আকাশী রং সবারই খুব প্রিয় একটা রং। মেয়েদের যে কোন রংয়ের কাপড়েই মোটামুটি মানায় (তবে সবাইকে সব কালারে মানায় না)।কিন্তু ছেলের ক্ষেত্রে ভিন্ন। ছেলেদের আকাশী কালারের কাপড়ে খুব মানায় ভালো। তাই ছবি কালেকশন করতে গিয়ে দেখি আমাদের স্টীলার চাচা, ভাইরা আকাশী রংয়ের কাপড়ই বেশি পড়ে। এই রংটি পছন্দ করেনা এমন মানুষ কমই আছে। রংয়ের নাম আকাশী তাই সকলের মন হোক আকাশের মতো বিশাল। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Saturday, July 23, 2016
মন্তব্য : পার্ট- ১
আমার লিখা লেখির অভ্যাস নেই বললেই চলে , তবে পেজের সব পোষ্টে কমেন্ট করার চেষ্টা করি । Al Amin Billah Shujon সুজন পরিসংখ্যান করেছে লিখা নিয়ে যদি কমেন্ট নিয়ে পরিসংখ্যান করতো হয় তো বা আমার মতো আরো কিছু ষ্টিলারের নাম উঠে আসতো । আতিক ভাই আর জনি দারুন লিখে , লিখা নিয়ে ওদের কাছাকাছি যাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই । Atiq Csm আতিক ভাই , কলোণী নিয়ে ছোট বড় গল্প লিখা লিখি থেকে এই "সিএসএম কলোণী" পেজের সৃষ্টি । পেজ সৃষ্টির পর থেকে পেজে নিয়মিত লেখে যাচ্ছেন এবং উনি প্রতি ঘন্টায় দুইটি করে গল্প লিখার ক্ষমতা রাখে । Niaz Morshed জনির লিখাও দারুন , আমাদের স্কুলের স্যারদের নিয়ে প্রত্যেকটি লিখাই চমৎকার লিখেছে । এবং জন্মদিন নিয়ে এতো ভাল একটা লিখা পোষ্ট দেওয়া যায়, যা ওর কাজ থেকে শিখলাম । Rubina Akter Shireen ইদানীং শিরি বু, লিখা শুরু করেছে । ওনার কিছু কিছু লিখা খুবেই ভাল মানের, ওনার লেখনিতে বড় লেখকদের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই । শিরি বু- এর কাছ থেকে আরো লিখা আশা করি । এক সময় রাতে অর্থাৎ রাত ১০টার পর Jashim Uddin জসিম ভাই মাঝে মধ্যে ২০থেকে২২ লাইনের একটি গল্প লিখতেন, তা নিয়ে কমেন্টের পর কমেন্ট করে মোটামোটি রাত কেটে যেত । Reajul Islam Shahin পেজের প্রথম দিকে শাহিন ভাইয়ের উপস্হিতি ছিলো দেখার মতো । শাহিন ভাই প্রথমে পেজে চার বৌ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন । উনি এই পেজ সৃষ্টির অন্যতম সদস্য । Ripon Akhtaruzzaman রিপন ভাই প্রথম দিকে কিছু বিতর্কিত লিখা লিখলেও এখন দারুন সব লিখা পেজে উপহার দিচ্ছেন । সহজ সরল একজন মানুষ, উনার মধ্যে লোভ নেই এবং বেশি যাওয়া পাওয়াও নেই । যতটুকু জানি বন্দ্বুদের জন্যে জান কোরবান । Khurshed Alam Manik মানিক ভাইয়ের উপস্তিতিটা ছিল ভিন্ন - শুভ সকাল দিয়ে পেজে শুরু , এখন স্বাস্হ্য সচেতন মূলক পোষ্ট দিয়ে । পেজের সবাইকে সচেতন করছেন । Monirul Islam Monir আমি মনা ভাই বলেই ডাকি , ওনার লিখার চেয়ে কমেন্ট গুলো চমৎকার । Farhana Islam Rony পেজে রনির উপস্তিতিটাও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে । Anisur Rahman Reza পেজের প্রথম দিকে রেজা ভাইয়ের উপস্তিতি বেনসন বিচারক দিয়ে , পরে উনি "পীর সাহেব" উপাদ্বি পান । Nazmul Huda নাজমুল ভাই খুব সাদা মনের মানুষ, সিএসএম-এর সকল প্রকারের প্রোগ্রাম গুলোতে ওনার উপস্তিতিটা দেখার মতো ।
আগামী ২০শে আগষ্ট এই পেজের ১ম জন্মবার্ষিকী বা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী , আসুন পেজের ও পেজের বাহিরের সকল ষ্টিলার মিলে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সফল করি । যার যত পরিকল্পনা আছে শেয়ার করি !!
ক্লাবের বাম দিকের যে জানালা, সেখানে দড়িয়ে দাঁড়িয়ে কত যে টিভি নাটক দেখেছি
ক্লাবের বাম দিকের যে জানালা, সেখানে দড়িয়ে দাঁড়িয়ে কত যে টিভি নাটক দেখেছি। তার পর রাতের বেলায় আব্বা ঘুমিয়ে গেলে চোট বোনের সহায়তায় বাসায় ঢুকেছি। বোনটি আমার
রাত জেগে আমার প্রতীহ্মায় থাকতো - কখোন আমি নাটক দেখে ফিরবো।
আহারে স্মৃতি ! আহারে বোন !! আহারে সিএসএম !!!

যে যেই স্কুলে পড়ত তার কাছে সেই স্কুল অবশ্যই খুব আপন এবং গর্বের
যে যেই স্কুলে পড়ত তার কাছে সেই স্কুল অবশ্যই খুব আপন এবং গর্বের, তার কাছে তার স্কুলের খারাপ কিছু চোখে পড়তনা, সবই ভালো। আমার মতে এটাই হওয়া উচিৎ। আর আমিতো নিরপেক্ষ ভাবে বিচার করলেও দেখতে পাই আমার সিএসএম স্কুলে খারাপ বলে কিছু নেই।
আমাদের সময় এসএসসি পরীক্ষার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নৌবাহিনী স্কুলে। সবাই জানেন নিশ্চয় কেমন কড়া কেন্দ্র ছিল সেটি। তবে কেন্দ্রের পরিবেশটি ভালো ছিল,পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, নিরিবিলি আর অনেক খোলামেলা। তো আমার এক পরীক্ষার দিনে আমি ওয়াশ রুম গিয়েছিলাম, সেখান থেকে যেই পরীক্ষার রুমে ঢুকছি ঠিক তখনই রুমের কর্তব্যরত শিক্ষক , সম্ভবত নৌবাহিনী স্কুলেরই টিচার, আমাকে দাড় করিয়ে বলল দেখি কয়টা নকল আনছো এই বলেই আমাকে সার্চ করলেন। খুব অপমান বোধ করছিলাম, শেষে উনাকে বলেই ফেললাম, স্যার আমি স্টিল মিল স্কুলের ছাত্র, ঐ স্যার একথা শুনে বললেন, স্টিল মিল স্কুলের ছাত্র তো কি হইছে? আর আমার উত্তর এবার ; স্যার স্টিল মিল স্কুলের ছাত্ররা নকল করেনা। আমার এ দৃঢ় চেতা কথায় ওই স্যার একটু হতবাক হয়ে আমাকে বললেন "তোমার স্কুল নিয়ে এতো গর্ব, গুড, নিজের স্কুলের প্রতি এ রকম শ্রদ্ধা রাখা উচিৎ "।
আজো তাই আমি সব জায়গায় বলি আমার স্কুল আমার গর্ব।

আমি আর আমার জামাইরা সি-টাইপে নীচ তলায়,দো তলায় ছিলাম
আমি আর আমার জামাইরা সি-টাইপে নীচ তলায়,দো তলায় ছিলাম।তখন আমি তাদের বাসায় গেলেও ২/১ বার গিয়েছি। আর জামাই এর দিকে চোখ তুলে তাকাইও নাই কখনো।তবে আম্মা আর শ্বাশুড়ির মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে অন্তরের টান ছিল বেশি।বাবুল ভাই মারা যাবার পর ওরা হালিশহরে চলে এলো। আমরা ৯১ তে ঢাকায় চলে গেলাম।যাবার আগে তাদের বাসায় এসেছিলাম আম্মাদের সাথে এটুকুই।এরপর অনেকদিন দেখা সাক্ষাত নাই দুই পরিবারের।আমিনুল বিয়ে করার পর বড় ছেলেকে বিয়ে করাতে উনারা ব্যস্ত হয়ে উঠলেন।এদিকে আমার জন্যও বাবা-মা ব্যস্ত।তখন csm এক চাচার মাধ্যমে আমাদের বিয়ে হলো।এখন দুই ছেলে নিয়ে সুখে আছি।
আমাদের পেইজ জন্ম হয়েছে এক বছর হতে চলল
আমাদের পেইজ জন্ম হয়েছে এক বছর হতে চলল। আগামী ২০ শে আগষ্ট প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছি। অনেক চড়াই উতরাই পেরেয়ি আজকে আমাদের পেইজে অবস্থান এবং আমাদের ঐক্য বেশ দৃঢ়। এই অবস্থানের পিছনে প্রত্যেক স্টিলারের অবদান অনস্বীকার্য। তারপরও দুই ভাইয়ের নিকট আমার কৃতজ্ঞতা একটু বেশী। এদের একজন হচ্ছে ছোট ভাই আতিক অন্যজন মামুন। প্রচুর সময় দেয় এবং প্রচন্ডরকম আন্তরিক। আজকে আমাদের মামুনের জন্মদিন। দারুন আবেগী, অভিমানী, সরল সর্বোপরি ভীষন ভালো ছেলে এই মামুন। তোর জন্মদিন এ তোর প্রতি রইলো শুভেচ্ছা ও ভালভালোসা। ভালো থাক সুস্থ থাক এবং সুন্দর থাকিস। Aslamuddin Mamun

আজ Aslamuddin Mamun ভাইয়ের শুভ জন্মদিন
আজ Aslamuddin Mamun ভাইয়ের শুভ জন্মদিন। এই পেজের জন্য নিবেদিত মানুষের তালিকা করতে গেলে উনি অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।খুবই সহজ সরল। জটিলতার ধারে কাছে নাই। সবাইকে নিয়ে মিলে মিশে থাকতে চান।কাউকেই দুঃখ দিতে চান না। পারেন ও না। সহজ ভাবে দেখেন সবকিছু।আপন করে নিতে পারেন।কলোনি তে উনারা যখন চলে যান আমি ছোট ছিলাম। কিন্তু নিরু ভাইয়েত অফিসে প্রথম দেখা। সেদিন মনে হল অনেক দিনের চেনা। নিজে না বসে আমাকে বসতে বলছিলেন। বিব্রতকর পরিস্থিতি।
ইদানীং অসুখ ভর করেছে এই ভাল মানুষ টার উপর।আশা করি তিনি এবার নিজের দিকে খেয়াল দিবেন।আর সকলের দোয়ায় রোগ শোক কাটিয়ে উঠবেন যাতে আমরা উনার জন্মদিন আরো ঘটা করে পালন করতে পারি। জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্চা, মামুন ভাই।ভাল থাকেন,সুস্থ থাকেন

