন্তু আমার পড়তে ইচ্ছা করত অনীশ, তোমাকে এই গল্প গুলো। আপার বইয়ের মলাটে এই প্রচ্ছদ গুলো দেখতাম। কিন্তু পড়তে পারতাম না। ভাবতাম কি এমন আছে যে পড়া যায় না। লুকিয়ে লুকিয়ে অনীশ পড়েছিলাম।দেখলাম খারাপ কিছুই নেই। এরপর আর বই পড়া হয়নি। বড় গল্পের বই এড়িয়ে যেতাম। রুপকথার গল্প পড়তেই দেখলাম ভাল লাগছে।

আপার থেকে অনেকেই বই পড়তে নিয়ে আর ফেরত দিত না।বলতেন হারিয়ে ফেলছেন। বিষয় টা আমার খুবই অপছন্দ ছিল।তাই একটু বড় হবার পর মানুশকে বই দেবার ব্যাপারে আমি কড়াকড়ি করি। এখন ত চাইলেই pdf ফাইলে অনেক বই বিনে পয়সায় পাওয়া যায়।কিন্তু নব্বই এর দশকে সবাই যখন হুমায়ুন আহমেদের বই য়ে আচ্ছন্ন হয়ে ছিল তখন বই কিনে পড়া টা কলোনি র অনেকের জন্য এত সহজ ছিল না

Thursday, July 21, 2016

জীবনের প্রথম যে জিনিস টা করা হয় সেটা মনে হয় কোন দিনই ভুলা যায়না


আমি কনফার্ম এই একটা লাইন পড়েই পাঠক বৃন্দ ( আমার এইসব আজাইরা প্যাঁচাল কয় জনে পাঠক পড়ে আল্লাহই জানে) নড়েচড়ে উঠেছে এটা ভেবে এইযে " এই গাধা টা মনে হয় তার কোন প্রেমের কাহিনী নিয়া আসছে"------ হুম ঠিকই আছে আমি আসলেই গাধা, কারন গাধারাই প্রেমে পড়ে, আর তার চেয়ে বড় গাধারা ওই প্রেম কাহিনী বলে বেড়ায়। সে হিসেবে আমি বড়সড় একটা গাধাই।

যা হোক আমি কোন আজ গাধামি করবনা, অর্থাৎ প্রেম পিরিতি নিয়ে কোন কিছু লিখবনা। আমি আজ লিখব আমার প্রথম মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে কাহিনী।

২০০৩ সাল, মোটামুটি অনেকেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে, এমনকি আমার অফিসের ( তখন আমি বসুন্ধরাগ্রুপে)পিওন ও মোবাইল চালায়। আশেপাশে র সহকর্মী রা তো আছেই, শুধু আমার কোন মোবাইল নেই।অল্প বেতন পাই তখন, মোবাইল কেনার সাহস করতেও পারিনা। অফিসে আমিই একমাত্র মোবাইল বিহীন মানুষ। নিজেকে কেমন জানি তুচ্ছ লাগছিল। 

( আমি জানি এ ধরনের চিন্তা ভাবনা ঠিক না)। এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে অফিস থেকে অল্প কিছু সেলস বোনাস পেলাম, তখন সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল কিনার, নিজে কিছু টাকা যোগাড় করলাম, এবার মোবাইল পছন্দ করার পালা, সাদা স্লিম সনি এরিকসনের একটি সেট পছন্দ হলো, সিম সহ লাগবে ১২০০০ টাকা, নিজেকে অসহায় লাগলো, আমার যা বাজেট এই সেট কিনতে গেলে আরো প্রায় ৫০% টাকা লাগবে, একজন থেকে কিছু লোন নিলাম, খালার কাছ থেকে নিলাম ২৫০০ টাকা। যদিও খালা এই টাকা আর ফেরত নেননি। অবশেষে কিনলাম সেই কাংখিত ফোন। কি যে আনন্দ লেগেছিল সেদিন। আমার আচার আচরন সেদিন ছোট বাচ্চাদের মত হয়ে গিয়েছিল। রাতের বেলা মোবাইল সেট আর সেটের বক্স পাশে রেখে ঘুমিয়েছিলাম। মাঝরাতে ঘুম ভেংগে মোবাইল সেট টি নেড়েচেড়ে দেখেছি। হাস্যকর সব কাজ। এমন কি এই সেট কেনার তারিখ টিও মনে আছে, ২৮ এপ্রিল ২০০৩,টানা তিন বছর এ মোবাইল সেট টি ব্যবহার করেছি। তারপর নষ্ট হয়ে যায়, এরপর সেট টি কোথায় যেন হারিয়ে যায়। আজ এই মোবাইল সেট টির কথা খুব মনে পড়ছে। জীবনের প্রথম সেট তাও আবার নিজের টাকায় কেনা একমাত্র সেট। এরপর যে সেটই কিনেছি সবগুলার বিল অফিস থেকে পেতাম।

আবার রঙ নিয়ে রংবাজি শুরু হই গেছে


আবার রঙ নিয়ে রংবাজি শুরু হই গেছে। এবারের রংবাজ হচ্ছে Farhana Islam Rony . তবে স্বস্তিদায়ক ব্যাপার হচ্ছে এই রংবাজি কোন ফুল নিয়ে নয়। এবারের রংবাজি পরনের জামার কালার নিয়া।আজকের রংবাজির রঙ ছিল সবুজ ( আল্লাহ বাচাইছে গোলাপি রঙ যে না)। যাই হোক রনির এই রংবাজিতে অনেকের পাশাপাশি আমার নাম ও চেহারা খানিও স্থান পাইছে। সে জন্য রনিকে সবুজ রঙ এর যে কোন ফুলের শুভেচ্ছা। ( অনির্দিষ্টকালের জন্য গোলাপ শুভেচ্ছা নিষিদ্ধ আছে তাই, গোলাপ শুভেচ্ছা কইলাম না)। 

যাই হোক গোয়েন্দা সূত্রে রিপোর্ট পাওয়া গেছে যে রনি এরপর হলুদ কালারের রংবাজি করবে,, তাই আমি যাতে ওই রংবাজি লিস্টে থাকি তাই এই ছবি খানা দেওয়া হইল। রনি রনির মত করিয়া ছবি সাইজ কইরা নিও।

( স্টিলার তিন প্রজন্ম।
২০১৩ সালের ঈদুল ফিতরে তোলা ছবি, উল্লেখ্য আমি তখন জংগী থুক্কু ডেঙ্গু আক্রমনের শিকার, মানে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান ছিলাম)

তানিয়া আপু


স্কুল লাইফে যে কজন আপুর সাথে আমি এবং আমরা বেশি দুষ্টমি করতাম তার মধ্যে অন্যতম ছিল তানিয়া আপু। আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু জাহেদ এর বড় বোন হলেন এই তানিয়া আপু। উনার সাথে যখন আমরা দুষ্টমি করতাম উনি তখন শুধু হাসত কিন্তু কোনদিন আমাদের বকা দেন নি বা বিরক্ত হননি। জাহেদ কে বলতাম আমরা আপুকে এত রাগাই তারপর আপু কেন আমাদের কিছু বলে না। জাহেদ বলত আপু তোদেরকে খুব পছন্দ করে তাই কিছু বলে না। এই তানিয়া আপুর সাথে আমার সর্বশেষ দেখা হইছে এবং কথা হইছে সেই ২০০০ সালে। আমি উনাকে মনে হয় ভুলেই গিয়েছিলাম।

এরপর উনাকে দেখলাম ২৯ জানুয়ারি ২০১৬ তে। আমাদের প্রিয় গ্র্যান্ড আড্ডায়। আমি দাঁড়িয়ে আছি আর উনি আমার সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। আমি বললাম আপু আসসালামুয়ালাইকুম। উনি সালামের উত্তর নিল। আমি বললাম আপু আমাকে চিনছেন। উনার চাহুনি দেখে বুজলাম উনি আমাকে চিনতে পারছে না বা চিনতে কষ্ট হচ্ছে। আমি বললাম আমি সুজন, আপনার ছোট ভাই জাহেদ এর ফ্রেন্ড। উনি তারপরও আমাকে ঠিকমত চিনতে পারলনা। তারপরও বলল চিনছি। যাই হোক আড্ডায় উনার সাথে আমার আর কথা বা দেখা হয়নি কিন্তু আমি উনার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা খুবই উপভোগ করেছি।

আড্ডার পর ভাবলাম আপুকে ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠাবো। কিন্তু আমি ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠানোর আগেই উনি আমাকে ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠাল। বুজলাম উনি আমাকে চিনতে পেরেছে। তারপর একদিন অনেক্ষণ উনার সাথে চ্যাট হল। বলল একদিন উনার সাথে দেখা করার জন্য, আমাকে আইচক্রিম খায়াবে। কিন্তু আর দেখা করা হয়নি।

এরপর আবার দেখা হল গ্র্যান্ড ইফতার পার্টিতে। কিন্তু সময়ের অভাবে উনার সাথে ঠিকমত কথা বলা হয়নি।

গত ১৭ জুলাই রাতে গিয়েছিলাম বাবু ভাইয়ের ছেলে আর টিপু ভাইয়ের ভাতিজার জন্মদিনে।আবার দেখা হলো তানিয়া আপুসহ অনেক ভাইয়া আপুদের সাথে। আপুকে বললাম আমাকে এইবার চিনতে পেরেছেন। আপু হেসে বলল তোরে চিনব না, তুই হল ......।

এরপর অনেকক্ষণ আপুর সাথে কথা হল। তারপর আপুর সাথে একটা সেলফি তুললাম।

কিছু স্মৃতি


ছোট বেলায় আমার বেশির ভাগ সময় কাটতো জাফর ভাইদের বাসায়।ওনাদের একমাত্র বোন মুন্নী আপার সাথে।সারাক্ষন আমি ওনার সাথেই থাকতাম।ঈদের সময়ও ওনার সাথেই বেড়াতে যেতাম।জাফরভাই, সফি আলম ভাই,খালাম্মা, কাকা সবাই খুব আদর করতো।এমনকি ওনাদের বাড়ি থেকে যত মেহমান আসতো সবাই আমাকে চিনত। খুব মিস করি সেসব দিনগুলো।

পোস্টমর্টেম : পর্ব ২


লেখকের পোস্টমর্টেম থুক্কু লেখকের লেখার পোস্টমর্টেম শুরু করি দেই কি বলেন। আচ্ছা শুরু করি।

Ahsanul Tarique ফাইটার বয়, খুব কম লেখে, যখন লিখে কলোনি টা কে চোখের সামনে নিয়ে আসে।

Al Amin Billah Shujon : ওরে কি লেখক বলব না গবেষক বলব, নাকি পরিসংখ্যান বিদ বলব এটা নিয়া পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কনফিউশন দেখা দিছে।

Aslamuddin Mamun ওর লেখায়ও কনফিউশন সৃষ্টি হইছে এজন্য যে এগুলা কি তথ্য অধিদফতর এর প্রেস নোট নাকি সরকারি গেজেট?

