Saturday, June 18, 2016

আজকের ইফতার সংক্রান্ত আতিক ভাইয়ের পোষ্টটা পড়ে ভাল লাগল


আজকের ইফতার সংক্রান্ত আতিক ভাইয়ের পোষ্টটা পড়ে ভাল লাগল।পুনরায় একত্রিত হওয়ার প্রয়াস।ইতিমধ্যে স্থান এবং তারিখ নির্ধারিত।সি এস এমের মূল শিকড়টা কিন্তু চট্টগ্রামে।এর কারণ- ভৌগলিক ভাবে সি এস এমের অবস্থানটা চট্টগ্রামে এবং মেঝরিটি স্টিলারের বাস এখনো এই শহরে।অথচ ঢাকার স্টিলাররা একত্রিত হওয়ার ঘোষণা দিলে ও আমরা এখনো উদ্যোগই নিতে পারি নাই।এটা দুঃখজনক।সকল সিনিয়র ভাইদের কাছে অনুরোধ পবিত্র রমজানকে উপলক্ষ্য করে ছোটখাট একটা মিলনমেলার ব্যবস্থা করুন।এতে স্টিলারদের ইউনিটি আরো শক্ত এবং মজবুত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

(বিঃ দ্রঃ- প্রয়োজনে সকলের কাছ থেকে চাঁদা কালেকশন করা হউক)

হুম, আমি একটি ইফতার পার্টীর কথা বলছিলাম @ Dhaka


অনেকদিন সবাই একত্রিত হইনা বা হতে পারছিনা, সবাই সবসময় ব্যস্ত থাকছি। ব্যস্ত শহরে ব্যস্ত থাকাটাই খুব স্বাভাবিক। আসুন না এই ব্যস্ততার ফাঁকেই আরেকবার একটু একত্রিত হই।

হুম, আমি একটি ইফতার পার্টীর কথা বলছিলাম।

ঢাকায় বা এর আশেপাশে বসবাসরত স্টিল মিল কলোনির প্রাক্তন বাসিন্দা দের উদ্যেগে আগামী ২৪ জুন ২০১৬, রোজ শুক্রবার একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এতে সকল স্টিলার দের উপস্থিতি পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

স্থান : দি এন্ট্রান্স রেস্টুরেন্ট, বিজয় স্মরনি,ঢাকা
(নভো থিয়েটার ও সামরিক যাদুঘর সংলগ্ন)



আশা করছি ইতিমধ্যে সবাই অবগত হয়েছেন যে, আগামী ২৪ জুন ২০১৬ ঢাকা ও এর আশেপাশে বসবাসরত স্টিল মিল কলোনির প্রাক্তন বাসিন্দাদের উদ্যেগে আয়োজিত ইফতার পার্টি র কথা। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে সকলের আন্তরিক অংশগ্রহনে আমাদের ইফতার পার্টি এক মিলন মেলায় পরিনত হবে।
যেহেতু ইফতার পার্টির স্থান একটি সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকায়, তাই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দের সম্ভাব্য বা আনুমানিক সংখ্যা রেস্টুরেন্ট কতৃপক্ষকে আগেই অবহিত করা লাগে, এছাড়াও সিটিং ব্যবস্থাপনার জন্যও এই তথ্য টা জানলে আয়োজক দের সুবিধা হয়।
তাই সবার প্রতি সুবিনীত অনুরোধ যার এই ইফতার পার্টিতে সদয় অংশগ্রহণ করবেন তাঁরা যেন এই পোস্টে কমেন্টস অথবা Abu Naser এর ফোনে (01920590287) কিংবা অন্য যে কোন উপায়ে অবহিত করেন।
সবার প্রতি আবারো আন্তরিক ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা।
--_-------------
দি এন্ট্রেন্স রেস্টুরেন্ট
বিজয় স্মরনি, ঢাকা।
(সামরিক যাদুঘর ও নভোথিয়েটার সংলগ্ন)

আজ একটা মজার কথা বলব


আজ একটা মজার কথা বলব।কলোনীর কিছু আইকন ছেলে আছে যাদেরকে কেউ কখনো ভুলতে পারে না। মোকাদেদশ যাকে আমরা মোকা পাগল বলতাম।ওর কাছু ডায়ালগ ছিল ( অরা গিড়া গননদ দনা,গিরিংগিবাজি গরদ দনা)।আজকে ওকে নিয়ে বলব। কোরবানির ২/৩ দিন আগে আমরা সেই মোটা বাবু (মোটা না শরীরটা একটু ভাল উনার মতে) ভাইয়ের সাথে টাংকির নীচে বসে আছি। আগেই বলে রাখি মোকাদদশকে রাগাতে বাবু ভাইয়ের ২ মিনিটের কাজ।আর এই কারনে বাবু ভাই ওর কাছ থেকে যা গালাগালি খাইছে সেই পরিমান ছোলা বুটও খাইনাই।বিকালবেলা কলোনীর চাচা ও ছেলেরা হাট থেকে গরু ছাগল কিনে আনতেছে।এমন সময় দেখি মোকােদদশ ১টি মাজারি সাইজের ছাগল নিয়ে আসতেছে।যখনিই বাবু ভাইকে দেখছে ওর গালাগাল শুরু।যখনি টাংকি পার হল বাবু ভাই শুরু করল "মোকাদদশ পাগল কিনছে ছাগল"সাথে সাথে আমরাও।আর যাই কই আমাদের কে শেষমেষ পাথর নিয়েতাড়া করল।কোথায় গেল সেই দিন।সরি মোকাদদশ ভাই,মাফ করে দিয়েন।

ক্যাপশন নেই


ইদানিং প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ততার কারনে তেমন একটা নেটে ঢুকার সময় পাই না। কিন্তু যখনই পায় নেটকে সময় দিই। গতকাল সেহেরী খাওয়ার পর রিলেক্স মুডে নেটে ঢুকে এফবি তে ডুব দিয়ে নিউজ ফিড দেখতে ছিলাম হঠাৎ চোখ পড়ল Iftee Nomi ভাইয়ের একটা পোস্ট (যেটা পোস্ট করেছেন ২/৫/১৬)। যার শিরোনাম ছিল....

"আমার ডায়েরির ছেড়া পাতা
আজ সুমন বিশ্বাস সিক্যুয়ালের শেষ পর্ব"।

সাধারণত নমি ভাইয়ের লেখাগুলো আমার খুবই ভাল লাগে তাই অতীব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম এবং সুমন বিশ্বাস নামটা আমার অনেক পরিচিত মনে হলো। তাই আমার মেমোরিকে একটু ব্যাকে নিয়ে চিন্তা করলাম এবং পেয়েও গেলাম, সাথে সাথে কমেন্টস করলাম। যা চিন্তা করছিলাম সেটাই হলো।

নমি ভাইকে বললাম ইনবক্সে ওর ছোট ভাইয়ের(রনি) নম্বরটা দেওয়ার জন্য।ওনার কাছে রনির(ওকে আমরা ভোলা বলে ডাকতাম। নামটা Riton Moniruzzaman ভাইয়ের দেওয়া) নম্বর নেই তাই ওনি সুমনের বড় বোন ছন্দা দিদির নম্বর দিলেন এবং বললেন whats app এ উনাকে পাবা। 

তো উনাকে অনেকবার কল করার পরও যখন ফোনে পাচ্ছিলাম না তখন whats app এ ম্যাসেজ দিলাম যার রিপ্লাই এখনও পাইনি।

তাই নমি ভাইয়ের কথার সুত্র ধরে লিখতে বসে পড়লাম।

"সুমন বিশ্বাস" আমাদের এফ ১০ নং বিল্ডিং ২৩ নং রুম এর সুপরিচিত একটি নাম। যে ছেলেটার ছিলনা কোন অহংকার এবং খুবই কম কথা বলত এক কথায় সে ছিল খুবই সহজ, সরল এবং শান্ত প্রকৃতির। যে সময়টাতে আমি, Md Rafique Csm Ctg , Mokther Hossain এবং সৌরভ কুমার রায় খুবই দুষ্টমি করতাম তখন তাকে দেখতাম ঘরের ভেতর/বাহিরে বই নিয়ে পড়তে। সম্ভবত ৯৭' ব্যাচের ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল। হঠাৎ তার বাবা চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করে সহপরিবার নিয়ে ভারত এ চলে যান এবং এখন অব্দি ভারতের বারাসাতে বসবাস করছেন। চাইলে আঞ্চলিকতার টানে ওর পরিবার নিয়ে অনেক গল্প লেখা যাবে। অন্য আরেকদিন সময় করে লিখব।

এবার মুল কথায় আসি, 
আমাদের এই উজ্জ্বল(নমি ভাইয়ের মতে, দেশে থাকলে ড. জাফর ইকবাল হতো) স্টিলার, ইংলিশে অনার্স মাষ্টার্স করা সুমন বিশ্বাস আর আমাদের মাঝে নেই।
সত্যিই বিশ্বাস করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে যে তার মৃত্যুটা ছিল খুবই করুন যা এই পাবলিক প্লেসে লেখার মত দুঃসাহস আমার নেই।
(গত ৩০শে এপ্রিল সবাইকে কাঁদিয়ে যোজন যোজন মাইল দুরে না ফেরার দেশে চলে গেছে)।
প্রার্থনা করি যে, ঈশ্বর যেন তাকে স্বর্গের সর্বোচ্চ চুড়ায় অধিষ্ঠিত করেন।