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি
দুই ভাইয়ের এক বোন। আদরে দুলালী। পড়ালেখা করত কম। মনে মনে ভাবত চেহারা সুন্দর। ধনীর দুলাল আংটি নিয়ে বসে আছে। স্কুলে থাকতে মাথা খাটাত কম। কিন্তু খাটাইলে যে সবাইরে দেখায় দেবার মত অনেক কিছু করতে পারতেন উনি। ফেসবুকে তার বুদ্ধি দীপ্ত কমেন্ট তার প্রমান। মানুষ কে সম্মান করতে ভালবাসে। কিন্তু সম্মান হানি নয়। বুঝিনা দুই ভাইয়ের কাছে থাকতে শায়লার বুদ্ধি খুলল না কেন? কিন্তু যেই একজন ব্যাংকার এর সাথে বিয়া হইল অমনি ফিলিপস এর বাত্তি র মত মেন্টস খাওয়া বুদ্ধি র বাত্তি খুলে গেল। তাহলে কি সব ক্রেডিট ওই ব্যাংকার এর। সে যাই হোক দেরিতে হলেও বুদ্ধি খুলছে, এবার ভাল কাজে সে বুদ্ধি ব্যবহার হচ্ছে, হবে আশা করি। মাইন্ড খাইও না শায়লা with Ishrat Jahan Shaila

১৪,১৫,১৬ বছর-সাধারনত এই সময় বয়ঃসন্ধি কাল চলে
১৪,১৫,১৬ বছর-সাধারনত এই সময় বয়ঃসন্ধি কাল চলে।অন্যকিছুর পাশাপাশি বিপরীত লিংগের প্রতি অনুরাগ জাগবে, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে অনেকে চারপাশ ভেবেচিন্তে আগায়,অনেকে আবার অত ভাবাভাবির ধার ধরে না।ভাল লাগলো,পরোক্ষ বা পত্যক্ষ যে কোনভাবেই জড়িয়ে পরে।সে ক্ষেত্রে ছেলেরাই মেয়েদেরপিছু নেয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।মেয়েটিরও যদি ভাল লাগে তখন সারা দেয়।না হলে এড়িয়ে যায়। csm এ থাকা অবস্হায় কোন মেয়েকে কোন ছেলের পছন্দ হলে সেই ছেলেটি স্কুলে আসা যাওয়ার পথে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিত, তার বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে বিকেল বেলা আসা যাওয়া করতো,ঐ বিল্ডিং এ বন্ধু থাকলে উছিলা দিয়ে যেতো।মেয়ের অভিভাবককে দেখলে বিনয়ের সাথে সালাম দিতো। সজিব কুমার দে কিন্তু থাপ্পড় মেরে মেয়েটির প্রতি দূর্বল হয়েছিলেন প্রথমে,সেটা মেয়েটি বুঝতে পেরেছিল।মেয়েদের আবার বুঝার ক্ষমতা একটু বেশি থাকে।এক,দো,তিন পাশে,সামনে,পিছনে বিল্ডিং এর ছেলেরা আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিত ভালবাসার কথা।তখন হয় সম্পর্ক হতো,না হয় হতো না।এর ব্যতিক্রম ছিল কম।আর খুব কম অভিভাবকই সমর্থন করতো।আবার জানার পর অভিভাবকের চাপের মধ্যে থেকে প্রেম সফল করেছেন অনেকে।অনেকে সরে গেছেন বা সরে থেকেছেন।
সব জায়গায় খালি প্রতিযোগিতা কার আগে কে যেতে পারে
সব জায়গায় খালি প্রতিযোগিতা কার আগে কে যেতে পারে, অফিসে বলেন, ফুটপাতে বলেন আর রাস্তায় তো গাড়ি গুলোর ড্রাইভার দের মধ্যে চলে গাড়ি নিয়ে অলিম্পিক দৌড়ের প্রতিযোগিতা, এদিকে স্কুল গুলোতে বাচ্চাদের চেয়ে বাচ্চাদের মায়েদের মাঝে চলে প্রথম হওয়ার কম্পিটিশন। বেগের ধাক্কায় আবেগ হারিয়ে যাওয়ার পথে। আসুন বেগের এই ধাক্কাধাক্কি র ভিতরেই ধীরে চলার একটি গল্প শুনি।
তখন সম্ভবত ৮৮ বা ৮৯ সাল, স্টিল মিল টির তখনো জমজমাট আর রমরমা অবস্থা, তিন টি শিফটেই শ্রমিক, কর্মচারী আর কর্মকর্তাদের কর্মচঞ্চল পদচারনায় মুখরিত। সদা কর্ম চাঞ্চল্য পরিবেশ। মিলের চিমনির ধোয়ায় আাকাশ ছিল উষ্ণ। কলোনিতে স্কুল বা মিলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল নিয়মিত ব্যাপার। এরই ধারাবাহিকতায় স্টিল মিল আয়োজন করল তার শ্রমিক কর্মচারী কর্মকর্তা দের জন্য বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। এসব অনুষ্ঠানে সাধারণত যে সব ইভেন্ট থাকে তার সবই ছিল। কিন্ত একটি ইভেন্ট সবার মনোযোগ আকর্ষণ করল আর সেটা হচ্ছে সাইকেল চালনা, তবে আকর্ষনের ব্যাপার ছিল কে কত ধীরে সাইকেল চালাতে পারে, তবে সাইকেল থাকতে হবে রানিং, পা মাটিতে ছোঁয়ালেইই ডিস্কোয়ালিফাই। আসলেই অনেক কষ্টকর প্রতিযোগিতা ছিল এটি। আর এই কষ্টকর ইভেন্ট টি জিতে নিয়েছিলেন আমাদের Shajib Kumer Dey র স্বর্গীয় পিতা নটু প্রসাদ দে কাকা।
আজ Mdnurul Kabir Niru ভাইয়ের সাথে ফোনালাপের এক পর্যায়ে কাকার এই ব্যাপার টি নিয়ে আলাপ হয়। ধন্যবাদ নিরু ভাই, সুন্দর একটি বিষয় মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।
আজকের এই আবেগ হীন বেগময় দুনিয়ায় জীবনের চলার পথে ধীর গতির এমন একটি ইভেনট দরকার।
৯৪ সালের এক রোজার সময়ের কথা
৯৪ সালের এক রোজার সময়ের কথা, প্রতিদিনের মত সে দিনও আমি ইফতার শেষ করে কলোনির পুরাতন মসজিদে মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়েছি,নামাজ শেষ করার পর সাধারণত বন্ধুরা মিলে আমরা জেক্সে আড্ডা দিতাম আর চা সিগারেট চলত। তো সেদিন নামাজ পড়ে বের হতে গিয়ে দেখি মসজিদের গেটে এক পংগু লোক, যার দুটি পা" ই নেই, সে বসে সাহায্য চাচ্ছে, যেন তাকে তার বাড়ি লক্ষিপুর পৌছানোর ব্যবস্থা করি। দেখলাম কেউ তেমন কোন সহযোগিতা করছেনা, আমার কাছে ব্যাপার টি খারাপ লাগলো, আমার সাথে নামাজে সেদিন মরা বা পলাইয়া রাশেদও ছিল,দুজনে ওই লোক টিকে এক ঘণ্টা মসজিদের সামনে অপেক্ষা করতে বললাম, আরো বলেছি আমরা আপনার বাড়ি যাওয়া ব্যবস্থা করব। তারপর আমি আর রাশেদ জেক্সে গিয়ে সবাইকে ব্যাপারটি বললাম, এবং সেখানে উপস্থিত সবাই যে যার মত টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করল, এরপর আমরা আমাদের বন্ধুদের বাসা থেকেও টাকা কালেকশন করলাম, প্রায় ৪৫০ টাকার মত উঠেছিল। এরপর ওই লোকটিকে নিয়ে আমি, Badrul Hasan, আর পলাইয়া Mamunur Rashid Rashed এই তিনজনে মিলে বেবি টেক্সি করে কদমতলি বাস স্ট্যন্ডে নিয়ে একেবারে বাসের টিকেট করে দিলাম, এবং যেহেতু লোক টির দুটি পা"ই নেই তাই বাসের সুপারভাইজার আর পাশের সহযাত্রী কে বলে আসি লোক টিকে খেয়াল রাখার জন্য, যাতে তার কোন সমস্যা না হয়। লোক টির যাতায়াত খরচ বাবদ প্রায় ১৫০ টাকার মত লেগেছিল আর অবশিষ্ট প্রায় ৩০০ টাকা লোক টির হাতে দিয়ে দেই। লোক টির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসার সময় লোক টি আমাদের হাত ধরে নীরবে চোখের পানি ফেলল, কৃতজ্ঞতায় তার মুখ দিয়ে কোন আওয়াজ বের হচ্ছিলনা আর অস্ফুট স্বরে আমাদের জন্য দোয়া করল। আমরা তিনজন ফিরার সময় বাসে করে ফিরছিলাম, কলোনি ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত ১১ টা বেজেছিল। এতটুকু সময় পর্য্যন্ত আমরা তিন জন কেউ কারো সাথে কোন কথাই বলিনি, লোক টির নীরব কান্নার আবেগ আমাদেরও ছুঁয়ে গিয়েছিল। তবে মনের মাঝে কিসের যেন এক বিশাল তৃপ্তি কাজ করছিল সেদিন।
আসলে সহমর্মিতা আর মানবিকতার গুন হচ্ছে সিএসএম" এর সবারই সহজাত প্রবৃত্তি।।
Friday, July 22, 2016
আমার ঠিক মনে নেই, পুলক ভাই না আতিক ভাই আমাকে এই গ্রুপে এড করেছিলেন
আমার ঠিক মনে নেই, পুলক ভাই না আতিক ভাই আমাকে এই গ্রুপে এড করেছিলেন।তবে তার কিছুদিন আগে থেকে আতিক ভাই তার টাইমলাইনে কলোনি নিয়ে পোস্ট দিচ্ছিলেন। আমি নিজেও জানতাম এই ধরনের গ্রুপে থাকলে কি লিখতে হয়।পরে বুঝলাম লিখার ক্ষেত্রে কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই। যেকোন কিছু নিয়ে লিখা যায়।শুধু কেউ আঘাত বা কষ্ট না পেলেই হল। দেখতে দেখতে ১১ মাস হয়ে গেল আর লিখার সংখ্যা ১৮০০ এর মত। আতিক ভাই যদিও এই পেজের এডমিন, তবুও লিখার ক্ষেত্রে উনাকে আমার এই পেজের অমিতাভ বচ্চন মনে হয়।যদিও অমিতাভের জীবনে রেখার মত বিশেষ কেউ থাকলে, আতিক ভাইয়ের জীবনে তেমন কেউ নাই।এইটা শুধু পার্থক্য। আমির খান, শাহরুখ, সালমান,অজয় দেবগন বা অক্ষয় কুমার আসলেও যেমন অমিতাভ এর জায়গার কোন নড়চড় হবে না, তিনি তার জায়গায় থাকবেন।তেমনি লিখার ক্ষেত্রে এই পেজে আতিক ভাইও তার জায়গায় থাকবেন। উনি সবসময় ১ টা কথা বলেন যে উনি উনার লিখাগুলা কে লিখা মনে করেন না,শুধু ভাবনা গুলো শেয়ার করেন। এটা উনার বিনয়।বড় মাপের মানুষ গুলো একটু বিনয়ী হন।আজকাল এমন মানুষ দেখা যায় না। জয়তু আতিক বচ্চন ভাই