Farhana Sammi Farhana Sammi :পারিবারিক বোঝাপড়া গুলো চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।

Farhana Islam Rony আচমকা দারুন সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়। ( যেমন আজ সবুজ রঙ এর জামা)

Shajib Kumer Dey মগা মাঝেমধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিবের মত স্টেটমেন্ট দিয়া দেয়। এই স্টেটমেন্টে আবেগও থাকে। কমেন্টস গুলো কিছুটা এটাকিং হয়।

Monirul Islam Monir এই শালা যে এতো ভালো লেখতে পারে আমি জানতাম না। কলোনিতে শালার লেখালেখি প্রতিভা ছিল পিকনিকের বাজারের লিস্ট তৈরি আর ফার্মেসি তে ঔষধ বিক্রির হিসাব পর্য্যন্ত।

Jashim Uddin ভাই, প্রেমিক পুরুষ, বলা যায় বিদ্রোহী প্রেমিক পুরুষ, সংগ্রামী প্রেমিক এবং অতি অবশ্যই সফল প্রেমিক। তাই লেখায় বিপ্লবী রোমান্স থাকে।

Samee Sam ওর লেখা পোস্টমর্টেম করতে গিয়া বাংলা টু বাংলা ডিকশনারি লাগছে, বাংলা একাডেমী ও ছুটাছুটি করা লাগছে। আর হিহি হি তো আছেই।

যাই হোক আজকের ময়নাতদন্ত এ পর্য্যন্তই, আরো কিছু লাশ ধুর আবারো মিস্টেক করি ফেললাম, আরো কিছু লেখকের লেখা ময়নাতদন্ত দেখি করা যায় কিনা।

কয়েক দিন আগে-বড় বড় তিনটা ফোড়া উঠিল দুইটি পিছনের দুই রানের শুরুর অংশে


কয়েক দিন আগে-বড় বড় তিনটা ফোড়া উঠিল দুইটি পিছনের দুই রানের শুরুর অংশে এবং বাকিটা পেটের নাভির একটু উপরে-অনেকটা আগের বঙ্গভূমির মানচিত্র-‘‘ব” দ্বীপের মত। অনেকে বলে বাগ্মীফোড়া, অনেকে বলে-বিষ ফোড়া। ফোড়ার এরূপ নামের রহস্য উৎঘাটন করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ফোন করিলাম-কেহ বলিল-এইরূপ ফোড়া উঠিলে টাকা পাওয়ার সম্ভবনা, কেউ বলিল-শরীরের সমস্ত দুর্ষিত বিষ ফোড়াকারে শরীর হইতে বাহির হয়, কেহ বলিল-ফোড়া উঠায় অনেক ব্যাথা ও কষ্ট সহ্য করতে হয়-তাই এর নাম বিষ ফোড়া। বন্ধু রেজা বলিল-দোস্ত এগুলো ডায়বেটিক হওয়ার প্রাথমিক লক্ষন। তারাতারি চিনি রোগ পরীক্ষা কর। মাথায় যেন বাজ পড়িল। অফিসের নিচে এক ফার্মিসিতে গিয়া পরীক্ষা করিলাম-রিডিং আসিল 11.3 মানে পুরা চিনি রোগ। মনকে সান্তনা দিলাম-বাবার আছে, মার ছিল, প্রকৃতি হয়ত সেই সুবাদে-উহা আমাকে দান করিয়াছে। রক্তে চিনির পরিমান-11.3 শুনিয়া আমার মিষ্টি চেহারাটা করলার তেতোরমত হইয়া গেল। বন্ধু নাজমুল কে ফোন করিয়া বিষয়টি অবহিত করিলাম। শুনিয়া নাজমুল-কাদো কাদো কণ্ঠে বলিল, দোস্ত তুই যে হাটোছ-তাতে তোর চিনি রোগ হাওয়ার কথা না। অনন্ত জলিলেরমত বলিল-দোস্ত চিন্তা করিছ না তোর চিনি রোগ হয় নাই। সব ঠিক হইয়া যাইবে-আমি তো অনেক আগের থেকে সাবধান হইয়া গিয়াছি। বন্ধু রেজা সবসময় পকেটে বাচ্চা ছেলে-মেয়েদের মত পকেটে চকলেট নিয়া ঘুরিয়া বেড়ায়। 

জিজ্ঞাসা করিলে বলে-চিনির বিষয়গুলো বরাবরই একটু ঘোরালো। রক্তে চিনি বেশি হইলে বিপদ-‘‘কিডনি ড্যামেজ” থেকে শুরু করে আরও কত কি। আবার চিনি কম হলেও বিপদ। এক চামুচ চিনির ঘাটতিতে অনেকে পটল তুলে। ডায়বেটিস হলে মানুষকে এভাবে জ্বালায়। তাই রেজার এই অভিনব ব্যবস্থা। নিজের অবুঝ মনকে চিনি থেকে দুরে থাকার জন্য শান্তনা দিলাম-চিনি নাকি শরীরের জন্য ‘‘হোয়াইট পয়জন”। যেন তেন রকমের না, একেবারে সিগেরেট বা মদের সাথে তুলানা করা যায়। আহা রে নিরীহ চিনির একে অবস্থা! আমি-চিনি হইতে কিভাবে দুরে থাকিব কারণ সুখবর মানেই তো মিষ্টমুখ। সুধু তাই নয় ‍দুঃখের খবরেও তো মিষ্টিমুখ করতে হয়। বোঝা গেলে না বোধহয়। একটু খুলে বলেলই -বুঝা যাবে।মানুষ মারা যাওয়ার তিন/চার দিনে মাথায় বাড়ীতে মিলাদ দেওয়া হয়। আর মিলাদ মানে মিষ্টি। দুঃখে স্বরণে কেন মিষ্টি দেওয়া হয়, তার হয়তো ব্যাখ্যা আছে কিন্ত আমার জানা নেই। কারও জানা থাকলে জানাবেন। আতিকের কাক্কুর সরকারের আমলে চিনি নিয়ে এক মন্ত্রী এমন কেলংকারী করেছিলেন যে মানুষ চিনিকে গাল হিসেবে ব্যবহার করতো। পরে শুনেছিলাম ঐ মন্ত্রীকে চিনি রোগে ছাড়ে নাই। ওটাই উনার কাল হয়েছিল। চিনি যদি বিষ হয় তাহলে মৌমাছির কি অবস্থা হবে-ঘটনাটি একটু খোলসা করে বলি। 

ওয়ার্কার ক্লাবের এই জায়গা টা আমার খুব চেনা


ওয়ার্কার ক্লাবের এই জায়গা টা আমার খুব চেনা। কারন যখন আমাদের ১০:১৫ তে ক্লাস শেষ হয়ে যেত,বন্ধুদের অনেক কে দেখতাম ক্লাবের সামনের জায়গাটা তে খেলতে যেত।আমার যেতে ইচ্ছা করলেও যেতাম না।ভাবতাম আম্মা হয়ত চিন্তা করবে। তাই বাসায় চলে যেতাম।তবে এই ক্লাবের ভেতরে একটা দোকান ছিল আর বাইরে টিনের একটা দোকান ছিল। ভেতরের দোকান টাতে গোলাপি আর ঘিয়া রং এর এক ধরনের চকলেট পাওয়া যেত,যাকে আমরা পাওয়া যেত সন্দেশ। আর গোলাপি আর হলুদ রং এর লাঠি চকলেট আর মার্বেল এর মত গোল চকলেট পাওয়া যেত।মাঝেমাঝে ওই চকলেট গুলো কিনতে ক্লাবের জায়গা টাতে আসতে হত। তবে ক্লাবের ভেতরে কখনো ঢোকা হয়নি। চকলেট কিনেই বাসায় চলে আসতাম ভাল ছেলের মত। ছোটবেলায় কেন জানি বেশি দূরে খেলতে যেতে ইচ্ছা করত না, আবার সুমন ভাই,আরিফ ভাই,মাসুদ এরা যখন কর্নফুলী নদী দেখতে বা জিপসামের খনি দেখতে যেত, সেখানেও যেতে ইচ্ছা করত না।মনে হত আম্মা বুঝি এই আমাকে খুজবেন আর না দেখলে চিন্তা করবেন।আর এই ভেবে ভেবে আমার পুরো কলোনি র অনেক কিছুই দেখা হয়নি

সানজিদা আহমেদ সুইটি


সানজিদা আহমেদ সুইটি। Jashim Uddin ভাইয়ের বড় মেয়ে। শুধু জসিম ভাইয়ের না আমাদের পরিবারের বড় মেয়ে। ওর ডাকনাম অনেক গুলি। আমরা ডাকি সুইটি, কলেজে ডাকে রিশা, জসিম ভাই ডাকে বুড়ি আর ওর মা ডাকে মনি। ওর জন্মের আগে আব্বা ওর নাম রেখেছিল সুইটি। দেখতে দেখতে আমাদের ছোট্ট সুইটি অনেক বড় হয়ে গেলো। সে এখন আগ্রাবাদ মহিলা কলেজে দ্বাদশ শ্রেনীতে পড়ে। অতিরিক্ত বা আহামরি কোন চাহিদা নাই যা পায় বা দেয় তাতেই ও সন্তুষ্ট। পড়ালেখায় ভাল, শান্ত ও চাপা স্বভাবের মেয়ে। সুইটির জন্য সবাই ওর দোয়া করবেন। Tafsi Fariha, Ahmed Nazim, Towsif Noor Kabbo.

