সারাদিন তোমাদের সাথেই কাটাই। মনে যে কস্ট তা লাঘব করার চেস্টা। আর তাতে তোমাদের যে অবদান তা অসাধারণ। তবুও কস্ট তার জায়গা থেকে একচুল সরেনি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সত্যের মুখোমুখি হয়েছি আজ ৩১ দিন। কিন্তু আজ অব্দি আমি এটা মেনে নিতে পারছিনা। বিশ্বাসই হয়না।আমার আব্বার জন্য এবং যত বাবা জীবিত বা মৃত সবার জন্য,জীবিতদের দীর্ঘায়ু আর সুস্থতার জন্য দিনশেষে একবার হলেও দোয়া কোরো। আমার জন্যও। আমি আজো আব্বার রেখে যাওয়া টুথপেস্ট যা আমার বাসায় আছে তা ব্যবহার করছি আর কাউকে ধরতে দেইনা। উনার রেখে যাওয়া টিস্যু রোল সেভাবেই রেখে দিয়েছি। জানি এইগুলা শেষ হবে বা নস্ট হবে। কিন্তু আব্বা আমার মাঝে সারাজীবনই জীবিতই থাকবেন।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Wednesday, March 30, 2016
এইটারে আরেকদিন পাইলে আমি যে কি করবো জানিনা
Farzana Haque Rini, এইটারে আরেকদিন পাইলে আমি যে কি করবো জানিনা। আমাকে যেভাবে সে প্রথম দেখায় ধরেছিল তার প্রতিশোধ নিবো। আমার সাথে প্রথম কথা হয়েছিল সে আমাকে ফোন দিয়েছিল যে তার ঢাকায় পোস্টিং হচ্ছে,ছেলেকে কোথায় ভর্তি করবে সে বিষয়ে পরামর্শ করতে। সুন্দর করে কথা বলে। আহ্লাদীওও আছে বদটা। বুড়ি হইসে, তারে শাড়ি পরায়ে দেয় তার মা। আড্ডার দিন দেখি চাচী তারে শাড়ি পরাইতেসেন। এই বিষয়ে ওরে কোচিং দিতে হইবো। কবে আমার কাছে শাড়ি পরা শিখতে আইবি ক। অবশ্যই ফ্রী না।
ঋনী না রিনিঝিনি
আমি যখন কাকে নিয়ে লিখব ভাবছিলাম তখন মামুন ভাই রিনির নাম দিয়েছিলেন। একটা লিখা ছিল কিন্তু তার আগেই অন্যরা লিখে ফেলল রিনিকে নিয়ে।
রিনি আমাদের নিচতলায় থাকত।খুব শুকনা ছিল।একটু খেলতে গেলেই ব্যথা পেত,তাই ওর আব্বা ওকে খেলতে দিত না।পড়তে নিয়ে যেত। মাঝেমাঝে দুপুরে খেলতে বের হলে ওর আব্বা আমাকেও ডেকে নিয়ে পড়াতেন।রিনি নাকি একা পড়ায় মন বসেনা।
মেয়ে হিসেবে রিনির প্রতি চাচার ছিল অনেক খেয়াল। লিংকন এর প্রতি এত খেয়াল ছিল না।রিনিকে অনেক বই কিনে দিত ওর বাবা।সেগুলো পড়তে আনতাম। মাঝে মাঝে ঝগড়া হত,আবার মিটেও যেত। রিনিকে চাচী কিছু বললেই কেঁদে ফেলত।চুল কোঁকড়ানো ছিল, কিন্তু মনে জটিলতা ছিল না। একটু বোকা টাইপের ছিল। মাঝেমাঝে ওর কিছু কথা শুনে হা করে থাকতাম।অনেক বকবক করতে পারত।
ফেসবুকে ও নাকি আমাকে প্রথমে চিনতেই পারেনি।শুনে অবাক হয়েছিলাম।অথচ এখন প্রায় যোগাযোগ হয়। পুরনো সম্পর্ক নতুন করে ঝালাই করা আর কি!
রিনিরা একসময় সিটাইপে চলে যায় কিন্তু দেখা হলে আগের মতই আন্তরিকতার কমতি ছিল না। এখনো নেই। আশা করি বাকি দিনগুলো- এভাবেই ভাইবোনের মত করে কাটিয়ে দিতে পারব।
আমাদের জসিম ভাই এর ছিল তিনখান বন্ধু
আমাদের জসিম ভাই এর ছিল তিনখান বন্ধু ।নিয়মিত তাহারা তিন নম্বর বিল্ডং এর কোনায় Drain পারে আড্ডা দিতেন ।একদিন আমার আর মেরীর মাথায় ভুত চাপল ।দু'জনে গেলাম জসিম ভাই আর বন্ধুদের মত Drainপারে বসে আড্ডা দিতে ।কিন্তু কপাল ছিল মন্দ। দু'জনে ধপাস করে Drain এ পড়ে গেলাম ।মাথা তুলে দাঁড়াতেই দেখি আমাদের দু'জনের মা জননী চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছেন। হায় রে জসিম ভাই ও তার বন্ধুদ্বয় . . . . .
আমার মেয়েদের কাছে জাহাজ খালা নামে সুপরিচিত
Ishrat Jahan Shaila, আমার মেয়েদের কাছে জাহাজ খালা নামে সুপরিচিত। পেইজে তার কমেন্ট পড়ে খুব মজা পেতাম। মাঝে মাঝে একা একাই তার কমেন্ট বলে বলে হাসতাম। পরে ও আমার ফেইসবুক ফ্রেন্ড হল। প্রথম ওকে দেখলাম। কি সুন্দর! টিকালো নাক। চোখগুলা যেন কথা বলে,ওর মুখও বলে।সবচেয়ে ভাল লাগে ওর গালের আঁচিলটা। মাশা আল্লাহ কি সুন্দর। প্রথম জীবিত দেখলাম Oven fresh এ আমরা সবাই যখন বসলাম। ওকে জড়িয়ে ধরলাম। একটুও মনে হয়নি সেদিন প্রথম দেখা। যেন জন্মান্তর এর পরিচয়। খুব হাসিখুশি একটা মেয়ে। এরপরে আড্ডায় দেখা। মেলা দেরি করে আসছে হেভি মাঞ্জা মাইরা( fingers crossed)। হাহাহা,না। ও খুব সিম্পলি এসেছিল কিন্তু খুব সুন্দর লাগছিল। আসলে সুন্দর চেহারায় হয়না। যে হাসতে জানে সেই সুন্দর। যেমন আমি,রিনি,রনি,তানিয়া আরো যারা এসেছিল আড্ডায়। চিটাগাং থেকে ফেরার পরের শুক্রবার ও এসেছিল আমার বাসায়। সারাক্ষন খালি হাহা হিহি চললো।খুব সংসারী একটা মেয়ে। বেঁচে থাক বোন সবার আদরে ভালবাসায়।
রং তুলি কিংবা মোমের দেশের মেয়ে
নাম ছিল তার দামী পাথরের নামে,নিজেকে তাই দামী করার আপ্রাণ চেষ্টা। ছিলেন আর দশটা সাধারণ মেয়ের মত পাশের বাড়ির মেয়ে অথচ নিজেকে অসাধারণ করে তোলার জন্য উঠে পড়ে লাগা। সাহিত্যের নায়িকারা যেমন হয়, চেনা হয়ে ভীষণ অচেনা,সবার চেয়ে আলাদা। হ্যা, রুবি আপা, আমাদের পাশের বাসার প্রতিবেশী।
রঙিন প্রজাপতির পাখার রং নষ্ট না হবার জন্য যেমন আলতো করে ধরে রাখতে হয়, রুবি আপাকেও উনার আম্মা তেমনি যত্ন করে বড় করেছেন। পড়াশোনায় ছিলেন মেধাবী, পাশাপাশি স্কুলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ ছিল সপ্রতিভ পদচারনা। ছিলেন চিন্তা চেতনায় আধুনিক। মাঝে মাঝে চুলে জপজপ করে তেল দিয়ে রাখতেন, তবুও তার স্মার্ট নেসে ঘাটতি পড়ত না এতটুকুন। যেকোন কিছু সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন।
একবার রুবি আপার চিকেন পক্স হয়ছিল,মুখে দাগ থেকে গিয়েছিল।সেই দাগ দূর করতে তিনি।নিয়মিত ডাবের পানি মুখে দিতেন, রূপকথায় যেমন হয়। সারাজীবন চেয়েছেন মাথা উঁচু করে বাঁচতে, পেরেছেনও তা। রং তুলির ক্যানভাসের মতই রুবি আপার জীবন তাই নানা রঙে রঙিন
পেইজে মেয়েদের উপস্থিতি কম ছিল শুরুতে
Farhana Islam Rony, পেইজে মেয়েদের উপস্থিতি কম ছিল শুরুতে। শায়লা ছাড়াও এই মেয়েটাও খুব সপ্রতিভ। ফোন নাম্বার চাইলাম ইনবক্সে। পেয়েই ফোন দিলাম। কথা বলে খুব চমতকৃত হয়েছি। আড্ডার দিন সকালে ওকে প্রথম দেখলাম। এই মেয়েটাও এত সুন্দর কেরে বুঝলাম না। বিশেষ করে তার চোখ। ও আব্বা যাবার কদিন আগে ফোন করেছে ওর ভাইয়ের বিয়েতে দাওয়াত দিতে। বলেছিলাম যে আসতে পারলে ভাল হত,কিন্তু আব্বা আসছেন, তাই হবে না যাওয়া। ও আবার বললো চিটাগাং গিয়ে তার আব্বার সাথে আব্বাকে কথা বলাবে। আমার কাছে সময় জেনে নিলো। কিন্তু ও ফোন করার আগেই ত........। যাহোক,এই মেয়েটার জন্য অনেক দোয়া রইলো। ভাল থাকিস তুই,অনেক ভাল।