২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস, সব মালপ্ত্র ট্রাকে তোলা হয়ে গেছে, আমার দু তিনজন বন্ধু ট্রাকের সাথেই আছে, আছে ছোট ভাইয়ের বন্ধুরাও। সবাই আমার জন্য অপেক্ষা করছে, আমি গিয়েছি ইউনুসের কাছ থেকে বিদায় নিতে তার দোকানে। বিদায় বেলায় তেমন কোন কথা হয়নি খালি বললাম দোয়া রাখিস, এরপরে কোলাকুলি, আসলে কোলাকুলিও না, আবেগে জড়িয়ে ধরা। আবেগ চোখ দিয়ে বেয়ে পড়ার আগেই চলে এলাম। ট্রাকের সামনের সীটে বসলাম আর সবাই পিছনে। বাজারের গেট দিয়ে বের হওার সময় নিরাপত্তা কর্মির কিছু অফিসিয়াল আনুষঠানিকতা। আবার ট্রাকে উঠার সময় ডিউটিরত নিরাপত্তা কমি' জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করল। আমার সাথে তার কোন পরিচয় ছিলনা, হয়তো মুখ চেনা।
আবেগ, এ আবেগ বড় বেদনার, বড় কষ্টের।
শহর মুল্লুক কাকা খুব সৎ, আন্তরিক, ও পরোপকারি একজন মানুষ
শহর মুল্লুক কাকা খুব সৎ, আন্তরিক, ও পরোপকারি একজন মানুষ। আমি উনাকে কাকা বলেই ডাকি। জাফর আলম ভাই ও শফি আলম ভাইয়ের আব্বা। আমাদের নিচ তলায় ওনারা থাকতেন। আমাদের সাথে উনাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো যা এখনও আছে। Reajul Islam Shahin ভাই ও একদিন ওনার পোস্টে কাকার কথা লিখেছিলেন। কতটা পরোপকারি ছিলেন। আসলে কাকার কথা না বললেই নয়। নিজের ছেলেমেয়ের মতো ভালোবাসতেন আমাদের চার ভাই বোনকে। বিল্ডিংয়ের সব ছেলেমেয়েদের খুব আদর করতেন। কাকার শখ ছিল বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানোর আর গাছ গুলো যেন আমাদের জন্যই লাগাতেন। বরইয়ের দিন আসলে আমরা শুধু গাছের আশেপাশে ঘুরতাম। কাকা আমাদের দেখলেই গাছ ঝারা দিত আর আমরা Ahamed Ahmed Nazim নাজিম, Bgm Khadiza ফেন্সি, Shazi Khan যুথী, Tafsi Fariha মুন্নি আপু, সবাই দৌড় দিতাম কার আগে কে বেশি নিতে পারে। কাকা শুধু হাসতো। হয়তো আমাদের এসব দেখে উনি আনন্দ পেতেন। নিজের বাসায় আইসক্রিম বানিয়ে আমাদের ডেকে খাওয়াতেন। আজকাল এমন মানুষ কয়জন আছে বলেন? অনেক মিস করি সেই সব সোনালী দিন গুলো। খালাম্মাও খুব শান্ত স্বভাবের। খুব মিশুক।আল্লাহ সব সময় উনাদের ভালো রাখুক। কাকা ও খালাম্মার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। Jafar Alam Alam, Md Shafiul Alam, Babu Zahid, Tanjina Huda, Forhadul Islam Jashim Uddin Mohammed Kamar Uddin

অফিসার্স ক্লাবের এই রাস্তা টা আমরা প্রায়ই আসা যাওয়া করতাম
অফিসার্স ক্লাবের এই রাস্তা টা আমরা প্রায়ই আসা যাওয়া করতাম। অন্য গেইট টা বন্ধ থাকত। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটা জায়গা। মাঝে মাঝে টেনিস কোর্ট এর চারপাশে যে কালো রেলিং ছিল সেগুলো তে বেয়ে বেয়ে উঠতাম। বর্ষাকাল আসলেই শামুকের উৎপাত বেড়ে যেত। আর এই জিনিসটা আমি খুব অপছন্দ করতাম। দুইটা পাকা টেনিস কোর্ট এর মাঝে যে ঘাসের জায়গা সেখানে শামুক লুকিয়ে থাকত। দৌড়া নোর সময় পায়ে শামুক লাগলে শরীর গুলিয়ে উঠত।এইজন্য বুড়ো আংগুল এর উপর ভর দিয়ে দৌড়াতাম। তবে ক্লাবের ভেতরে অনেক কে দেখতাম কার্ড খেলতে, টেবিল টেনিস খেলতে।আমরা যারা ছোট ছিলাম তাদের ভেতরে যাওয়া মানা ছিল। একবার শুধু উত্তম কুমার স্যারের চিত্র প্রদর্শনী র সময় গিয়েছিলাম।
শুনেছি ক্লাবের ভেতরে এই খেলা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল না। অনেক নিয়ম ছিল।যারা নাকি এই নিয়ম মানত না,তাদের কষ্ট পেতে হয়ছে অন্যভাবে। ভালই হয়ছে খেলার ব্যাপার টা মাথায় আসেনি।না হলে কষ্ট পেতাম।

BH 1 এর বিল্ডিং টা তে অনেকগুলো ঘর ছিল
BH 1 এর বিল্ডিং টা তে অনেকগুলো ঘর ছিল, আর সেখানে অনেক গুলো ফ্যামিলি।প্রথমে BH 1 মানে না বুঝলেও পরে রিনি বুঝায় দিছিল মানে ব্যাচেলর হোস্টেল। এই বিল্ডিং টার সামনে একটা নলকূপ ছিল,যেখান থেকে পানি আনতে যেতে হত আমার আম্মার জন্য কারন পানিটা ছিল খুব ঠান্ডা। তাছাড়া ওখানে যারা থাকতেন তাদের বেশিরভাগ পরিবারের সদস্য কম ছিল।তাদেরকে আমার মনে হত খুব সুখী।মনে হত দুঃখের সাথে এদের পরিচয় নাই।আর সব সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন লাগত।এত অল্প জায়গায় তারা খুব সুন্দর করে ঘর টাকে টিপটপ করে রাখতেন।মাঝে মাঝে নামাজ পড়ে আসার সময় কিংবা স্কুল ছুটি র পর নিচতলার সামনে দিয়ে আসতাম। দুপুরের দিকে বিল্ডিং এর সামনে ছায়া নেমে আসত। আর কয়েক টা নারকেল গাছের পাতায় বাতাস বয়ে যেত। মন টা ভাল হয়ে যেত
photo- Taskin Ashiq


এখন এরকম হয়েছে একটু শরীর খারাপ হলে আমরা চিন্তায় পরে যাই
এখন এরকম হয়েছে একটু শরীর খারাপ হলে আমরা চিন্তায় পরে যাই।
গতকাল জসিম ভাইকে ফোন দিলে বলে আমার শরীরটা ভালনারে ভাই পেশার লো।পরে তার অফিসে গেলে বলল মুরাদের কাছে যাব,পরে টিপুর ওখানে গেলে আর মুরাদের ওখানে যায়নি।টিপুর কারখানার এক ছেলের কাজ করতে গিয়ে হাতের তিনটি আগুল কেটে যায়,টিপু বলল আগুল কেটে ফেলতে হবে,শুনে খুব খারাপ লাগলো,টিপুই সব খরচ দিচ্ছে।
এই ভেজালের দিনে আমাদের নিঃশ্বাস এর বিশ্বাস নাই।কারন সেদিন আমাদের এলাকায় বুকে ব্যাথা বলতে বলতে শেষ।মেডিকেলে নেওয়ার সময় পায়নি।
আগে আমরা অল্প খেয়েছি,কিন্তু মায়ের হাতে সে রান্না কি স্বাদ ছিল,আগে মুরগীর ঝোল দিয়ে ভাত খাওয়া হয়ে যেত,আর এখন।আগে শুধূ দেশী মুরগী ছিল,আর এখন দেশী মুরগীতে সেই রকম স্বাদ পাই না।
কি খাবেন সব ভেজাল।শাক - সবজিতে ও ভেজাল,ফল তাতেও,তাহলে বাচ্চাদের কি খাওয়াবো।এখন বাচ্চারা ঠিক মত সব দেশী ফল চিনেও না।
কারও দি বুকে ব্যাথা বা শরীর খারাপ হলে,সাথে সাথে দেরী না করে আমরা ডাক্তার দেখাই।আর আমাদের সিএসএম এ অনেক ডাক্তার আছে।পলাশ ভাই,উজ্জ্বল ভাই,মুরাদ,রিমু,হেলালী ভাই,মোজ্জামেল ভাই,মুন্নি,আরও যেসব ভাই - বোন আছে( সবার নাম মনে পরছে না)।
এদের শরনাপন্ন হতে পারি।
এখানেমোকাম্মেল-ই- এলাহী মুরাদ
ছোট ভাইয়ের কথা না বললেই নয়,তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ, কারন মুরাদ সেদিন আমার যখন ইসিজিতে কিছু আসল না,তখন সে আমায় রক্ত টেষ্ট দেয়,যার ফলে আমার হার্টে বল্ক ধরা পরে।
মুরাদ সহ সকল সিএসএম সকল ডাক্তার ভাইরা খুবই আন্তরিক।আল্লাহ আমাদের এসব ডাক্তার ভাই- বোনদের আরও অনেক বড় করুক,সেই দোয়া করি।
১৪/১৫/১৬ তে পা
দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েংগে ছবির এক দৃশ্যে দেখা যায়, নায়িকা তার মাকে তার স্বপ্নে র কথা বলছে।
আমাদের কলোনি র মেয়েরাও এই বয়স টা পার করে এসেছে। যখন তার মনোজগৎ এ আসে বদল। নিজেকে সুন্দর করে ভাবতে চায় সব মেয়ে।হতে চায় কোন ছেলের স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা। নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে চায়। অনেক সময় মেয়েটি র ভাবনা জুড়ে স্থান পেত তাকে পড়াতে আসা কলোনি র কোন বড় ভাই( Shajib Kumer Dey ভাই এর মত চকোলেট বয়) কিংবা তাদের বিল্ডিং এর এক তলা, দো তলা, বা তিন তলার কোন ছেলে, বা পাশের বাসায় বেড়াতে আসা অন্য কোন বিল্ডিং এর ছেলে, বা তাদের সামনের বা পেছনের বিল্ডিং এর কোন ভাই। অনেক সময় এই ভাইয়েরা হয়ত সেই মেয়েটি র মনের খবর রাখতেন না। আবার কাকতালীয় ভাবে অনেক সময় জেনে ফেলতেন। তারপর শুরু হত কলোনি জুড়ে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষা। এ সময় মেয়েটি যদি তার পরিবার থেকে সমর্থন পেত,তাহলে সে লোকের কথাকে থোড়াই কেয়ার করত। আবার অনেক সময় উল্টো ঘটনাও হত। অভিভাবক দের চাপে পড়ে সে তার ভালবাসাকে মাটি চাপা দিত।
তবুও মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই এই সময় টা পার করবে আর স্বপ্ন দেখে যাবে,জাল বুনে যাবে।জীবনের এই সুন্দর
সময়ে স্বপ্ন দেখা যেন কখনো না হারায়। with Rehana Alam, Taslima Khan