ঘাসের থেকে একটু রং চুরি


ঘাসের থেকে একটু রং চুরি
সবুজ পাতায় আলোর লুকোচুরি...
মামুন ভাই সবার পরিচয় দেয়,কিন্তু আমার সাথে শত্রুতা মনে হয়।তাই,নিজের ঢোল নিজেই পিটাই।হাহাহাহাহা।
১৯৯৫ এর এই মুখরা রমনী কে তার ব্যাচের পোলাপান খুব ভাল করে চিনে। :-)
সিমু অথবা সিমকা যাই হই না কেনো, আমার কোন ও আলো নেই।স্টীল মিলের হেমায়েত চাচা আর শিউলি আপার আলোয় কিঞ্চিৎ উঁকিঝুঁকি মারি আলোর নেশায়।
ছোট বোন রনির সবুজ জালে নিজেকে আমি ও জড়ালাম। হু......

মামুনের একটি পোষ্ট এর মাধ্যামে জানতে পারলাম সি এস এম পেইজের এক বছর পূর্ণ হল


মামুনের একটি পোষ্ট এর মাধ্যামে জানতে পারলাম সি এস এম পেইজের এক বছর পূর্ণ হল।এক বছরে মধ্যে আমরা ভালো মানের লেখক পেয়েছি।মানবতার সেরা উদারণ হল আমাদের সি এস এম ভাই ও বোনেরা।একজনের বিপদে কিভাবে সহযোগীতা করতে হয় তা সি এস এস বাসীর চেয়ে কেউ বেশি জানে না।তাদের এই সহযোগীয় নেই কোন রাজনৈতিক উদ্যেশ্য।নেই কোন হীনমনতা। সি এস এম বাসী জানে কিভাবে নিজেদের মধ্যে সুখ দুঃখ ভাগ করে নিতে হয়। সি এস এম পেইজে কিছু অগোছালো লেখকও আছে যেমন আমি।আমরা যারা অগোছালো লেখক তারা মূলত সি এস এম বাসীকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করি।লজ্জা কিসের আমরা আমরাই তো । যতই দূরে থাকি না কেন মনেে হয় সবাই সিএস এম তে আছি ।কিছু কিছু লেখকের লেখা প্রচন্ড অভিমান থাকে। আসলে পেইজে মান অভিমান না থাকলে পেইজ জমে না। কিছু লেখায় প্রচুর রোমান্টিকের ছোয়া থাকে যেমন রেজা ভাই ও মানিক ভাই।কিছু লেখায় আবেগ ভর্তি থাকে যেমন আমার নিরু মামা। 

জন্মদিন - ২০শে আগস্ট


জন্মদিন। ২০শে আগস্ট। এই পেজটির। এক বোতল পাওনা কোক। পানির ট্যাঙ্ক। একদিন একটি জমজমাট আড্ডা।আতিক/পুলক/টিংকু/শাহিন/নাজমুল এবং পরে এদের সাথে আমি আর জসিম। শুরু হলো csm পেজের যাত্রা। আজ এই পেজের মেম্বার সংখ্যা- ৬৯০+। আগামী ২০শে আগস্ট এক বছর পুর্ন হবে।

কেক কেটে উদযাপন করলে কেমন হয়?? গত একটি বছর আমরা এই পেজটিতে প্রচুর সময় দিয়েছি। জিবনে কোনদিন আমরা যারা লেখালিখিতে ছিলাম না, আজ আমরা সেই সকল ভাই/বোন, এই পেজের দয়ায় বিশাল লেখক!!!!!!!। কিছু/কিছু সেবা মুলক কাজও আমরা করেছি। বিশাল একটি আড্ডার পর, ছোট/খাট আড্ডা-তো লেগেই আছে। csm হারানো ভাই/বোনেরা, এই পেজটিতে csm খুজে পেয়েছে। 

হয়ে যাক, জন্মদিন পালনটি। দরজা/জানালা খুলাই আছে। সবার অংশগ্রহনে মুখরিত হয়ে উঠুক, জন্মদিবসটি। একসাথে সবাই বলি, শুভজন্ম দিন- csm colony.

ছোটবেলায় আমাদের পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত


ছোটবেলায় আমাদের পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত। ক্লাস টু তে উঠার পর আমাদের কে কলম দিয়ে লিখতে দেয়া হল।মাঝে মাঝে ক্লাসে লিখতে গিয়ে আমার কলমের কালি শেষ হয়ে যেত। তখন ক্লাস মেট দের কাছে কলম না পেলে আমার বড় বোনের ক্লাসে ছুটে যেতাম কলম আনতে। আপা যখন এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলেন, তখন ভরসা হলেন দেলোয়ার ভাই।উনি ক্লাস চলাকালীন সময়ে কলম নিয়ে আসতেন পকেট এ করে।কারো কলম লাগবে কিনা জানতে চাইতেন। আমাদের যারা কলমের কালি শেষ করে ফেলতাম, তারা কলম কিনতাম। দেলোয়ার ভাইয়ের কলম গুলো ছিল নানা ডিজাইনের। আর তাছাড়া সাথে সাথে টাকা না দিলেও চলত। উনার কাছে সিগারেট এর মত এক রকম কলম ছিল।কিনতে ইচ্ছা করত খুব।অনেকেই কিনেছিল। কিন্তু মানুষ খারাপ ভাবে এইজন্য কিনতাম না। ওই বয়সে মানুষের ভাল লাগা কে মন্দ লাগাকে কেন এত গুরুত্ব দিতাম তাই বুঝিনা।
photo- Shadiqul Hoque Polash vai

গত ১৭ জুলাই Babu Csm Club এর ছেলে তাজদারের জন্মদিনে


গত ১৭ জুলাই Babu Csm Club এর ছেলে তাজদারের জন্মদিনের অনুষ্টান সিএসএম কলনির E/9 এর দখলে ছিলো। যে কোন অনুষ্টান এই বিল্ডিংয়ের অধিবাসীদের দখলে থাকে। অর্থাৎ যে কোন অনুষ্টানে এই বিল্ডিংয়ের লোকসংখ্যা সবসময় বেশি থাকে। আবার যে কোন অনুষ্টানে লোক সংখ্যা যতই কম হোক E/9 এর কেউ না কেউ থাকবে। জসিম ভাই, শাহিন ভাই, তারিক ভাই,জাফর ভাই, খোকন ভাই, শফি আলম, বাবু দা, অপু, রনি, মুন্নি, নাজিম, বাবু, মনিকা, নাদিম, ফেন্সি, স্বপন, মানিক, জসিম, টিপু দে, বিথী, যুথি, লিপি এবং এই মুহুর্তে নাম মনে না পড়া আরো অনেকে। এখানে যাদের নাম উল্লেখ তারা সবাই ফেইসবুকে মুটামুটি ভাবে সক্রিয়। এদের কাউকে না কাউকে যে কোন অনুষ্টানে পাওয়া যাবে। আমরা E/9 এর বাসিন্দারা কাউকে না করতে পারি না, তাই দাওয়াত মিস করি না। Jashim Uddin, Reajul Islam Shahin, Jafar Alam Alam, Tarique Hoque, Khokan Didarul Alam, Md Shafiul Alam, Rajib Kumer Dey, Deepa Dey Tipu, Shajib Kumer Dey, Farhana Islam Rony, Mahabur Rahman Manick, Mostafizur Rahman Shapon, Bgm Khadiza, Tafsi Fariha, Ahmed Nazim Jashim Uddin, Shamima Bithi, Shazi Khan, ইউনুস রেজা, Babu Zahid, Nadeem Ahmed Shah, Tanjina Huda

এখন আমি যেখানে চাকরি করছি তা হলো আমাদের csm এর main gate এর opposite side


এখন আমি যেখানে চাকরি করছি তা হলো আমাদের csm এর main gate এর opposite side. মহাজন টাওয়ার ।আমাদের সময় যা ছিল হিন্দু পারা বা নারিকেল তলা নামে পরিচিত ।এখন এখানকার চেহারা একেবারে আলাদা ।আগে বিকেল বেলায় অফিস ছুটির পর csm এর employees রা main gate দিয়ে বের হত। এখন সেটা KEPZ এর gate ।এখন garments ছুটি হয়েছে ।দলে দলে সব garments এর মেয়ে রা বের হচ্ছে ।আমার অফিস মহাজন টাওয়ার এর 3 তলায় ।এখানে থেকে দেখা যায় মাটিতে মিলিয়ে যাওয়া csm এর উপর বড় বড় সব কারখানা কিভাবে বুক চিতিয়ে আছে ।হঠাত্ আজ সেদিকে তাকিয়ে csm এর তিন চুল্লি র কথা মনে পরে গেল ।অনেক দুর থেকে যা দেখা যেত। এখন সবই অতিত।

C 1 বিল্ডিং যেখান থেকে শুরু হয়েছিল


C 1 বিল্ডিং যেখান থেকে শুরু হয়েছিল, সেখান এ শেষ হয়েছিল D টাইপের বিল্ডিং। C 1 বিল্ডিং এর একটা বৈশিষ্ট্য ছিল, এখানে যারা থাকতেন, তারা সবাই এতই সিনিয়র ছিলেন যে আমাদের সমবয়সী খেলার কেউ ছিল না।তাই এই বিল্ডিং এর সামনে তেমন বাচ্চাদের খেলতে দেখা ছিল না। নিচতলায় থাকতেন মিতু ভাই আর টিটু ভাইয়েরা। তাদের সামনে ছিল বিরাট ফুলের বাগান। দোতলায় শুভ্রা আপারা, আরেক পাশে মিমি আপারা।মিমি আপার ছোট ভাই বাবু( যাকে ডিম্পল ডাকা হত) আমাদের সাথে খেলতেন। তিন তলায় রুমা আপা আর মিশু আপারা। একসময় পুরনো মানুষ গুলো চলে যেতে থাকে সেখানে আসেন নতুন মানুষ। তিন তলার রুমা আপারা চলে যাবার পর জুয়েল ভাইরা।উনারা চলে যাবার পর মোমিন চাচা এলেন।উনারা চলে যাবার পর আতিক ভাই রা আসলেন। ওদিকে মিমি আপারা চলে যাবার পর মিতু ভাইরা উপরে এলেন।টিটু ভাই রা চলে যাবার পর মুনমুন রা।মোমিন চাচা বসার জন্য কয়েক টা পাকা বেঞ্চ করে দিয়েছিলেন।তবুও ওই বিল্ডিং টার সামনে নিরিবিলি নিরিবিলি ভাব টা যায়নি। ওইরকম থেকে গিয়েছিল।