তানিয়া
সিএসএম এর আমাদের ছোট বোন।আমার ছোট বোনের ক্লাসমেট।ছিল কলোনীর এফ/৩ এর হক স্যারের পাশের বাসায়,পরে হাউজিল কলোনীতে যায়।ছোট কাল থেকে সংস্কৃতি মনা।
সুচায়নের আছে জড়িত।খুব ভাল কবিতা আবৃতি ও উপস্হাপনা করে। বতর্মানে এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের শিক্ষিকা।
আড্ডাতে তানিয়ার প্রাণবন্ত উপস্হাপনা সকলের প্রসংশা করিয়েছে,
এক কথায় আমাদের সিএসএম এর গর্ব।
শুধু কোন খাওয়ার আড্ডা তে না রাখলে মাইন্ড খায়।
তানিয়ার একটা ইচ্ছে সিএসএম তয় প্রজন্মকে সাংস্কৃতি মনা করে গড়ে তোলা।
বোন তুই এগিয়ে যা সিএসএম এর সকল ভাই - বোন তোর সাথে আছে।
দূরের বাতিঘর
হিরা আপা ছিলেন রিপা আপার কাজিন,কিন্তু আমি ভাবতাম উনারা আপন বোন।কারন প্রায়ই দুজনে একই রকম প্রিন্ট এর জামা পড়তেন, আপন বোনের মত খুনসুটি করতেন। অনেকে হিরা আপাকে মনে করতেন শক্ত মনের মানুষ কিন্তু যারা উনার সাথে ভালভাবে মিশেছেন তারা জানেন উনি কত সহজে সবার সাথে মিশে যান। মাঝে মাঝে হিরা আপা আমাকে ইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে এটা ওটা যেমন বাদাম, চকলেট আনতে দিতেন,আবার ভাগ দিতেন।
বান্ধবী দের বাসায় যাবার সময় সাথে নিয়ে যেতেন যেন আমি উনার আপন ছোট ভাই। বিনু,চন্দ্রা,লিপি উনার এঈ বান্ধবী দের বাসায় উনার সাথে যেতে হত। এস এস সি পাশের পর উনার বিয়ে হয়ে যায়।বিয়ের দিন যখন উনি কাবিন নামায় সই করেছিলেন তার আগে কি যেন ভাবছিলেন। ছোট বলে বুঝিনি একটা মেয়ের জন্য ওটা কত গুরুত্ববাহী সময়। হিরা আপার বিয়ের পর আমি ভেবেছিলাম আমি বুঝি একজন স্নেহময়ি বড় বোন হারালাম।কিন্তু না বিয়ের পর, এমন কি এত বছর পরেও উনি আমাকে আগের মতই স্নেহ করেন,দোয়া করেন।
মহাসাগরে জাহাজ পথ হারালে দূরের বাতিঘর জাহাজকে পথ দেখায়,তেমনি হিরা আপা জীবনে অনেক সংকট কাল পেরিয়েছেন উনার মা বাবার দূরের বাতিঘরের মত আশীর্বাদ এ।প্রান খুলে হাসেন,মেশেন মানুষের সাথে।হাসিখুশি এই মানুষ টি তার স্বরূপে বিরাজ মান থাকুন সবসময়
মৌন এবং মুখর
বেবি আপারা থাকতেন আমাদের পাশের বাসায়।তিন বোন একভাইয়ের মধ্যে উনি মেজ। দেখা যায়, ভাই বোনদের মধ্যে যারা মাঝামাঝি তারা খুব বেশি আহ্লাদী হয় না।কারন মা বাবারা বড় সন্তানের প্রতি বেশি।আবেগী হন আর ছোট টাকে বেশি প্রশ্রয় দেন।কিন্তু মাঝামাঝি যারা থাকে তাদের প্রতি খেয়াল কম করে।অথচ এরাই আবার মা বাবার প্রতি লক্ষ্য রাখে বেশি।বেবি আপা ছিলেন তেমন।খুব সেন্সিটিভ আবার ব্যক্তিত্বময়ী। ঘরের সব কিছুতে তার খেয়াল ছিল।আবার পড়ালেখায় ছিলেন সিনসিয়ার।ছোট ভাই বোনদের স্নেহ করতেন।
বেবী আপা পড়াশোনা কে অনেক বেশি ভাল বাসতেন।এজন্য খাটতেন খুব। অবশ্য উনার আব্বা উনাদের তিন বোনকেই সমান আদর যত্ন দিয়ে বড় করেছেন।ছবি আঁকতে ভালবাসতেন।খুব সুন্দর দৃশ্য আঁকতেন। জামার ডিজাইন ও করতেন মাঝেমাঝে। সবার সাথে ভালভাবে মিশতেন তবে নিজের ব্যক্তিত্ব কে খাটো করে নয়। বেবি আপা কিন্তু হিসেবি ছিলেন না।কি করলে কি পাবেন এগুলো নিয়ে ভাবেন নি কখনোই। জীবন যখন যেভাবে তার সামনে এসেছে, তাকেই মেনে নিয়েছেন।খুব সহজেই।দূরে চলে গেলেও নিজের শেকড় কে ভুলেন নি।কাছের মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ রেখেছেন।তাই ত বারবার ফিরে আসতে চেয়েছেন কলোনি র মানুষগুলোর মাঝে।আপনি যাতে সবসময় এভাবে সহজ ভাবে জীবন টাকে দেখতে পারেন, সেই কামনা করি
কতবার ভেবেছিনু
প্রতিবার একটা করে লিখা লিখি আর ভাবি এই শেষ আর লিখব না।টপিক শেষ হতে হতে এমন জায়গায় আসল যেন নতুন কিছু আর নেই।নিজেকে অনেক হালকা মনে হচ্ছিল। কিন্তু হঠাত করে একজন কে নিয়ে ভাল ভাল লিখার বিষয়টা কিন্তু ভালই লাগছে।আমি যেন আবার অনেক কিছু লিখার বিষয় খুজে পেলাম।জানিনা কে কিভাবে নিচ্ছেন, তবে কারো সম্পর্ক এ ভাল কিছু লিখতে ভালই লাগে।এতে করে যার সম্পর্ক এ লিখা হয় সে ত খুশি হয়,অন্যরাও অনেক কিছু জানতে পারে।
চারদিকে যখন নেতিবাচক কথাবার্তা য় ভরে গেছে তখন দুই চার টা ভাল কথা লিখতে দোষ কি? প্রতিদিন ত হাজারো খারাপের সাথে উঠতে বসতে মানিয়ে নিচ্ছি,আপোষ করছি।সেখানে না হয় এই ভাল কথাগুলো র ঠাই হোক।আনন্দে থাকুক সবাই
ছেলেরা যে কেন সিগারেট টানে শ্রেয়া এটা বুঝতেই পারেনা
ছেলেরা যে কেন সিগারেট টানে শ্রেয়া এটা বুঝতেই পারেনা, ধুমপায়ী ছেলে তার দু চোখের বিষ, শ্রেয়া জানে তার রাতুল খুব ভাল ছেলে, কোন বিড়ি সিগারেটের মধ্যে নাই। শ্রেয়া এটা তার বান্ধবী দের গর্ব করে বলেও।
ক্লাসটা আজ একটু আগেই ছূটি হয়ে গেল, রাতুল মোড়ের দোকানে বসে আরো কয়েকজন মিলে ধুমাইয়ে ধুমপানে ব্যস্ত, একেবারে আচমকা শ্রেয়ার সামনে কট বিহাইন্ড, শ্রেয়ার সাথে তার বান্ধবী রাও ছিলো, যাদের কাছে রাতুল কে নিয়ে গর্ব করত, তাদের কাছে শ্রেয়া পুরা বোল্ড আউট। লজ্জা অপমানে পুরা গোল মুখটি টমেটো হয়ে আছে।
রাতুলও বুঝতে পারেনি এত তাড়াতাড়ি শ্রেয়ার ক্লাস শেষ হয়ে যাবে আর এদিক দিয়ে সে যাবে। এইটা নিয়া দুজনার মাঝে বহু খিচমিচ। আবার অনেকদিন পর সব ঠিক।
এরপরে অনেককাল পার হয়ে গিয়েছে। যে রাতুল পঁচাত্তর পয়সা দামের সিগারেটের জন্য তীর্থেরকাক হয়ে থাকতো, সে রাতুল এখন সবচেয়ে দামী ব্রান্ডের সিগারেটও কালে ভদ্রে খায়। যে রাতুল পাহাড়ি তাড়িতে একসময় বুদ হয়ে ছিল, এখন দামী ইমোশনাল পানীয়ও তাকে তেমন আর আকর্ষণ করেনা।
আর শ্রেয়া, এখন সিগারেট খাওয়া আর ইমোশনাল পানীয় এই ব্যপার গুলো খুব স্বাভাবিক ঘটনা মনে করে।
আসলে সময় অনেক বদলে গিয়েছে, শহরে এখন ফ্লাইওভারে গাড়ি চলে।।
ইহা একটি রোমান্টিক সামাজিক সিনেমার অংশ বিশেষ, যাহা অতি শীঘ্রই নির্মিত হইতে যাচ্ছে, অভিনয়ে আগ্রহী গন যোগাযোগ করুন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী Shajib Kumer Dey এর সাথে।
বিষয়ডা আপনাগোরে জানাইলাম
মা বলছিল পুত,,ফ্রি জিনিস কখনও হাত ছাড়া করবি না।।কারন ফ্রি জিনিস খুবই মূল্যবান হয়।।বিগত কয়েক দিন ধইরা দেখতাছি এই পেইজে দেদারছে একজন আরেক জনরে তেল দিতাছে সেই সাথে পেইজের অন্যান্য সদস্যরাও একটু একটু দিতাছে।।এখন প্রশ্ন হইলো আমি দুদিন ধইরা কিছু ক্ষন পর পরই আইতাছি,,ঘুরতাছি আবার যাইতাছি।।কিন্তু তেলের সন্ধান পাইতাছিনা।।মানে এক ফোঁটা তেলও আমার কপালে জোটলো না।।বিষয়ডা আপনাগোরে জানাইলাম।।
তারা ৬ জন ......