কলোনি র কাল্পনিক চিত্র
শুক্রবার এলেই কলোনি র মসজিদের একটা অন্য রকম রুপ দেখা যেত।সবাই নামাজ পড়তে আসত।ছোট ছোট ছেলে গুলো কে দেখতাম খালপাড়ে র উপর লোহার ছোট পুল টার উপর দিয়ে আসা যাওয়া করছে। তখন তাদের ইমাম সাহেবের ধর্মীয় বক্তব্য বা খুতবা শোনার গুরুত্ব বোঝার মত জ্ঞান হয়নি। আর যারা সিনিয়র ভাই ছিলেন, তারা নিজেরা নিজেদের মত গল্প করতেন।এর মধ্যে মসজিদের কমিটির সদস্য রা সবাইকে চুপ করে বসতে বলতেন যাতে ইমাম সাহেবের খুতবা বা বক্তব্য ভাল করে শোনা যায়। মসজিদে জায়গা সল্পতার কারনে বাইরে চটের উপর নামাজ পড়তে হত। তখন রোদের এত তীব্রতা এত বেশি ছিল না। খুতবার শেষ দিকে সবাই তাড়াহুড়ো করে নামাজে যোগ দিতে আসতেন। কেউ কেউ পেপার বিছিয়ে নামাজ পড়তেন। তবুও নামাজ আদায় করতেন

চাকুরী তে জয়েন করার জন্য ২৩ এপ্রিল ১৯৯৯ ঢাকায় বসবাসের জন্য চট্টগ্রাম ছাড়ি
চাকুরী তে জয়েন করার জন্য ২৩ এপ্রিল ১৯৯৯ ঢাকায় বসবাসের জন্য চট্টগ্রাম ছাড়ি, বিকাল ৩ টার মহানগর গোধুলী তে রওনা দিয়েছিলাম সেদিন,বাজারের বেলাল ভাই আমাকে স্টেশন পর্য্যন্ত নিয়ে এসেছিল। তখন স্টিল মিল বন্ধ হবে হবে করছে, কলোনির সব লোকজনই প্রায় রয়ে গেছে। আর আমার মনে হচ্ছিল আমি ঢাকায় চাকুরী করতে না, নির্বাসনে যাচ্ছি। ঢাকা আসার পথের পুরোটা রাস্তা ইচ্ছে হচ্ছিল চিৎকার করে কাঁদি। ঢাকায় এসে প্রথম উঠেছিলাম যাত্রাবাড়ী এলাকায় আমার ফুপুর বাড়িতে। এর আগে বছরে বহুবার ঢাকা এসেছি, কিন্ত সেটা সাময়িক সময়ের জন্য। কিন্তু এবার তো মোটামুটি পার্মানেন্ট। পথঘাট তেমন চিনিনা, সেই সকাল সাতটায় উঠে অফিসে যাই ফিরি সন্ধ্যার পর। যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকি, ওখান দিয়েই চিটাগাং এর বাস গুলো যায়, মাঝেমাঝে ইচ্ছে করে একটা বাসে উঠে চিটাগাং চলে যাই। সারাদিন মনমরা হয়ে পড়ে থাকি। এর মধ্যে ৯৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু, বাংলাদেশ স্কটল্যান্ড আর পাকিস্তান কে হারিয়ে দিয়েছে, সারা দেশে উল্লাস আর আমি ভাবছি ইস! এখন যদি কলোনি তে থাকতাম কত মজা হতো। নিশ্চয় সবাই কলোনিতে অনেক মজা করছে। কি যে একাকীত্ব আর মনমরা জীবন গিয়েছে আমার। সেই একাকীত্ব জীবনে বন্ধু Monirul Islam Monir আমাকে অনেক সময় দিয়েছে।
মরেও যে মরে না
ছোটবেলায় আমরা সিনেমা দেখতাম আনন্দ পাওয়ার জন্য। কিন্তু কিছু কিছু সিনেমা দেখার পর মন খারাপ হয়ে যেত।যেমন- কেয়ামত সে কেয়ামত তক।এই সিনেমা র শেষে দেখা যায়, নায়িকা রেশমি মানে জুহি চাওলা খলনায়ক এর গুলিতে মারা যায়। তখন ইচ্ছা হচ্ছিল ওই ব্যাটারে মেরে ফেলি। কিন্তু তার আগেই রাজ মানে আমির খান তাকে মেরে ফেলে এবং নিজে মারা যায়।সিনেমা দেখতে দেখতে কখন যে নায়িকার ভক্ত হয়ে গেছি বুঝতে পারিনি। মনে হচ্ছিল জুহি চাওলা বুঝি।একেবারেই মারা গেছে। আর দেখতে পারব না। ইশ, যদি পারতাম,আগে থেকে সাবধান করে দিতাম,যাতে ভিলেনদের গুলি খেতে না হয়।
তারপর একদিন সকালবেলা দোতলার রিপা আপা ৯ টার দিকে উনাদের বাসায় ডেকে পাঠালেন।দেখলাম,আমির আর জুহির আরেক ছবি।নাহ, জুহি আসলে মরেনি,বেচে আছে। সিনেমায় যে মৃত্যু দেখানো হয়,তা আসলে অভিনয়। সত্য নয়,সেদিন বুঝেছিলাম।রিপা আপাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলে গেছিলাম, জুহিকে আবার বাঁচিয়ে তোলার জন্য

সবাই যখন প্রিজমা দিয়ে নিজের চেহারা কার্টুন এর মত করে ফেলছে তখন মনে পড়ল
সবাই যখন প্রিজমা দিয়ে নিজের চেহারা কার্টুন এর মত করে ফেলছে তখন মনে পড়ল, কলোনি তে শুক্রবার আসলেই দুপুরে ঘুমাতে চাইতাম না।জেগে থাকতাম। দেখা যেত রিতা দের বাসায় বা রুবি আপাদের বাসায় গিয়ে বসে থাকতাম। কারন কার্টুন দেখতে হবে। থান্ডার ক্যাটস।এই কার্টুন টা দেখা প্রথম কার্টুন। খুব পছন্দ করতাম। তখন ত বিটিভির দুপুরের অধিবেশন শুরু হত ৩ টা থেকে। প্রথমে একটা মিউজিক দিয়ে স্থির চিত্র,তারপর পবিত্র কোরান থেকে পাঠ, তারপর ত্রিপিটক বা বাইবেল বা গীতা পাঠ। অল্প সময়ের জন্য দেখাত।কিন্তু এক একটা মিনিট মনে হত অনেক দীর্ঘ। শেষ হতে চাইত না। বিরক্ত হয়ে যেতাম।আর যখন কার্টুন শেষ হয়ে যেত,মনে হত এত তাড়াতাড়ি কেন শেষ হয়ে গেল।
আর এখন সময় যে কত দ্রুত চলে যায়, টের পাই না।

লিখালিখির ক্ষেত্রে " রাইটার্স ব্লক" বলে একটি কথা আছে
লিখালিখির ক্ষেত্রে " রাইটার্স ব্লক" বলে একটি কথা আছে, মানে লেখকের লেখা বন্ধ হয়ে যায়, কি লিখবে বুঝতে পারেনা। যদিও আমি কোন লেখক নই, তাই আমার ব্লক হওয়ার কিছু নেই। (অবশ্য সে ক্ষেত্রে নিরু ভাই ও মামুন কে কি বলা যায় চিন্তা করছি, কারন তাদের ব্লক আছে)। যাহোক যা বলছিলাম, আজ সারাদিন মাথায় কোন আইডিয়া আসছিল না যে কিছু লিখব, এমনিতেই বাসায় থাকলে আমার কোন আইডিয়া আসেনা, তার উপর ছেলে টার সর্দি জ্বর লেগে আছে। ওরে নিয়া কিছুটা ব্যস্ততা তো আছেই। আমার লিখার আইডিয়া ভালো আসে অফিসে কিংবা রাস্তায় জ্যামে পড়লে।
সুতরাং আমি আছি আইডিয়া ব্লকে।
ফুল ফল রঙ ঢং নিয়ে লিখা যায়, কিন্ত ফুল আর রঙের উপর লিখা একটু রিস্কি বোধ করি হয়ে যায়। তাই পোষাকের উপর লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্ত ওখানে কোন না কোন ভাবে রঙ এসে যায়, সুতরাং এটা নিয়েও লিখা যাবেনা। এবার আসি সাংস্কৃতিক জগত নিয়ে, সেখানে কিছু লিখতে চাইলে অটোমেটিকালি জুহি চাওলা এসে পড়ে, জুহি চাওলার নাম নিলে আবার অনেকের মাথা আওলা হয়ে যায়, তখন তারা আবার আমার মাধুরী মামীরে নিয়ে নাচানাচি শুরু করে দেয়। আমার মামী রে (মাধুরী) নিয়া অন্য কেউ নাচানাচি করুক এটা কি আমার ভালো লাগবে? অতএব এই লাইনও বাদ।
খেলাধুলো নিয়ে কিছু বলব সে উপায় আছে? কোথাও কোন খোলা জায়গা নাই, সব ভরাট করে বিল্ডিং আর বিল্ডিং। বাচ্চারা খেলবে কোথায় আর আমিই বা কি লিখব?
আসলে দেখা যাচ্ছে শুধু রাইটার্স ব্লক বা আইডিয়া ব্লক নয় সবকিছুই ব্লক হয়ে যাচ্ছে।
আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম
আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম,ক্লাস তাড়াতাড়ি ছুটি হত,তখন অনেক ক্ষণ খেলার সময় পেতাম। ১ টা না বাজলে বা আম্মা না ডাকলে, বাসায় যাবার কথা, গোসল করার কথা ভুলেই যেতাম। মাঝে মাঝে খেলা খুব জমে উঠছে, এমন সময় দেখতাম, বড় কোন আপা ডাকছে, ছায়াছন্দ শুরু হয়ছে। এগুলো কে বলত চোরা অনুষ্ঠান, কারন নির্ধারিত সময়ের আগে টিভি তে দেখানো হত। মাঝে মাঝে রুনা লায়লার গানও দেখান হত। ছায়াছন্দের নাম শুনে আমরা খেলা বাদ দিয়ে পড়ি মরি করে ছুটতাম। বেশিরভাগ সময় দেখানো হত, ববিতার চুরি করেছ আমার মন টা কিংবা শরমিলা ঠাকুরের যেও না সাথি গান টা। তবে কয়েক টা গান দেখানোর পরে বন্ধ করে দেয়া হত।তখন খুব রাগ হত।এত মজার খেলা টা মাঠে মারা যেত। এখন ত বিনোদনের অনেক রসদ।তবে চোরা অনুষ্ঠান এর মত আকর্ষণ করেনা

তানিয়ার জন্য শুভ কামনা
কিছুহ্মন আগে ফোন করেছিল তাড়াহুড়োর মধ্যে। শুধু বুঝলাম আগরতলা যাছছে কবিতা পড়তে। কোন ব্যানারে কাদের অনুষ্ঠান, ভেনু,প্রতিপাদ্য - কিছুই জানা হয়নি। খেলা দেখা, শোনার মত কবিতার প্রতিও আমার দূরবলতা ছোটকাল থেকে ।
আমাদের জাতীয় পর্যায় এর অনেক অনুষ্টানে কোলকাতা,আগরতলা থেকে অনেক বিদগ্ধ কবিরা আসতেন - শামসুর রাহমান বেচে থাকতে। সেখনে বিষয় থাকতো, প্রতিপাদ্য থাকতো, থকতো আরো অনেক কিছু -----
সে যাই হোক" আমাদের তানিয়ার " জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা !!
কবিতা হোক দ্রোহ - ভালোবাসায় টক মিষ্টি আমের আচার।
সাথে দু একটা ছোট্ট প্রশ্ন তানিয়ার কাছে ।
কোন ব্যানারে, কাদের সৌজন্যে,ভেন্যু,সময়, কোন কবিতা পড়ছো --এই সব ---??