গতকাল আমাদের csm কয়েকজন ভাই তাদের কচি সবুজ পাতার মত


গতকাল আমাদের csm কয়েকজন ভাই তাদের কচি সবুজ পাতার মত জীবনের সময়টুকুতে বিচরণ করেছিলেন।তাদের মধুময়,বিষাদময়,ছন্দময় জীবনের আংশিক বিনিময় করেছিলেন ছন্দে ছন্দে।তারা আবেগে কিছুক্ষন সময় নিমজ্জিত ছিলেন। জসীম ভাই ছিলেন উপস্হাপক, বিশেষ অথিতি ছিলেন রিপন ভাই,যিনি অনেকের প্রেমপত্র লিখতেন নগদ টাকার বিনিময়ে।আরো কয়েকজন রোমান্টিক কবিও জোগ দিয়েছিলেন।

সমাবেশ ভালই জমে উঠেছিল।আমি সরাসরি পাঠক ছিলাম।অনেকে আড়াল থেকে পড়েছেন আর চেয়ে চেয়ে দেখেছেন।আজও মানিক ভাই csm এর সকাল বেলার আবেগের কথা না বলে পারলেন না। এনাদের বয়স বাড়তেছে না কমতেছে!রনির মনেও ছোঁয়া লেগেছে।সে সবুজের সম্ভার নিয়ে বসেছে আজ।ভাই-বোনেরাও চীরসবুজে মেতে উঠেছে।ভালই লাগছে।সবুজ মনের মত সবুজ রং চোখের জন্য ভাল।সকলে যেন তাই থাকে।

সকলেই যেন চিরসবুজ


সকলেই যেন চিরসবুজ। রং বলে কথা নয় মনের দিক থেকেও সকলে যেন চিরসবুজ। পেইজে সবসময় গোলাপি আর আকাশী রংয়ের কাপড়ের কথা শুনে আসছি কিন্তু এইযে দেখছি ভিন্ন সকল স্টীলারের গায়ে গাড় সবুজ বা হালকা সবুজের সমাহার। সবুজের মাঝে সবাইকে দারুণ লাগছে তাইনা? আপনাদের মতামত কি?

পরিচয় পর্ব - ১


আজ আমাকে সবার সাথে পরিচয় করানোর প্রচেষ্টায় আমার বাবা-মায়ের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন মনে করছি। আমার বাবা-মায়ের পাঁচ সন্তান, আমি বাবু , নিপা, টিপু, এ্যানি ও রিংকি। বাবা কাষ্টিং এন্ড ফরজিং শপ এ চাকরীরত ছিলেন। কলোনীর বিভিন্ন কাজ এবং মসজিদের সেবাও নিয়োজিত ছিলেন। আমাদের বাসা ছিলো E-7-Gতে। যে বিল্ডিং এর সামনে ছিলো কলোনীর একমাত্র স্লিপ। কতো পেন্ট যে ফুটো হয়েছে সেখানে তার হিসাব দেয়া মুসকিল। টিপুতো হাত দু টুকরো করেছিলো টারজান খেলতে গিয়ে। সে অনেক কাহীনি, পরে বলি। আমার বাবা ছিলেন অসম্ভব/বেসম্ভব একজন রাগী মানুষ। কিন্তু ছিলেন চরম এক আড্ডাবাজ। ডাঃ কাকা (আমিনুল হক সিদ্দিকী) সপ্তাহে মিনিমাম চারদিন রাত দশটার পর আমাদের বাসায় এসে বাবার সাথে আড্ডা দিতেন। চা পর্ব চলতো আর আমার মা যতক্ষন না ঘুমে ঢলে না পড়তেন তার মানে চায়ের সাপ্লায় যতক্ষন না বন্ধ হতো আড্ডা ততক্ষন চলতো। ওনি ছিলে পরোপকারী, এমন পরোপকারী যে নিজের ক্ষতি হলেও পিছ পা হতেন না। কেহ এক্সিডেন্ট করলে বা কারো কোন অসুখ করলে সবার আগে ঝাপিয়ে পড়তেন তিনি। দিনের পর দিন তিনি পার করে দিতেন অথছ নিজের ঘরের লোকজনের খাবার আছে কিনা সেই দিকে তার নজর ছিলো না। আমরা ও কিছু বলতে পারতাম না কারন সিদ্ধান্ত নেয়ার বেলায় সব সময়ই তিনি ছিলেন স্বাধীন।

আমরা সত্যিকার অর্থে তার মতো বাবা পেয়ে গর্বিত।

আরো একটা পরিচয় তার আছে, তা হলো তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধকালীন কমান্ডার।

আমার মা সদা সহজ সরল এবং কোন প্রকার ঝামেলা বিহীন একজন সাধারন মানুষ। খুবই সাধারন কিন্তু এটায় তাকে আমাদের মাঝে তুলে ধরলো অসাধারন করে। আমাদের পড়াশুনা, খাওয়া দাওয়া ইত্যাদির প্রতি তার ছিলো বিশেষ মনোযোগ। বাসায় ছিলো সর্বোক্ষনিক মেহমান, কিন্তু তিনি বিন্দুমাত্রও বিরক্ত হতেন না। মানুষকে রেধেঁ খাওয়াতেও তিনি পছন্দ করেন।

আমরা গর্বিতো যে আমরা তাদের সন্তান।
দোয়া করবেন তারা যেনো আজীবন স্বাধীন থাকেন এবং সুস্থ ও শান্তিতে থাকেন। আমিন

মরহুম শ্রদ্ধেয় মালেক স্যারের কোন ক্লাস করার সৌভাগ্য আমার হয়নি


মরহুম শ্রদ্ধেয় মালেক স্যারের কোন ক্লাস করার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তার আগেই স্যার প্রয়াত হন।তবে ছোটবেলায় এই ক্লাস রুমে আমাদের ক্লাস থ্রি র ক্লাস হত। বন্যা পরবর্তী কালীন সময়।সুজন,খোকন, আফরোজ ক্লাসে অনুপস্থিত। ওদের মুসলমানি হয়ছিল।ওদের অনুপস্থিতি তে আমি ছেলেদের ক্যাপ্টেন। প্রতিদিন বিজ্ঞান ক্লাস নিতেন মাকসুদা আপা।উনার কথামত বেত আনতে পাশের ক্লাসে যেতে হত,সেখানে মালেক স্যার ক্লাস সিক্সের ক্লাস নিতেন।আমি গিয়ে সালাম দিয়ে বলতাম,
স্যার, মাকসুদা আপা বেত টা দিতে বলছেন,
স্যার বলতেন, কেন?
আমি বলতাম, লাগবে উনার,
স্যার বলতেন, কেন লাগবে?
আমি বলতাম, স্যার,দেরি হলে আপা বকা দিবেন।
এটা শুনে স্যার হেসে বেত টা দিয়ে দিতেন। স্যারের এই মজা করাটা আমিও উপভোগ করতাম। স্যার কোন দিন আমার ক্লাসে পরীক্ষার নিরীক্ষক হিসেবে আসেন নি।কিন্তু বড় যারা উনার ক্লাস পেয়েছেন,তাদের মুখে শুনেছি, স্যার খুব ভাল মানুষ ছিলেন। আমি হয়ত সেই ভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছি।আল্লাহ যেন স্যার কে জান্নাতে শান্তিতে রাখেন।photo- Mahabub Rashel vai

আমার গায়ের কালার অনুয়ায়ী নাকি সাদা রং টা বেশী মানায়


আমার গায়ের কালার অনুয়ায়ী নাকি সাদা রং টা বেশী মানায়। তাই আমারও সাদা রং টা বেশী পছন্দ। যদিও পাঠ্যপুস্তক অনুয়ায়ী সাদা কোন রং নয়। তারপরেও বাধ্যহয়ে সাদাকে এক নম্বরে রাখতে হয়। আমার বেশীর শার্ট, পাঞ্জাবী হয় সাদা না হয় সাদার উপর স্ট্রাইপ কিংবা চেক। বয়সের কারনে মনটা সবুজ থেকে আস্তে আস্তে একটু হালকা সুবজের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু চেষ্টা করছি পুরোপুরি সবুজ রাখার জন্য। তাই ইদানিং কালারের দিকে যাচ্ছি। তবে সবুজ ছাড়া। উপরে কালারফুল পড়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি মনটা এখনো সবুজ আছে। অবশ্য আমি যে সব কালারফুল জামা পড়ি এগুলি একটাও কালারফুল না সবই হালকা কালার। অর্থাৎ সাদার পরে আমার প্রিয় হালকা কালারগুলি হচ্ছে, ক্রীম, গোলাপী, পেস্ট, আকাশী, মিষ্টি কালার ইত্যাদি। যদি এই জাতীয় কালারগুলিয়ে ফেলি। কোনটা ক্রীম কোনটা হালকা গোলাপী।

এখানে চার নম্বরের যে পাঞ্জাবিটা আছে তা কখনও কিনি নাই। মনে হয় ভবিষ্যতেও কিনবো না। তবে কেউ গিফট দিলে তখন ব্যবহার করি। এবারের ঈদে এইটা অবশ্য আমাকে একজনে গিফট দিয়েছে। আর বাকি যে গুলা আছে সেগুলিও সব আমাকে টাকা দিয়ে কিনতে হয় নাই, তবে চয়েস করতে হয়েছে।

একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত কলোনি র পুকুর পাড় টা আমার কাছে রহস্য জনক জায়গা মনে হত


একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত কলোনি র পুকুর পাড় টা আমার কাছে রহস্য জনক জায়গা মনে হত। চারদিকে বেড়া দেয়া। সেই বেড়া বেয়ে উঠেছে কিছু লতানো গাছ। পুকুর টা নাকি কারা ইজারা নিয়েছিল। তাই সবাই ঢুকতে পারেনা।একটা লুংগি পড়া লোক কে দেখতাম ভেতরে। কখনো কাছে যেতে ইচ্ছা করত না পুকুর টার। সেই লোক গুলো র ইজারার মেয়াদ শেষ হলে পুকুর টা সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। কেউ কেউ গোসল করত,আবার কাউকে দেখতাম মাছ ধরার জন্য ঘন্টা র পর ঘন্টা বসে আছে।আমি তাদের ধৈর্য দেখে অবাক হতাম কিন্তু আমার পানিভীতি র কারনে পুকুরে যেতাম না।আম্মাও চাইতেন না আমি পুকুরের কাছে যাই। একবার মানিক ভাইয়ের সাথে গিয়েছিলাম। তাছাড়া পুকুরে কেউ নাকি গোসল করতে গেলে তাকে পানি টেনে নেয়।এসব কথা ছোটবেলায় খুব বিশ্বাস করতাম। পরে চলে আসার পর শুনেছি জুনিয়ারা আপার ছোট ছেলে মুরাদ পুকুরে গোসল করতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।

photo- Taskin Ashiq

FAREWELL DINNER FOR S S KIBRIA 8th BATCH ( CIVIL )


S S Kibria ( Kibria Vai) retired as Chief Engineer of BEPZA on 30th April, 2016. He joined BEPZA back in 1984.Before joining here he served as Lecturer in CEC.