তারা ৬ জন ...... (তারা আর কেউ নয় আমাদের সকলের প্রিয় রেজা ভাই, জসিম ভাই, নিরু ভাই, রিপন ভাই, শাহিন ভাই আর নাজমুল ভাই)
শুরুতেই বলছি এটা কোন তৈল জাতীয় অথবা তেল মিশ্রিত পোস্ট না। এটা শুধুমাত্র আমার জ্যামিতিক ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। আমরা সবাই জানি তারা সবাই শত শত, হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি গুনে গুণান্বিত। কলোনিতে থাকাকালীন সময়ে আমি তাদের সম্পর্কে যা শুনেছি, যা দেখেছি, পত্র পত্রিকা পড়ে যা পেয়েছি তার মাত্র কিছু অংশ লিখেছি। যদি কেউ ভুলবশত এই পোস্টকে তেল মিস্রিত পোস্ট মনে করে অথবা কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে এই পোস্ট এ বিন্দুমাত্র তেল এর অস্তিত্ব আছে তাহলে এর জন্য কোনভাবেই আমি দায়ী থাকব না, সব দায়ভার বন্যা আপুর।
প্রকৃতির নিয়মে অবিনশ্বর পৃথিবীতে কোন কিছুই স্থায়ী নয়। কোন কিছুর শুরু হলে একদিন তার শেষ হতেই হয়। মানুষ জন্ম নিলে তার মৃত্যু অবধারিত হবেই। মহান সৃষ্টিকর্তা সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। মানুষের কিছুই করার নাই। তবুও মানুষ বেচে থাকে তার কর্মে-সৃষ্টিতে। মানুষের স্বীয় কর্মে ও গুণাবলীতে সকলের কাছে চিরস্বরণীয়,বরণীয় হয়ে থাকে যুগ যুগ এমনকি শতাব্দীর পর শতাব্দী।
আজ বলব CSM কলোনিতে থাকাকালীন সময়ে আমাদের সকলের প্রিয় রেজা ভাই, জসিম ভাই, নিরু ভাই, রিপন ভাই, শাহিন ভাই আর নাজমুল ভাইকে নিয়ে। অন্য কোন একদিন বলব আরও যেসব মহৎ পুরুষ ছিল CSM কলোনিতে তাদের নিয়ে। আমরা জানি তারা সবাই এক একজন মহৎ পুরুষ,এক একটি ইতিহাস,এক একজন পথপ্রদর্শক। তারা মৃত্যুর পরেও বেচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ে অনন্তকাল ধরে।
রিনি আমাদের ছোট বোন। ৯৮ ব্যাচ
রিনি আমাদের ছোট বোন।৯৮ ব্যাচ।আমাদের খোকন ভাইয়ের চাচাত বোন।আমার ছোট বোন ঝুমুর এর বান্ধবি।
কলোনীতে প্রথমে d টাইপে ছিল,পরে সি টাইপে যায়। কলোনীতে কখনো কথা হয়নি।
পেজের মাধ্যমে পরিচিতি ও আন্তরিকতা। বোনটা আসলেই খুবই শান্ত প্রকৃতির। ব্যাংকে চাকুরি করে,আগে খুলনা ছিল পরে এখন বদলি হয়ে ঢাকা বসবাস।
পেজে সরব উপস্হিতি।আড্ডার তিন দিন পূর্বে আমি যখন ঢাকা যাই, মা হাসপাতালে ছিল,প্রতিদিন খবর নিত চাচী কেমন আছে,
আড্ডার দিন দেখা হওয়া মাএ আগে আমার মায়ের খবর নেয়।তারপর বোন কেমন আছে।ও খুব সহজেই সবাই কে আপন করে নিতে পারে।
পরিশেষে একটাই কথা বলব সব সময় এভাবে থাকিস,পেজে সব সময় সরব থাকবি।কারণ এই খানে সব আমরা- আমরাইতো।
NAZMUL BHAI AMON EKJON MANUS JAKE NIA BOLE SHES KORTE PARBO KINA JANINA
SOBAIKE ATO KORE BOLLAM NAZMUL BHAIKE NIA KICHU LIKHTE KINTU KEW LIKHLONA.TAI AMI LIKHCHI. NAZMUL BHAI AMON EKJON MANUS JAKE NIA BOLE SHES KORTE PARBO KINA JANINA.KHUB VALO MONER EKJON MANUS.UNI SOBAIKE KHUB VALOBASEN O SNEHNO KOREN.AMI JOKHON CTG GIACHILAM UNI HAJAR BESTOTAR MAJHEO AMAR KHOBOR NIACHEN.DEKHA KORECHEN.UNAR TULONA UNI NIJEI.COLONYTE THAKAR SOMOY CHINTAM KINTU KOTHA HOYNI,PORICHOY HOYNI.KIVABE MANUSKE APON KORE NITE HOY UNI TA JANEN.AMAR KACH THEKE SHUNE PAPPUKE DEKHTE GIACHILEN AMAKE NIA.APNAKE ONEK SRODDHA O SALAM JANAI.HOYTO APNAKE NIA KICHUI LIKHTE PARINI.KHOMA KORBEN.ALLAHR KACHE DOA KORI APNI ONEK VALO THAKUN.
তাম্বুরা মামা
ছবির মানুষটা আল্লাহ্তাআলার অদ্ভুত সৃষ্টি। এই মানুষটার সাথে ইনবক্সে যে কেমনে খোঁচাখুঁচি করি তা যদি দেখাইতে পারতাম তাইলে জীবন স্বার্থক হইতো আমার(এখনও করতেসি)।মানে কোনো একটা কথা বলা শেষ না করতেই উত্তর রেডি থাকে এবং হাসতে হাসতে মারা যাই সেগুলা শুনে।মানুষটা তাম্বুরা মামা।নানা-নানু শখ করে জাবেদ নামটা রাখসিলেন।আকীকা না দিয়ে নাম পাল্টায়ে ফেলসে।আমাকে পচাইতে খুব পছন্দ করে।আমরা মাঝে মাঝে ছন্দে ছন্দেও কথাবার্তা বলি।গ্রুপে কোনো এক কারণে মামা নাই,আমি চাইনা যে মামা এই পোস্ট দেখুক।সাথে সাথে দাম বাড়ায়ে দিবে নিজের।আর কথাই বলতে পারবো না।ছবি তোলার মত অসম্ভব ভালো কাজটা মামা বেসম্ভব ভালো পারে।
জাবেদ মামা,তুমি কি জানো আমি তোমাকে কত পছন্দ করি?মুখে বলতে পারবোনা,লিখতে গেলেও শেষ হবেনা। smile emoticon
বিশেষ দ্রষ্টব্য : মামাদের বাসায় গেসিলাম।সবাইকে সাবধান করি,মামার বেডরুমে কেউ যাবেন না।মাথা ঘুরায়ে পড়ে যাইতে পারেন। সুন্দর করে ঘরটা সাজায়ে রাখসে তো। বাকিটা ইতিহাস। মুখ খুললে মামা কইন্যাবে (কনুই দিয়ে মারবে)।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে wish করার জন্য
এই পেইজের সকল সমমানিত বড় ভাই ও বোনরা এবং আদরের ছোট ভাই-বোন সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে wish করার জন্য।আমি খুব....খুশি হলাম।যদিও আজকে এ দিনে আমি আমার প্রিয় পরিবারটি ছেড়ে আরেকটা প্রিয় পরিবারে আসলাম।তবুও মনটা অনেক খারাপ কারন আমার আববা(শশুর বাবা) উনার শরীরটা বেশ খারাপ।উনি আর আমার শাশুরি মা কিনতু আমাকে অনেক পছনদ করে নিয়ে এসেছে।এতো অসুস্থ তারপরও আজকে আমাকে ডেকে টাকা দিয়ে বলছে তুমি কিছু কিনে নিও।আববা আমাকে অনেক আদর করেন।আমার নিজের বাবা না থাকার কষট টা উনি কখনও বুঝতে দেন না। পেইজের সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন,জেন উনি খুব তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে যান।
সতর্কীকরন পোস্ট
গতকাল শহরে গিয়ে ছিলাম সরকারি প্রয়োজনে।।লোকাল বাসে যাচ্ছিলাম।।বাসে উঠার পর থেকে সামনের সিটের একটা বাচ্চার দিকে কেবলই দৃষ্টি যাচ্ছিল।।কেবল চিৎকার করে কাঁদছিল।।কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম,,ও কাঁদছে কেন??তখন ওর বাবা বললো,,((খেলতে গিয়ে নাকের ভেতর শিমের বিচি ঢুকে গেছে)),,এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে যাচ্ছি।।কিছু ক্ষনের জন্য হতভম্ব হয়ে গেলাম আর মনে মনে বললাম আল্লাহ্ তুমি সাহায্য করো।।তখন বাবার হাতটা ধরে বললাম মনে সাহস রাখুন আল্লাহ্ নিশ্চয়ই সাহায্য করবেন।।
পোস্ট টা ব্যক্তিগত পেজে না দিয়ে এখানে দিলাম।।সচেতনতাটা আমার পরিবার থেকেই শুরু করতে চাই।।কারন এই পেজটা আমার পরিবার।।
তাই বাবা-মা সহ ভাই-বোনদের বলছি,,আপনারা আপনাদের জক্ষের ধন দের দিকে ভাল ভাবে খেয়াল রাখবেন।।
""মনে রাখবেন একটু অসচেতনতা,,সারা জীবনের কান্না""
জিয়াউল হাসান জিয়া। সি এস এম আড্ডার নেপথ্য নায়কদের একজন।
আপাত দৃষ্টিতে কঠিন এবং কঠোর মনে হলেও ভিতরে ভিতরে ভীষন নরম । যা করার একেবারে পারফেক্টলি করাই একমাত্র ইচ্ছা।যে কোন কাজের মধ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা,দায়িত্ববোধের উপর কড়া নজর রাখাতে বদ্বপরিকর।এসব কারনে অনেকে তাকে অপছন্দ করলেও সে তার নীতি থেকে একবিন্দুও সরতে রাজী নয়।আবার এই নীতির কারনে অনেকে তাকে আইডল হিসাবে মেনে নেয়।উপরের লেখায় যার এমন কঠিন চরিত্র চিত্রায়িত করলাম সে আর কেউ নয়, সে জিয়াউল হাসান জিয়া। সি এস এম আড্ডার নেপথ্য নায়কদের একজন। আমাদের এই ভাইটি কঠোর মনে হলেও ভেতর থেকে ভীষন নরম।।যে কোন যৌক্তিক কাজে তার সমর্থন আদায় করা খুবই সহজ।।সবার অগোচরেই মানুষকে সাহায্য করা তার অভ্যাস।।সবচেয়ে বড় গুন হচ্ছে ভুল স্বীকার করার মানসিকতা।আমাদের কাছে তার পরিচয় স্টীলার হিসাবে।স্টীলার হিসাবে আমরাও চাইব জীবনের বাঁধা সফলতার সাথে অতিক্রম করে আরো সমৃদ্বি লাভ করুক।
জেনে না জেনে অতিরঞ্জিত কোন কিছু করা একদম উচিত না
ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা আর সময়ের সাথে তাল মিলাতে না পারার কারনে ইদানিং গ্রুপে আমার একটু কমই ঢুঁ মারা হয়। কিন্তু মিস করি সবাইকে এটা যেমন সত্যি তেমনি সময় পেলেই ঢুঁ মারার লোভ সামলাতে পারিনা।
কালো কাপড় কিংবা রং দিয়ে সব ঢেকে কেবল চোখ বের করে রাখা মানেই কি বোরখা পড়া কিংবা হিজাব পড়া কিংবা লজ্জায় মুখ ঢেকে রাখা? সন্ত্রাসী,চোর, ডাকাত, এমনকি তথাকথিত আইএস সদস্যরাও মাঝে মধ্যে মুখ ঢেকে রাখে। তার মানে এই নয় যে তারা বোরখা পড়ছে।
গত তিনদিন আগে এক ফেসবুক ফ্রেন্ড আমাকে একটা গ্রুপে এড করায়, সেখানে দেখি মাত্র 13 জন মেম্বার সবার প্রোফাইল পিকে মুখ ঢাকা, পরে জানতে পারলাম এটা একটা প্রতিকী প্রতিবাদ তনুর ধর্ষন ও হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে। আমিও তাই প্রোফাইল পিকটা সেভাবে রেডী করলাম। এখানে লজ্জার জন্য মুখ ঢাকি নাই । পুরুষ হিসেবে নিজেকে ধিক্কার দিচ্ছি। আমরা পুরুষরাই তনুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী। কেবল এক্টা তনুর কাহিনী মিডিয়াতে এভাবে ফলাও করে এসছে। আরো কত তনু ডেইলী রেপ হচ্ছে, আত্মহত্যা করছে, রাস্তা ঘাটে, বাসে, অলি গলিতে লাঞ্চিত হচ্ছে। কয়টা ঘটনার বিচার হচ্ছে কিংবা কোর্টে উঠছে। এই প্রোফাইল পিকটা কেবল এক্টা সিম্বল। আমিও মেয়ের বাবা, আমার মা আছে, বোন আছে। তাইলে আমি পুরুষ হয়ে কেন এসব করবো? কোন না কোন ভাবে কোন নারীর সাথে আমাদের লিংক আছেই। কোন একদিন যদি আমার মেয়ে এমন পরিস্থিতির স্বীকার হয় তাইলে তখন............