খুব সকালে উঠেই ভাবছিলাম মামুন ভাইয়ের কোন পোস্ট দেখব
খুব সকালে উঠেই ভাবছিলাম মামুন ভাইয়ের কোন পোস্ট দেখব আমাদের গ্রুপের Mohammad Nazrul ভাই ওরফে টিংকু ভাইয়ের জন্মদিন উপলক্ষে। আজ আমাদের এই ভাইয়ের জন্মদিন। খুবই ভাল একটা দিন জন্মদিন উদযাপন এর জন্য। ছুটির দিন। ব্যক্তিগতজীবন এ উনি খুবই সন্তান বৎসল।আবার সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করেন। হাসিখুশি থাকতে চান।ভাই বোন দের প্রতি দায়িত্ববান মানুষ।পেজের যেকোন অনুষ্ঠান এ উনার সরব উপস্থিতি প্রমান করে কলোনি র প্রতি তার ভালবাসার ব্যাপার টা। আমি যখন নিরু ভাইয়ের অফিসে যাই,সেদিন টিংকু ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে অনেক কথা বলেন যেন আমার অনেকদিনের চেনা। দোয়া করি যেন আরো অনেক বছর এভাবে আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে পারি।বেচে থাকেন সুস্থভাবে,সুন্দর ভাবে।
তিনি একজন
আমরা যখন একটু একটু বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে তখন দেখতাম আমাদের বাসায় হুমায়ুন আহমেদের বই।আমার আপাই কিনতেন।কিন্তু আমাদের সেই বই পড়া নিষেধ ছিল।আমাদের জন্য ছিল বোতল ভুত,পিপলী বেগম।কিন্তু আমার পড়তে ইচ্ছা করত অনীশ, তোমাকে এই গল্প গুলো। আপার বইয়ের মলাটে এই প্রচ্ছদ গুলো দেখতাম। কিন্তু পড়তে পারতাম না। ভাবতাম কি এমন আছে যে পড়া যায় না। লুকিয়ে লুকিয়ে অনীশ পড়েছিলাম।দেখলাম খারাপ কিছুই নেই। এরপর আর বই পড়া হয়নি। বড় গল্পের বই এড়িয়ে যেতাম। রুপকথার গল্প পড়তেই দেখলাম ভাল লাগছে।
আপার থেকে অনেকেই বই পড়তে নিয়ে আর ফেরত দিত না।বলতেন হারিয়ে ফেলছেন। বিষয় টা আমার খুবই অপছন্দ ছিল।তাই একটু বড় হবার পর মানুশকে বই দেবার ব্যাপারে আমি কড়াকড়ি করি। এখন ত চাইলেই pdf ফাইলে অনেক বই বিনে পয়সায় পাওয়া যায়।কিন্তু নব্বই এর দশকে সবাই যখন হুমায়ুন আহমেদের বই য়ে আচ্ছন্ন হয়ে ছিল তখন বই কিনে পড়া টা কলোনি র অনেকের জন্য এত সহজ ছিল না

Thursday, July 21, 2016
জীবনের প্রথম যে জিনিস টা করা হয় সেটা মনে হয় কোন দিনই ভুলা যায়না
আমি কনফার্ম এই একটা লাইন পড়েই পাঠক বৃন্দ ( আমার এইসব আজাইরা প্যাঁচাল কয় জনে পাঠক পড়ে আল্লাহই জানে) নড়েচড়ে উঠেছে এটা ভেবে এইযে " এই গাধা টা মনে হয় তার কোন প্রেমের কাহিনী নিয়া আসছে"------ হুম ঠিকই আছে আমি আসলেই গাধা, কারন গাধারাই প্রেমে পড়ে, আর তার চেয়ে বড় গাধারা ওই প্রেম কাহিনী বলে বেড়ায়। সে হিসেবে আমি বড়সড় একটা গাধাই।
যা হোক আমি কোন আজ গাধামি করবনা, অর্থাৎ প্রেম পিরিতি নিয়ে কোন কিছু লিখবনা। আমি আজ লিখব আমার প্রথম মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে কাহিনী।
২০০৩ সাল, মোটামুটি অনেকেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে, এমনকি আমার অফিসের ( তখন আমি বসুন্ধরাগ্রুপে)পিওন ও মোবাইল চালায়। আশেপাশে র সহকর্মী রা তো আছেই, শুধু আমার কোন মোবাইল নেই।অল্প বেতন পাই তখন, মোবাইল কেনার সাহস করতেও পারিনা। অফিসে আমিই একমাত্র মোবাইল বিহীন মানুষ। নিজেকে কেমন জানি তুচ্ছ লাগছিল।
( আমি জানি এ ধরনের চিন্তা ভাবনা ঠিক না)। এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে অফিস থেকে অল্প কিছু সেলস বোনাস পেলাম, তখন সিদ্ধান্ত নিলাম মোবাইল কিনার, নিজে কিছু টাকা যোগাড় করলাম, এবার মোবাইল পছন্দ করার পালা, সাদা স্লিম সনি এরিকসনের একটি সেট পছন্দ হলো, সিম সহ লাগবে ১২০০০ টাকা, নিজেকে অসহায় লাগলো, আমার যা বাজেট এই সেট কিনতে গেলে আরো প্রায় ৫০% টাকা লাগবে, একজন থেকে কিছু লোন নিলাম, খালার কাছ থেকে নিলাম ২৫০০ টাকা। যদিও খালা এই টাকা আর ফেরত নেননি। অবশেষে কিনলাম সেই কাংখিত ফোন। কি যে আনন্দ লেগেছিল সেদিন। আমার আচার আচরন সেদিন ছোট বাচ্চাদের মত হয়ে গিয়েছিল। রাতের বেলা মোবাইল সেট আর সেটের বক্স পাশে রেখে ঘুমিয়েছিলাম। মাঝরাতে ঘুম ভেংগে মোবাইল সেট টি নেড়েচেড়ে দেখেছি। হাস্যকর সব কাজ। এমন কি এই সেট কেনার তারিখ টিও মনে আছে, ২৮ এপ্রিল ২০০৩,টানা তিন বছর এ মোবাইল সেট টি ব্যবহার করেছি। তারপর নষ্ট হয়ে যায়, এরপর সেট টি কোথায় যেন হারিয়ে যায়। আজ এই মোবাইল সেট টির কথা খুব মনে পড়ছে। জীবনের প্রথম সেট তাও আবার নিজের টাকায় কেনা একমাত্র সেট। এরপর যে সেটই কিনেছি সবগুলার বিল অফিস থেকে পেতাম।
আবার রঙ নিয়ে রংবাজি শুরু হই গেছে
আবার রঙ নিয়ে রংবাজি শুরু হই গেছে। এবারের রংবাজ হচ্ছে Farhana Islam Rony . তবে স্বস্তিদায়ক ব্যাপার হচ্ছে এই রংবাজি কোন ফুল নিয়ে নয়। এবারের রংবাজি পরনের জামার কালার নিয়া।আজকের রংবাজির রঙ ছিল সবুজ ( আল্লাহ বাচাইছে গোলাপি রঙ যে না)। যাই হোক রনির এই রংবাজিতে অনেকের পাশাপাশি আমার নাম ও চেহারা খানিও স্থান পাইছে। সে জন্য রনিকে সবুজ রঙ এর যে কোন ফুলের শুভেচ্ছা। ( অনির্দিষ্টকালের জন্য গোলাপ শুভেচ্ছা নিষিদ্ধ আছে তাই, গোলাপ শুভেচ্ছা কইলাম না)।
যাই হোক গোয়েন্দা সূত্রে রিপোর্ট পাওয়া গেছে যে রনি এরপর হলুদ কালারের রংবাজি করবে,, তাই আমি যাতে ওই রংবাজি লিস্টে থাকি তাই এই ছবি খানা দেওয়া হইল। রনি রনির মত করিয়া ছবি সাইজ কইরা নিও।
( স্টিলার তিন প্রজন্ম।
২০১৩ সালের ঈদুল ফিতরে তোলা ছবি, উল্লেখ্য আমি তখন জংগী থুক্কু ডেঙ্গু আক্রমনের শিকার, মানে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান ছিলাম)

তানিয়া আপু
স্কুল লাইফে যে কজন আপুর সাথে আমি এবং আমরা বেশি দুষ্টমি করতাম তার মধ্যে অন্যতম ছিল তানিয়া আপু। আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু জাহেদ এর বড় বোন হলেন এই তানিয়া আপু। উনার সাথে যখন আমরা দুষ্টমি করতাম উনি তখন শুধু হাসত কিন্তু কোনদিন আমাদের বকা দেন নি বা বিরক্ত হননি। জাহেদ কে বলতাম আমরা আপুকে এত রাগাই তারপর আপু কেন আমাদের কিছু বলে না। জাহেদ বলত আপু তোদেরকে খুব পছন্দ করে তাই কিছু বলে না। এই তানিয়া আপুর সাথে আমার সর্বশেষ দেখা হইছে এবং কথা হইছে সেই ২০০০ সালে। আমি উনাকে মনে হয় ভুলেই গিয়েছিলাম।
এরপর উনাকে দেখলাম ২৯ জানুয়ারি ২০১৬ তে। আমাদের প্রিয় গ্র্যান্ড আড্ডায়। আমি দাঁড়িয়ে আছি আর উনি আমার সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। আমি বললাম আপু আসসালামুয়ালাইকুম। উনি সালামের উত্তর নিল। আমি বললাম আপু আমাকে চিনছেন। উনার চাহুনি দেখে বুজলাম উনি আমাকে চিনতে পারছে না বা চিনতে কষ্ট হচ্ছে। আমি বললাম আমি সুজন, আপনার ছোট ভাই জাহেদ এর ফ্রেন্ড। উনি তারপরও আমাকে ঠিকমত চিনতে পারলনা। তারপরও বলল চিনছি। যাই হোক আড্ডায় উনার সাথে আমার আর কথা বা দেখা হয়নি কিন্তু আমি উনার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা খুবই উপভোগ করেছি।
আড্ডার পর ভাবলাম আপুকে ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠাবো। কিন্তু আমি ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠানোর আগেই উনি আমাকে ফ্রেন্ড রেকুএসট পাঠাল। বুজলাম উনি আমাকে চিনতে পেরেছে। তারপর একদিন অনেক্ষণ উনার সাথে চ্যাট হল। বলল একদিন উনার সাথে দেখা করার জন্য, আমাকে আইচক্রিম খায়াবে। কিন্তু আর দেখা করা হয়নি।
এরপর আবার দেখা হল গ্র্যান্ড ইফতার পার্টিতে। কিন্তু সময়ের অভাবে উনার সাথে ঠিকমত কথা বলা হয়নি।
গত ১৭ জুলাই রাতে গিয়েছিলাম বাবু ভাইয়ের ছেলে আর টিপু ভাইয়ের ভাতিজার জন্মদিনে।আবার দেখা হলো তানিয়া আপুসহ অনেক ভাইয়া আপুদের সাথে। আপুকে বললাম আমাকে এইবার চিনতে পেরেছেন। আপু হেসে বলল তোরে চিনব না, তুই হল ......।
এরপর অনেকক্ষণ আপুর সাথে কথা হল। তারপর আপুর সাথে একটা সেলফি তুললাম।