সেহেরী র পরে এক কাপ চা খেতে খুব ইচ্ছে করে


সেহেরী র পরে এক কাপ চা খেতে খুব ইচ্ছে করে। বাসার চা না, স্টিল মিল বাজারের খাজা আজমির রেস্টুরেন্ট এর চা, সাথে একটা মুখাগ্নি ( সিগারেট)।লেখার স্বার্থে উল্লেখ করলাম নামটি, গুরুজনেরা ক্ষমা করে দিয়েন।

এক সময় কলোনিতে সেহেরী তে খাওয়ার পর আমি আর Monirul Islam Monir দুজনে মিলে খাজা আজমির হোটেলে গিয়ে চা আর সিগারেট খেয়ে আসতাম। প্রতি রাতের এই চা সিগারেটের পয়সা যোগাড় করাও দুজনের জন্য দুরুহ ছিল। ঔষধ বানিজ্য আর বাজারের টাকা মারিং কাটিং ছিল এ চা সিগারেট খরচের উৎস।

সীমিত টাকা পয়সায় ঐ জীবন টা আসলেই অনেক সুখের ছিল।

Friday, June 17, 2016

সকল সমস্যার সমাধান নিন


সকল সমস্যার সমাধান নিন,
সিএসএম পেইজে আওয়াজ দিন।

আমাদের পেইজে মাশাল্লাহ সবই আছে। হুজুর (Mdnurul Kabir Niru), ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, কোকিল থুক্কু উকিল (Khurshed Alam Manik), ডিজিটাল ফেরিওলা (Atiq Csm), সংস্কৃতি কর্মী (Taskiatun Nur Tania), একপার্ট রাঁধুনি সহ নানান পেশার লোক। কেউ কোন সমস্যা পড়লে আওয়াজ দিয়েন। দেখবেন আপনি একটা না একটা সমাধান পেয়ে যাবেন।

আমার দোস্ত্ মামুন


আমার দোস্ত্ মামুন, এখন সে আমাদের তেমন একটা আড্ডাতে সময় দিতে পারে না। বেটা বাজাইছে হৃদয়ের বেমো। স্টীলার রা যেখানেই যাবে খাওয়া দাওয়া তো থাকবেই, আর খাওয়া দাওয়া মামুনকে স্ট্রংলি মেইনটেইন করতে হয়।

দোস্ত্ তুই সময় না দেয়াতে এখন আর তেমন একটা আড্ডাও হয়না আর হইলেও জমে না। আমরা কেমন যেন দুরে দুরে সরে গেছি। তুই অন্তত আড্ডাতে সময় দে প্রয়োজনে ভাবীরে বলে স্পেশালী তোর খাবার টিফিন বক্সে নিয়ে আসবি, তারপরও তুই আমাদের সাথে সময় দে। তুই না ডাকলেতো সবায় আসেনারে।

দোস্ত্ ভালো থাকবি, টেনশন করবি না একদম, আল্লাহ্ যাহা কিছু করেন ভালোর জন্য করেন। আমি তোরে দেখলে মনে সাহস পায় আর সামনে আগানোর মনোবল পায়।

আচ্ছা দু'শ টাকা দামের কোন শাড়ি পাওয়া যায়


আচ্ছা দু'শ টাকা দামের কোন শাড়ি পাওয়া যায়? আমার মনে হয় সম্ভব না তাহলে সে গত ঈদের পর কেন আমাকে বলল আমি তাকে একটা দু'শ টাকা দামের শাড়িও কিনে দিলাম না। এবার ভাবছি বলবো দু'শ টাকা দামের শাড়ি অনেক খুজেছি কিন্তু পাইনি... অনলাইনে খুজলাম ১২০০ টাকার কমে পেলাম না...ভাবছি ইন্সটলমেন্টে যদি দেয় তাহলে নেওয়া যেতে পারে...প্রতি মাসে দু'শ করে ছয় মাসে।।।।।

kind attn zahed tipu


শুনতে পাচ্ছি এবং একটা পোস্ট ও দেখলাম যে ইফতার পাটি করার বেপারে খুব ভাল উদ্যোগ, কিন্তু কথা হল তুমি যখন উদ্যোগ নিলে তা হলে বড় ভাই বোন ছোট ভাই বোন বন্ধু সবার সাতে বিষয় টা নিয়ে আলাপ করে করলে ভাল হবে,যেমন আমি এখনো কিছুই জানি না কি করচো তুমি বা তোমরা, এই কথা যেন কেউ বলতে না পারে ভাই।সবিনয়ে বলছি বেপার গুলা চিন্তা করে আগাও ভাই,সংগে ছিলাম, সংগে আছি,সংগে থাকবো।একান্ত বেক্তিগত ভাবে অনুরোধ করছি সবাই কে ফোন করে জিজ্ঞাসা কর।আর যে যার আশে পাশে আছে সে তার সাতে কথা বলে বলে দিলেই পারে।

আমার আমি (পর্ব- ২)


আমার আমি
-----------------
পর্ব- ২.
প্রিয়--- অধরা।
আমার ছাত্রজিবনে দু' মাস স্কুলে গিয়েছি কিনা সন্দেহ। তবে যেদিন থেকে তোমাকে ভালো লেগেছে সেদিন থেকে আর স্কুল কামাই করি নি,,।বন্ধের সময় খারাপ লাগে,তাই তোমাদের বাসা বরাবর দখিন দিকের নারকেল গাছের নিচে পাথরে বসে থাকতাম। বন্দুরা কেউ জানে না। তাই আমার মনে হয় তোমাকে আমার ভালো লাগা জানান দেয়া উচিত। তাই এ চিঠি। আমি বহুবার ইশারায় বুঝাতে চেয়েছি,,,,, তুমি- বুজনি।
ইতি,,,,
মানিক।।।।
চিঠি পড়ে অধরা বুঝলো এ চিঠি রক্ত দিয়ে লেখা।
তবে, ,,, কেনো,,,,?
প্রশ্ন করে অধরা।
অধরা রাগ হয়ে বলে,,,যে ভালবাসার জন্য নিজের শরিরের রক্ত ঝরায়, সে তো নিজকেই ভালো বাসে না। অন্যকে ভালোবাসবে কি ভাবে ?
তুই তো আমার ভালোবাসা পাবি না। আগে নিজকে ভালোবাসতে শিখ।
রাগে, ঘৃনায় নিজকে আড়াল করতে সামনে পা বাড়ায় অধরা।
অধরা হেটে চলে।
হাটতে হাটতে ব্যাবধান বাড়ে।
ধীরে ধীরে অধরা চলে যায় দৃস্টির বাইরে।
মানিক দাড়িয়ে থাকে একা।
একা।।।।।।।।।

Thursday, June 16, 2016

এটি Monirul Islam Monir মনা ভাইদের বাড়ীর একটি গাছের দৃশ্য


এটি Monirul Islam Monir মনা ভাইদের বাড়ীর একটি গাছের দৃশ্য । মনা ভাই এই গাছটি নিজ হাতে ৭ বছর আগে রোপন করেছেন । যা বড় হয়ে এখন ফল দেওয়া শুরু করেছে । তাই মনা ভাই এখন মহা খুশি , একের ভিতর অনেক । একটি গাছ থেকে সব রকমের ফল পেয়ে থাকেন । তাই উনি প্রায় চুপিচুপি বাড়ীতে পারি দেন । স্টিলারদের স্পেশাল টিম এটির অনুসন্ধানে সক্ষম হন । 

এখন দেখার বিষয় এই রমজান মাস উপলক্ষে মনা ভাই আমরা স্টিলারদের জন্যে কি ব্যাবস্থা করে ! !!!

যাক আস্তে আস্তে সকলের ঘুম ভাঙবো


যাক আস্তে আস্তে সকলের ঘুম ভাঙবো এমন সময় আসবে একটা পড়তে পড়তে আর একটা লিখা শুরু হয়ে যাবে, কলোনী আবার কোলাহল মুখরীত হবে, আজ আমাগো এপ্রিল 29 এর Monir Zaman বাবু আর দোস্ত মহলে ভুতের আনডা লিখা শুরু করলো, মনটা খুশিতে ভরে গেলো,সবচেয়ে যাকে মিস করি যার কাছে গল্পের কাহিনী এসে ধরা দেয় সেই Mamunur Rashid Rashed ওরফে মরা রাশেদ এখন ও লিখা শুরু করে নি,আমি বহুবার তাকে বলছি দোস্ত আস্তে আস্তে লিখা শুরু কর পেটের মধ্যে কাহিনী গুলি জমিয়ে রাখলে কলোনী বাসি অনেক কিছু মিস করবে,দোস্ত আমার কথা কানেই তুলে না খালি কয় লিখবো,এই খালি টা কোন দিন আসবে তা উপর ওয়ালাই জানে,এরকম শয়ে শয়ে লেখক কলোনীর আনাচে কানাচে ছিল এখন সব কোথায় গেলো, সবার হাতে কি জং ধরে গেলো নাকি?