গত কয়েকদিন যাবৎ এই পেইজে যাহা চলিতেছে (তৈলমর্দন)
গত কয়েকদিন যাবৎ এই পেইজে যাহা চলিতেছে (তৈলমর্দন) তাহাতে আমি রীতিমত চিন্তিত হইয়া পড়িতেছি।কারণ যেই পরিমাণ তৈলমর্দন চলিতেছে ইহা যদি বিরতিহীন ভাবে চলিতে থাকে তাহা হইলে অচিরেই দেশে তেলের সংকট দেখা দিবে।তাই চিন্তা করিলাম তৈল সংকট দেখা দেওয়ার আগেই আমি ও হালকা করিয়া মারিয়া লই।
গত কয়েকদিন ধরে যাদের কে তেল মারা হইতেছে,তারা সকলেই আমাদের অতি প্রিয়মূখ,চিরচেনা,যাদের অক্লান্তশ্রমে এই আড্ডা।যাদের তেল মারা হইতেছে তাদের face value অনেক বেশী(অবশ্য তা তাদের যোগ্যতাবলে)।চিন্তা করলাম তাদের তেল মারার লোকের অভাব নেই,আমি বরং সেই রকম একজনকে খুঁজি,যারে কেউ তেল মারার প্রয়োজনীয়তা বোধ করে না।চিন্তা করছি কাকে তেলটা মারা যায়,সে রকম কেউ কি আছে??? অবশেষে পেয়ে গেলাম একজনকে- এমদাদুল হক (পরাগ)
মোসাদ্দেক ভাই (শওকত ভাই) ছিলেন আমাদের স্কুলের প্রথম নক্ষত্র
জাফর ভায়ের কল, রেজা তুই শওকতের সাথে দেখা করেছিস? বললাম, না ভাই। এখনি যাবি। আমি শওকতকে বলে রেখেছি, তুই গিয়ে আড্ডার দাওয়াত দিয়ে আয়। ছুটলাম আমি আর রিপন, ভাই এর অফিসে। অমায়িক একজন মানুষ। ছোট বেলা থেকেই, ভাইকে জানি। আমাদের স্কুলের প্রথম ব্যাচের ছাত্র। ফার্স্ট বয় ছিলেন। বহু বছর পর ভাই এর সাথে তার অফিসে দেখা হলো। আড্ডা নিয়ে অনেক কথা হলো। উনি সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিলেন। রিপনের আবদার একটাই, ভাই আপনাকে, আড্ডাতে যেতেই হবে। দরকার হলে, আপনে 1sT ফ্লাইটে যাবেন,এবং বিকালের ফ্লাইটে ফেরত আসবেন। অনেক কাজের মাঝেও ভাই কথা রেখেছেন। আমাদের csm colony তে, আজ প্রচুর নক্ষত্র, দেশে বিদেশে, নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে, অবদান রেখে চলেছেন। কেউ নামকরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বাংকার থেকে সুরু করে, ব্যাবসা বানিজ্য, প্রশাসন, রাজনীতি, সব জায়গাতেই স্টীলাররা বিদ্যমান। আমরা গর্বিত।
এই নক্ষত্র গুলির মাঝে, মোসাদ্দেক ভাই(শওকত ভাই), ছিলেন, আমাদের স্কুলের প্রথম নক্ষত্র। আজ তিনি "BEPZA"তে, Joint Secretary, Member(Engg.), হিসাবে কর্মরত আছেন। মোসাদ্দেক ভাই, সহজেই মানুষ কে, আপন করে নিতে পারে। তানিয়া যখন ঢাকায় এসেছিলো, কবিতা আবৃত্তির জন্য, মোসাদ্দেক ভাই, ফোন করে, তানিয়ার খোজ খবর নিয়েছেন। উনি আমাদের মতই গর্ব করে বলেন, আমরা "স্টিলার"।
এই সাদা মনের মানুষটিকে নিয়ে আমরা গর্বিত।
এই পেজের সকলের পক্ষ থেকে, আপনাকে সালাম। সব সময় ভালো থাকবেন ভাই।
১নং ঘানির ঘী কী দোষ করলো
আমার মনে হয় এখানে যারা লিখেছে, তারা সবাই কাউ কে না কাউ কে তেল দিয়ে লিখেছে কিন্তু আমার ভাব তে কস্ট হচ্ছে এই ২০১৬ তে এসে ও যদি তেল এ থাকে তা হলে ১নং ঘানির ঘী কী দোষ করলো, না আমি এই টা মেনে নিতে পারছি না, সবার এই টা বুজা উচিত এই সময় কাউরে তেল দিলে তার ইজ্জত এ লাগতে পারে তাই এই পেইজ এর সবার কাছে সবিনয়ে অনুরোধ এখন থেকে তেল না দিয়ে ঘী দিয়ে লিখার চেস্টা করবেন আশা রাখি।ভাল ভাল লিখা পরার অপেক্ষায় আমি এই পেইজ এর একজন মেম্বার।
সবাই লিখছে আমি লিখছিনা তা কি হয়
সবাই লিখছে আমি লিখছিনা তা কি হয়??আমি সালাউদ্দিন। কলোনী তে সবাই বাবু নাম এ ডাকত। F-3 আমাদের বাসা ছিল
F-3 সামনে একটা বাগান ছিল। ছোটবেলায় ঐ বাগানে অনেক খেলাধুলা করেছি। বাবার ইন্তেকাল এর পর আমরা F-9 এ shift হয়। আমরা তিন ভাইবোন।, বড় বোন কোহিনুর, আমি ও আমার ছোট বোন অন্নি। আমি আমার ছোট বোনকে সি এস এম গ্রুপ এ add করতে পারছিনা। admin এর কাছে আমার request থাকল তাকে যেন add করা হয় এই group এ। আজ এই পর্যন্ত।।।।।
Tuesday, March 29, 2016
মুনতাহা (তরু)
- Aslamuddin Mamun
আমাদের মাহফুজ স্যারের মেয়ে।ওকে কলোনীতে দেখি নাই। তবে কলোনী থেকে বের হওয়ার পর আমি যখন ওয়াসা গলি( যৌথ আবাসিক কলোনী রোড) এ থাকি,তখন মাঝে মাঝে বাসে তার চনচলতা দেখেছি।খুবই চটপটে।
তারপর পেজের মাধ্যমে আমাদের সাথে পরিচিতি।পেজে সব- সময় সরব উপস্হিতি ছিল আড্ডাকে ঘিরে,এখন সামনে পরীক্ষা তাই একটু লিখা কম।
আমাদের সাথে ২১ ফেধ্রয়ারী তে শহীদ মিনারে গিয়েছিল, তারপর স্কুল এ তার কলোনী নিয়ে চিন্তা খুবই প্রশংসা নিও।
সব সময় প্রোফাইল এর ছবি পরিবর্তন করে।
এই পেজের সবাই তরু কে আদর ও স্নেহ করে।
এভাবেই আমরা সব সময় তরুকে দেখতে চাই।
কারণ আমরা আমরাইতো।
আমাদের মাহফুজ স্যারের মেয়ে।ওকে কলোনীতে দেখি নাই। তবে কলোনী থেকে বের হওয়ার পর আমি যখন ওয়াসা গলি( যৌথ আবাসিক কলোনী রোড) এ থাকি,তখন মাঝে মাঝে বাসে তার চনচলতা দেখেছি।খুবই চটপটে।
তারপর পেজের মাধ্যমে আমাদের সাথে পরিচিতি।পেজে সব- সময় সরব উপস্হিতি ছিল আড্ডাকে ঘিরে,এখন সামনে পরীক্ষা তাই একটু লিখা কম।
আমাদের সাথে ২১ ফেধ্রয়ারী তে শহীদ মিনারে গিয়েছিল, তারপর স্কুল এ তার কলোনী নিয়ে চিন্তা খুবই প্রশংসা নিও।
সব সময় প্রোফাইল এর ছবি পরিবর্তন করে।
এই পেজের সবাই তরু কে আদর ও স্নেহ করে।
এভাবেই আমরা সব সময় তরুকে দেখতে চাই।
কারণ আমরা আমরাইতো।
আমাদের কমুমামা
গ্রুপে পরিচয় মানুষটার সাথে।মজার মজার কমেন্ট দেখে রিকুয়েস্ট দিয়েছিলাম।এক্সেপ্টও করেছেন সাথেসাথেই।কমুমামা একদিন আমাদের বাসায় খুব সকালে এসেছিলেন।আসার পর আম্মু ডাক দিয়ে বললেন,"কমু আইসে,উঠে পড়।" তড়াক করে উঠে মুখ ধুয়ে সামনে গেলাম।সালাম দিলাম।চিটাগাইংগা ভাষায় কি কি যেন বলছিলেন মামা।যাই হোক,অসম্ভব মজার মানুষ।কথাগুলা রীতিমত গড়াগড়ি দিয়ে হাসার মত।মামার সাথে খুব ফ্রি হয়ে গেলাম।একদম আপন মামার মত।আর খালি বলে "কী খাবি বল"। আড্ডায় মামার সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছি। ৪বারের খাওয়ার সময় মামা সামনে দাড়িয়ে থেকে আমাদের খাইয়েছেন।চিটাগাং থেকে চলে আসার দিন হাজার ব্যস্ততা রেখে আমাদের দেখতে এসেছেন।তারিক মামা চলে যাওয়ার আগের দিন মামাই সান্তনা দিয়েছেন সবাইকে,যখন সবাই ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম।অফুরন্ত প্রাণশক্তির উদাহরণ কমু মামা।আড্ডায় মামার কাজ ছিল অতুলনীয়।