Kibria vai had a lot of contributions to build BEPZA as a prestigious organization of Bangladesh throughout the world. As an engineer he is talented, knowledgeable, sincere and professional. As a man he is polite,humble a friendly with a pleasant personality.

I had the opportunity to work with him for few months. I will remember the days for the rest of my life which I spent with him.

I pray for him and his family to remain safe,sound and happy for many years to come. All CEC an are requested to pray for him.

May Allah bless us.

মাঠের পাড়ে দূরের দেশ


ছোটবেলায় একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমি আমাদের বাসার সামনের মাঠেই খেলতাম। দূরে কোথাও যেতাম না। আর C 2 এর বিল্ডিং এর চারপাশে ও খেলতাম।কিন্তু আস্তে আস্তে যখন সবাই বড় হতে লাগল, তখন মাঠে খেলতে আসা মানুষের সংখ্যা কমতে লাগল।এক সময় ত খেলার জন্য কাউকে পাওয়া যেত না। তখন অন্য বিল্ডিং এর মাঠের সামনে যাওয়া শুরু করলাম।কখনো তারিক ভাইদের সামন, কখনো তাসকিন ভাইদের সামনে।তাসকিন ভাইদের বাসার সামনে বিশাল বড় মাঠ ছিল। অনেকেই খেলতে পারত।তাছাড়া ঘাসে ভরা হওয়াতে দৌড়ানোর। সময় আরাম পেতাম। আস্তে আস্তে এই মাঠ টাতে বেশি আশা শুরু করলাম।যদিও বাসা থেকে কিছুটা দূরে। তবুও।

আমাদের বাসায় যারা বেড়াতে আসতেন,তারা প্রায় বলতেন বাসার সামনে এত বড় মাঠ সবখানে থাকেনা। আর এখন ত মাঠে বাচ্চারা খেলবে ব্যাপার টা অনেক টা অভূতপূর্ব ঘটনার মত।বাসা থেকে দূরে এই মাঠ টার ছবি টা দেখতেই তাই মনে হল

Wednesday, July 20, 2016

হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল যারে


হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল যারে,
সেতো শুনিতে চাহেনা।
ধরনীর মাঝে এত কাছাকাছি,
তবু ছুয়ে দেখা হলোনা।
কাব্যিক টাইপের এমন পত্র লিখা কলোনীর অনেকের রেওয়াজ ছিল। প্রেম হালে পানি পাক বা না পাক,এমন কাব্যিক লেখা কখনো থেমে ছিলনা। এক প্রেমিকা রাত জেগে প্রেম পত্র লিকতে গিয়ে লিখল," কেউ জেগে নেই, জেগে আছি আমি আর রাত জাগা বাতিটি। কি দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবো? ফুল? সেতো হবে কাগজের শুকনো ফুল। রঙ আছে গন্ধ নেই।যাক তবুও তোমার জন্য রইল গোলাপীয় শুভেচ্ছা"। আবার কেউ কেউ ছন্দে ছন্দে প্রেমের নিবেদন করতো।যেমন:
"বাড়ীর পিছে নালিকেল গাছ,
চিকন চিকন পাতা।
তোমার কাছে বলতে চাই,
ভালবাসার কথা।"
আবার,
"তেতুল তেতুল পাতা,
তেতুল বড় টক।
তোমার সাথে ভাব করিতে,
আমার বড় শখ"।
আবার কাউকে কাউকে দেখেছি গানের মাধ্যমে প্রেম নিবেদন করতে। কেউ কেউ পুরো গানের ক্যাসেট গিফট করে প্রেম নিবেদন করতো। তবে এক মেয়ের প্রেম নিবেদনের গল্প আমার কাছে স্মরনীয়। মেয়েটি একই রাতে হুবুহু দুটি পত্রলিখে এবং দুজন সহযোগীর মাধ্যমে দুজন প্রেমিকের কাছে পত্রদুটি পৌছে দে। প্রেমিকদ্বয়ের সমাপনির গল্প প্রকাশ করা না গেলেও। আমার এক বন্ধুর কাব্যিক প্রেমের উপস্হাপন আমাকে মুগ্ধ করেছে। বন্ধুটি তার প্রিয়তমার উদ্দেশ্যে লিখে দিল- তোমার বাগানে তুমি, আমার বাগানে আমি,মাঝখানে সূর্য্যের রশ্মি বয়ে যায়।

কিছুক্ষন আগে গুলশান ১ এ একটি ফ্যাশন হাউসে আসছি ছেলের জন্য প্যান্ট কিনতে


কিছুক্ষন আগে গুলশান ১ এ একটি ফ্যাশন হাউসে আসছি ছেলের জন্য প্যান্ট কিনতে, এই হাউস টিতে বিদেশী ক্রেতাই বেশি থাকে, তার উপর দোকানের নামও আর্টিসান, তাই দোকানে ঢুকার সময় ড্রাইভার কে মজা করে বললাম 
" কামাল দোয়া রাইখো আর মোবাইল খোলা রাইখো" । যদিও মজা করে বলেছি, আসলে বাস্তবে কিন্ত সবাই কিছুটা হলেও উদ্বেগে থাকি। দোকানে বিদেশি কোন ক্রেতা ছিলনা। ক্রেতা বলতে আমি আর একজন দেশীয় লাস্যময়ী বাট গোমড়ামুখী ললনা।

যাক এতোক্ষন এগুলো মজা করলাম। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক,সবসময় সব বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করুক। আর সবার মধ্যে শুভবুদ্ধি জাগ্রত করুক। আমিন।

মেয়ে দেখতে যাব


মেয়ে দেখতে যাব। আমার নিজের জন্য-ই!! দুই দিন আগেও বলেছিলাম, বিয়া "করিবেক না"!! এখনও সির্দ্ধান্তে অটল আছি!! টিটু মামা/লিটন মামা আর শেলী এবং বোন জামাই ফরিদ, এদের হাতে গুরু দায়িত্ব দেওয়া হলো। মেয়ে ইডেনে পড়ে। সেখানেই আমরা যাবো। ভোর বেলাতেই ফরিদের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেলো!! বসে/বসে ফরিদের তামশা দেখতে লাগলাম। মেয়ে দেখতে যাবে আমার জন্য, আর উনি নিজেই মাঞ্জা মারতে ব্যাস্ত!! শার্ট/প্যান্ট ইন করে, পারফিউম দিয়ে পুরা ফিটফাট!! ভাইয়া আপনে এখনো রেডি হন নাই!! টিটু মামারা কই?? শেলী ভাই এখনো আসতেছে না কেন?? একটু পরেই বাকী তিনজন আসলেন। উনারাও পুরাদস্তর ফিটফাট!! শেলী আমাকে দেখেই বলে উঠলো, তোকে দারুন লাগতেছে দোস্ত!! আমি মনে/মনে বলি, যতই পাম দেও বন্ধু, বিয়া আমি করিবেক না!!। 

ইডেন কলেজের পাশেই একটা ফার্স্ট ফুডের দোকানে আমরা বসবো। টিটু মামা বললো, মেয়ে আসতেছে। সাথে আমরাও দেখিতে লাগিলাম, মেয়ে আসিতেছে। টিটু মামা, আমার হাত ধরে বললো, বাবাটা ভালো, পাগলামি করিস না!! আমার বংশে কোনো পাগল নাই, টিটু মামাকে ভরসা দিলাম। মেয়ে আরও কাছে চলে আসলো, আমার হাতে বেনসন!!। এবার ফরিদ ধমক দিয়ে উঠলো, ভাইয়া সিগারেট ফেলে দেন!! ফেলে দিলাম। মেয়ে আমাদের সবাইকে সালাম দিয়ে, টিটু মামার সাথে কথা বলতে লাগলো। স্বাভাবিক থাক দোস্ত, মেয়ে আমাকেই আড় চোখে তাকিয়ে দেখছে!! আরে তাইতো!! মেয়ে আর শেলীর মাঝে ভালোই চোখা/চোখি হচ্ছে!! আমি সিওর, এই মেয়ে শেলীর মত-ই বদ!! At least দশটা প্রেম এই মেয়ে করেছে!! তা'নাহলে শেলীর সাথে কেন, চোখে/চোখ রাখবে?? রতনে/রতন চিনে, হার্ট চিনে হৃদয় আর এই মেয়ে চিনেছে শেলিকে!!

এখন আমরা ফার্স্ট ফুডের দোকানে। মেয়ে আর শেলীর মাঝে টুকটাক কথা চলছে, সাথে ফরিদ এবং টিটু মামাও বলছে। বলছিনা শুধু আমি!! আমি বসে/বসে দেখছি আর ভাবছি, শেলীর সাথে বিয়ে দিয়ে দিলে কেমন হয়?? দুই বদের মিলটা ভালোই হবে!! ভুলেও যদি, একবার আমার দিকে তাকাতো?? এর মাঝে ফরিদ বলে উঠলো, ভাইয়া আপনেরা দুইজন আলাপ করেন, আমরা একটু বাহির থেকে ঘুরে আসি।

এইবার মেয়েটির চেহারাটি দেখার মত হয়েছে!! কেউ নেই, এমনকি শেলী বদও নেই। শুধু আমি আর মেয়েটি, মুখোমুখি বসে!! খুব স্বাভাবিক ভাবে জিজ্ঞাসা করলাম, ক্রিকেট খেলা দেখতে ভালোবাসেন?? মেয়েটি উত্তর দিলো, জি। আবার জিজ্ঞাসা করলাম, প্রিয় খেলোয়ার কে?? আস্তে করে বললো, সোরভ। এবার জিজ্ঞাসা করলাম, বলেনতো, সোরভের বউ-এর নাম কি?? মেয়েটি এখন আর কোনো উত্তর দিলোনা। কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে রইলো!! গ্রামে থাকতে পারবেন?? শহরে আমার কিছু-ই নেই। এবার একটু ভিন্ন প্রসংগে কথা বলতে সুরু করলাম!! জি, আমার বড় ভাই, আপনাদের গ্রাম থেকে ঘুরে এসেছে। আপনার বাবা/মা'র সাথে কথাও হয়েছে। মেয়েটি এ ভাবেই, আমার কথার উত্তর দিলো। 

এখন বিদায় নেবার পালা। চলে যাচ্ছে মেয়েটি। যাবার আগে একটু তাকালো। তবে এবার বদ শেলীর সাথে নয়!! আমার সাথে-ই একটু চোখে/ চোখ রাখলো!!!!