আজ এক কথা মনে পরল


আজ এক কথা মনে পরল। সবাই রেজা ভাইয়ের ছোট ভাইকে চিনেন। বাবু ভাই(মোটা না শরীর একটু ভাল ঊনার মতে) আমি সহ ৪ জন টাংকির নীচে বসে আঢডারত।এমন সময় আমাদের সিনিয়র বড় বোনের (সি টাইপে থাকে)জামাই মানে দুলাভাই (ঊনিই কলোনীর ছেলে) অফিস থেকে বাসায় ফিরছেন।যেই টাংকি পার হল হটাত বাবু ভাই আমাদের চুপ থাকতে বলে আামি যা করি তোরা তা করবি।দেখি ঊনি চিকন সুরে ডাক দিছছে "গোপাল..গোপাল গো..পাল" আর তার সাথে আমরাও।সাথে সাথে কেললা ফতে। দুলা ভাই সাথে সাথ আমাদের দিকে তেড়ে আসলো আর.........বলতে পারব না। সবার কাছে অনুরোধ এটাকে কেউ সিরিয়াস নিবেন না।

কথোপকথন এবং ফ্লাস ব্যাক


আমি সাধারনত বাহিরে ইফতার করি না। বাড়িতে সবার সাথে বসেই ইফতার করি। ইফতারি করে পাড়ার দোকানের দিকে বের হলাম ৭.১৫ এর দিকে এবং দোকানে পৌঁছে একটা চা এর অর্ডার দিলাম(যদিও বাড়িতে চা পান করেছি তারপরও কেন জানি পাড়ার দোকানের চা পান না করলে খাবার হজম হয়না)। হঠাৎ দেখি সেল ফোনে গ্রামীণ নম্বর থেকে এস এম এস এবং সেটি পড়লাম। পড়ে একটু ভয় পেলাম(আমার একটু ভয় পাবার সংশয়ও আছে)। আমি আর রিপ্লাই না করে সরাসরি গ্রামীণ নম্বরটাতে ফোন করলাম এবং দুইটা রিং পড়ার পর ওপাশ থেকে কেটে দিল। আমি আবার করলাম এবং ওপাশ থেকে কেটে দেয়। আমার ভয় আরো বেড়ে গেলো কারন দেশের যে অবস্হা তাতে একটু ভয় পাওয়ারই কথা(গতকালও আমার এখান থেকে দুই কিলোমিটার দুরে রাত এগারোটার দিকে গোলা গোলিতে এক জন নিহত এবং আরেক জন চমেক হাসপাতালে আইসিও তে)।
যাই হোক এস এম এসটি ছিল ...
tumi ki titu. 
ওপাশ থেকে যখন ফোন রিসিভ করে না তখন মেরিডিথের উক্তি টি মনে পড়ে গেল ___ 
'সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও।'
আমিও সাহস নিয়ে রিপ্লাই দিলাম ...

ACCHA MANUSER JIBONTA EMON KENO


ACCHA MANUSER JIBONTA EMON KENO?MANUS JA CHAE NA TAI TAR SATHE HOY.SARATA BOCHOR DHORE AMI ABBA-AMMAR SATHE THAKLAM,KINTU SHES SOMOYTATE THAKTE PARLAM NA.ABBA SHES BAR DHAKA JABAR SOMOY SOBAR KACHE,EMON KI AMAR KACHEO MAF CHEYE GECHEN.KINTU AMITO PARLAM NA. 

অন্য ধর্মের ভাই বোন দের কাছে অনুরোধ করছি


অন্য ধর্মের ভাই বোন দের কাছে অনুরোধ করছি এই বেপারে রাগ বা অভিমান না করার জন্য।তোমরা তোমাদের মত করে সবার জন্য প্রাথনা কর।

সি এস এম ভাই ও বোনদের বলছি,রহমতের ১০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে জানি না কে কি আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা ছেয়ে নিয়েছে,আগামিকাল থেকে মাগফিরাত শুরু তাই আসুন সবাই এই রমজানে বিগত দিনের গুনা সমূহ আল্লাহর থেকে ক্ষমা করিয়েনি আচ্ছা বলুন তো ,কে গত ১০ দিনএ কয় পারা বা কত টুকু কোরান পড়েছেন,আমি ইন্সশাআল্লাহ ১৫ পারা শেষ করে ১৬ পারা পড়ছি,সবাই কোরান পড়ে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং সি এস এম এর অসুস্ত ভাই ও বোন দের জন্য আল্লাহর কাছে সুস্ততা কামোনা করি।

মানিক তখন হাউজিং কলোনি থেকেই স্কুলে আসতো


মানিক তখন হাউজিং কলোনি থেকেই স্কুলে আসতো।
সে যখন অস্টম শ্রেনীর ছাত্র তখন তার এক ক্লাস মিটকে পছন্দ করেছিলো।
নাম অধরা।
অধরা মৃত্তিকার ন্যায় সুন্দর। যেনো বাগানের সদ্যফোটা শিশির ভেজা কলি। দু' চোখ তার সহজ সরল টানা টানা আর মায়াবী। ক্লাসের ভালো ছাত্রী।
এক দিন হাতে লেখা একটা চিঠি অধরার হাতে দিয়ে মানিক বললো - এটা পড়ো,,,। ই টাইপের শিড়ির নিচে মানিক অধরার পাশেই দাড়ানো। দ্বিধা সংকোচে অধরা চিঠি হাতে নেয়। চিঠির ভাঁজ খুলতেই বিস্মৃত চোখে মানিকের দিকে তাকায় অধরা। চিঠির কোথাও কোথাও লেখা লেপ্টে আছে। আবার কোথাও ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছে। অধরা কিছুখ্ন চোখ বুঝে কি যেনো ভাবে। তার পর পড়তে শুরু করে,, ,,
,,প্রিয়---
অধরা,
( চলবে)

Wednesday, June 15, 2016

অসুস্থ থাকার কারনে অনেকদিন পেইজে উপস্থিতি আগের মত নেই


অসুস্থ থাকার কারনে অনেকদিন পেইজে উপস্থিতি আগের মত নেই কিন্ত মাঝে মাঝে সবার post গুলো পড়তে চেষ্টা করি।মহান আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।যাতে আবার সবার মাঝে ফিরে আসতে পারি।এই লিখাটা আমার সকল স্টিলার ভাই বোন কে ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ স্পেশাল thanks to Atiq Csm ভাই।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

খুব ছোট বেলায় তখন ক্লাস টু বা থ্রি তে পড়ি


খুব ছোট বেলায় তখন ক্লাস টু বা থ্রি তে পড়ি, বাসায় টিভি ছিলনা, পাশের বাসায় (আমরা তখন কলোনির বাইরে থাকি) টিভি দেখতাম, তখন এতো বিনোদনের উপাদান ছিলনা, তাই টিভিতে যা দেখাতো তাই হা করে গিলতাম, সেই সূত্রে রাত আট টার সংবাদও বাপ চাচা দের সাথে বসে বসে দেখতাম। সেই খবরের একটা কমন সাবজেক্ট ছিল প্যালেস্টাইন, গাজা, জেরুজালেম, নাবলুস,ইসরাইল, পিএলও, ইয়াসির আরাফাত । এ বিষয়ে খবর গুলো যখন পরিবেশিত হতো দেখতাম বাবা চাচারা হা হুতাশ করত আর আফসোস করত। এরপর টিভি তে " যদি কিছু মনে না করেন" অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ফজলে লোহানির ভরাট আবেগময় কন্ঠে ফিলিস্তিনিদের নিয়ে বক্তব্য সেই শিশু মনে বিশাল দাগ কেটে যায়।

আস্তে আস্তে বুঝতে শিখলাম ইসরাইল নামক এক ইহুদি জাতি জোর করে প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিনি অধিবাসী দের জোর করে তাদের ভুমি থেকে উচ্ছেদ করে দখল করে নিয়েছে।

আরো বড় হওয়ার পর ফিলিস্তিনি দের ব্যাপারে সব খবরই আমি পড়তাম বা রাখতাম, জানতে পারলাম ৮০র দশকে অনেক বাংলাদেশী তরুন ফিলিস্তিনি দের পক্ষে যুদ্ধে লড়তে সেখানে গিয়েছে। মনে হতো, ইস! আমিও যদি যেতে পারতাম।

সে ছোটবেলা থেকেই ফিলিস্তিনি দের প্রতি আমার গভীর মমতাবোধ কাজ করত। যুদ্ধ ক্লান্ত, বিধ্বস্ত অথচ দীপ্ত ব্যাক্তিত্বময় ইয়াসির আরাফাত কে মনে হতো বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বীর। উনি মারা যান ২০০৪ সালে, সম্ভবত রোজার ঈদের দু দিন আগে, আমি ঈদ করতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলাম, বাসে বসেই পরিচিত এক জনের মাধ্যমে খবর পেলাম উনি মারা গিয়েছেন। আমার আন ন্দ ঈদ যাত্রা মূহুর্তেই বিষাদে পরিণত হয়, নিজের অজান্তেই দু চোখে পানি এসে পড়ে। মনে হলো খুব আপন কেউ মারা গেছেন। 

আজ আষাঢ় মাসের ১ম দিন


আজ আষাঢ় মাসের ১ম দিন।এই শুরু হইল বৃষটির দিন।সারাদিন খালি পড়তেই থাকবে।আর থামাথামি নাই।তবুও বৃষটি আমার খুব ভাল লাগে।বৃষটি পড়তে থাকলে কলোনিতে ফেলে আসা দিনগুলার কথা খুব মনে পড়ে।কলোনির দিনগুলা যদি আবার ফিরে পেতাম।জীবনে আর কিছুই লাগতো না।।।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি দেখে কলোনীর কথা মনে পড়লো


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি দেখে কলোনীর কথা মনে পড়লো। আব্বা চিঠি লিখত প্রচুর, পেতেনও অনেক। কলোনীতে ডাক পিয়ন এসেছে আমাদের চিঠি নাই এমন খুব কম হতো... আমার মনে হয় পুরা কলোনী জীবনে একজনকেই চিঠি বিলি করতে দেখেছি। উনার চেহারা এখনও চোখে ভাসে নামটি মনে নেই, কাচা পাকা চুল দাড়ি... যদি আমার সৃতি ভ্রম না হয...