কমু মামা
প্রথম যেদিন দেখা হয় আমাদের বাসায় সকালে চিটাগাং থেকে আসে মামা। আম্মু যথারীতি ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলে দেখো একটা মামা আসছে।আমি ড্রইংরুম এ গিয়ে মামাকে সালাম দিলাম। কিছুক্ষণ এর ভিতরেই খুব ই ফ্রি হয়ে গেলাম। এর পরে আবার কবে দেখা হয় আমি সঠিক তারিখ টা ভুলে গেসি। গ্রেন্ড আড্ডার আগের দিন রাতে ভেন্যুতে গেলে আমরা তিন বোন কমু মামা বলে চিতকার করে উঠি। এর পরেরদিন আড্ডায় আমাদের খাওয়া-দাওয়া সব কিছু কমু মামা দেখসে। গ্রেন্ড আড্ডার পর তারিক মামার নাটোরে চলে যাবার আগে মামার সাথে দেখা হয়।এর পরেরদিন তারিক মামা চলে যাবে আমরা রাতের ট্রেনে যাবো নেত্রকোনা তাই মামার সাথে শেষ দেখা করতে গেছি আমি আর উমাম্পি কি কান্না!! কমু মামা কান্না আর থামাতে পারেনা আমাদের। ক্যাডবেরি কিনে দিবে বলেও মামা কান্না থামাতে পারলোনা।যতবার দেখা হয় ২ টা ক্যাডবেরি তো মাস্ট। কমু মামা খুব আদর করে।আমাকে মাঝে মাঝে ফোন দিয়ে কথা বলে মামা আবার ভিডিও কল ও হয়। কমুউউউউউউউউ মামা বলে একটা চিতকার দেই। we miss you mama!! meet us soon and we love you a lot! smile emoticon
একজন ভাল মানুষ
অপু দা।যার পুরো নাম সজিব কুমার দে।আমরা চিনতাম আরতি আপার ছেলে বলে।আর স্কুলে অনুষ্ঠানে ভাল বাজাত বলে।উনি যখন স্কুলের কোন অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রিক গিটারে সুর তুলতেন,তখন তন্ময় হয়ে পুরো কলোনি বাসী শুনত। বাদ্যযন্ত্র প্রতিযোগিতা য় প্রথম হওয়া অপুদার ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছিল। এজন্য কলোনি র অনেক মেয়ে উনার ফ্যান হয়ে গিয়েছিল।কিন্তু উনার দৃঢ় ব্যক্তিত্ব এর কাছে মেয়েদের এসব পাগলামি পরাজিত হয়েছে।
চাইলে বাসার সবার ছোট হিসেবে অতি আদরে বাদর হতে পারতেন।কিন্ত তিনি তা হননি।নিজে নীরবে ভালবেসে গেছেন। কিন্তু কারো পথের কাটা হননি। খুবই বন্ধুবৎসল। আড্ডার প্রান,দূরের কাউকে আপন করে নিতে পারেন। ছোটদের করেন স্নেহ,যেন নিজের আপন ভাই।হাসিখুশি, প্রান খোলা মানুষ।বিপদে সবার পাশে থাকার চেষ্টা করেন। আজ আর না।কারন আমি এখানে একজন ভাল মানুষের কথা বলেছি, তেল দেইনি
সদা হাস্যময়ী
আমি চাইলে নিজের বাসার কাউকে নিয়ে লিখতে পারতাম,কিন্তু ব্যাপার টা আমার জন্য এবং যাকে নিয়ে লিখব তার জন্য বিব্রতকর। আবার শায়লা লিখল যাকে ভাল করে জানি তার সম্পর্ক এ লিখতে।অনেক গুলো মুখ চোখের সামনে ভাসছিল যাদের নিয়ে লিখা যায়,কিন্তু দেখলাম তাদের মধ্যে একজন বলে বসলেন উনাকে নিয়ে লিখতে।তাই লিখা,তবে এক্ষেত্রে কোন প্রকার বানানো কিছু নয় বরং আমি তাকে যেভাবে দেখেছি তাই লিখব।
রিপা আপা।আমি ঠিক জানিনা কখন থেকে আমি উনাকে চিনি।তবে যখন থেকে কথা বলি এবং মানুষ চিনতে শুরু করি তখন থেকেই। থাকতেন আমাদের দোতলায়। আমার বোনের সহপাঠিনী হবার কারণে আমাদের বাসায় উনার আসা যাওয়া ছিল।মনে হত কাছের মানুষ।সবসময় গুছিয়ে থাকতেন, কখনো অগোছালো দেখতাম না। কালারফুল থাকতেন।আর থাকত হাসিমাখা মুখ। আমাকে নিজের ছোট ভাইয়ের মত, না, ছোট ভাইয়ের চেয়ে বেশি দেখতে পারতেন। মানুষের সাথে সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন যেটা সবার থাকেনা।অহংকার দেখতাম না। কারো কষ্ট দেখলে নিজেও কেঁদে ফেলতেন।আমার মামা মারা গেছে শুনে উনি আমার আম্মাকে সান্ত্বনা দিতে এসে নিজেও কেঁদে ফেলেন।
অপু কে?
অপু :
অপু কে?
আমারা বাল্যকালের বন্ধু।
পিতা- নটু প্রসাদ দে,মাতা- আরতি দে(আমাদের স্কুলের শিক্ষিকা),দাদা- রাজীব কুমার দে,দিদি- মায়া দে,দিপা দে,
চার- ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট।
কলোনীতে প্রথমে f/10 ছিল,পরে E/9 এসেছে।
ছোট কাল থেকেই পড়া- লেখার পাশাপাশি খেলার প্রতি বেশী জোক ছিল।
ফুটবল,ক্রিকেট খুব ভাল খেলত।
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরন
সকল ভাই ও বোনদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আপনারা সবাই জানেন আমি অপু, অতিশয় ভদ্র অ্যান্ড মার্জিত গুন সমন্নিত CSM কলোনির একজন একজন সুদর্শন যুবক(প্রায় লাস্ট সেমিস্টারে) এবং CSM পেজের একজন নিয়মিত সদস্য, পেজের ছোট বড় সকলেই মোটামুটি আমাকে জায়গা মতো যথেষ্ট সন্মান করে, কিন্তু........ কিন্তু কিছু কিছু আমার খুব কাছের মানুষ আমার এই জনপ্রিয়তা কে নষ্ট করার জন্য উঠি পড়ি লাগছে, এহেন ষড়যন্ত্র জানতে পেরে আমি আজ তাদের সংগে এক প্রীতি সাক্ষাতকারে মিলিত হই, অনেক বলা সত্তেও তারা প্রথমে আগ্রাবাদ এলাকার অতি জঘন্য একটা হোটেল এ জোর পুরবক বাজে তেলের বাজে নাস্তা যেমন পূরী, চপ এগুলা খাওয়ায় এবং আড্ডাতে দেবে বলে আমার এতো সুন্দর চেহারা বাদ দিয়ে টাকের ছবি তুলে আর আমাকে বলে যদি নাস্তার বিল না দেই তাহলে ওই ছবি পেজে পোস্ট করে দেবে।জানিনা এতক্ষনে করে দিয়েছে কিনা??? শুধু তাই নয় আগামী ২/৩ দিনের মদ্ধে যদি ওদেরকে আগ্রাবাদের কোণো অভিজাত হোটেলে না খাওয়াই তাহলে নাকি আমার নামে আর কি কি নাকি লিখবে। কিন্তু আমি জানি পেজের ভাইরা সবাই আমাকে খুব ভাল মতোই চেনে তাই আমি ওদের সব প্রস্তাবের মুখে ঝাটা মেড়ে বীরদরপে বাসায় চলে আছি। কি ভাইরা ঠিক করছি না? আমি জানি আপ্নারা আমার সাথে একমত হবেন।
আর এই সমস্ত অপরাধী চক্র হতে সাবধান থাকতে সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
""বাবা""(অবশিষ্ট পর্ব)
আজ অনেকে অনেক কে নিয়ে লিখছেন।।তাই আমি বাবাকে নিয়ে লিখলাম।।
গতবার লিখেছিলাম বাবার ভালোবাসা আর শাসন নিয়ে।।আজ বাকিটা .......