আজ ২০ শে জুলাই


আজ ২০ শে জুলাই।আর এক মাস পর আমাদের সিএসএম পেজের বর্ষপূর্তি।

শুরুটা আতিক ভাই করেছে, তারপর পুলক একটা পেজ খুলে,সেখানে ভার্চুয়েল আড্ডা শুরু হয়।দিনে দিনে পেজে সিএসএম এর ভাই- বোনদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

পেজের মাধ্যমে সবাইকে একএিত করার জন্য ২৯/১/১৬ ইং এক আড্ডারর আয়োজন করা হয়,ছোট- বড় ভাই- বোনরা মিলে সেই আড্ডার আয়োজন করে।খূব সফল ভাবে আড্ডা সম্পূর্ণ হয়।চাচা- চাচীরা খুব খুশী হন,ওনাদের খুশি দেখে আমরা ও খুশি,এরকম একটা অনুষ্ঠান করতে পারায়।

আড্ডার পর অনেক মান - অভিমান হয়েছে,হবে সেটা কোন বিষয় নয়।কিন্তু আমাদরএ বন্ধন যেন সব সময় অটুট থাকে সবার কাছে এতটুকু চাওয়া।

আজ এ পযন্ত।

একই বৃন্তের তিন ফুল


একই বৃন্তের তিন ফুল । মেরী ,ঝুমুর ,একা ।প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে মক্তবে যাওয়া ,একসাথে স্কুলে যাওয়া ,বৃষ্টিতে গোসল করা ,খাল পাড় ,স্কুল পালানো ,মক্তব পালানো ,শবেবরাত ,শবে কদরে একসাথে নামায পড়া ,ডাংগুলি ,বৌ চি ,বরফ পানি ,লুকোচুরি ,ক্রিকেট ,ফুল চুরি করা ,খেজুর কুড়ানো ,হুজুরের কাছে মক্তব পালানো আর নামায না পড়ার জন্য একসাথে মার খাওয়া কোন কিছু বাদ যায় নি আমাদের ।একা ছোট বেলা থেকে সাজু গুজুতে পারদর্শি ছিল ।অনেক সেজে থাকতো ।অবশ্য ওকে সুন্দর লাগতো ।আমি আর মেরী চিন্তা করতাম এই মেয়ে কেমন করে এত সেজে থাকতে পারে ।ওড়না একটা পেলেই হতো ওটাকে শাড়ি বানিয়ে পড়ে নিত ।এত ফিটফাট থাকতো সব সময় ।ছবি দেখেই বুঝতে পাড়ছো সাজুগুজু গার্ল ।আমি আর মেরী ছিলাম দস্যি ।সারা কলোনী চষে বেড়ানো ছিল আমাদের কাজ ।আর খাল পাড় ছিল আমাদের সব চেয়ে প্রিয় জায়গা ।দিনের সিংহভাগ সময় খাল পাড়েই ব্যয় করেছি ।অনেক আনন্দ করেছি জীবনে ।অনেক সুন্দর সময় কেটেছে আমাদের ।খুব মিস করি সে জীবন ।পৃথিবীতে যদি কখন ও ২য় জন্ম হয় স্টিল মিলেই যেন জন্ম হয় আমাদের ।আর তোরাই যেন আমার বন্ধু থাকিস ।ভাল থাকিস ।

৯০ দশক পর্য্যন্ত বাংলা সিনেমার একটা জমজমাট অবস্থা ছিল


৯০ দশক পর্য্যন্ত বাংলা সিনেমার একটা জমজমাট অবস্থা ছিল। তখন পরিবার পরিজন নিয়ে মানুষ জন নিয়ে সিনেমা হলগুলোতে যেত, সিনেমা দেখতে। ৯০ দশকের শেষ দিক থেকে সিনেমার আকাশে পুরোপুরিভাবে দুর্যোগ নামা শুরু হয়। অশ্লীলতা আর অতিরিক্ত ভালগারিজম এ দেশের সিনেমা জগত কে শেষ করে দেয়। 

৮০ র দশকের শেষের দিকে ৮৯ সালে দুটো ছবি এ দেশের সিনেমা জগতকে বিশাল নাড়াচাড়া দিয়েছিল, একটি হচ্ছে এ, জে মিন্টু পরিচালিত আলমগির শাবানা অভিনীত "সত্য মিথ্যা", আরেকটি হলো তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত, অঞ্জু ঘোষ ইলিয়াস কাঞ্চন অভিনীত ফোক ও ফ্যান্টাসি ধর্মী ছবি " বেদের মেয়ে জোছনা "। পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তে তোলপাড় করে দিয়েছিল এ ছবি দুটো। সত্য মিথ্যা ছবির দুটো গান " আমারই ঘর যেন স্বর্গ" আর " ভালো হোক মন্দ হোক বাবা আমার বাবা" সবার মুখে মুখে ফিরত। আর বেদের মেয়ে জোছনার " বেদের মেয়ে জোছনা আমায় কথা দিয়েছে" তো পুরো জাতীয় সংগীতে পরিনত হয়েছিল। সকালে ঘুম থেকে উঠেই এ গান টি শুনতাম সব জায়গায়। আমরা ডি টাইপে তখন, আমাদের পিছনের বিল্ডিং থেকে একদিন রাত দশটার সময় " বেদের মেয়ে জোছনা আমায়... " গান টি ভেসে আসছে, এত রাতে এই গান? পরে শুনলাম, যে কোন এক বাসায় ভিসি আরে ফুল ফ্যামিলি মিলে ছবি টি দেখছিল। একটা ফোক ধর্মী ছবি কতটুকু জনপ্রিয় হলে মধ্যবিত্ত পরিবারের ড্রইং রুম পর্য্যন্ত পৌছে যায়, এই ঘটনাটিতেই বুঝা যায়। আর আমি পড়ি ক্লাস নাইনে সে সময়, প্রতিদিন টিফিন পিরিয়ডে ক্লাসের বেঞ্চ চাপড়িয়ে এই গানের কোরাস গাওয়া ছিল আমাদের নিত্য দিনের ব্যাপার।

এরপর তো সিনেমা জগতে আসে সালমান শাহ, বিরাট বিপ্লব ঘটে গেল সিনেমা শিল্পে। একের পর এক দুর্দান্ত সব ছবি উপহার দিতে লাগলেন। সিনেমার কাহিনীর চেয়ে নায়ক সালমান শাহ কে দেখতেই মানুষ ছিনেমা হলে ছুটে যেত। তাঁর দুর্ভাগ্য জনক অকাল মৃত্যুতে বাংলাদেশে র সিনেমা জগতের মৃত্যু ঘটা শুরু হয় আর এই কফিনে শেষ পেরেক টি ঠুকা হয় যখন ভারতীয় বাংলা ছবির এক শরীর স্বর্বস্ব এক নায়িকা আমাদের দেশের সিনেমা জগতে স্থায়ী ভাবে আসন গেড়ে বসে।।

পি টি স্যার নন, হামিদ স্যার


প্রয়াত শ্রদ্ধেয় হামিদ স্যার কে আমি ছোটবেলায় পি টি স্যার নামেই জানতাম।অবাক হয়ে ভাবতাম মানুষের নাম আবার পি টি হয় কিভাবে। পরে জেনেছি উনি পি টি ক্লাস নিতেন বলেই এই নাম।উনার ভাল নাম হামিদ স্যার। স্যারের সাথে আমার প্রথম ক্লাস ছিল সেভেনের কৃষি শিক্ষা ক্লাস। উনি সপ্তাহে দুইদিন ক্লাস নিতেন। স্যারের একটা রোজকার নিয়ম ছিল আমাকে দাড় করিয়ে কি দিয়ে ভাত খেয়েছি তা জিজ্ঞেস করা।আর স্যারের ক্লাসে মজা করতে পারতাম কারন স্যার কিছু কিছু কথা বলতেন যা শুনলেই হাসি পেত। আর মানসিক ভাবে তটস্থ থাকতে হত না।যেমন- একবার স্কুলে সব ক্লাসরুম এ চেক করা হচ্ছিল কিছু নষ্ট আছে কিনা,যেমন - ফ্যান,লাইট এগুলা। ত আমাদের ক্লাস রুমের ব্যাপারে জানতে চাইলেন, আমি বললাম, স্যার আমাদের ফ্যান টার ৩ টা পাখার জায়গায় ২ টা পাখা। আরেক টা পাখা লাগবে। স্যার বললেন, ফ্যান ত আছেই। দুই পাখা না তিন পাখা তা ত দেখবে না, ফ্যান থাকলেই হল" স্যার যদিও মজা করে কথা টা বলেছিলেন। 

এরপর স্যার যখন আমাদের বিল্ডিং এ প্রতিবেশী হয়ে এলেন,তখন স্যারের অন্য রুপ।উনি স্কুল আর বাসা এই দুই জায়গার সীমারেখা খুব ভাল ভাবে টানতে জানতেন।

কিন্তু হঠাত জানতে পারলাম স্যার মারা গেছেন।মন টা খুব খারাপ হয়েছিল। স্যার আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। স্যারের এরকম দ্রুত চলে যাওয়া প্রত্যাশিত ছিল না। আল্লাহ স্যার কে বেহেস্ত নসীব করুন