হাঁটাহাঁটি করা ভালো অভ্যাস


হাঁটাহাঁটি করা ভালো অভ্যাস, কলোনিতে থাকাকালীন সময় আকাম/ কুকাম /ভালো কাজ সবকিছুর জন্যই প্রচুর হাঁটতাম। এমন কি নিশি রাতেও হাঁটাহাটি বাদ যেতোনা। আর প্রতিদিন খেলাধুলা তো ছিলোই। 

তবে হাঁটার ক্ষেত্রে আমার আর Monirul Islam Monir মনিরুলের মধ্যে মাঝেমাঝে অদ্ভুত কিছু পাগলামি ভর করত। অল্প কিছু টাকা নিয়ে দুজন বাসে করে নিউমার্কেট চলে যেতাম, সেখানে কিছুক্ষণ উদ্দেশ্য হীন ঘোরাঘুরি করে পকেটে বাকি যে অল্প কয়েকটা টাকা থাকতো তা দিয়ে বাদাম কিনে মুখে পুরতে পুরতে দুজনে হেটে হেটে সেই নিউমার্কেট থেকে কলোনিতে ফিরতাম।

এখনো ইচ্ছে জাগে সেই পাগলামিতে ফিরে যেতে।

ভাই এন্ড বইন এই রমজান মাসে একটু সাবধানে চলাফেরা করবেন।


গতকাল ও আজ দুইটা ঘটনা পড়লাম খুব খারাফ লাগলো তবে ফ্রট বাজির নতুন কোশল,।ঈদে মারকেট এ যাবেন সাবধান, বাসে চড়বেন সাবধান, ব্যাংক থেকে টাকা উঠাবেন খুবই সাবধান সব জাগায় সামনে, পেছনে, দানে,বামে সব জাগায় ফ্রট এ ভোরে গেছে। আমি আমার পরিচিয় সব ভাই ও বোনদের বলছি সাবধাবে চলা ফেরা করবেন।আল্লাহ সবাই কে সুস্ত ও সুন্দর জীবন যাপন করার তোফিক দান করুক।

কিভাবে শুরু করি?


কিভাবে শুরু করি? অনেক অনেক দিন আগের একটি "সকাল বেলা"! জানালায় মোল্লা[অপু], আমিও অপেক্ষায় ছিলাম। দুই বন্ধু এক সাথে শাহনুর ভাই এর দোকানে। দুইটা ৫৫৫! সকালের প্রথম সিগারেট খুব আয়েশ করে টানলাম! দিন শুরু! তাপস আর নিরু মনে হয় এতক্ষনে স্কুলের স্টেজে চলে এসেছে। "দুরি ফিস"[তাস] তখন আমাদের মাঝে খুব জনপ্রিয় খেলা! খেলা শুরু হওয়ার আগেই মোল্লা আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, তোর কাছে টাকা আছে? লুংগির কোচ দেখিয়ে বললাম, আছে। খেলা শুরু হয়ে গেলো। কার্ড তুলে দেখি অবস্থা ভালো না। এই কার্ড গুলি লাইন মত মিলানো সম্ভব না। দুঃশ্চিন্তা ভর করে বসলো। সাথে একটিও টাকা নেই! আর দানটি যদি মোল্লা মারে-------- কপালে কি আছে, একমাত্র আল্লাহপাক জানে! মনে মনে প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম। আড় চোখে শুধু সেন্ডেল জোড়া দেখলাম। খুব দ্রুতই মোল্লা দান মেরে দিলো! এক সেকেন্ড দেরী না করে, আমিও দোড়! এই শালা দারা, আমার টাকা দে, মোল্লাও আমার পিছে পিছে! স্কুলের গেট পেরিয়ে এখন আমরা রাস্তার উপর। আগে আমি, পিছে মোল্লা! সবাই তাকিয়ে দেখতে লাগলো। এটা একটা "কমন সিন"! সোজা বাসায় ঢুকে পরলাম। দিনটায় মাটি।

অন্য একদিন সুন্দর "বিকাল বেলা"। সেই মোল্লা আর সেই আমি। মোল্লা প্রেমে পড়েছে! নায়িকার বাসার সামনে দিয়ে যাচ্ছি। মোল্লার কন্ঠে আজ গান! " কৃষ্ণ চুরার ছায়ে ছায়ে" নাকি সুরে গাইতে লাগলো, নায়িকা বাসার সামনে দাঁড়ানো সাথে কিছু সখিও আছে। বুক ভরা সাহস নিয়ে শুধু এইটুকু বলেছি, " কিরে ব্যাটা কান্দস ক্যা"? নায়িকা আর তার সখিরা হেসে উঠলো। মোল্লার নাক/কান লাল হয়ে উঠলো! এই শালা, আমি কই কান্দলাম? অবস্থা খারাপের দিকে, দিলাম দোড়। সেই পুরানো সিন, আগে আমি আর পিছে মোল্লা! এই শালা দারা, আমার সাথে ইতরামি? আজ তুই শেষ! দোড়াতে/দোড়াতে সোজা বাসায়। বিকালটায় মাটি!

সিএসএম পেজে অনেকের জন্মদিনের আপডেট আমার কাছে নাই


সিএসএম পেজে অনেকের জন্মদিনের আপডেট আমার কাছে নাই। তাই আমি সেগুলো পোস্ট দিতে পারি না।যদি কেউ এরকম বাদ পরে যায় যেমন আজ রেহানা আলম এর টা আমার কাছে আপডেট ছিল না।আতিক ভাই দিয়ে দিয়েছে।আরেকদিন জনি তার বোনের টা আমাকে মেজেছে ছবি সহ দিয়ে দিয়েছে, যা পরে আমি পোস্ট করি।এজন্য যদি কারোটা বাদ পরে কেউ কিছু মনে করবেন না,বা এরকম ভাববেননা যে আমারটা দিল না।সবাই কে ধন্যবাদ।সবাই ভাল থকবেন,সুস্থ থাকবেন সেই দোয়া সবাই সবার জন্য করি।

Tuesday, June 14, 2016

আমি আনন্দে আত্মহারা, বাক্যহারা, সাথে দিশোহারা, এবং সর্বহারা


আমি আনন্দে আত্মহারা, বাক্যহারা, সাথে দিশোহারা, এবং সর্বহারা !!! ধুর আবেগের চোটে কি এগুলা বলতেছি, আনন্দে আত্মহারা বাক্যহারা হওয়া যায়, কিন্তু দিশোহারা আর সর্বহারা কিভাবে হয়। আচ্ছা বাদ দিলাম, আজ একটা খুশির দিন, খুশির দিনে সব কিছু হওয়া যায়। তবে পরনের কাপড় চোপড় না হারালেই হয়। এটা আবার ইজ্জতের মামলা, আমি পাগল টাইপ মানুষ হইলেও ইজ্জৎ বইলা একটা কথা আছেনা।

খুশির কারন হইতাছে আজ থেকে বহু সাল আগে, এই ১৪ জুন, চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র, সিটি কলেজের পাশের এক হাসপাতালে (মেমন হসপিটাল)আমার জন্ম হয়েছিল। আর সেই দিন টিই পোলাপান, বড় ভাই, বোনেরা ও বন্ধু রা এই পেজের মাধ্যমে আওয়াজ দিয়া জানান দিয়া মনে করাই দিলো। 

জন্মদিন টাইপ জিনিস গুলা আমাদের মত আম পাবলিক দের লাইফের সাথে ব্যাটে বলে মিল খায়না। আগে কখন জন্মদিন গ্যাছে আর কখন আসছে বুঝতেও পারিনি। রোমান্টিক যুগেও জন্মদিনের এমন উত্তাপ কখনো টের পাইনি।

আমি আসলেই অভিভূত । সবাইকে সকৃতজ্ঞ ধন্যবাদ।

মনডা আজ এতো খুশি লাগতাছে কেন?


মনডা আজ এতো খুশি লাগতাছে কেন?কারণ আজ দুই দিন কলোনীর কয়েকজনের লগে ফোনে আলাপ করা হয়েছে,মনডা কয় হগলের লগে ফোনে আলাপ করি জানি না কে কি মনে করে আমি আমার নিজের মতো কথা কই, অপর প্রান্তে যার সাথে আলাপ করি তিনি মনে হয় আমার কথা বাতা বিরত্ত হয় তাও কথা কই সামনা সামনি তো আর কিছু কয়না,আমার আবার লজ্জা শরম কিছুডা কম কেউ কিছু কইলেও মনে কিছু করিনা,মনডা কয় এই রমজান মাসে হগলের লগে একবার দেখা করি, সংযমের মাস রোজা না রাখলেও দুপুরে খাওন যাইবো না ((তাই বলে আমি না আমি রোজাদার মানুষ))তাই চিন্তা ভাবনা করতাছি ইফতার এর উছিলায় হগলে একবার মিলিত হই কলোনীর ছাওয়াল পাওয়াল তো কম না হগলে কি কন সবাই কি আবার একসাথে হওয়া যায় না,আপনার উপর ছাইড়া দিলাম,আশা করি এই রমজানে আবার কলোনীবাসি এক হমু কে কিতা খাইবো কইয়া দিয়েন যারা রোজা রাখেনি তাদের জন্য আলাদা স্পেশাল শাহি নুরানী খাওন রেডি করতাসি

চে’ গুয়েভারা


“পৃথিবিতে যে কোন অন্যায় সংঘঠিত হলে তুমি যদি ক্রোধের আগুনে জ্বলে উঠো, তবে জানবে, আমরা কমরেড”। 
"সবাই প্রত্যেকদিন চুলে চিরুনি চালায় যাতে চুল সুন্দর পরিপাটি থাকে, কেউ কেনো হৃদয় সুন্দর পরিপাটি রাখে না?” - 
- ----- এই কথা গুলো যিনি বলে গিয়েছেন তিনি চে’ গুয়েভারা।