(পরিশ্রম)
পৃথিবীর প্রতিটা বাবাই তার পরিবার-পরিজনের জন্য পরিশ্রম করেন।।আমার বাবাও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না।।হয়তো একটু বেশিই করেছেন।।কি রোদ,,কি বৃষ্টি।।কোন কিছুর কাছেই যেন বাবা হার মানতেন না।।সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টে ছিল বলে বাবার রেস্ট ছিল না।।আট ঘন্টা ছিল উনার ফিক্সড ডিউটি বাকিটা ছিল ওভার টাইম।।ওটাই ছিল বাবার প্লাস পয়েন্ট।।দুটো বাড়তি পয়সার আশায় বাবা নিজের শরীর টাকে কখনও বিশ্রাম দিতেন না।।তাই অন্যরা যখন নির্দিষ্ট ডিউটি শেষে বিশ্রাম নিতেন তখন বাবা নিজের ডিউটি শেষে বাড়তি ডিউটি করতেন।।ডিউটির পরিমাণ ছিল বার ঘন্টা,,চব্বিশ ঘন্টা,,বত্রিশ ঘন্টা পর্যন্ত বাবা ডিউটি করতেন।।অনেক সময় কাজের চাপে ঠিক মতো বাসায় এসে খাবার খেতে পারতেন না।।কখনও কখনও আমি বাবার খাবার পোস্টে দিয়ে আসতাম।।কনকনে শীতের রাতে সবাই যখন পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে ঘুমাতো তখন বাবাকে আমরা বিদায় জানাতাম কর্মের প্রয়োজনে।।তখন আমরা গরম কাপড়ের নিচে ঘুমাতাম আর বাবা জেগে থাকতো বাকিদের নিরাপত্তা দিত।।
"বাংলাত হ"
অনেকদিন আগের কথা। একবার ঢাকা থেকে বাসে করে চট্টগ্রাম আসছিলাম। বাসের ২৭টি সিট সব ফিলাপ। তার মধ্যে চিটগাং এর লোক ২০ জনের বেশি হবে। রাস্তায় খুব একটা জ্যাম ছিলো না। আরামবাগ থেকে বাস ছাড়ার পর সায়েদাবাদ আসতেই প্রায় ৪০ মিনিটের মতো লেগে গেলো। সায়েদাবাদ কাউন্টারে এসে আবার ৩০ মিনিট হয়ে গেলো গাড়ি ছাড়ে না। গাড়ি ছাড়ার কোন লক্ষনও দেখা যাচ্ছে না। এমন সময় আমার পাশের সিটের একজন বলে উঠলো what kind of service. এ কথা শুনে পিছন থেকে বললো "অ ভাই বাংলাত হ"। এটা শুনে আমার পাশের লোকটা ফুল নার্ভাস হয়ে গেলো। তারপর একটু পরে বলে অ দেক্কননি হইল্যা গরি চালার? হত্তে চিটাং যাইয়ুম? তারপর চুপ করে বসে আছে। একটু পরে গাড়ি স্টার্ট দিলো। সুপারভাইজার মাইক্রোফোন হাতে বলতে লাগলো "আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে যাত্রা বিলম্বিত হওয়ার জন্য" "we are really sorry for some technical problem". সুপারভাইজার তার বাকি অংশ বলতে যাবে এই সময় আমার পাশের লোকটি বলে উঠলো "অ ভাই বাংলাত হ"। সুপারভাইজার পুরাই বেকুব হয়ে গেল। এবং বসে পড়লো। একটু পরে দাঁড়িয়ে আবার বলা শুরু করলো " আঁরার গাড়িত এক্কানা সমস্যা হইয়েল, ইয়ান আঁরা ঠিক গলি ফেলাই। আশাকরি আঁরা ঠিক সময় চিটাং পৌঁছি যাইয়ুম। অনোরা কষ্ট গরি বইসসুন এথালবুলি অনোরারে দইন্যবাদ।"
নীরা
নীরা : কি ব্যাপার কাল না তোমার দেখা করার কথা ছিল আমার সাথে, আসোনি কেন? ( অভিমানী অবয়ব)
নীলয় : আরে সারারাত ওয়ার্ল্ড কাপের আজেন্টিনা বেলজিয়াম খেলা দেখে ভোরে ঘুমিয়েছি, তাই আসতে পারিনি।
নীরা : কি আমার চেয়ে তোমার ওয়ার্ল্ড কাপ বেশী? কি মজা পাও রাত জেগে এ খেলা দেখে, পরদিন তো আবার খেলা রিপিট করে তখন দেখলেই তো পারো।
নীরা এবার প্রচন্ড অভিমানী। নিলয় বহু কসরত করে নীলার মান ভাংগালো। আচমকা নীলা নিলয়ের পা ছুয়ে সালাম করল, অপ্রস্তত নীলয় ভ্যাবাচেকা খেয়ে জিজ্ঞেস করলল সালাম কেন, উত্তরে নীলা বলল চারদিন পর পরীক্ষা শুরু তাই দোয়া নিয়ে নিলাম। পরিক্ষার সময় তুমি কাছে থেকোনা, তোমাকে দেখলে আমার সব এলোমেলো হয়ে যায়, দেখা যাবে বাংলা পরীক্ষার সময় ইংরেজি পরিক্ষা দিয়ে আসছি।
( ব্যাক গ্রাউন্ডে রোমান্টিক মিউজিক, কাহিনী একটু সেন্সরড)
গ্র্যান্ড আড্ডা
আজ "গ্র্যান্ড আড্ডার "দুই মাস পুর্তি। Aslamuddin Mamun ভাই বলে রনি আড্ডা নিয়ে কিছু লিখ। উনার অনুপ্রেরনায় কিছু লিখা। আড্ডা নিয়ে এটা আমার তৃতীয় বারের মত লিখা। এই পেইজের কারণে আমরা এত বছর পর আবার সবাই একত্রিত হতে পেরেছিলাম।আমি মনে করি আড্ডার মাধ্যমে আমাদের মাঝে পারস্পরিক আন্তরিকতা আরো বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
যাক এবার আসল কথায় আসি। আড্ডায় গিয়ে গাড়ি থেকে নামার পর যত সামনে যাচ্ছি সব পরিচিত মুখ। অন্য রকম ভাল লাগা!!! সামনের দিকে যেতে যেতে আম্মুকে হারিয়ে ফেলছি। আর খুজে পাইনা। আমার ভাইকে বলি আম্মুকে দেখেছো? বলে না। বোনকে বলি আম্মুকে দেখেছো? বলে না। আরেবাবা গেল কই!!! আধা ঘন্টা এই দিক ঐ দিক খুঁজলাম কোথাও পাইনা। আমি দাঁড়িয়ে কার সাথে কথা বলছি পেছন থেকে আম্মু বলে কিরে তোকে তোর আন্টিরা দেখতে চায়তেছে তুই কই? আমি বললাম গাড়ি থেকে নামার পর আপনি কোথায় হারিয়ে গেলেন? আম্মু বলে আমি সবার সাথে দেখা করছি।
জসিম। একটি নাম। একটি প্রেরনা। একটি প্রতিক
- Shafiullah Manik
জসিম। একটি নাম। একটি প্রেরনা। একটি প্রতিক। যুগ যুগ ধরে উনি CSM কলোনির সকল প্রেমিক পলাপাইনের মনে প্রেমের আইডল। সেই সাথে CSM কলোনির সকল ছোট ভাইয়ের দরদি বড় ভাই। (দরদি বড় ভাই আরও আছে, তবে এই পোস্ট ও কমেন্ট শুধু জসিম জসিম আর জসিম ময়) ওনার বীরোচিত ঘটনা দেখেছি যখন, তখন বেশ ছোট ছিলাম। কিন্তু এই পেজ এ এসে দেখলাম চিনলাম জানলাম। খুব পরউপকারি ও দরদি। আর বেশী কিছু কমু না। উনার জন্য ভালবাসা রইল।
বিঃ দ্রঃ এটি কোন তেল নয়। নিখাদ ভালবাসা।

জসিম। একটি নাম। একটি প্রেরনা। একটি প্রতিক। যুগ যুগ ধরে উনি CSM কলোনির সকল প্রেমিক পলাপাইনের মনে প্রেমের আইডল। সেই সাথে CSM কলোনির সকল ছোট ভাইয়ের দরদি বড় ভাই। (দরদি বড় ভাই আরও আছে, তবে এই পোস্ট ও কমেন্ট শুধু জসিম জসিম আর জসিম ময়) ওনার বীরোচিত ঘটনা দেখেছি যখন, তখন বেশ ছোট ছিলাম। কিন্তু এই পেজ এ এসে দেখলাম চিনলাম জানলাম। খুব পরউপকারি ও দরদি। আর বেশী কিছু কমু না। উনার জন্য ভালবাসা রইল।
বিঃ দ্রঃ এটি কোন তেল নয়। নিখাদ ভালবাসা।

সল্ট স্কুলের রাগি শিক্ষিকা
সল্ট স্কুলের রাগি শিক্ষিকা (তবে মন নরম) চান্দু চুলটানার তিনটা মা আছে (Umama, Fatima এবং নুজাইমা)। তিনটাই বেসম্ভব ভালো। তাদের সাথে আগে কখনো কথা হয় নাই, দেখা হয় নাই। এমনকি ২৪ ডিসে্ম্বরের আগে ফেইসবুকেও এড ছিলো না আমার সাথে। ২৪ ডিসেম্বর সকাল বেলা প্রথমে দেখা হলো উমামের সাথে। আমারে দেইখাতো উমাম ১.৩০ মিনিট অজ্ঞান ছিলো। কোন কথা মুখ দিয়ে বের হয় নাই। মনে মনে ভাবতে ছিলো আমি এত কালো কেন? তাছাড়া মাথায় ও টাক। যা হোক জ্ঞান ফিরে পেয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসা মামা কেমন আছেন? তার কিছু সময় পরে আসলো ইনান। তারপর সবাই মিলে সকালের নাস্তা করলাম।
নাস্তা করার সময় আপনি থেকে অটোমেটিক তুমি করে ডাকা শুরু করলো কোন পারমিশন ছাড়াই। যেন অনেকদিন পরে মামাকে পেয়েছে। এত সহজে এত দ্রুত সাবলীল সবাইকে আপন যা সত্যিই অকল্পনীয়। সেদিন আর দেখা হলো না। ০৫ জানুয়ারী আবার অফিসের কাছে ঢাকা গেলাম। বিকাল তিনটায় উত্তরায় কাজ শেষ করে ভন্ড বাবাকে ফোন দিলাম। পীর সাহেব বললেন বনানী চলে আয়। বনানী আসার পর উনি বললো মগবাজার চল। কিন্তু সিএনজিতে উঠার পাইলটকে বলে নাট্য পাড়ায় যেতে। তারমানে চান্দুর বাসায়। বাসায় গিয়ে দেখি উমাম নাই (মা'র মত মাষ্টরনি হইছে)। ইনান আছে। আর নুজাইমা স্কুল থেকে আসার পর ড্রেসও চেইঞ্জ করে নাই এর মধ্যে চান্দু ওরে ইংরেজিতে সমান তালে ঝাড়তাছে। কিছুক্ষন পর পর ইনান এসে বলে কি খাবা? আধ ঘন্টা পরে উমাম এলো।
সুজন হাসনাত
আমার ধারনা সে রবিন্দ্রনাথের বংশধর। পারিবারিক টাইটেল আছে নামের সাথে। রুবায়েতের পোস্টে এক কমেন্ট এ তার সাথে আমার ঝগড়া। আমি খালি সবার সাথে ঝগড়া করি। ঝগড়াইট্টা হিসাবে খ্যাতি লাভ করছি। দিলাম এক কড়া পোস্ট। পরেরদিন ভোরবেলাতেই তার ফোন পেলাম। সরি বললো। দেখি অসম্ভব ভদ্র একটা ছেলে। আমিই লজ্জা পেলাম। পরে সে ঢাকা এসে আমার সাথে দেখা করলো,পা ছুয়ে সালাম অব্দি। সব ভুলে গেলাম। আমার মেয়েদের সাথে তার খাতির অসম্ভব। আমি এই খানে জায়গা পাইনা। এই ছেলেটা ভাল। কিন্তু আমার ধারনা পড়ালেখা জানেনা। কারন সে কিছু লেখেনা। পড়তেও পারে কিনা জানিনা। যাহোক,আমাদের আড্ডায় তার নিজের লেখা,সুর করা আর গাওয়া গান সারাদিন বেজেছে। এমনকি সেদিন সবার ফোনের রিংটোন ছিল এটা। খুব দারুন লেগেছে এটা। বহুদিন এটা আমার রিংটোন ছিল। অনেক বীট বলে আব্বা যেদিন চলে গেছেন সেদিন এটা পাল্টেছি। আশা করি তুই রাগ করবিনা। পেইজে আয়, লেখ। খালি লাইক দিলে মাইরালবাম।