কিছু স্মৃতি
ছোট বেলায় আমার বেশির ভাগ সময় কাটতো জাফর ভাইদের বাসায়।ওনাদের একমাত্র বোন মুন্নী আপার সাথে।সারাক্ষন আমি ওনার সাথেই থাকতাম।ঈদের সময়ও ওনার সাথেই বেড়াতে যেতাম।জাফরভাই, সফি আলম ভাই,খালাম্মা, কাকা সবাই খুব আদর করতো।এমনকি ওনাদের বাড়ি থেকে যত মেহমান আসতো সবাই আমাকে চিনত। খুব মিস করি সেসব দিনগুলো।
পোস্টমর্টেম : পর্ব ২
লেখকের পোস্টমর্টেম থুক্কু লেখকের লেখার পোস্টমর্টেম শুরু করি দেই কি বলেন। আচ্ছা শুরু করি।
Ahsanul Tarique ফাইটার বয়, খুব কম লেখে, যখন লিখে কলোনি টা কে চোখের সামনে নিয়ে আসে।
Al Amin Billah Shujon : ওরে কি লেখক বলব না গবেষক বলব, নাকি পরিসংখ্যান বিদ বলব এটা নিয়া পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কনফিউশন দেখা দিছে।
Aslamuddin Mamun ওর লেখায়ও কনফিউশন সৃষ্টি হইছে এজন্য যে এগুলা কি তথ্য অধিদফতর এর প্রেস নোট নাকি সরকারি গেজেট?
Farhana Sammi Farhana Sammi :পারিবারিক বোঝাপড়া গুলো চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।
Farhana Islam Rony আচমকা দারুন সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়। ( যেমন আজ সবুজ রঙ এর জামা)
Shajib Kumer Dey মগা মাঝেমধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিবের মত স্টেটমেন্ট দিয়া দেয়। এই স্টেটমেন্টে আবেগও থাকে। কমেন্টস গুলো কিছুটা এটাকিং হয়।
Monirul Islam Monir এই শালা যে এতো ভালো লেখতে পারে আমি জানতাম না। কলোনিতে শালার লেখালেখি প্রতিভা ছিল পিকনিকের বাজারের লিস্ট তৈরি আর ফার্মেসি তে ঔষধ বিক্রির হিসাব পর্য্যন্ত।
Jashim Uddin ভাই, প্রেমিক পুরুষ, বলা যায় বিদ্রোহী প্রেমিক পুরুষ, সংগ্রামী প্রেমিক এবং অতি অবশ্যই সফল প্রেমিক। তাই লেখায় বিপ্লবী রোমান্স থাকে।
Samee Sam ওর লেখা পোস্টমর্টেম করতে গিয়া বাংলা টু বাংলা ডিকশনারি লাগছে, বাংলা একাডেমী ও ছুটাছুটি করা লাগছে। আর হিহি হি তো আছেই।
যাই হোক আজকের ময়নাতদন্ত এ পর্য্যন্তই, আরো কিছু লাশ ধুর আবারো মিস্টেক করি ফেললাম, আরো কিছু লেখকের লেখা ময়নাতদন্ত দেখি করা যায় কিনা।
কয়েক দিন আগে-বড় বড় তিনটা ফোড়া উঠিল দুইটি পিছনের দুই রানের শুরুর অংশে
কয়েক দিন আগে-বড় বড় তিনটা ফোড়া উঠিল দুইটি পিছনের দুই রানের শুরুর অংশে এবং বাকিটা পেটের নাভির একটু উপরে-অনেকটা আগের বঙ্গভূমির মানচিত্র-‘‘ব” দ্বীপের মত। অনেকে বলে বাগ্মীফোড়া, অনেকে বলে-বিষ ফোড়া। ফোড়ার এরূপ নামের রহস্য উৎঘাটন করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ফোন করিলাম-কেহ বলিল-এইরূপ ফোড়া উঠিলে টাকা পাওয়ার সম্ভবনা, কেউ বলিল-শরীরের সমস্ত দুর্ষিত বিষ ফোড়াকারে শরীর হইতে বাহির হয়, কেহ বলিল-ফোড়া উঠায় অনেক ব্যাথা ও কষ্ট সহ্য করতে হয়-তাই এর নাম বিষ ফোড়া। বন্ধু রেজা বলিল-দোস্ত এগুলো ডায়বেটিক হওয়ার প্রাথমিক লক্ষন। তারাতারি চিনি রোগ পরীক্ষা কর। মাথায় যেন বাজ পড়িল। অফিসের নিচে এক ফার্মিসিতে গিয়া পরীক্ষা করিলাম-রিডিং আসিল 11.3 মানে পুরা চিনি রোগ। মনকে সান্তনা দিলাম-বাবার আছে, মার ছিল, প্রকৃতি হয়ত সেই সুবাদে-উহা আমাকে দান করিয়াছে। রক্তে চিনির পরিমান-11.3 শুনিয়া আমার মিষ্টি চেহারাটা করলার তেতোরমত হইয়া গেল। বন্ধু নাজমুল কে ফোন করিয়া বিষয়টি অবহিত করিলাম। শুনিয়া নাজমুল-কাদো কাদো কণ্ঠে বলিল, দোস্ত তুই যে হাটোছ-তাতে তোর চিনি রোগ হাওয়ার কথা না। অনন্ত জলিলেরমত বলিল-দোস্ত চিন্তা করিছ না তোর চিনি রোগ হয় নাই। সব ঠিক হইয়া যাইবে-আমি তো অনেক আগের থেকে সাবধান হইয়া গিয়াছি। বন্ধু রেজা সবসময় পকেটে বাচ্চা ছেলে-মেয়েদের মত পকেটে চকলেট নিয়া ঘুরিয়া বেড়ায়।
জিজ্ঞাসা করিলে বলে-চিনির বিষয়গুলো বরাবরই একটু ঘোরালো। রক্তে চিনি বেশি হইলে বিপদ-‘‘কিডনি ড্যামেজ” থেকে শুরু করে আরও কত কি। আবার চিনি কম হলেও বিপদ। এক চামুচ চিনির ঘাটতিতে অনেকে পটল তুলে। ডায়বেটিস হলে মানুষকে এভাবে জ্বালায়। তাই রেজার এই অভিনব ব্যবস্থা। নিজের অবুঝ মনকে চিনি থেকে দুরে থাকার জন্য শান্তনা দিলাম-চিনি নাকি শরীরের জন্য ‘‘হোয়াইট পয়জন”। যেন তেন রকমের না, একেবারে সিগেরেট বা মদের সাথে তুলানা করা যায়। আহা রে নিরীহ চিনির একে অবস্থা! আমি-চিনি হইতে কিভাবে দুরে থাকিব কারণ সুখবর মানেই তো মিষ্টমুখ। সুধু তাই নয় দুঃখের খবরেও তো মিষ্টিমুখ করতে হয়। বোঝা গেলে না বোধহয়। একটু খুলে বলেলই -বুঝা যাবে।মানুষ মারা যাওয়ার তিন/চার দিনে মাথায় বাড়ীতে মিলাদ দেওয়া হয়। আর মিলাদ মানে মিষ্টি। দুঃখে স্বরণে কেন মিষ্টি দেওয়া হয়, তার হয়তো ব্যাখ্যা আছে কিন্ত আমার জানা নেই। কারও জানা থাকলে জানাবেন। আতিকের কাক্কুর সরকারের আমলে চিনি নিয়ে এক মন্ত্রী এমন কেলংকারী করেছিলেন যে মানুষ চিনিকে গাল হিসেবে ব্যবহার করতো। পরে শুনেছিলাম ঐ মন্ত্রীকে চিনি রোগে ছাড়ে নাই। ওটাই উনার কাল হয়েছিল। চিনি যদি বিষ হয় তাহলে মৌমাছির কি অবস্থা হবে-ঘটনাটি একটু খোলসা করে বলি।
ওয়ার্কার ক্লাবের এই জায়গা টা আমার খুব চেনা
ওয়ার্কার ক্লাবের এই জায়গা টা আমার খুব চেনা। কারন যখন আমাদের ১০:১৫ তে ক্লাস শেষ হয়ে যেত,বন্ধুদের অনেক কে দেখতাম ক্লাবের সামনের জায়গাটা তে খেলতে যেত।আমার যেতে ইচ্ছা করলেও যেতাম না।ভাবতাম আম্মা হয়ত চিন্তা করবে। তাই বাসায় চলে যেতাম।তবে এই ক্লাবের ভেতরে একটা দোকান ছিল আর বাইরে টিনের একটা দোকান ছিল। ভেতরের দোকান টাতে গোলাপি আর ঘিয়া রং এর এক ধরনের চকলেট পাওয়া যেত,যাকে আমরা পাওয়া যেত সন্দেশ। আর গোলাপি আর হলুদ রং এর লাঠি চকলেট আর মার্বেল এর মত গোল চকলেট পাওয়া যেত।মাঝেমাঝে ওই চকলেট গুলো কিনতে ক্লাবের জায়গা টাতে আসতে হত। তবে ক্লাবের ভেতরে কখনো ঢোকা হয়নি। চকলেট কিনেই বাসায় চলে আসতাম ভাল ছেলের মত। ছোটবেলায় কেন জানি বেশি দূরে খেলতে যেতে ইচ্ছা করত না, আবার সুমন ভাই,আরিফ ভাই,মাসুদ এরা যখন কর্নফুলী নদী দেখতে বা জিপসামের খনি দেখতে যেত, সেখানেও যেতে ইচ্ছা করত না।মনে হত আম্মা বুঝি এই আমাকে খুজবেন আর না দেখলে চিন্তা করবেন।আর এই ভেবে ভেবে আমার পুরো কলোনি র অনেক কিছুই দেখা হয়নি

সানজিদা আহমেদ সুইটি
সানজিদা আহমেদ সুইটি। Jashim Uddin ভাইয়ের বড় মেয়ে। শুধু জসিম ভাইয়ের না আমাদের পরিবারের বড় মেয়ে। ওর ডাকনাম অনেক গুলি। আমরা ডাকি সুইটি, কলেজে ডাকে রিশা, জসিম ভাই ডাকে বুড়ি আর ওর মা ডাকে মনি। ওর জন্মের আগে আব্বা ওর নাম রেখেছিল সুইটি। দেখতে দেখতে আমাদের ছোট্ট সুইটি অনেক বড় হয়ে গেলো। সে এখন আগ্রাবাদ মহিলা কলেজে দ্বাদশ শ্রেনীতে পড়ে। অতিরিক্ত বা আহামরি কোন চাহিদা নাই যা পায় বা দেয় তাতেই ও সন্তুষ্ট। পড়ালেখায় ভাল, শান্ত ও চাপা স্বভাবের মেয়ে। সুইটির জন্য সবাই ওর দোয়া করবেন। Tafsi Fariha, Ahmed Nazim, Towsif Noor Kabbo.

ঘাসের থেকে একটু রং চুরি
ঘাসের থেকে একটু রং চুরি
সবুজ পাতায় আলোর লুকোচুরি...
মামুন ভাই সবার পরিচয় দেয়,কিন্তু আমার সাথে শত্রুতা মনে হয়।তাই,নিজের ঢোল নিজেই পিটাই।হাহাহাহাহা।
১৯৯৫ এর এই মুখরা রমনী কে তার ব্যাচের পোলাপান খুব ভাল করে চিনে। :-)
সিমু অথবা সিমকা যাই হই না কেনো, আমার কোন ও আলো নেই।স্টীল মিলের হেমায়েত চাচা আর শিউলি আপার আলোয় কিঞ্চিৎ উঁকিঝুঁকি মারি আলোর নেশায়।
ছোট বোন রনির সবুজ জালে নিজেকে আমি ও জড়ালাম। হু......