যিনি একজন মহান বিপ্লবী, একজন চিকিৎসক। সর্বোপরি একজন মানবতাবাদী মহা পুরুষ।
আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহন করা চে আর্নেস্তা গুয়েভারার।

পেশায় চে ছিলেন একজন ডাক্তার, মেডিকেলের ছাত্র হিসেবে চে সমগ্র লাতিন আমেরিকা ভ্রমণ করেছিলেন। এসময় ওইসব অঞ্চলের মানুষদের দারিদ্র্যতা ও দুঃখ-দুর্দশা তার মনে গভীর রেখাপাত করে। তারপরেই মানুষের মুক্তির কল্যাণে এই বিপ্লবী কাজ শুরু করেন। যা তিনি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে যান।

আর তাই যুগে যুগে মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক এখনো চে গুয়েভারা। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর সাম্রাজ্যবাদী দালাল দের হাতে তিনি নির্মম ভাবে নিহত হোন।

আজ ১৪ জুন এই মহান ব্যাক্তিত্বের ৮৮ তম জন্মদিন। আজকের এই দিনে তাঁর প্রতি রইল আমাদের লাল সালাম ও শুভেচ্ছা।

Monday, June 13, 2016

সবাই তারাবি পড়ে বিশ রাকাত


সবাই তারাবি পড়ে বিশ রাকাত। আজকে আমরা পড়ছি ২১ রাকাত। অর্থাৎ পনেরো তম রাকাত শেষ করে হুজুর না দাঁড়ায়ে ভুলে বসে পড়ছে। ভুল মানুষের হতেই পারে। কিন্তু পেছনে ইমাম, মোয়াজ্জেম, আরো দুইজন হাফেজ এবং সাথে প্রায় দু'শত মুসল্লি সবাই কি ঘোরের মধ্যে ছিল? একজনও কি আওয়াজ দিতে পারে নাই?? কিন্তু দেখা গেলো মুসল্লিরা সালাম ফিরানোর পর ঠিকই কানাঘুষা করতে লাগলো। এখন বলতে পারেন আমি কোথায় ছিলাম কিংবা আমি কেন বললাম না? আমার এখনো ষ্টীল মিলের স্বভাব রয়ে গেছে। অর্থাৎ আমি যেতে যেতে নীচ তলা ফিলাপ হয়ে যায়। তাই আমি বাধ্য হয়ে দোতলায় নামাজ পড়তে যায়।

এই মসজিদটির নাম পাগলা মসজিদ


এই মসজিদটির নাম পাগলা মসজিদ।কিশোরগন্জ জেলার নরসুন্দা নদীর তীরে মসজিদটির অবস্হান।শুনা যায় কোন এক পাগল নরসুন্দা নদীর চড়ে দিনরাত সবসময় বসে থাকত।উনি মানুষের কোন ক্ষতি করত না।পাগল মারা যাওয়ার পর ঐইখানে মসজিদটি ণির্মান করা হয়।মসজিদটি নাম করা হয় পাগলা মসজিদ।প্রতিদিন অনেক নারী পুরুষ আসে নাময পড়তে ।অনেকে টাকা ,ছাগল,মুরগী দানকরে।এই মসজিদের সভাপতি ডিসি।এক মাস পরে পরে মসজিদের দান বাক্স গুলো খোলা হয় নির্বাহী কর্মকর্তা র তর্ওাবধানে।প্রতিমাসে প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা উঠে।আর হাস মুরগী ,ছাগলগুলো নিলামে বেচা হয়। এই মসজিদের আয় দিয়েে কিশোগন্জের অনেক অনেক মসজিদের উন্নয়ান ও ইমাম মুয়াজজিনে বেতন দেয়া হয়।অনেকে অনেক কিছু মানত করে।

রোজা শুরু মানে কলোনীর ছোটদের ফুতি


রোজা শুরু মানে কলোনীর ছোটদের ফুতি, রোজার মাসে শাসন টা কিছু কম ছিল,তাই সবাই মন খুলে খেলাধুলা আডডা মারতে পারতো,রোজার মাসে খাওয়া দাওয়া ও কিছুটা লাগাম ছাড়াছিল তাই বলে এখানকার মতো না,আব্বার সীমিত আয়ে সংসার চলতো যেটুকু সাধ্যের মধ্যে ছিল তাই নিয়ে মা সংসার টা টেনেটুনে চালাতো,রাজনীতি করতাম বলে বেশির ভাগ ইফতার বড় ভাইগো লগে বাহিরে করা লাগতো,বিশেষ করে Nazmul Huda ভাই কোথাও দাওয়াত পড়লে আমাকে Mamunur Rashid Rashed (মরা রাশেদ)দুলিকে তলব করতো, আর Monowar Dalim Dalim দের বাসায় মাঝে মাঝে সবাই মিলে ইফতার করতাম,রোজার মাঝামাঝি কলোনীর ছেলেপুলের কেনাকাটার তোড়জোড় শুরু হয়ে যেতো, আর কিছু না হউক হকাস মাকেট এ ছেলেদের প্যানট এর অডার দেয়ার জন্য সবারই তোড়জোড় শুরু হয়ে যেতো, কারো না কারো সাথে আমাকে যেতে হতো,বেশিরভাগ অডার দিয়ে আসতো, চাঁদ রাতে বা তার একদিন দুইদিন আগে ডেলিভারির দেওয়া হতো,আসল মাকেট শুরু হতো ঈদের কয়েকদিন আগে কলোনী থেকে বাস দেওয়া হতো শপিং করার জন্য, দুপুর থেকে টাংকীর তলায় ছোট বড় সবাই ভিড় করতো কেউ শপিং করতে যাবে আর বেশির ভাগ পোলারা ঘুরতে যাইতো,এখন ও মাঝে মাঝে মন চায় কলোনীর সেই দিনগুলি কথা, কলোনীর সেই দিন গুলি কি আবার ফেরত আনা যাবে,তাহলে আমি কথা দিলাম কলোনীতে আমি যে ভাবে চলাফেরা করছি তার চেয়ে অনেক ভালো হয়ে চলাফেরা করবো,ফিরিয়ে দাও আমার সেই দিন গুলি,,,

উচ্চ শিক্ষার দুঃস্বপ্ন আর আঁধারে ঢাকা জীবন


ক' দিন আগে শিউলি আপা বলছিলেন আমার চোখে দেখা সমাজ আর চারপাশ নিয়ে লিখতে। সেই কথা মনে করেই পুরনো একটা লেখা :

উচ্চ শিক্ষার দুঃস্বপ্ন আর আঁধারে ঢাকা জীবন
★★★★★★★★★★★★★★★★★★

সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত যে কটি আত্নহননের ঘটনা আমাদের সমাজ জীবনে বেশ নাড়া দিয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ঘটনাটি উত্তরার এক সাংবাদিক সম্পতির দু’সন্তানের আত্নহনন। ৭ বছর ও ১১ বছর বয়সের নিস্পাপ দু’ভাই বোনের আত্নহত্যার কারণ- তাদের মা-বাবার দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন। পিতার নিষ্ঠুরতা আর জীবন সংগ্রামে মায়ের কষ্টকর ধেয়ে চলা তাদেরকে পৃথিবীর প্রতি বীতশ্রদ্ধ করে তুলেছিল।

পিতা-মাতার স্নেহ সান্নিধ্যে যে সুন্দর পৃথিবী তাদের প্রাপ্য ছিল, বন্ধু-স্বজন পরিবেষ্টিত একটি নিটোল উচ্ছল কৈশর যখন তাদের হাতছানি দিয়ে ডাকার কথা ছিল ঠিক সেই সময়টাতে তারা পৃথিবীকে ধিক্কার জানিয়ে সমাজকে ভ্রুকুটি দেখিয়ে চলে গেল অজানার দেশে।

এ দুটি মৃত্যু ছাড়া আরো দু’টি মৃত্যুও খবরের কাগজে প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু তারপর পত্রিকার পাতায় কিংবা টক শোতে এ নিয়ে তেমন কোন লেখা লেখি বা কথোপকথন হয়েছে বলে মনে হয় না। তবে সমাজ বিজ্ঞানীরা হয়তো এ মৃত্যু নিয়ে গবেষণা করতে পারেন, এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় বাতলাতে পারেন। এর ফলে সমাজ উপকৃত হবে।
সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক বন্ধন, ব্যক্তিগত শান্তি আর নিরাপত্তা আমাদের দেশ থেকে ক্রমশ অপসৃত হতে চলেছে বলেই মনে হয়। কিছু দিনের ব্যবধানে দু’জন ইউনিভারসিটি পড়ুয়া যুবক/যুবতীর আত্নহননের ঘটনা আমাকে আলোড়িত করেছে। মনে মনে দু’টো মৃত্যুর একটাই সমীকরণ আমি খুঁজে পেয়েছি। কোন সমাজ বিজ্ঞানী বা মনোবিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোন থেকে নয়, একজন সাধারণ অভিভাবকের দৃষ্টি কোন থেকে আমি বিষয়টা অনুধাবনের চেষ্টা করেছি।

কি গভীর মর্মবেদনা, ক্ষোভ, লজ্জা সর্বোপরি স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনায় তারা নীল হয়েছেন- সেটাই আমাকে ভাবিত করেছে। মাস ছয়েকের বেশি হবে হয়তো সিকদার মেডিকেলের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী মিলা (আসল নাম মনে নেই) মফস্বল শহরের একজন স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে। ডাক্তার হবার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিল ধানমন্ডির সিকদার মেডিকেলে। বাবা প্রতিমাসে প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই টাকা পাঠাতো মেয়ের পড়ালেখার সকল সুবিধা নির্বিঘ্ন করতে। কিন্তু মাঝপথে মেয়ের পদস্খলন- বখাটে, টাউট একটা ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ানো, অতপর লিভ টুগেদার, অনৈতিক সম্পর্কের পরিনতিতে পেটে অবৈধ সন্তান, বখাটে প্রেমিকের বিশ্বাস ঘাতকতা, অতঃপর সব দায় কাঁধে নিয়ে মেয়েটার আত্নহননের মাধ্যমে মুক্তির প্রচেষ্টা।