মানিক ভাইয়ের এ কথায় আমি স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম
আমরা ততদিনে সি টাইপ মাঠ থেকে বিতাড়িত, বিকাল টা তাই কাটে অযথা( তবে একেবারে উদ্দেশ্য হীন নয়) ভাবে ঘুরাফিরা করে, আড্ডা মেরে, অফিসার্স ক্লাবে ভলিবল বা টেবিল টেনিস খেলে কিংবা স্কুল মাঠে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলে। মাঠ থেকে বিতাড়িত হওয়ার কারনে, নিজেদের ফুটবল টিও জুনিয়র দের দিয়ে দিয়েছি। তাই খেলতে গেলে অন্যদের উপর নির্ভর করা লাগতো।
এরকমভাবে স্কুল মাঠে ফুটবল খেলছি, বল টি ছিলো নবীন সংঘের, খেলার এক পর্যায়ে আমি জোরে কিক মারি, বল গিয়ে সরাসরি লাগে স্টেজের টিনে, এবং টিনে লেগে বলটির ভবলীলা সেখানেই শেষ। ব্যাপার টি ছিলো সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ও খেলারই একটা অংশ। তারপরও নিজের মধ্যে একটা কেমন জানি অপরাধ বোধ কাজ করছিল, মনে হয় আমার চেহারায়ও সেটা ফুটে উঠেছিল, মানিক ভাই (ডি ৫, নবীন সংঘ) ব্যাপার টা বোধ হয় ধরতে পেরেছিলেন, আমার কাছে এসে মানিক ভাই কাধে হাত রেখে বলেছিলেন, "আতিক তুমি মন খারাপ করছ কেনো? এটা তো তুমি ইচ্ছা করে করো নাই, যে কেউ দ্বারা এটা হতে পারতো।"
মানিক ভাইয়ের এ কথায় আমি স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।
আমাদের সবার প্রিয় মোজাম্মেল ভাই- ডা: মোজ্জাম্মেল হক শরিফী
কলোনীর আবাল বৃদ্বা বনিতা সবার কাছে খুব প্রিয় ।ভাল ছাত্র, ছোট বড় সবার সাথে মিশার অসাধারন ক্ষমতা, যে কোন বিপদ আপদ বা সামাজিক কর্মকান্ডে সবার আগে এগিয়ে আসা উনাকে আরো মহান করে তুলেছে।ছোটদের কোন ভুল বা অপরাধ সুন্দর করে বুজিয়ে সমাধান করে।কখনো মনেই হয়না এটা আমাদের বড় ভাই, মনে হয় এটা আমাদের বন্ধু।যে কোন সমস্যা নিয়ে খোলামনে আলোচনা করলে উনি উনার সর্বোচ্চ সমাধান বা সেক্রিফাইস করতে মোটেও পিছপা হন না।ভাই সত্যিই মন থেকে বলছি তোমার মত ভাই যেন সি এস এম পরিবারে বার বার জন্মে।এতক্ষন যার কথা বললাম সে আমাদের সবার প্রিয় মোজাম্মেল ভাই- ডা: মোজ্জাম্মেল হক শরিফী।অহংকারহীন মানুষটি সব সময় সি এস এম বাসীর পাশে থাকে। এই ভাইটি আমাদের এতো আপন করে নিয়েছে যে পারসোনাল সময় বলতে কিছুই রাখেনি সব সময় সি এস এম বা যে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যায়।প্রচার বিমুখ এই ভাইটি গত আড্ডায় সবার অলক্ষে কি পরিমান সহযোগীতা করছে কাউকে বলে ব্যাখ্যা করা যাবে না।।পেশাগত জীবনেও উনি রোগীদের সর্বোচ্চ ছাড় কিংবা সহযোগীতার মাধ্যমে যতেস্ট সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।রোগী সি এস এম এর হলেতো কথাই নেই। মেধাবী,সৎ, পরিশ্রমী,সদালাপী,পরোপকারী আমাদের এই ভাইটি দীর্ঘজীবি হউক এই প্রত্যাশাই করি।
মেঘের বাড়ি
কেমন ছিল কলোনি র মেঘলা দিনগুলো। যতদূর মনে পড়ে মেঘলা দিনগুলো- ছিল হঠাত আসা মেহমানের মত।বলে কয়ে আসত না।কিন্তু মন ভাল করে দিত।হালকা হালকা বাতাসে, মাঝে মাঝে ঘূর্ণি, দেখতে ভালই লাগত। মাঠে সবার ছুটোছুটি। তারপর আস্তে আস্তে বাতাসের বেগ বাড়তে থাকত।
বাতাসে পাখির পালক, পলিথিনের টুকরো উড়ে বেড়াত।আমরা ছোটরা সেটা কে ধরার জন্য তার।পিছু নিতাম।বাতাসের সাথে সাথে সেটা ধীরে ধীরে উপরে উঠতে থাকত।একসময় আমাদের দৃষ্টি র সীমানা থেকে হারিয়ে মেঘের কাছাকাছি চলে যেত,যেন মেঘের বাড়ি গিয়ে থামবে।আমরা চোখ বড় বড় করে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতাম,অনেক দিনের চেনা মানুষ আস্তে আস্তে দুরে চলে গেলে যেমন লাগে, তেমন মনে হত।

আমারে নিয়া কেউ লেখেনাই, থাক,নিজেই নিজেরে নিয়া লেখি।
আমারে নিয়া কেউ লেখেনাই।
থাক,নিজেই নিজেরে নিয়া লেখি।
আমি উমামা বিনতে ইকবাল।মায়ের নাম চাদ সুলতানা(রিদমিক কী-বোরডে চন্দ্রবিন্দু পাইতেসিনা)। খালাদের নাম নাহিদ সুলতানা ও নাশিদ সুলতানা।বোনের নাম ফাতিমা বিনতে ইকবাল। এনারা সবাই এই গ্রুপের মেম্বার।এছাড়াও নুজাইমা বিনতে ইকবাল নামক আরো একটি বোন আমার আছে যার ফেসবুক নাই।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কোরবানি ঈদের আগ দিয়ে আমাকে এই গ্রুপে এড করা হয়।এরপর থেকে আমি এই গ্রুপের একটিভ মেম্বার।মাঝে মাঝে গায়েব হয়ে যাওয়া আমার অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য। গ্রুপের মামাদের পচানো আমার কাছে পৈশাচিক আনন্দের ব্যাপার।খালাদের আমি বিশেষ রকম ভালোবাসি ও শ্রদ্ধা করি।গ্রুপে ঝগড়াঝাটি লাগলে অনেকেই আমাকে রেগে গিয়ে প্রতিবাদী হতে দেখেছেন।আসলে অযৌক্তিক কথাবার্তা বা কাজকর্ম আমাকে রাগিয়ে তোলে।কাউকে অসম্মান করা দেখলেও আমার রাগ উঠে।মানুষটা আমি এমনেতে নরম সরম। কিন্তু হাসিমুখ দেখে ধোকা খাওয়ার দরকার নাই।আমি বদের হাড্ডি টাইপ মানুষ। বেশী খাতির করতে আসার দরকার নাই।ভুলায়ে ভালায়ে আপনাকে পাস্তার দোকানে নিয়ে গিয়ে অভদ্রের মত পাস্তা ট্রিট চেয়ে বসার মত কাজ আমি করতে পারি।
কলোনীতে ঈদ আসা মানে এপ্রিল 29 পোলাপাইনে ম্যারাথন আডডা মারা
কলোনীতে ঈদ আসা মানে এপ্রিল 29 পোলাপাইনে ম্যারাথন আডডা মারা, একটা না একটা বাসা খালি পাবো ঈদে,মরা রাশেদ,আর না হলে লিটন দের বাসা দুইটাই D টাইপে,কোরবানীর ঈদ হলে বিভিন্ন বাসা থেকে রান্না করা মাংস আসতো,আর না হলে দল বেধে এক বাসায় গিয়ে খেয়ে আসতাম,ঈদ মোটামুটি ৩ দিন পালন হতো কলোনীতে রেশ থাকতো আরো কয়েক দিন,আর রোজার ঈদে একদিন দুইদিন পর নিজেরাই রান্না শুরু করতাম,একবার লিটনদের বাসা খালি হলো আমাদের খুশি দেখে কে,যথারীতি ঈদের নামাজ শেষ করে বাসায় দেখা করে ভো দৌঁড় লিটন দের বাসা,কলি ভিডিও থেকে বি সি আর ভাড়া করে এনে কেউ ছবি দেখছে আর কেউ দুই গ্রুপ হয়ে তাস খেলায় বসে গেছে,সকাল থেকে বসে যে খেলা শুরু হলো এটা সারাদিন সারা রাত চলছে,আমি বিকালে একবার বাসায় গিয়ে দেখা করলাম,এবং আসার সময় একটা শট প্যানট নিয়ে আসলাম,আম্মাকে বললাম বিকালে ঝাউতলা ও যেতে পারি,সোজা আবার লিটনদের বাসা,বাসাতো পুরো আমাদের দখলে সিগারেটের ধোয়ায় ঘরের কিছুই দেখা যায়না,রাতে কেউ বাসা থেকে খেয়ে আসলো আসার সময় কেউ কেউ তরকারী নিয়ে আসতো,চাল তো আছে ভাত রান্না করতাম কোন কিছুর রান্না করা লাগলে সব আমার ঘাড়ে পড়তো,সকালে ডালে চালে খিচুড়ী চলতো,আমি বেশি খেলতে পারতাম না কারণ রান্না আমাকে করতে হতো বেশি চিল্লাচিল্লী করলে একজন এসে সাহায্য করতো,সবাই একবার হলেও বাসা থেকে ঘুরে আসতো,বিকালে ও নেমে হাটাহাটি করতো, আমি আর বাসা থেকে নামি নাই একে তো এক কাপড় আবার কোনমতে বাসায় জানলে বুঝবে আমি এখানে ৪দিনের দিন দুপুর ৩টায় কে এসে বলতেছে তোর জেঠাতো ভাই হোনডা নিয়ে নিচে বসে আসে তোকে ডাকতাছে বুঝলাম এবার ধরা খেয়ে গেছি,সাথে করে নিয়ে সোজা বাসায়, ভাগ্য ভালো তখন মোবাইলের যুগ ছিল না তাহলে ৩দিন না একদিন ও বাহিরে থাকতে পারতাম না
টিপু, ৯৮ ব্যাচ
টিপু আমাদের ছোট ভাই, কলোনীতে ওদের বাসার সামনে স্লিপ ছিল,সেখানে টিপুকে দেখতাম, খেলাধূলা করেছে, তবে আমাদের থেকে ছোট ছিল বলে ওকে বেশী খেলাতে নেওয়া হত না।আর ও স্লিপ পারের মাঠেই বেশী অবস্থান করত, আমরা বড় মাঠে,আমার ছোট বোন ঝুমুর এর ক্লাসমেট।
কলোনী থেকে বের হওয়ার পর টিপুর সাথে আমার যোগাযোগ ছিল না,আমার বোন মাঝে টিপুর রাজনৈতিক ব্যাপার নিয়ে বলতো।টিপু ভাল রাজনীতি করত আমি পরে জেনেছি।
পেজের মাধ্যমে আবার টিপুকে আমাদের মধ্যে পাওয়া,সব সময় কোন আড্ডা দিব বললেই চলে আসা।বেশীর ভাগ সময় খাওয়ার বিল নিজেই দিয়ে দিবে,কাউকে দিতে দিবে না।বতর্মানে ফার্নিচার T স্কোয়ার এর গর্বিত কর্নধার।সব সময় আড্ডা দিতে পছন্দ করে।
Monday, March 28, 2016
দেশ প্রেম ...