স্কুলের সেই মঞ্চ এবং আরো কিছু


ছোটবেলায় আমার একটা ধারনা ছিল যে স্কুলের মঞ্চে যারা পুরস্কার নিতে ওঠে কিংবা পারফরমেন্স করে তারা বুঝি স্টার টাইপের কেউ।আমারো খুব ইচ্ছা করত মঞ্চে উঠার। কিন্তু যতবার আমি কবিতা আবৃত্তির জন্য অডিশন দিতে যেতাম, ততবার বাদ পড়ে যেতাম। আবার খেলাধুলায় খুব ভাল ছিলাম না। তবুও আমি আর নাসিম মিলে একবার তিন পায়ে দৌড় দেবার চেষ্টা করেছিলাম। দেখলাম সবাই সামনে চলে গেছে।আমরা দুজন পেছনে পড়ে আছি। তাই আর স্টেজ এ উঠা হয়নি। তবে স্কুলে যেদিন বার্ষিক পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান হত সেদিন একটা কন্ঠ বেশি শুনতে পেতাম।।সেটা হল নুর নবী স্যারের কন্ঠ। স্যার খুব সুন্দর করে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতেন।বিজয়ীদের নাম ঘোষনা করতেন। অনুষ্ঠান আর স্যারের কন্ঠ যেন পরিপুরক হয়ে গিয়েছিল। আর তাই স্টেজের ছবির দিকে তাকালে নুর নবী স্যারের আর স্কুলের সেই পুরস্কার বিতরনী র দিনগুলোর কথা মনে পড়ে



ছোটবেলায় মুন বেকারির পরোটা যদিও অনেক মজা লাগত


ছোটবেলায় মুন বেকারির পরোটা যদিও অনেক মজা লাগত, কিন্তু ভীড় ঠেলে পরোটা নিয়ে আসতে পারা টা অনেক টা যুদ্ধ জয়ের মত মনে হত।খুব ভোরে না গেলে সহজে পরোটা পাওয়া যেত না।মুন বেকারির হালুয়া টাও অনেক মজার ছিল। আর খাস্তা বিস্কুট। মুন বেকারিতে যারা পরোটা দিতেন ক্রেতাদের তাদের মধ্যে একজন ছিলেন রফিক।গোফ ওয়ালা।চাকমা টাইপের চোখ। উনি আমি যেহেতু ছোট ছিলাম,আর বড়দের সাথে পারতাম না, তাই চাইতেন আমাকে আগে আগে পরোটা দিয়ে দিতে।আর এই সুযোগ টা আমি ভালই কাজে লাগাতাম। এভাবে পরে গিয়েও অনেকবার আগে পরোটা নিয়ে আসতে পেরেছিলাম ওই লোক টার জন্য।

এখন ত অনেক বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট হয়েছে।কিন্তু মুন বেকারির পরোটা আর হালুয়ার মত সুস্বাদু খাবার কোথাও পাইনা।

সি এস এম কলনি থেকে হাউজিং কলনি কত কি.মি. হবে?


সি এস এম কলনি থেকে হাউজিং কলনি কত কি.মি. হবে? কখনও কি আমরা জানতাম। প্রতিদিন সকাল ৬ টায় পদযাত্রা থাকত আমাদের তিনজনের আমি সহ পারভেজ আর swapon. কারন এক্তাই নুরুনবি স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়া।

যাওয়া আর আসার মাজখানের রাস্তাঘাট টাই ছিল সবচেয়ের মজার। প্রতিদিন অনেক রকমের জিনিসই চক্কে পরতো জাং দেখে আমরা অনেক হাসি তামাসা করতাম।

তার ভিতরে একটা জিনিস থেকে আমরা বেশি হাসতাম। প্রতিবার ই চিন্তা করতাম দুকান্তার। কাছে আসলেই ভাবতাম আজ আর,,,,

বিশিষ্ট ডোম ও ডাক্তার আতিক সি এস এম পেইজে কয়েকজন লেখকের লেখার ধরনের উপর পোস্টমর্টেম করেছে


বিশিষ্ট ডোম ও ডাক্তার আতিক সি এস এম পেইজে কয়েকজন লেখকের লেখার ধরনের উপর পোস্টমর্টেম করেছে।পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট পেয়ে মনে হলো 'প্রশংসাপত্র' পেয়েছি।খুবই ভাল।প্রশংসা শুনতে কার না ভাল লাগে।তবে যাহাদের লেখনির পোস্টমর্টম বাদ রয়েছে,অতিসত্তর তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করবে। নাহলে তারা লেখনিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে বা কমে যাবে।এটা আমাদের সকলের জন্য দুঃখজনক ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।

ঢাকা শহরে এককালে ট্রাফিক জ্যামের জন্য বিখ্যাত ছিল মগবাজার মোড়ের জ্যাম


ঢাকা শহরে এককালে ট্রাফিক জ্যামের জন্য বিখ্যাত ছিল মগবাজার মোড়ের জ্যাম। জ্যাম মানে সেরাম জ্যাম একেবারে আন্ধা গিট্টু মারা জ্যাম, এই জ্যামরে ক্রিকেটের ভাষায় বলা যায় লংগার ভার্শন জ্যাম, সবাই বাস, ট্রাক প্রাইভেট কার সব গাড়ি স্টার্ট বন্ধকরে মোটামুটিভাবে টি টুয়েন্টি টাইপ ঘুম দিতে পারত। আল্লাহু তায়ালায় অশেষ কৃপায় মগবাজারে সেই জ্যাম আর নেই। সেই জ্যাম এখন মিরপুর ১০ গোল চক্করে চলে আসছে। গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি দিয়া বলতে পারি রাত একটা র সময় মিরপুর ১০ গোল চক্করে আসলেও আপনি এই জ্যাম পাবেন। কাস্টমার কেয়ারে যেমন লেখা থাকে 24/7। মানে সপ্তাহের সাত দিনই ২৪ ঘন্টা সার্ভিস খোলা। মিরপুর ১০ এর জ্যামও তেমন 24/7।। মানে সাতদিনই সপ্তাহের ২৪ ঘন্টা পাওয়া যাবে।

পুনশ্চ :জ্যামের উপকারিতাও আছে, যেমন এই পোস্ট খানি জ্যামে বইসা লিখা ফেলছি।

১৮ বছরের এক সুন্দরী মেয়ে হেটে আসছে


১৮ বছরের এক সুন্দরী মেয়ে হেটে আসছে।অপর পাশ থেকে ২১ বছরের এক ছেলে আসছে ওই মেয়েরই পরিচিত।ছেলেটির সাথেই আছে তার ৫ বছরের ভাই।মেয়েটি কাছাকাছি আসতেই
২১ বছরের ছেলে: "আমি তোমাকে ভালোবাসি"
এই শুনে মেয়েটি ছেলেটির গালে কষে দুইটা থাপ্পড় দিল।ফাজলামির আর যায়গা পাওনা।

পরক্ষনে ৫বছরের ছেলেটি: "আমি তোমাকে ভালোবাসি.."
মেয়েটি দুইটা পাপ্পি দিয়া কইলো ""হাউ সুইট, কি কিউট ছেলেটা""
মোরাল অফ দা ষ্টোরি:: "যদি কেউকে প্রপোজ করিতে চান তবে অল্প বয়সেই করে ফেলুন।।"

নিউমার্কেট (বিপনি বিতান)


নিউমার্কেট (বিপনি বিতান) এ কি নাম যেন ভুলে গেছি অতি ফেমাস একটা অদিও কেসেটের দুকান ছিল। পুজার ছুটিতে নতুন নতুন গানের কেসেত বের হত। আমাদের দেবুর প্রধান আক্রসন ছিল সেটার প্রতি। TRK SONY PANASONIC CASSATTE গান বন্ধি করাই ছিল দেবুর কাজ।

দুপুর থেকে পুরানো ঢাকায় ছিলাম


দুপুর থেকে পুরানো ঢাকায় ছিলাম, সাড়ে তিনটা র দিকে কাজ শেষ করে বাসায় ফিরার পথে ভেবেছিলাম একটু বসুন্ধরা সিটি হয়ে যাবে, মার্কেটে দশ মিনিটের কাজ ছিল। , মার্কেটের সামনে গিয়ে চক্ষু ছানাবড়া , ওরে বাবা! বসুন্ধরা শপিং মলে ঢুকার মুখে দেখি বিশাল লাইন, নিরাপত্তা জনিত কারনে মার্কেটের ক্রেতা দর্শনার্থী সবাইকে চেক করে ঢুকানো হচ্ছে। এতেই ঢুকার মুখে লম্বা লাইন পড়ে গেছে, এই লাইন দিয়ে ঢুকতে গেলে মিনিমাম ৪৫ মিনিট / ১ ঘন্টা লাগবে। ১০ মিনিটের কাজের জন্য ১ ঘন্টা লাইনদিয়ে মার্কেটে ঢোকার কোন মানে হয়না।

ধুর এর চেয়ে বাসায় গিয়া দিবা নিদ্রা দেয়াই উত্তম, অতএব, যাইগা বাসায়।।

৪র্থ ঘন্টা র পর ছুটি


আজ সকাল থেকেই ঝুম ঝুম বৃষ্টি। অফিস যেতে ইচ্ছা করছিল না। মনে পড়ল স্কুল বেলার কথা। খুব যেদিন বৃষ্টি হত সেদিন ছাত্র ছাত্রী দের উপস্থিতি থাকত কম। এরকম না যে সবার বাসা খুব দূরে।কলোনি তে থাকত প্রায় সবাই। তবুও আসত না।হয়ত ভাবত একদিন স্কুলে না গেলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।

ছাত্র ছাত্রী কম এলে ক্লাসে মন বসত না। ক্লাস করতে ইচ্ছা করত না।আর তাই ক্লাস নাইন টেন এর বড় ভাইয়েরা ছুটি র দরখাস্ত নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে যেতেন টিফিনের পর ছুটি র জন্য।আমরা হয়ত উনাদের সাথে যেতে পারতাম না কিন্তু আমাদের অন্তর থেকে দোয়া থাকত যেন ছুটি মঞ্জুর হয়।

ছুটি পেলে খুব আনন্দ হত। বাসায় এসে ভাত খেয়ে কাথা মুড়ি দিয়ে ঘুম। আহারে অফিসেও যদি এরকম ছুটি পাওয়া যেত মন্দ হত না কিন্তু জানি এটা কেবল স্কুলে সম্ভব

পিঁপড়া বিদ্যা


বড়দের মুখে একটা কথা শুনতাম, বাতি নিভে যাবার আগে বেশি জ্বলে। আর পিপীলিকা র পাখা জন্মে মরার আগে। এই পেজে যে এ মাসে এত বেশি লিখা দিচ্ছি যে আগামী মাসে আদৌ লিখতে পারব কিনা সন্দেহ। থাক,তাতে কিছু যায় আসে না। 