অন্য ঘটনাটিও প্রায় একই রকম। তবে পার্থক্য শুধু এটুকু যে, এ দৃশ্যপট নায়িকা নয়, নায়ক প্রধান। আর সে নায়ক কোন ধনীর দুলাল নয়, মফস্বল শহরের হতদরিদ্র এক ভ্যান চালকের পুত্র। ভ্যান চালক বাবা ছেলেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার বানাবে বলে পাঠিয়েছিল ঢাকা শহরে।

নিজের জীবনটাকে বাজী রেখে ছেলে মিলনকে ভর্তি করিয়েছিল বনানীর অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটিতে। তৃতীয় বর্ষে উঠতেই মিলন বিমালুম ভুলে যায় তার নাড়ীর সম্পর্কেকে। জড়িয়ে পড়ে ধনীর দুলালী এক সহপাঠীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের জালে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে লিভ টুগেদার-অতপর নানা জটিলতায় আত্নহননের মাধ্যমেই জীবনের পরিসমাপ্তি।
এ কয়েকটি আত্নহনননের ঘটনাকে সামনে রেখে আমার মাথায় অহর্নিশ ঘুরপাক খাচ্ছে কিছু প্রশ্ন।

এস.এস.সি/এইচ.এস.সি পর্যায়ে অতিশয় ভাল রেজাল্ট/অত্যধিক মাত্রায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তি আমাদের অভিভাবককে তাদের সন্তানদের উচ্চশিাক্ষার বিষয়ে স্বপ্ন বিলাসী করে ফেলেছে কি?
এই তথা কথিত ভাল রেজাল্টকে পুঁজি করে আমাদের ফন্দিবাজ রাজনীতিকরা কিছু দুষ্ট চক্রের সহযোগিতায় যেন তেন মানের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি খুলে ব্যবসা ফাদিয়ে বসেছে, শিক্ষার মানকে অধপতিত করে দেশকে শিক্ষিত বেকারের একটি ‘স্টেক ইয়ার্ড’ বানিয়ে ফেলেছে না কি?
বেশির ভাগ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বিদ্যা চর্চার চেয়ে ‘সার্টিফিকেট বাণিজ্যের’ অবাধ সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় মনোযোগী না হয়ে মাদক, যৌনতাসহ নানাবিধ অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে না কি?
উন্নত বিশ্বে যেখানে শুধুমাত্র মেধাবী আর সামর্থবানরাই উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী, সেখানে আমাদের দেশে পয়সার বিনিময়ে তথা কথিত উচ্চশিক্ষাসমাজে নানাবিধ আনব্যালান্স আর অসংগতির কারণ হয়ে জাতি হিসেবে আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে না কি?
মানহীন এমন অসার উচ্চ শিক্ষার কি আদৌ কোন প্রয়োজন আছে? 
কে দেবে আমাদের এসব সহজ প্রশ্নের উত্তর? 
তারিখঃ ২৯.০৯.২০১৪

রেজা, মানিক,নাজমুল,জসিম,শাহিন,জিয়া,রিপন,টিটু,অপু,মিঠু


আমি আনতরিক ভাবে দুংখিত যে, আমি আজ রাঙ্গামাটি যেতে পারিনি, বহু কস্টে সকালে অক্সিজেন পর্যন্ত গেছিলাম প্রচুর বৃস্টি তারপর ও কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছায় এই বৃস্টি বাদলায় আর রাঙ্গামাটি যেতে পারিনি,কারন আরো আছে রাঙ্গামাটি রোড এর ৪ শ্রমিককে, কে বা কারা মেরে ফেলেছে তাই আগামি ৩ দিন হরতাল।

তবে হা আমি যাবো ইন্সশাআল্লাহ, তাই বলছিলাম তোদের জন্য কি কি আনতে হবে না আমাকে বল।

তোরা এই টা মাথায় রাখিস যেঃ তোরা মনে করবি ইহা ভুল, আসলে কিন্তু ইহা সঠিক- এই ডায়ালক এর কথা অবশই মনে আছে তোদের সবার যদি থাকে তাহলে এই পোস্ট পরে তার নাম টা সবাই লিখবি তাতে তাকে( বন্ধু)কে আমাদের স্মরণ করা ও হবে আশা করি।

আমার মনে হয় না আজকাল কার হোলাহাইন এগুন দেখছে


আমার মনে হয় না আজকাল কার হোলাহাইন এগুন দেখছে,আমাগো জমানায় এগুন দেখতে দেখতে হগলে বড় হইছে,কলোনীর কিছু কিছু হোলা মাইয়া ছাড়া হগলে এগুন হাতে নিয়া নড়াচড়া কইচেছ,এহন ও কিছু কিছু জিনিস চোখে হরে,আর জানামতে এহানে কারো কাছে কোন জিনিস নাই, যদি কারো কাছে কোন দ্রব্য (আইটেম) থাকে তাহলে তাগোরে ঢাকা মিউজিয়ামে যোগাযোগ করার জন্য বলা হচেছ

কথোপকথন


--ঘুমাবে না
--এই তো পাচ মিনিট
-- কটা বাজলো খেয়াল আছে?
--হু,সাড়ে বারটা
-- ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বল
-- আল্লা, একটা বেজে গেল এত তাড়াতড়ি?
-- হু,তুমি আছ স্টিল মিল আর ফেস বুকের ঘোরে, সময় টময় কি তোমার মাথায় আছে?
-- সরি,একটা ইন্টারেস্টিং পোস্টিং দিয়ে এলাম।
-- তোমার যে ডাইবেটিস, নিয়ম মেনে চলাটা কত জরুরি জান না?
-- জানি তো-
-- তা'হলে?
--মনেরও তো একটা ব্যাপার আছে তাই না?
--তাই বলে প্রতি দিন ফেস বুক? প্রতিদিন সিএসএম ?
-- আছছা, কাল থেকে আর হবে না।
--এই সব ছাড়া যায় না? ভোলা যায় না?
--বোধ আর স্নায়ুর মর্মে গেথে আছে বিদ্ধ নাছোড় প্রেম,
কেমন করে ভোলার কথা বল?
--- বাপরে ! থাক, ভোলার দরকার নেই, তাহলে তোমাদের গ্রুপে আমাকেও এড করে নাও -
--- সেটা বোধ হয় একটু কঠিন, তবু বলে দেখব এডমিনকে 
-- দেখ, চেষ্টা করে-
-- ঠিক আছে, ঘুমাও এখন, অনেক রাত হয়েছে, সেহরীতে আবার উঠতে হবে। 
*************
রাত ১:০৩
১৩:০৬:২০১৬

ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি


ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি, আর গানও গায় একটা ই "আমাকে আমার মত থাকতে দাও"। এই পোলার গলায় সারা জীবন খালি এই গান টাই শুইনা আসতাছি। এইডা গান না ছড়া এইটা নিয়াও আমি কনফিউজড। যাই হোক এই অনুপম যখন তার এই জাতীয় সংগীত লইয়া টিভির পর্দায় আসে তখন আমাগো দেশী য় কিছু ললনা ( এই দলে আমার বউও আছে) এমন ভাবে টিভির সামনে দৌড় দেয়, অলিম্পিকে এই দৌড় দিলে এই দেশে গোল্ড মেডেল না হইলেও সিলভার মেডেল আসতোই।

আচ্ছা এই অনুপম ব্যাডা এমন কি গান গায়? যারে দেখার লাইগা টিভির সামনে এমন অলিম্পিক দৌড় দেওন লাগে? এই পোলার থাইকা আমাগো মরা রাশেদও ভালো গান গাইতে পারে। আসলে ইন্ডিয়ার শক্তিশালী মিডিয়ার কারনে যারে তারে বিরাট গায়ক বানাইতে পারে। আমার এক মুরুব্বি কইছিল " পেটে.... থাকলে জিলাপি র মতোও হাগা যায়"।

আমাগোও এমন স্ট্রং মিডিয়া থাকলে মরা রাশেদও বিশাল শিল্পি হইয়া যাইতো। আর সেও টিভিতে গান গাইতো " আমাকে আমার মত ডাব পাড়তে দাও"।

Sunday, June 12, 2016

সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে


সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে, তাই ঠিক করলাম আমার সি এস এম ভাই ও বন্ধুদের জন্য কিছু ইফতার আনা যায় কিনা, তাই বলছিলাম বন্ধু বর,রেজা,রিপন,জসিম,জিয়া,শাহিন,মানিক,টিটু,অপু,মিঠু,ও ভুলে যার নাম লিখবো না মনে করেছিলাম ঃ সে নাজমুলঃ আমি তোদের জন্য রাঙ্গামাটি থেকে কি আনতে হবে না বলে।