UAE তে Steven Rock একটি কোম্পানীতে যখন যায় এক নেপালী খালিজ টাইম পত্রিকা থেকে সযত্নে সংগ্রহ করা একটি বই আমাকে দেয়..বইটিতে বড় অক্ষরে বাংলাদেশ লিখা থাকায় খুব আগ্রহে নিয়ে নিলাম..জাতীয় পতাকা সহকারে বাংলাদেশ লেখাটিতে যে কতো বড় দেশ প্রেম লুকিয়ে ছিলো তখনো বুঝতে পারি নাই..তখনি বুঝলাম..যখন বইটি আমার গাড়ির ডিস্ প্লেতে রেখেছিলাম...যখন ড্রাইভ করছিলাম যতো বাংলাদেশী আমার পাশ দিেয় যাচিছলো একবার হলেও হর্ণ দিেয় জিজ্ঞেস করছিলো ভাই কেমন আছেন..শুধু বাংলাদেশি নয় যতো দেশ এর লোক যাচ্ছে ..পপ পপ Hi Hello..মনে হচ্ছিলো ছোট্টো একটি বই নয় পুরো বাংলাদেশকে নিয়ে আমি ড্রাইভ করছিলাম... গর্বিত বাংলাদেশ তোমাকে নিয়ে গর্বিত বাংলাদেশ তোমার মতো জন্মভূমিতে জন্ম হয়ে ...

কোরবানীর ঈদ আসলে আমাগো মতো কিছু পোলাপাইনের মাথা হট হইয়া যায়
কোরবানীর ঈদ আসলে আমাগো মতো কিছু পোলাপাইনের মাথা হট হইয়া যায়,তখন মনে হয়C/4/F থাকতাম,বাসা থেকে গরুর হাট দেখা যেত,যেদিন থেকে গরুর হাট বসা শুরু হতো সেদিন থেকে আমি ডালিম, শিপন, বিপুল,সব সময় হাটে আসা যাওয়ায় উপর থাকতাম, মসজিদের গেইট দিয়ে বেশিরভাগ আসা যাওয়া হতো, নামাজের সময় পিছনের গেইট টা খুলতো ৩/৪মিনিট লাগতো,আর অন্য সময় বাজার দিয়ে ঘুরে যাওয়া লাগতো,একেক জনের একেক চয়েস চলতো,আর বাসায় এসে তা বণনা চলতো,গাড়ি থেকে গরু নামলেই হুড়াহুড়ি চলতো কে আগে দেখবে,এভাবে সময় ঘনিয়ে আসতো গরু কিনার,কলোনীতে কে কেমন গরু কিনলো তার গবেষনা চলতো সবসময়,আর গরু কিনার সময় তো পারলে পুরো ফ্যামিলি রওয়ানা হতাম,একলা তো গরু কিনা হতো না ভাগে গরু কিনা হতো,আমার বাসা থেকে আমরা দুইভাই এভাবে প্রতি ফ্যামিলি থেকে একজন দুজন থাকতো,যাদের কিনা হয়ে গিয়ে তারাও আবার যেতো মজা করা জন্য,বেশির ভাগ গরু ছোটদের পছন্দে কিনা হতো,যতো রাগী গরু কিনা হতো ততো মনোবল বেড়ে যেতো,আমাদের আসল উদ্দেশ গরু লড়াই করে জিততে হবে, হাট থেকে গরু নিয়ে আসার সময় গরুর রশি ধরার জন্য কাড়াকাড়ি লেগে যেতো,দাম বলার প্রতিযোগিতা চলতো,একবারতো কাগজে গরুর মূল্য লিখে দিয়েছিলাম এটা নিয়ে কতো হাসাহাসি,কলোনীর মধ্যে গরু ডুকাতে পারলে আর পায় কে তখন নিজেদেরকে মহারাজা মনে হতো,কোরবানীর আগ পযন্ত এই গরুর পিছনে সময়টা ব্যয় করা হতো,একবার ঈদের আগের দিন বিকাল বেলায় সিটাইপ মাঠে ২/৩টা গরু চড়তে ছিল,আমি আমাদের গরু নিয়ে আর একটা গরুর সাথে লড়াই লাগিয়ে দিলাম যে সে লড়াই না মনে হচেছ ইরাক আর ইরানে লড়াই থামাথামির নাম নেই আমরা তো ভয় পেয়ে গেলাম আমাদের গরু রশি ধরতে গেলাম আমি, গরু দিলো দোড়ানি আমি গিয়ে পড়লাম C/2পাশের ড্রেনে সব সময় পানি ময়লা থাকতো তখন আর কে আর কার দিকে তাকায় সোজা বাসায় আম্মা তো পারলে আমারে কোরবানী দিয়া দে সোনা রুপা পানি দিয়ে গোসল করাইয়া উত্তম মাধ্যম দিয়া চাঁদ রাতে ঘরে আটকাইয়া রাখলো,আর এখন প্রতিরাত ই একরকম মনে হয় হায়রে কলোনী কই পামু গরুর লড়াই কই পামু ড্রেন
লাল নীল বাতি সমাচার
সাড়ে চারটায় বাস ছাড়লো। একটু পরেই যেন ঝুপ করে সন্ধ্যা নামলো। সাথে সাথেই আলোর ঝলকানি চোখে পড়তে লাগলো। এখন সব দোকান পাট,গাড়িতে বেশ লাইটিং করা হয়। খাবারের দোকানগুলাতে ত কথাই নেই। মালিবাগে একটা দোকান আছে নাম কাকার বিরিয়ানী। ওখানে আলোর কারনে কাকাকে খুজে পাওয়া বেশ কস্টসাধ্য। সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হলে ভালই লাগে। কত আলো চারপাশে। রাস্তায় বিলবোর্ড, স্ট্রীট ল্যাম্প,গাড়ির হেড লাইট,ট্রাক বা বাসের নিজস্ব লাইট ছাড়াও কিছু ডেকোরেশন লাইট,বিয়ে বাড়ি হলে চোখে পড়ে মেলা আলো। যা বলছিলাম,এই আলোর ঝলকানি পুরা রাস্তা জুড়েই দেখতে দেখতে আসলাম। লাল,নীল,সবুজ,হলুদ আরো কত রঙ এর আলো। ক্ষনে ক্ষনেই উদাস হচ্ছিলাম।
কাঁদ চুলটানা
একটা গ্রুপ পেইজে কিছুদিন আগে একটি মেয়ের সাথে ফেইসবুক ফ্রেন্ড হয়েছিলাম। গ্রুপে তার কিছুদিন পরে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। তখন একজন ওই পোষ্ট একটা কমেন্টস করছিলো। কমেন্টস পরে দেখি মেয়েটা আনফ্রেন্ড করে দিলো। জিজ্ঞাস করলাম কেন আনফ্রেন্ড করা হইলো। তখন ও বললো monthly review তে ভুলে বাদ পরছে। পরে অবশ্য ও নিজেই request পাঠাইছে। তার কিছুদিন পর একটা প্রোগ্রামের উছিলায় ওনি চিটগাং আসলো। প্রোগ্রাম বাদ দিয়ে আমাদের সাথে মিটিংএ যোগ দিলো। মিটিং শেষে বললো তাকে নিয়ে পরের দিন পুরাতন স্মৃতিবিজড়িত স্থানে যেতে হবে। পরের দিন শনিবার বিধায় রাজি হলাম।
এক বন্ধুর গাড়ি নিয়ে তার হোটেলে গিয়ে তাকে নিয়ে বের হলাম।বললেন প্রথমে সেন্টমার্টিন হোটেলে যাবে। সেখানে একটা লাঞ্চ পার্টি আছে। আমাদের লোকদের আয়োজন করা পার্টি অথচ দাওয়াত পাই নাই। ওনাকে গাড়িতে বললাম আপনাদের ব্যাচের সবাইকে তুই করি বলি। তাই আপনাকেও এখন থেকে তুই করে বলবো। এক বাক্যে বললো তোর যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবি। তখন থেকেই তুই করে বলা। এর সপ্তাহ খানেক পরে আমি ঢাকায় গেলাম। সকালে এবং সন্ধ্যায় একটা প্রোগ্রামে দেখা হলো। সেখানে আমার হারিয়ে যাওয়া তিন মেয়েকে পেলাম। তারা প্রথম দেখায় কত সহজে আপন করে নিলো। এতক্ষন যার কথা বলছি তার নাম হলোঃ কাঁদ চুলটানা কইন্যা।
বাদল বরিষণে
খুব বৃষ্টি হচ্ছে। মনে হচ্ছে বর্ষাকাল এই বৃষ্টি মনে করিয়ে দিচ্ছে কলোনি র বৃষ্টির দিনগুলোর কথা। কি করতাম এই দিনগুলো- তে। যতদূর মনে পড়ে কাঠের কালো কাপড় এর ছাতা নিয়ে স্কুলে যেতাম।তখন টিপ ছাতা এত এভায়লেবল ছিল না। স্কুল থেকে ফিরে খেলতে পারতাম না। কাপড় ভেজালে বকা খেতে হবে তাই। দুপুর ১২:৪৫ এর দিকে আমার একটা কাজ থাকত।আব্বার কাছে ছাতা দিয়ে আসা অফিসে গিয়ে।আব্বা প্রায়ই ছাতা ছাড়া অফিসে যেতেন।আসার সময় একটা টাকা দিতেন ওটা দিয়ে জেক্স থেকে একটা চকলেট বা অন্যকিছু কিনে খেতাম। বিকাল বেলা ছাতা নিয়ে হয়ত হাটতে বেরোতাম।আর ছিল মুরগি গুলো কে খোয়াড়ে পুরবার ঝামেলা।খোয়াড়ে র সামনে গিয়ে মুরগি গুলো কি যেন ভাবত,ঢুকতে চাইত না।মেজাজ চড়ে যেত আবার কিছু করাও যেত না। এদিকে সন্ধ্যা তাড়াতাড়ি হত বলে পড়তে বসতে হত তাড়াতাড়ি। পড়া শেষ করে উঠে টিভি দেখা।
তখন টিভিতে এত অনুষ্ঠানের ছড়াছড়ি ছিল না।ভাল কিছু না থাকলে ভাত খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুম কাথা মুড়ি দিয়ে। আহ! কি শান্তির ঘুম।ঐ। ঘুমের কাছে পৃথিবীর সব লোভনীয় জিনিস হার মানে
Subscribe to:
Posts (Atom)