মামুনের একটি পোষ্ট এর মাধ্যামে জানতে পারলাম সি এস এম পেইজের এক বছর পূর্ণ হল
মামুনের একটি পোষ্ট এর মাধ্যামে জানতে পারলাম সি এস এম পেইজের এক বছর পূর্ণ হল।এক বছরে মধ্যে আমরা ভালো মানের লেখক পেয়েছি।মানবতার সেরা উদারণ হল আমাদের সি এস এম ভাই ও বোনেরা।একজনের বিপদে কিভাবে সহযোগীতা করতে হয় তা সি এস এস বাসীর চেয়ে কেউ বেশি জানে না।তাদের এই সহযোগীয় নেই কোন রাজনৈতিক উদ্যেশ্য।নেই কোন হীনমনতা। সি এস এম বাসী জানে কিভাবে নিজেদের মধ্যে সুখ দুঃখ ভাগ করে নিতে হয়। সি এস এম পেইজে কিছু অগোছালো লেখকও আছে যেমন আমি।আমরা যারা অগোছালো লেখক তারা মূলত সি এস এম বাসীকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করি।লজ্জা কিসের আমরা আমরাই তো । যতই দূরে থাকি না কেন মনেে হয় সবাই সিএস এম তে আছি ।কিছু কিছু লেখকের লেখা প্রচন্ড অভিমান থাকে। আসলে পেইজে মান অভিমান না থাকলে পেইজ জমে না। কিছু লেখায় প্রচুর রোমান্টিকের ছোয়া থাকে যেমন রেজা ভাই ও মানিক ভাই।কিছু লেখায় আবেগ ভর্তি থাকে যেমন আমার নিরু মামা।
জন্মদিন - ২০শে আগস্ট
জন্মদিন। ২০শে আগস্ট। এই পেজটির। এক বোতল পাওনা কোক। পানির ট্যাঙ্ক। একদিন একটি জমজমাট আড্ডা।আতিক/পুলক/টিংকু/শাহিন/নাজমুল এবং পরে এদের সাথে আমি আর জসিম। শুরু হলো csm পেজের যাত্রা। আজ এই পেজের মেম্বার সংখ্যা- ৬৯০+। আগামী ২০শে আগস্ট এক বছর পুর্ন হবে।
কেক কেটে উদযাপন করলে কেমন হয়?? গত একটি বছর আমরা এই পেজটিতে প্রচুর সময় দিয়েছি। জিবনে কোনদিন আমরা যারা লেখালিখিতে ছিলাম না, আজ আমরা সেই সকল ভাই/বোন, এই পেজের দয়ায় বিশাল লেখক!!!!!!!। কিছু/কিছু সেবা মুলক কাজও আমরা করেছি। বিশাল একটি আড্ডার পর, ছোট/খাট আড্ডা-তো লেগেই আছে। csm হারানো ভাই/বোনেরা, এই পেজটিতে csm খুজে পেয়েছে।
হয়ে যাক, জন্মদিন পালনটি। দরজা/জানালা খুলাই আছে। সবার অংশগ্রহনে মুখরিত হয়ে উঠুক, জন্মদিবসটি। একসাথে সবাই বলি, শুভজন্ম দিন- csm colony.
ছোটবেলায় আমাদের পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত
ছোটবেলায় আমাদের পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত। ক্লাস টু তে উঠার পর আমাদের কে কলম দিয়ে লিখতে দেয়া হল।মাঝে মাঝে ক্লাসে লিখতে গিয়ে আমার কলমের কালি শেষ হয়ে যেত। তখন ক্লাস মেট দের কাছে কলম না পেলে আমার বড় বোনের ক্লাসে ছুটে যেতাম কলম আনতে। আপা যখন এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলেন, তখন ভরসা হলেন দেলোয়ার ভাই।উনি ক্লাস চলাকালীন সময়ে কলম নিয়ে আসতেন পকেট এ করে।কারো কলম লাগবে কিনা জানতে চাইতেন। আমাদের যারা কলমের কালি শেষ করে ফেলতাম, তারা কলম কিনতাম। দেলোয়ার ভাইয়ের কলম গুলো ছিল নানা ডিজাইনের। আর তাছাড়া সাথে সাথে টাকা না দিলেও চলত। উনার কাছে সিগারেট এর মত এক রকম কলম ছিল।কিনতে ইচ্ছা করত খুব।অনেকেই কিনেছিল। কিন্তু মানুষ খারাপ ভাবে এইজন্য কিনতাম না। ওই বয়সে মানুষের ভাল লাগা কে মন্দ লাগাকে কেন এত গুরুত্ব দিতাম তাই বুঝিনা।
photo- Shadiqul Hoque Polash vai

গত ১৭ জুলাই Babu Csm Club এর ছেলে তাজদারের জন্মদিনে
গত ১৭ জুলাই Babu Csm Club এর ছেলে তাজদারের জন্মদিনের অনুষ্টান সিএসএম কলনির E/9 এর দখলে ছিলো। যে কোন অনুষ্টান এই বিল্ডিংয়ের অধিবাসীদের দখলে থাকে। অর্থাৎ যে কোন অনুষ্টানে এই বিল্ডিংয়ের লোকসংখ্যা সবসময় বেশি থাকে। আবার যে কোন অনুষ্টানে লোক সংখ্যা যতই কম হোক E/9 এর কেউ না কেউ থাকবে। জসিম ভাই, শাহিন ভাই, তারিক ভাই,জাফর ভাই, খোকন ভাই, শফি আলম, বাবু দা, অপু, রনি, মুন্নি, নাজিম, বাবু, মনিকা, নাদিম, ফেন্সি, স্বপন, মানিক, জসিম, টিপু দে, বিথী, যুথি, লিপি এবং এই মুহুর্তে নাম মনে না পড়া আরো অনেকে। এখানে যাদের নাম উল্লেখ তারা সবাই ফেইসবুকে মুটামুটি ভাবে সক্রিয়। এদের কাউকে না কাউকে যে কোন অনুষ্টানে পাওয়া যাবে। আমরা E/9 এর বাসিন্দারা কাউকে না করতে পারি না, তাই দাওয়াত মিস করি না। Jashim Uddin, Reajul Islam Shahin, Jafar Alam Alam, Tarique Hoque, Khokan Didarul Alam, Md Shafiul Alam, Rajib Kumer Dey, Deepa Dey Tipu, Shajib Kumer Dey, Farhana Islam Rony, Mahabur Rahman Manick, Mostafizur Rahman Shapon, Bgm Khadiza, Tafsi Fariha, Ahmed Nazim Jashim Uddin, Shamima Bithi, Shazi Khan, ইউনুস রেজা, Babu Zahid, Nadeem Ahmed Shah, Tanjina Huda

এখন আমি যেখানে চাকরি করছি তা হলো আমাদের csm এর main gate এর opposite side
এখন আমি যেখানে চাকরি করছি তা হলো আমাদের csm এর main gate এর opposite side. মহাজন টাওয়ার ।আমাদের সময় যা ছিল হিন্দু পারা বা নারিকেল তলা নামে পরিচিত ।এখন এখানকার চেহারা একেবারে আলাদা ।আগে বিকেল বেলায় অফিস ছুটির পর csm এর employees রা main gate দিয়ে বের হত। এখন সেটা KEPZ এর gate ।এখন garments ছুটি হয়েছে ।দলে দলে সব garments এর মেয়ে রা বের হচ্ছে ।আমার অফিস মহাজন টাওয়ার এর 3 তলায় ।এখানে থেকে দেখা যায় মাটিতে মিলিয়ে যাওয়া csm এর উপর বড় বড় সব কারখানা কিভাবে বুক চিতিয়ে আছে ।হঠাত্ আজ সেদিকে তাকিয়ে csm এর তিন চুল্লি র কথা মনে পরে গেল ।অনেক দুর থেকে যা দেখা যেত। এখন সবই অতিত।
C 1 বিল্ডিং যেখান থেকে শুরু হয়েছিল
C 1 বিল্ডিং যেখান থেকে শুরু হয়েছিল, সেখান এ শেষ হয়েছিল D টাইপের বিল্ডিং। C 1 বিল্ডিং এর একটা বৈশিষ্ট্য ছিল, এখানে যারা থাকতেন, তারা সবাই এতই সিনিয়র ছিলেন যে আমাদের সমবয়সী খেলার কেউ ছিল না।তাই এই বিল্ডিং এর সামনে তেমন বাচ্চাদের খেলতে দেখা ছিল না। নিচতলায় থাকতেন মিতু ভাই আর টিটু ভাইয়েরা। তাদের সামনে ছিল বিরাট ফুলের বাগান। দোতলায় শুভ্রা আপারা, আরেক পাশে মিমি আপারা।মিমি আপার ছোট ভাই বাবু( যাকে ডিম্পল ডাকা হত) আমাদের সাথে খেলতেন। তিন তলায় রুমা আপা আর মিশু আপারা। একসময় পুরনো মানুষ গুলো চলে যেতে থাকে সেখানে আসেন নতুন মানুষ। তিন তলার রুমা আপারা চলে যাবার পর জুয়েল ভাইরা।উনারা চলে যাবার পর মোমিন চাচা এলেন।উনারা চলে যাবার পর আতিক ভাই রা আসলেন। ওদিকে মিমি আপারা চলে যাবার পর মিতু ভাইরা উপরে এলেন।টিটু ভাই রা চলে যাবার পর মুনমুন রা।মোমিন চাচা বসার জন্য কয়েক টা পাকা বেঞ্চ করে দিয়েছিলেন।তবুও ওই বিল্ডিং টার সামনে নিরিবিলি নিরিবিলি ভাব টা যায়নি। ওইরকম থেকে গিয়েছিল।

গতকাল আমাদের csm কয়েকজন ভাই তাদের কচি সবুজ পাতার মত
গতকাল আমাদের csm কয়েকজন ভাই তাদের কচি সবুজ পাতার মত জীবনের সময়টুকুতে বিচরণ করেছিলেন।তাদের মধুময়,বিষাদময়,ছন্দময় জীবনের আংশিক বিনিময় করেছিলেন ছন্দে ছন্দে।তারা আবেগে কিছুক্ষন সময় নিমজ্জিত ছিলেন। জসীম ভাই ছিলেন উপস্হাপক, বিশেষ অথিতি ছিলেন রিপন ভাই,যিনি অনেকের প্রেমপত্র লিখতেন নগদ টাকার বিনিময়ে।আরো কয়েকজন রোমান্টিক কবিও জোগ দিয়েছিলেন।
সমাবেশ ভালই জমে উঠেছিল।আমি সরাসরি পাঠক ছিলাম।অনেকে আড়াল থেকে পড়েছেন আর চেয়ে চেয়ে দেখেছেন।আজও মানিক ভাই csm এর সকাল বেলার আবেগের কথা না বলে পারলেন না। এনাদের বয়স বাড়তেছে না কমতেছে!রনির মনেও ছোঁয়া লেগেছে।সে সবুজের সম্ভার নিয়ে বসেছে আজ।ভাই-বোনেরাও চীরসবুজে মেতে উঠেছে।ভালই লাগছে।সবুজ মনের মত সবুজ রং চোখের জন্য ভাল।সকলে যেন তাই থাকে।
সকলেই যেন চিরসবুজ
সকলেই যেন চিরসবুজ। রং বলে কথা নয় মনের দিক থেকেও সকলে যেন চিরসবুজ। পেইজে সবসময় গোলাপি আর আকাশী রংয়ের কাপড়ের কথা শুনে আসছি কিন্তু এইযে দেখছি ভিন্ন সকল স্টীলারের গায়ে গাড় সবুজ বা হালকা সবুজের সমাহার। সবুজের মাঝে সবাইকে দারুণ লাগছে তাইনা? আপনাদের মতামত কি?
পরিচয় পর্ব - ১
আজ আমাকে সবার সাথে পরিচয় করানোর প্রচেষ্টায় আমার বাবা-মায়ের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন মনে করছি। আমার বাবা-মায়ের পাঁচ সন্তান, আমি বাবু , নিপা, টিপু, এ্যানি ও রিংকি। বাবা কাষ্টিং এন্ড ফরজিং শপ এ চাকরীরত ছিলেন। কলোনীর বিভিন্ন কাজ এবং মসজিদের সেবাও নিয়োজিত ছিলেন। আমাদের বাসা ছিলো E-7-Gতে। যে বিল্ডিং এর সামনে ছিলো কলোনীর একমাত্র স্লিপ। কতো পেন্ট যে ফুটো হয়েছে সেখানে তার হিসাব দেয়া মুসকিল। টিপুতো হাত দু টুকরো করেছিলো টারজান খেলতে গিয়ে। সে অনেক কাহীনি, পরে বলি। আমার বাবা ছিলেন অসম্ভব/বেসম্ভব একজন রাগী মানুষ। কিন্তু ছিলেন চরম এক আড্ডাবাজ। ডাঃ কাকা (আমিনুল হক সিদ্দিকী) সপ্তাহে মিনিমাম চারদিন রাত দশটার পর আমাদের বাসায় এসে বাবার সাথে আড্ডা দিতেন। চা পর্ব চলতো আর আমার মা যতক্ষন না ঘুমে ঢলে না পড়তেন তার মানে চায়ের সাপ্লায় যতক্ষন না বন্ধ হতো আড্ডা ততক্ষন চলতো। ওনি ছিলে পরোপকারী, এমন পরোপকারী যে নিজের ক্ষতি হলেও পিছ পা হতেন না। কেহ এক্সিডেন্ট করলে বা কারো কোন অসুখ করলে সবার আগে ঝাপিয়ে পড়তেন তিনি। দিনের পর দিন তিনি পার করে দিতেন অথছ নিজের ঘরের লোকজনের খাবার আছে কিনা সেই দিকে তার নজর ছিলো না। আমরা ও কিছু বলতে পারতাম না কারন সিদ্ধান্ত নেয়ার বেলায় সব সময়ই তিনি ছিলেন স্বাধীন।
আমরা সত্যিকার অর্থে তার মতো বাবা পেয়ে গর্বিত।
আরো একটা পরিচয় তার আছে, তা হলো তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধকালীন কমান্ডার।
আমার মা সদা সহজ সরল এবং কোন প্রকার ঝামেলা বিহীন একজন সাধারন মানুষ। খুবই সাধারন কিন্তু এটায় তাকে আমাদের মাঝে তুলে ধরলো অসাধারন করে। আমাদের পড়াশুনা, খাওয়া দাওয়া ইত্যাদির প্রতি তার ছিলো বিশেষ মনোযোগ। বাসায় ছিলো সর্বোক্ষনিক মেহমান, কিন্তু তিনি বিন্দুমাত্রও বিরক্ত হতেন না। মানুষকে রেধেঁ খাওয়াতেও তিনি পছন্দ করেন।
আমরা গর্বিতো যে আমরা তাদের সন্তান।
দোয়া করবেন তারা যেনো আজীবন স্বাধীন থাকেন এবং সুস্থ ও শান্তিতে থাকেন। আমিন

মরহুম শ্রদ্ধেয় মালেক স্যারের কোন ক্লাস করার সৌভাগ্য আমার হয়নি
মরহুম শ্রদ্ধেয় মালেক স্যারের কোন ক্লাস করার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তার আগেই স্যার প্রয়াত হন।তবে ছোটবেলায় এই ক্লাস রুমে আমাদের ক্লাস থ্রি র ক্লাস হত। বন্যা পরবর্তী কালীন সময়।সুজন,খোকন, আফরোজ ক্লাসে অনুপস্থিত। ওদের মুসলমানি হয়ছিল।ওদের অনুপস্থিতি তে আমি ছেলেদের ক্যাপ্টেন। প্রতিদিন বিজ্ঞান ক্লাস নিতেন মাকসুদা আপা।উনার কথামত বেত আনতে পাশের ক্লাসে যেতে হত,সেখানে মালেক স্যার ক্লাস সিক্সের ক্লাস নিতেন।আমি গিয়ে সালাম দিয়ে বলতাম,
স্যার, মাকসুদা আপা বেত টা দিতে বলছেন,
স্যার বলতেন, কেন?
আমি বলতাম, লাগবে উনার,
স্যার বলতেন, কেন লাগবে?
আমি বলতাম, স্যার,দেরি হলে আপা বকা দিবেন।
এটা শুনে স্যার হেসে বেত টা দিয়ে দিতেন। স্যারের এই মজা করাটা আমিও উপভোগ করতাম। স্যার কোন দিন আমার ক্লাসে পরীক্ষার নিরীক্ষক হিসেবে আসেন নি।কিন্তু বড় যারা উনার ক্লাস পেয়েছেন,তাদের মুখে শুনেছি, স্যার খুব ভাল মানুষ ছিলেন। আমি হয়ত সেই ভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছি।আল্লাহ যেন স্যার কে জান্নাতে শান্তিতে রাখেন।photo- Mahabub Rashel vai

আমার গায়ের কালার অনুয়ায়ী নাকি সাদা রং টা বেশী মানায়
আমার গায়ের কালার অনুয়ায়ী নাকি সাদা রং টা বেশী মানায়। তাই আমারও সাদা রং টা বেশী পছন্দ। যদিও পাঠ্যপুস্তক অনুয়ায়ী সাদা কোন রং নয়। তারপরেও বাধ্যহয়ে সাদাকে এক নম্বরে রাখতে হয়। আমার বেশীর শার্ট, পাঞ্জাবী হয় সাদা না হয় সাদার উপর স্ট্রাইপ কিংবা চেক। বয়সের কারনে মনটা সবুজ থেকে আস্তে আস্তে একটু হালকা সুবজের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু চেষ্টা করছি পুরোপুরি সবুজ রাখার জন্য। তাই ইদানিং কালারের দিকে যাচ্ছি। তবে সবুজ ছাড়া। উপরে কালারফুল পড়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি মনটা এখনো সবুজ আছে। অবশ্য আমি যে সব কালারফুল জামা পড়ি এগুলি একটাও কালারফুল না সবই হালকা কালার। অর্থাৎ সাদার পরে আমার প্রিয় হালকা কালারগুলি হচ্ছে, ক্রীম, গোলাপী, পেস্ট, আকাশী, মিষ্টি কালার ইত্যাদি। যদি এই জাতীয় কালারগুলিয়ে ফেলি। কোনটা ক্রীম কোনটা হালকা গোলাপী।
এখানে চার নম্বরের যে পাঞ্জাবিটা আছে তা কখনও কিনি নাই। মনে হয় ভবিষ্যতেও কিনবো না। তবে কেউ গিফট দিলে তখন ব্যবহার করি। এবারের ঈদে এইটা অবশ্য আমাকে একজনে গিফট দিয়েছে। আর বাকি যে গুলা আছে সেগুলিও সব আমাকে টাকা দিয়ে কিনতে হয় নাই, তবে চয়েস করতে হয়েছে।

একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত কলোনি র পুকুর পাড় টা আমার কাছে রহস্য জনক জায়গা মনে হত
একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত কলোনি র পুকুর পাড় টা আমার কাছে রহস্য জনক জায়গা মনে হত। চারদিকে বেড়া দেয়া। সেই বেড়া বেয়ে উঠেছে কিছু লতানো গাছ। পুকুর টা নাকি কারা ইজারা নিয়েছিল। তাই সবাই ঢুকতে পারেনা।একটা লুংগি পড়া লোক কে দেখতাম ভেতরে। কখনো কাছে যেতে ইচ্ছা করত না পুকুর টার। সেই লোক গুলো র ইজারার মেয়াদ শেষ হলে পুকুর টা সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। কেউ কেউ গোসল করত,আবার কাউকে দেখতাম মাছ ধরার জন্য ঘন্টা র পর ঘন্টা বসে আছে।আমি তাদের ধৈর্য দেখে অবাক হতাম কিন্তু আমার পানিভীতি র কারনে পুকুরে যেতাম না।আম্মাও চাইতেন না আমি পুকুরের কাছে যাই। একবার মানিক ভাইয়ের সাথে গিয়েছিলাম। তাছাড়া পুকুরে কেউ নাকি গোসল করতে গেলে তাকে পানি টেনে নেয়।এসব কথা ছোটবেলায় খুব বিশ্বাস করতাম। পরে চলে আসার পর শুনেছি জুনিয়ারা আপার ছোট ছেলে মুরাদ পুকুরে গোসল করতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।
photo- Taskin Ashiq

FAREWELL DINNER FOR S S KIBRIA 8th BATCH ( CIVIL )
S S Kibria ( Kibria Vai) retired as Chief Engineer of BEPZA on 30th April, 2016. He joined BEPZA back in 1984.Before joining here he served as Lecturer in CEC.
Kibria vai had a lot of contributions to build BEPZA as a prestigious organization of Bangladesh throughout the world. As an engineer he is talented, knowledgeable, sincere and professional. As a man he is polite,humble a friendly with a pleasant personality.
I had the opportunity to work with him for few months. I will remember the days for the rest of my life which I spent with him.
I pray for him and his family to remain safe,sound and happy for many years to come. All CEC an are requested to pray for him.
May Allah bless us.
মাঠের পাড়ে দূরের দেশ
ছোটবেলায় একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমি আমাদের বাসার সামনের মাঠেই খেলতাম। দূরে কোথাও যেতাম না। আর C 2 এর বিল্ডিং এর চারপাশে ও খেলতাম।কিন্তু আস্তে আস্তে যখন সবাই বড় হতে লাগল, তখন মাঠে খেলতে আসা মানুষের সংখ্যা কমতে লাগল।এক সময় ত খেলার জন্য কাউকে পাওয়া যেত না। তখন অন্য বিল্ডিং এর মাঠের সামনে যাওয়া শুরু করলাম।কখনো তারিক ভাইদের সামন, কখনো তাসকিন ভাইদের সামনে।তাসকিন ভাইদের বাসার সামনে বিশাল বড় মাঠ ছিল। অনেকেই খেলতে পারত।তাছাড়া ঘাসে ভরা হওয়াতে দৌড়ানোর। সময় আরাম পেতাম। আস্তে আস্তে এই মাঠ টাতে বেশি আশা শুরু করলাম।যদিও বাসা থেকে কিছুটা দূরে। তবুও।
আমাদের বাসায় যারা বেড়াতে আসতেন,তারা প্রায় বলতেন বাসার সামনে এত বড় মাঠ সবখানে থাকেনা। আর এখন ত মাঠে বাচ্চারা খেলবে ব্যাপার টা অনেক টা অভূতপূর্ব ঘটনার মত।বাসা থেকে দূরে এই মাঠ টার ছবি টা দেখতেই তাই মনে হল

Subscribe to:
Posts (Atom)