যা লিখলাম তোমরা মনে করিবে ইহা ভুল , আশলে ইহা সঠিক।

take to take no take to p---------

আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন


আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন:
********************************
"মালয়েশিয়ায়,আমার বাসা থেকে প্রায় আঠাশ কিঃমিঃ দুর থেকে ইফতারীর সামগ্রী কিনে আনতে আমার বন্ধুর লাগলো পঁয়ত্রিশ মিনিট। 
এসেই বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
বছর বিশেক আগে আমাদের যাযাবর কাল, ফার্মগেইট এলাকা থেকে পুরান ঢাকার বিখ্যাত ইফতার সামগ্রী আসবে। সেই কোন দুপুর বেলায় এক বন্ধু অপেক্ষায় রেখে ভরসা দেয়,নো চিন্তা অবশ্যই ইফতারির আগেই ফিরবো। বেলা যায়। রোজাদার’রা ইফতার সেরে,নামাজ শেষে, তারাবির জন্য ছুটলো। পুরান ঢাকা থেকে বিধ্বস্ত বন্ধু ফিরলো অবশেষে। 
বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
সাত ঘন্টা লাগলো। কই বাত্ নেহি। রাতের
খাবার হবে। সবাই ফিরুক। 
জানি সবার আরো কতো হরিবল্ অভিজ্ঞতা। কতো গল্প,হাজারো সমস্যা।
অবস্থার কি খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে?
******************
প্রবাসী বন্ধুর পপ্রশ্নের উত্তরে :
****************************** 
দু:খ করিস না দোস্ত।
ভালোই তো আছি আমরা।
আমাদের কছির উদ্দিন ইকবাল ওরফে কইছছার কথা মনে আছে নিশ্চয়।
হাজারীবাগে বেড়ে ওঠা ওর নাকি ট্যানারির গন্ধ ছাড়া ঘুম হত না ভালো।
জ্যাম ছাড়া আমদের জীবন যে অচল। আমাদের তো কোন অসুবিধা নেই। বেশতো আছি। 
জ্যাম,ধাক্কা-ধাক্কি,গালাগালি,হাকা-হাকি, ধূলা,ময়লা,আবর্জনা,টেনশন,আতংক ------------(বলা যাবে না)------------ এসব ছাড়া জীবনের সবাদ কোথায়?
নিরঝঞ্জাট,এডভেঞ্চারহীন, একঘেয়ে জীবনতো নিরামিষ জীবন।
ভালো আছি আমরা বেশ ভালো।
তোরাও ভালো থাকিস তোদের মত করে।
( আমার অন্য একটা ক্লোজড গ্রুপ থেকে উদ্ধৃত )

বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে


বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে। পোলা আমার জন্য আল্লাহ্ আল্লাহ্ করছে। জুয়াতে আল্লাহ্ আল্লাহ করলে আল্লহ্ সাপোর্ট দেয় কিনা জানিনা, আমি এখনো চারশত বিশ টাকা লসে আছি। হা হা হা এই খেলা নিয়ে আমার পোলার সে কি চরম উল্লাস। মাঝপথে বউ আব্বা-আম্মাকে চা দিতে গেলো আর এই সময়ঠুকুও সে দিতে রাজি না। তার মাকে ডাকার জন্য কতোবার যে লেফএ রাইট করলো... এখন বিরতী চলছে নামাজের... খেলা জমছে ভালো... বউকে আজকে ফুতুর করতে হবে এট এনি কস্ট্।

ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ


ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ জিন্দেগি তে শুনা তো দূরের কথা কল্পনায়ই আনেনি কোনদিন। টেলিভিশনই ছিল দুর্লভ বিনোদনের ব্যাপার। মধ্যবিত্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারে রেডিও ছিলো বিনোদন আরোহনের প্রধান উপায়। এক ব্যান্ড, দুই ব্যান্ড বিভিন্ন ক্যাটাগরিরর রেডিও পাওয়া যেতো। 

দুপুর ২ টায় শুরু হতো বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। ছায়াছবির গান বা অনুরোধের আসরের গান হতো আর ফাঁকে ফাঁকে দরাজ গলায় বা সুরে বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন। মা চাচী রা সারা সকাল থেকে দুপুর পর্য্যন্ত সংসারের কাজ করে, দুপুরের খাওয়ার পর বিশ্রামের ফাঁকে এই বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শুনতো। সাথে আমরা ছোটরাও থাকতাম। আর বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শেষ হলে শুরু হতো বিভিন্ন সিনেমার বিজ্ঞাপন, আর সেখানে মাযাহারুল ইসলামের চির পরিচিত গলায় " আসিতে.....ছে, চলিতেছে আপনার প্রিয় প্রেক্ষাগৃহে অমুক ছবি বলে হাঁক," সাথে থাকতো আরো বিভিন্ন ধরনের বিশেষণ। 

প্রতি শুক্রবার বা বৃহস্পতিবার দুপুর তিন টায় প্রচারিত হতো ত্রিশ মিনিটের নাটিকা। তবে এসব নাটিকা আমাদের ছোটদের কাছে ভালো লাগতোনা। আমাদের কাছে নাটিকার চেয়ে সিনেমার গানই ভালো লাগতো বেশি। বড়রা আবার এই নাটক গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতো। সন্ধ্যায় থাকতো সৈনিক ভাইদের জন্য অনুষ্ঠান "দুর্বার "। কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান সহ পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান। সবাই মনোযোগ দিয়েই সে অনুষ্ঠান গুলো শুনতো।

এখনকার এফএম রেডিও নামক বাংলা ইংরেজি র দূষিত মিশ্রনের ছ্যাবলামো মার্কা বকবকানির চেয়ে লক্ষ কোটি গুন ভালো ছিল সেই সমস্ত রেডিওর স্বর্নালি দিন গুলো।

রমজানের মাস সংযমের মাস


রমজানের মাস সংযমের মাস। সংযম কতটুকু পালন করি জানি না। তবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি অন্যান্য মাসের তুলনায় এ'মাসে খাবার দাবার আয়োজন থাকে সবচেয়ে বেশী। হ্যাঁ এমাসে সবকিচুতে একটা উৎসব উৎসব ভাব থাকে। এই উৎসব সবার মধ্যে একটা আবেগ তৈরী করে দে। আমরা যতই বলিনা কেন, এমাসে খাবারের অপচয় হয় সবচেয়ে বেশী। যাক এসব নিয়ে বেশী কিছু বলে আতেলের খাতায় নাম লেখাতে চাই না। আমি কোন জ্ঞানী নই, সবাই আমার উপদেশ মেনে চলবে কিংবা আমি কোন মাওলানা নই ফতোয়া জারি করে দিব বা এসব কথা আমার বলাও উচিত নয় কারন আমি নিজেই এসব মেনে চলি না। তবে এমাসের উৎসব রীতিকে আমি বেশ উপভোগ করি। সি এস এম কলোনীতে থাকা অবস্হায় ইফতার পার্টির মাধ্যমে এমাসটি বেশ উপভোগ্য ছিল। সারা মাসেই কোন না কোন ইফতার পার্টির মাধ্যমে সবার সাথে আড্ডা দেওয়া বা একসাথে ইফতার করার মাধ্যমে সম্পর্কের একধাপ উন্নতি ঘটত। সবচেয়ে ভালো লাগতো আমাদের সেসব ইফতার পার্টিতে হিন্দু, মুসলিম সবাই যোগদান করতো। আজ হয়ত সেসব স্মৃতি কিন্তু সেসব আনন্দদায়ক স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। যদিওবা অনেকের মতে এটাও একধরনের অপচয় কিন্তু আমি এ অপচয় দারুন পছন্দ করি।

COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO


COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO.TAI SHARE KORCHI.JANINA KARO VALO LAGBE KINA?TOBUO KORLAM.TOKHON AMRA C-8-E TE THAKI.AMADER PASHER BASAE ARUN CHACHA THAKTEN.UNAR MEYE CHAITI IFTERER SOMOY HOLAI SALWAR-KAMEEZ-ORNA PORE ASTO IFTER KORTE.SE BOLTO- "AMI UPOR DIA HINDU KINTU MONE MONE MUSALMAN."HA HA HA SEDINER SEI CHOTTO CHAITI,AKHON SE EKJON MAA.

আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা


আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা একটি পোস্ট করছিল, খুব ই মজার আমি রেজার মামাতো ভাই সজল কে ও ভাল ভাবে চিনি বা জানি।খুব মজা লাগলো পড়ে, কিন্তু বন্ধু সময় বসে থাকে না সবিনয়ে বলছি আর নয় হেলা ফেলায় অনেক দিন পার করেছি, সেই সব ঘটনা যদি লিখা শুধু করি তা হলে অন্য সব বাদ দিয়ে আমাদের করা দুস্টামি কলোনি সেরা, কেউ জানুক বা না জানুক আমার বন্ধুরা খুব ভাল ভাবে ই জানে।এখানে বলে রাখা ভাল যে আমাদের বন্ধু মহল এ যে কোন কাজে এক জন না হয় এক জন যে কোন কাজে অভিজ্ঞ হেড মাস্টার ছিল।

আমি ভাই খুব খুব বোকা,অপরাধি,ঘুনাগার আল্লাহ যদি ক্ষমা করেন তাই চেস্টা করে যাচ্ছি বাকি আল্লার ইচ্ছা, তাই বন্ধুদের সবিনয়ে অনুরোধ করছি সব কর কিন্তু নামাজ রোজা বাদ দিয়ে নয়।বাকি কথা রেজার পোস্ট এর কম্মেন্টস এ

হেপাটাইটিস B ভাইরাস


হেপাটাইটিস B ভাইরাস ইনফেকশন আমাদের দেশে একটা বড় সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায় কারো কখনো জন্ডিস হয়নি কিন্তু অন্য কোনো সমস্যার জন্য টেস্ট করার পর দেখা গেল হেপাটাইটিস B ভাইরাস positive. এরকম অনেক সমস্যার উত্তর এর জন্য ATN bangla এর অনুরোধে ২০ মিনিট এর একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। সময় স্বল্পতার জন্য অনেক প্রশ্নের হয়ত উত্তর দিতে পারিনি। ভিডিওটা youtube এ আছে। আমি লিংক টা দিলাম, কেউ চাইলে দেখতে পারেন। দেখার পর যদি কারো কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে সেগুলো করতে পারেন ইনবক্স এ বা কমেন্ট হিসাবে।