১৯৯৪ ব্যাচের মিয়া ভাই একদিন বলেছিলেন, রোল নং ১ 

করার জন্য একটু চেষ্টা করে দেখতে।কিন্তু আমি বলেছিলাম, ১ হবার পরের বার যদি ছিটকে যায়, তখন কি করব।উনি বলেছিলেন,একবার হয়ে দেখ,আর পেছনে যাবে না।" কিন্তু ১ হবার যে মানসিক চাপ সেটা আমি নিতে চাইতাম না। আগে কোন বিষয় মাথায় আসলেও দিতে ইচ্ছা করত না।কিন্তু এখন লিখে ফেলি।কারো সাথে প্রতিযোগিতা করতে নয়।

সুজন হয়ত আগামী মাসের যে পরিসংখ্যান দিবে তাতে আমার লিখার সং্খ্যা ১০০ হবে।কিন্তু আমি কখনোই একাই ১০০ হতে চাই না। ১০০ জন মিলে এক হতে পারার মধ্যেঈ এই গ্রুপের সার্থকতা। সবাই লিখুক, রেসপন্স করুক, উপভোগ করুক এই গ্রুপে যুক্ত হওয়া টাকে পরিপূর্ণ ভাবে।

চোরাবালি-২


বাবা মার কথা শুনে নিতু বুঝতে পারে সে তাদের আসল সন্তান নয়।নাফিস কে নিয়ে নিতু যায় সেই ক্লিনিকে। যেখানে তার জন্ম হয়েছিল।কে তার বাবা মা। আর এক সময় সে এই প্রশ্নের মুখোমুখি করে তার মা বাবা কে। নিতুর মা শান্তা সব খুলে বলেন। শান্তার বান্ধবী ছিল নিতুর আসল মা। তার সিক্সথ সেন্স ছিল দারুন। কোথাও সিনেমা দেখতে গেলে আগে থেকে বলে দিতে পারত, টিকেট পাওয়া যাবে কি যাবে না। বিয়ের পর এই সিক্সথ সেন্স মানসিক রোগে পরিনত হয়। নিতুর জন্মের আগে তার মনে হতে থাকে নিতুর বাবা বুঝি তাকে খুন করবেন।সেজন্য সবসময় ছুরি নিয়ে থাকতেন।একদিন নিতুর বাবাকে তিনি খুন করে ফেলেন।এবং পরে বুঝতে পারেন তিনি আসলে ভুল ভাবছিলেন। নিতুর জন্মের সময় তার মা মারা যান। তার কিছুদিন পর সেই সন্তান ও মারা যায়। 

নিতু তখন জানতে চায় তাহলে সেদিন রাতে সে যা শুনেছিল তা কি মিথ্যা ছিল। শান্তা বলে সেগুলো ছিল সাজানো নাটক যাতে নিতু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। সব শুনে নিতু ঘুমাতে যায় নিশ্চিন্তে।

এদিকে শান্তা নিতুর জন্ম পরিচয়ের একমাত্র দলিল তার জন্ম সনদ টি ছিড়ে ফেলে দেয় যাতে লিখা ছিল সে আসলে কার মেয়ে।কারন পুরনো বিষয় টি যাতে নিতুর জীবনে নতুন করে আধার আনতে না পারে।

৮৭ সাল ক্লাস সেভেনে পড়ি, বিকেল বেলা সি টাইপ মাঠে যাচ্ছি খেলতে


৮৭ সাল ক্লাস সেভেনে পড়ি, বিকেল বেলা সি টাইপ মাঠে যাচ্ছি খেলতে, সবাই দেখি খেলছে আর আমাদের দুলি মাঠের স্লিপারে ( তখন মাঠে একটা স্লিপার ছিল) বসে খুব মনোযোগ দিয়ে নিউজপ্রিন্ট কাগজে ছাপানো একটি পাতলা বই পড়ছে। অনেকটা ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর স্টাইলে, আমিও কৌতুহল চাপতে না পেরে দেখতে গেলাম দুইল্যা কি বই পড়ে। যা বুঝার বুঝে গেলাম। সমাঝদার পাঠক গন নিজ দ্বায়িত্বে বুঝিয়া লন আমাদের দুলি বিদ্যাসাগর কি বই পড়ছিলেন। আমাকে প্রশ্ন করিয়া বিব্রত করিবেন না।

এখন ক্লাস এইটে ৮৮ সাল তখন, ক্লাসের ২য় পিরিয়ড চলছে, ক্লাস নিচ্ছেন মরহুম হক স্যার ( আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুক), আমরা যথারীতি থার্ড বেঞ্চে বসে আছি, আমাদের জ্ঞানী Riman Babu সেই নিউজপ্রিন্ট কাগজের বই নিয়ে এসেছে, স্যার পড়াচ্ছেন পাঠ্যপুস্তক, আর আমি, রিমান, ভুতের আন্ডা বাবু আর বুড়া মিয়া আছি নিউজপ্রিন্ট বই নিয়া,এক পর্যায়ে বই নিয়া টানাটানি শুরু হয়ে গেল, ফলে যা হওয়ার তাই হলো, বই সহ আমরা চার জন স্যারের হাতে ধরা, বই দেখে স্যারের স্বভাব সুলভ ভঙ্গিমায় উক্তি " এ্যারে তুরা তো অনও মেট্রিকও হাশ করোছ নো, এই বয়সেই ডাক্তারি বই হড়া শুরু করি দিসোত কিল্যাই", এই বলেই চার জনের উপর প্রচন্ড লাঠি চার্জ, চার জনই মার খেয়ে একেবারে কাত। ভাবলাম মারের পর্ব শেষ, কিন্ত না, এবার স্যার ধরলেন এই বই কে আনছে। আমরা কেউই স্বীকার করছিনা, যেহেতু স্যারের ক্লাসে আমি বহু আকামের দাগী আসামি, তাই পুরো সন্দেহ টা পড়লো আমার উপর, আমার উপর আরেক দফা প্রচন্ড লাঠি চার্জ এবং ক্লাস থেকে বহিস্কার, তারপরও আমি মুখ খুলিনি বই টি কে এনেছে। 

স্কুল জীবনে আমাদের বন্ধুত্ব টা এতো অটুট ছিল যে, কেউ কোন আকাম করলেও স্বীকার করতাম না কে করেছে শত মার খাওয়ার পরও।

চোরাবালি


সিনেমা দেখতে দেখতে নিতুর মাথায় একটা দৃশ্য চোখে পড়ল।ঘুম থেকে উঠে নায়িকা কাউকে চিনতে পারছে না

।নিতুর মনে হল, সে ও একই কান্ড করবে তার মা বাবার সাথে।একদিন সকালবেলা সে ঘুম থেকে উঠে সবার সাথে অদ্ভুত আচরন শুরু করল।সে কাউকে চিনতে পারছেনা। প্রথমে মা বাবা ভেবেছিলেন নিতু মজা করছে।কিন্তু কয়েকদিন পর্যন্ত যখন নিতু একই রকম আচরন করতে থাকল,তখন তারা চিন্তায় পড়ে গেলেন।

একদিন রাতের বেলা নিতু যখন পানি খেতে উঠল তখন শুনতে পেল মা বাবা তাকে নিয়ে কথা বলছেন।নিতু আড়ি পেতে যা শুনল তা শোনার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না।তার মনে হল সে ক্রমশ চোরাবালি তে তলিয়ে যাচ্ছে। কেউ তাকে টেনে তোলার নেয়।এই সময় নিতুকে সাহায্য করতে আসে নাফিস।কিন্তু নাফিস কি পারে নিতুকে সেই চোরাবালি থেকে টেনে তুলতে?

আজ এ পেজের লেখক দের পোস্টমর্টেম করব


আজ এ পেজের লেখক দের পোস্টমর্টেম করব,ভয়ের কিছু নেই, লেখকরা সবাই বেঁচে আছে,পোস্টমর্টেম করব উনাদের লেখার ধরন গুলো। এ ক্ষেত্রে আমিই ডোম আমিই ডাক্তার।

এ পেজের প্রবীন লেখক Anisur Rahman Reza ভাই। উনি আগে ইংরেজী ভাষায় বাংলা লিখতেন, পরে একুশের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে বাংলা ভাষায় বাংলা লিখেন। উনার লেখায় কিছুটা হুমায়ুনিয় ছোঁয়া আছে। যেমন : "সারাফের মা আজ পোলাও রান্না করেছে", এ সাধারন কথাটি উনি লিখবেন "সারাফের মা আজ ভাত রান্না করেনি",পাঠকরা ধরে নিবে আজ বুঝি রেজা ভাইকে ভাবী ভাত দিবেনা, কিন্তু পরের লাইনেই খুব হিউমার দিয়ে রেজা ভাই লিখবে,, "আজ সারাফের মা' র মুড ভালো, বাসায় আজ পোলাও রান্না হচ্ছে"। লেখার স্টাইল টা আমার খুব পছন্দ।

Mdnurul Kabir Niru ভাই নতুন এক ভাষার জনক, যার নাম নিংরেজী ভাষা। উনার লেখা মানেই ব্যাপক বিনোদন, আগে শুধুমাত্র উনার পোস্টের উপরই পেজে বিরাট আড্ডা জমে উঠত।

Ripon Akhtaruzzaman ভাই, হিউমার আর ইমোশন দিয়ে যে কোন লেখা দুর্দান্ত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। যখনতখন ছন্দ দিয়ে বানিয়ে ফেলেন কবিতা বা মন্তব্য।

Nazmul Huda ভাই খুবই দুর্লভ লেখক, কিন্ত যখন লেখেন আবেগে ভাসিয়ে সবাইকে কাঁদিয়ে ছাড়েন।

Reajul Islam Shahin ভাই খুবই মুডি লেখক, সম্প্রতি ঢাকা সফর নিয়ে গবেষণা ধর্মী প্রবন্ধ দিয়েছেন। 

Khurshed Alam Manik ভাই এর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসবে বন পরিবেশ, মৎস্য ও পশু সম্পদ এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে।

Rubina Akter Shireen আপা, দুর্দান্ত হিউমার সমৃদ্ধ একজন লেখিকা এবং সম্পাদনাকারীনি।

Pinky Chittagong আপা, উনার পোস্টের চেয়ে কমেন্টস শক্তিশালী। 

Mohammed Kamar Uddin ভাই এর লেখায় পারিপার্শ্বিক বিবরন থাকে বেশি।

Niaz Morshed ছোট একটি বিষয় কেও বিশদ আকারে ফুটিয়ে তুলে লেখার ক্ষমতা আছে।

ভাইয়েরা, বহুত রাইত হইছে, আর কোন লাশ থুক্কু লেখক থাইকলে তার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট কাইলকা দিমু।