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার, প্রথম বার স্টিলার এক বড় ভাইয়ের সৌজন্যে কুড়ি কেজি আম সরাসরি রাজশাহী থেকে আমদানিকৃত, সেটা থাকতে থাকতেই আমার ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে আবারো কুড়ি কেজি আম বাসায়, সেগুলো যখন ভক্ষণ, বিতরন চলছে তখন শ্বশুর মহাশয় আরো ত্রিশ কেজি আম আর তিনশ লিচু নিয়ে বাসায় হাজির। পুরা বাসায় আমের ঘ্রানে মৌ মৌ অবস্থা। ইফতার, সেহেরী আর রাতের বেলায় আম হচ্ছে রুটিন খাবার আমাদের। 

ঠিক এই যখন অবস্থা রাত বারোটার দিকে বাসার কলিং বেলের আওয়াজ, এতো রাতে তো কেউ আসেনা! কৌতুহলী মনে দরজা খুলে দেখি সেজো মামার ( আবাহনীর সাবেক ফুটবলার খসরু, বর্তমানে নওগাঁ কাস্টমসে কর্মরত) গাড়ির ড্রাইভার বিশাল এক বক্স পায়ের কাছে রেখে দাঁত বের করে বিগলিত হাসি দিয়ে বলল " স্যার রাজশাহী থাইকা পাডাইছে", একবারে ফেরেস আম, আজকাই সকালে গাছতুন পারছে"। 

ড্রাইভার কে বিদায় করে প্যকেট খুলে দেখি আসলেই একেবারে ফ্রেশ আম, আমের সংগে লেগে থাকা পাতা তখনো সতেজ।ছেলে পাতা সহ আম দেখে তেো মহাখুশি। আর আমি বলে উঠলাম
" ওররে, মাগনা কত আম আসেরে"

Saturday, June 11, 2016

Today June 11


Today June 11, the British are celebrating 90th Official Birthday of their Queen ; Elizabeth. This is different from her biological DoB April 21

I had the opportunity to observe the celebration Standing near Bakingham Palace back in 1991.During my observation I noticed British are very loyal to their Monarchy. They have great respect and deep love for the Royal Family.

This year celebration is more colorful,enthausiastic and inclusive than that of 1991. The other difference is the absence of Princss Diana the most fabulous, glomorous beautiful lady of the world.

Here is some glimpses from old album and bbc:

অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস


অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস। সকাল বেলায় বিছানাতে। মামাত ভাই সজল এসে হাজির। আমার দাদা/নানার বাড়ি পাশা পাশি, ৫মিনিটের পথ। দুজনেই আমরা চুপচাপ এবং দুজনেই কিছু বলতে চাচ্ছি!দুজনের চোখেই হাসির ঝিলিক খেলে গেল! আস্তে ধিরে বিছানা থেকে উঠে পড়লাম। কোন কথা বার্তা ছারাই দুই ভাই বাড়ি থেকে বেড় হয়ে পড়লাম। বাজার পর্যন্ত গেলাম,তাও কোন কথা হলো না! মনে মনে ভাবছি,একটি বেবি টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহরে গেলে কেমন হয়? গ্রামের বাজার, এখানে সবাই চিনে, কেউ দেখে ফেললে, সোজা দাদার কাছে বলে দিবে। আমাকে অবাক করে দিয়ে, সজাল একটি বেবি টেক্সি ভাড়া করে বসলো! টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত চলে গেলাম, এখনো আমাদের দুই ভাই এর মাঝে কোনো কথা হয়নি! এবার দুই ভাই রিক্সায় উঠে বসলাম। কই যাইতেছিরে সজলা, এই প্রথম কথা হলো! ম্যালাদিন হয়ে গেছে ভাই, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! ঠিক কথা, ম্যালাদিন হয়ে গেছে, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! কই পামু? মিস্টির দোকানেই পামু, বে-রোজদারদের জন্য স্পেশাল আয়োজন থাকে! তবে ভাই একটু টেনশনে আছি! কেন সজলা টেনশন কেন!? আমরাতো গ্রামের বাইরে আছি? ভাই, সকাল বেলায় ঘুমের থেকে ঊঠে আব্বুরে[মামা] বাড়িতে পাই নাই! তাতে সমস্যা কি? দুরু ভাই তোমারে কোনো কথা "ভাইংগা/চুইরা" না কইলে বুঝোনা! আমাগো বাশাইল গ্রামের মধ্য, আব্বুর চেয়ে বড় রোজদার আর নাই! ইফতার করে মসজিদে, হুজুর আর এতিম পুলাপানের সাথে! ঢুকলাম দুই ভাই, কালিবাড়ির মিস্টির দোকানে। ঘিয়ে ভাজা পরোটা আর কবুতরের মাংস! খেতে খেতে হটাত সুনি পিছন থেকে কে যেন বলছে, গোপাল, আমারে একটা ছানার সন্দেশ দিও, রোজা/রমজানের দিন, না খাইয়া-ই থাকি, ডায়াবেটিস আর কত বাড়বো? আরে সজলা তুইতো ঠিকি বলছোস! মামা "ঠাটায় মারতেছে"! হোটেলের ভিতর কিছুটা অন্ধকার থাকাতে, মামার চোখে আমরা পরিনাই। বুঝলা ভাইয়া, আব্বু একটা কঠি--ন জিনিষ! হুউউম মামু আমার,মসজিদের আবার সেক্রেটারি-ও! গোপাল, একটা গোল্ডলিফ সিগারেট আনাও! শেষ সিগারেটটা খাইয়্যা যাই! হা হা হা হা হা---------------------।

সন্ধ্যার আগে আগে , মামু আমার মসজিদের দিকে যাচ্ছে, মাথায় টুপি! এতিম পুলাপান আর হুজুরদের সাথে ইফতার করবে! হা হা হা হা ------- মামু আমার কঠিন জিনিষ !।

আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন


Abdullah Al Mahbub টিপু,(ব্যাচ-৯৫) ছেলে হিসাবে অনেক ভদ্র ও ঠান্ডা প্রকৃতি । আমাদের ব্যাচের ছেলেদের মধ্যে টিপু ফাষ্ট বয় ছিল । রোল ১নম্বর টা টিপু সারা বছরের জন্যে বরাদ্দ ছিল । ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ঐ রোল ১নং টা টিপুর বরাদ্দই ছিল । আর আমি সবসময় পিছনের টুলের ছাত্র ছিলাম, কোন মতে টেনে টুনে পাশ করতাম । টিপুর কিছু কথা মাঝে মাঝে মনে পড়ে, সে আমাকে সমসময় বলতো পড়া শুনার দিকে একটু মনোযোগ দে ,কে শুনতো কার কথা আমি চলতাম আমার মতোই । কর্মদক্ষতায় টিপু এখন ফ্যামেলি সহ মালয়েশিয়া অবস্খান করতেছে । 
আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন । টিপুকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব


আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব। সকালবেলা প্রস্তাবটি তিনি বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ছেলেদের নিয়ে যেতে। 

যথা আজ্ঞা ।

রোজার দিনে ড্রাইভারকে কষ্ট দিতে মন চাইলো না। বাপ-বেটা ভাগে যোগে গাড়ি চালিয়ে সারাদিন সসপিং সহ আরও কিছু জরুরি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে চারটা।

দিনমান মার্কেট মার্কেট ঘুরে তিন বাপ-বেটা ভীষন টায়ার্ড। কাজের মেয়েটা দরজা খোলা মাত্র তিন জনই যে যার শোবার ঘরে। এসি অন করে দে এক ঘুম। 

সোয়া ছটার দিকে রান্না ঘর থেকে গিন্নি এসে ঘুম না ভাঙালে আসর নামাজটা বুঝি কাযাই হয়ে যেত। তাড়াতাড়ি অজু করে নামাজ শেষ করে টিভিতে লাইভ ক্রিকেট।

বন্ধ রুমে খট খট আওয়াজ দিয়ে গিন্নি জানান দিল ইফতারের সময় হহয়েছে।

Friday, June 10, 2016

জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত


জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত, যেখানে নিজে একা ছাড়া আর কেউ থাকবেনা, থাকবেনা টেলিফোন, মোবাইল নামক যন্ত্রনা। বড় বড় তিন চারটি বড় বড় গাছের ছায়া ঢাকা নিরিবিলি একটি টিন শেডের চৌচালা লম্বা বারান্দাযুক্ত একতলা ঘর, বর্ষা কালে টিনের চালে বৃষ্টি র রিমঝিম শব্দ আর শুকনো মৌসুমে গাছ থেকে শুকনো পাতা পড়ার খুট খুট শব্দ। যে ঘরে থাকবে বড় বড় জানালা। ঘুম থেকে উঠেই বিছানা তে বসেই জানালা খুলে দেখা যাবে তিতাস নদী টাইপ শান্ত আর নিরীহ নদী। বিকাল বেলা ঘুরতে বের হয়ে সেই নদীর পাড়ে বসে সময় কাটানো। আর হ্যাঁ! সেই বাড়িতে আলমারি ভর্তি থাকবে অনেক ধরনের বই। আর বিনোদন হিসেবে শুধু মাত্র স্যাটেলাইট লাইন যুক্ত টেলিভিশন থাকবে।

চারদিনের জ্বরে সারাদিন বাসায় শুয়ে শুয়ে এই ভাবনা গুলোই মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে।